ইনসাইড থট


বিজয়ের এই মাসে

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে গেছে। কারণ মুক্তিযুদ্ধের পরও আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূল করতে পারিনি। আমরা মনে করেছিলাম, রণাঙ্গনের সংগ্রামের ভেতর দিয়ে পাকিস্তানপন্থীদের অস্তিত্ব বিলীন হবে। কিন্তু বিস্ময়করভাবে দেখলাম বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর ওই বাংলাদেশ বিরোধীরাই ২১ বছর একাধারে এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছে।

আরো পড়ুন...
কবিতা

গত এক দশক ধরে হন্যে হয়ে খুঁজেছি এ পৃথিবীতে আমার জন্মের লগ্ন বা তিথিটা ঠিক কখন। পূর্ব পুরুষের রেখে যাওয়া সিন্দুকের তলানিতে কাঠের সাথে আটকে থাকা প্রায় মুছে যাওয়া অক্ষরের দলিলপত্রও নানা সময়ে হাতিয়েছি। কিন্তু কাগজে কলমে কোথাও পাচ্ছিলাম না। যদিও স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা নিশ্চিত করে যে, আমার আগমন আর ষাটের দশকের শুরুটা প্রায় এক সঙ্গেই হয়। মাঝেমধ্যে মনের গহীনে পরিতাপ বোধ করলেও প্রয়াত মা-বাবাকে কখনও দায়ী করি না। কখনো মনে হয়, বাবার সাথে আলোচনা করেই প্রধান শিক্ষক যথার্থ দিনক্ষণ বসিয়ে দিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন...
প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে, প্রাণিবীমার সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার: আমাদের করনীয়

বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ একটি ঝুঁকিপূর্ণ খাত। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা জলবায়ু প্রভাবজনিত কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিংবা নিত্যনতুন অনিয়ন্ত্রিত রোগ-ব্যাধি সংক্রমণ গুরুত্বপূর্ণ এই খাতটিকে বাণিজ্যিকীকরণে বাঁধাগ্রস্থ করছে। অথচ এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছে ১ কোটি ৪ লক্ষ পরিবার। শুধু তাই নয়, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন, মেধাবী জাতিগঠন ও গ্রামীন অর্থনীতিতে রয়েছে প্রাণিসম্পদের বিশাল অবদান।

আরো পড়ুন...
আস্থাশীল, টেকসই পুঁজিবাজার গড়তে চাই

মহামারি করোনাভাইরাসের আঘাত শেষ না হতেই ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির থাবা পুরো বিশ্বের অর্থনীতিকে টালমাটাল করে দিয়েছে। এর উত্তাপ লেগেছে বাংলাদেশেও। এরই মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝড়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট অর্থনীতিকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাপনে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ এখন চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। তাদের আয় নেই, অথচ খরচ বেড়েছে।

আরো পড়ুন...
সমাবেশ, সংলাপ ও নির্বাচন

রাজনীতির ময়দানে সংলাপ, সমাবেশ ও নির্বাচন খুবই প্রাসঙ্গিক ও প্রাচীন আলোচনা। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে শব্দ তিনটির উত্তাপ বরাবরই বেশি। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর হাতে একটি স্মার্ট রাজনীতির প্রেক্ষাপট রচিত হলেও ১৯৭৫ এর আগস্ট পরবর্তী সময়ে সেই রাজনীতির ধারাবাহিকতা মুখ থুবড়ে পড়ে। জন্ম নেয় বিশৃঙ্খল একটি নয়া রাজনৈতিক ব্যবস্থা।

আরো পড়ুন...

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কি সারা বছর চলবে?

আমাদের দেশে ডেঙ্গু জ¦র প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৬৪ সালে। পরবর্তী ৬০ বছরে খুবই সীমিত আকারে সংক্রমণ ছিল বিক্ষিপ্তভাবে। আতঙ্ক তো ছিলই না, এমনকি খুব একটা পরিচিতিও ছিল না। প্রাদুর্ভাব ও আতঙ্ক নিয়ে হাজির হয় ২০০০ সালে। স্বাস্থ্য বিভাগ তো প্রথম দিকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের কথা উচ্চারণ করতেই চায়নি। চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তখন একটা মিছিল বের করেছিল।

আরো পড়ুন...
মেয়র হানিফের সংগ্রামী জীবন নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করবে

ঢাকার রাজনীতির মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর মোহাম্মদ হানিফ। তিনি ছিলেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত সফল মেয়র ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সফল সভাপতি। চারশ বছরের প্রাচীন শহর রাজধানী ঢাকা। ঐতিহ্য আর নানা সংস্কৃতির বৈচিত্রের কারণে ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম মেগাসিটি।

আরো পড়ুন...
মহামান্যের সমাবর্তন ভাষণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের দিনগুলি

ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে মহামান্য বেশ কিছু কথা বলেছেন যা জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। ১৯৯০ সালের ১১ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এরশাদের আদেশ অমান্য করে যে আন্দোলন শুরু করেছিল সেকথা আমি আগের লেখায় বলেছি।

আরো পড়ুন...
নেত্রী চাইলে দলের প্রয়োজনে যে কোনো মুহূর্তেই দেশে ফিরতে প্রস্তুত

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের দুঃসময়ের নির্যাতিত কর্মী, সাবেক কর্মী ড. রূপন রহমান ফোন করে বললেন, ‘কবি, স্বাচিপ সম্মেলনে মহাসচিব প্রার্থী হচ্ছো তো?’ একই সময়ে দেশ-বিদেশের আরো অনেক চিকিৎসকই আমাকে এই প্রশ্নটি করেছেন। চিকিৎসকদের গণআকাঙ্খার প্রেক্ষিতে আমার মনে হলো, এবার সম্মেলনে আমার আসলে প্রার্থী হওয়া উচিত...

আরো পড়ুন...
অর্থনীতিবিদদের অর্থনৈতিক জ্ঞান শূণ্য

সম্প্রতি আমাদের দেশে যখন আইএমএফ এর প্রতিনিধি দল আসে তার আগে দু’টি পত্রিকা এবং এই সকল বুদ্ধিজীবী অর্থনীতিবিদরা বিভিন্নভাবে এবং অর্থনীতি যারা বুঝেনা তারাও অনেক লেখালেখি করলো যে, আইএমএফ শেষ পর্যন্ত আসবে না। আসলে পরেও কঠিন কঠিন শর্ত দিবে। তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত কোনো লোন দিবেনা। শেষ পর্যন্ত দেখা গেলো বাংলাদেশের সাথে আলাপ করে উভয় পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য সেরকম একটি ব্যবস্থায় আইএমএফ লোন দিলো।

আরো পড়ুন...
ক্ষণজন্মা কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা

আশির দশকের মাঝামাঝি ছাত্র রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের ‘বদিউজ্জামান বাদশা’ নামটির সাথে পরিচয় থাকার কথা । এক সময় মেধা, বিস্তর পড়াশুনা আর অনর্গল তথ্যে-উপাত্তে বক্তৃতা দেবার সক্ষমতায় ছাত্র রাজনীতিতে কিছু অভিজাত নেতার দেখা মিলতো, বদিউজ্জামান বাদশা ছিলেন তাঁদেরই একজন।

আরো পড়ুন...
এটা কি একটি খুব সুপরিকল্পিত, সুসংগঠিত ধীরগতির ক্রমবর্ধমান ষড়যন্ত্র?

যেহেতু বাংলাদেশ এখনও “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়”, সার্বভৌম পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে, তাই বাংলাদেশ আমেরিকার দাবির চাপের কাছে মাথানত করে তাদের দাবি মানতে সম্মতি দেয়নি, বা প্রকাশ্যে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার নিন্দা করছে না, তাই চাপ বাড়ছে। দিন দিন চাপ আরো বাড়বে। আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ যদি জোটে যোগদানের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেয়, বা প্রকাশ্যে রাশিয়ার নিন্দা করে তাহলে বাকি সব দাবি ভেস্তে যাবে, নাকচ হয়ে যাবে। কিন্তু সেটা হবে আমাদের সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে দাস হয়ে যাওয়া।

আরো পড়ুন...
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসবে না

রাজনীতি সচেতন উৎসুক সকলেই ভাবছেন - এবং তাদের মনে একটি প্রশ্ন - নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসছে কি ? গতকাল সকাল বেলায় আমার এক প্রিয় অধ্যাপক বলে ফেললেন - তত্ত্বাবধায়ক সরকার তো হচ্ছে ! আমি কঠোরভাবেই সেই সম্ভাবনা নাকচ করে দিলাম। আমি তাকে আমার যুক্তিগুলো দিলাম। ২০১৪ ০ ২০১৮ সালে বিএনপির তেমন কোনো শক্তি ছিলোনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ফিরিয়ে আনার। ২০১৮ সালে বিএনপি নানা কৌশলে নির্বাচনে এসেছিলো। আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনেও বিএনপি নির্বাচনে আসবে। যদিও তারা বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না।

আরো পড়ুন...
জন্মদিনের দিনের খোঁজে

। পূর্ব পুরুষের রেখে যাওয়া সিন্দুকের তলানিতে কাঠের সাথে আটকে থাকা প্রায় মুছে যাওয়া অক্ষরের দলিলপত্রও নানা সময়ে হাতিয়েছি। কিন্তু কাগজে কলমে কোথাও পাচ্ছিলাম না। যদিও স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা নিশ্চিত করে যে, আমার আগমন আর ষাটের দশকের শুরুটা প্রায় এক সঙ্গেই হয়। মাঝেমধ্যে মনের গহীনে পরিতাপ বোধ করলেও প্রয়াত মা-বাবাকে কখনও দায়ী করি না।

আরো পড়ুন...
'মুজিব বাংলার মানুষকে ফেলে বেহেশতে গেলেও শান্তি পাবেনা'

বঙ্গবন্ধু কতটা দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন উপর্যুক্ত বক্তব্যেই তা প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর বেঁচে থাকা অবস্থায় বিদেশী কোনো শক্তিই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারেনি। অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপের যদি সুযোগই থাকতো তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর ৯০ হাজার সদস্যকে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে নিজদেশে ফিরিয়ে নিতেন না। বিশ্বে বহুদেশের স্বাধীনতাত্তোর মিত্রবাহিনীর দীর্ঘসময় ধরে থেকে যাবার নজীর ছিলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হিমালয়সম ব্যক্তিত্বের কারণে সেই সুযোগ পাননি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী।

আরো পড়ুন...
বঙ্গবন্ধু হত্যার দায়মুক্তি দিল কে? (তৃতীয় ও শেষ পর্ব)

আমাদের তথ্য অনুসন্ধান ও গবেষণায় দেখা যাচ্ছে মোশতাক সরকারের সাথে পরাশক্তির সম্পর্ক গঠনে যেসব আমলা ও কূটনীতিক ভূমিকা রেখেছেন তাদের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করা যা গুটিকয় দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা ছাড়া বেশিরভাগই করেননি কারণ তাদের চাকুরী ও জীবন রক্ষার অজুহাত ছিল।

আরো পড়ুন...
বঙ্গবন্ধু হত্যার দায়মুক্তি দিল কে? (দ্বিতীয় পর্ব)

কাগজ-পত্র ও ইতিহাসের দলিলগুলো নিয়ে বসলে আমরা বিচলিতবোধ করি। এমনও অনেক মানুষ আছেন ১৯৭১ সালে যারা গৌরবময় ভূমিকা রেখেছিলেন, পরবর্তিতে বঙ্গবন্ধু সরকারের সব সাফল্যের সুবিধা নিয়ে বড়ো বড়ো পদে আসীন হয়েছেন, তাঁরা ‘৭৫ সালের ঘটনার সাথে সাথে ভোল পাল্টে ফেলেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার দায়মুক্তির দায় থেকে এদের কেন আমরা বাদ দিতে যাবো? এটা কি স্বতঃসিদ্ধ ছিল যে বঙ্গবন্ধুর পর এভাবেই ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘুরিয়ে দেয়া যাবে আর সে রথযাত্রায় অংশ নিতে কেউ কেউ তৈরিই ছিলেন?

আরো পড়ুন...