ক্লাব ইনসাইড

ঢাবির ছাত্রদের মারধরের স্বীকার হলেন ঢাকা মেডিকেলের ইন্টার্ন

প্রকাশ: ০৩:৫০ পিএম, ০৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঢাবির ছাত্রদের মারধরের স্বীকার হলেন ঢাকা মেডিকেলের ইন্টার্ন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। 

সোমবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই ঘটনা ঘটে বলে জানান ভুক্তভোগী চিকিৎসক এ. কে. এম সাজ্জাদ হোসেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে এই হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সাজ্জাদ শহীদ মিনারে বসেছিলেন। এমন সময় ছয় থেকে সাত জনের একটি দল তার কাছে আসে, যাদের গায়ে ঢাবির লোগো সম্বলিত টি-শার্ট ছিল। এ সময় তারা আইডি কার্ড দেখতে চান, কিন্তু তিনি আইডি মেডিকেলে রেখে আসার কথা জানালে তাকে ব্যাপক মারধর শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। কানে থাপ্পর মারায় তার কানের পর্দার আশপাশে রক্তক্ষরণ হয়। এরপর থেকে তিনি ডান পাশের কানে কম শুনতে পাচ্ছেন। এছাড়া মারধরের সময় নাকে আঘাত লাগার কারণেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাজ্জাদ বলেন, সোমবার রাত ৯টার দিকে আমি শহীদ মিনারে বসেছিলাম, তখন ঢাবির লোগো সম্বলিত টি-শার্ট গায়ে ছয় থেকে সাত জন এসে আমার পরিচয় জানতে চায়। পরিচয় দেওয়ার পরও তারা আমার পরিচয়পত্র দেখতে চায়। আমার কাছে পরিচয়পত্র নেই জানালে তারা আমাকে বলে, ‘পরিচয়পত্র নেই কেন? আমাদের কাছে তো পরিচয়পত্র আছে।’ তখন আমি বললাম, ‘সবাই কী সবসময় পরিচয়পত্র নিয়ে ঘুরে?’ এই কথা বলার পর সঙ্গে সঙ্গে আমাকে একজন থাপ্পড় মেরে বসে। এরপর আরো দুই তিন জন এসে আমাকে চড়-থাপ্পর মারা শুরু করে।

তিনি বলেন, মারধরের একপর্যায়ে আমি চিৎকার করে বলে উঠি, ‘আপনারা চাইলে আমার সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে আমার পরিচয়পত্র দেখে আসতে পারেন।’ তখন তারা আমাকে দ্রুত ওই স্থান থেকে বিদায় করার জন্য তৎপর হয়ে ওঠে। আমি চলে যাওয়ার সময় যে যেভাবে পারছিল, আমাকে মারধর করছিল এবং চলে যেতে জোর করছিল। ঠিক এই সময় কেউ একজন আমার কানের ওপর জোরে থাপ্পর দিলে আমি বসে পড়ি। বসে কেন পড়লাম, এই অপরাধে একজন জুতা পায়ে আমার মুখে লাথি মারে। এ কারণে আমার নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়। এরপর আমি চলে যেতে চাইলে যাওয়ার পথে যে যেভাবে পেরেছে আমাকে মারধর করেছে রিকশায় ওঠার আগ পর্যন্ত। যারা মারধর করেছে তাদের প্রায় সবার গায়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সম্বলিত টি-শার্ট ছিল।

ভুক্তভোগী সাজ্জাদ বলেন, ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও আমার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটবে তা আমি কল্পনাও করিনি। পরে জানলাম এমন ঘটনা আরো অনেকের সঙ্গে ঘটেছে। আমি এর যথাযথ বিচার চাই। অভিযোগের পাশাপাশি আমি মামলাও করব।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম গোলাম রব্বানী  বলেন, এ সংক্রান্ত এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ এবং তথ্য প্রমাণ পেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়   ঢাকা মেডিকেল   মারধর  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

হাবিপ্রবিতে শুদ্ধাচার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০১:০২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail হাবিপ্রবিতে শুদ্ধাচার প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে “শুদ্ধাচার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ” কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডীন ও চেয়ারম্যানগণের অংশগ্রহণে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় আইকিউএসি কনফারেন্স রুমে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের অংশ হিসেবে উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. বিকাশ চন্দ্র সরকার এবং সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি'র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ শাহ্ মইনুর রহমান। কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. কামরুল আলম খান। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান বলেন, একটি দেশে যদি সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে তবে যেকোন লক্ষ্য বাস্তবায়ন অনেক সহজ হয়। এক্ষেত্রে কিছু কিছু বিষয়ে আমরা এখনও কিছুটা পিছিয়ে আছি, আশা করি সামনে এটি আমরা অতিক্রম করতে পারবো। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কিভাবে নিশ্চিত করবো সেটি আজকে আমাদের আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু।

হাবিপ্রবি   শুদ্ধাচার প্রশিক্ষণ কর্মশালা   অনুষ্ঠিত  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

প্রকাশ: ১২:২৬ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসীকে রুম থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নির্যাতনের অভিযোগে ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নুরের আদালতে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মামলা করেন জান্নাতুল ফেরদৌসী। মামলায় অজ্ঞাতনাম আরও ২৫/৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নূর আলম। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী আমির আলী, আনোয়ার হোসেন মনির, সরকার রাশেদুল ইসলাম, আবুল কালাম মাজেদুর রহমান।

গত কয়েকদিন আগে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সিট বাণিজ্য নানা অসঙ্গতি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুন ফেরদৌসী। ঘটনার পর শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় হলের কক্ষে গিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, কামরুন নাহার জ্যোতি, শিরিন আকতার, রিতু, স্বর্ণা, নুরজাহান, ফেরদৌসী, লিমা, পপি, বিজলীসহ আরও কয়েকজন।

নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীকে নির্যাতনের একটি অডিও ফাঁস হয়ে। অডিওতে শোনা যায়জান্নাতুল ফেরদৌসী তাদের বলেন, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোনো কথা নেই। আমি প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলবো তখন কক্ষে উপস্থিত এক নেত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি ওই যে বাইরে বসা

পরে জান্নাতুল ফেরদৌসীকে টেনেহিঁচড়ে পুকুর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমি অসুস্থ। অথচ আমিসহ যারা ঘটনার প্রতিবাদ করলো তাদের বহিষ্কার করা হলো। এটা কেমন অন্যায়!

ইডেনে ছাত্রলীগের সিট বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু নিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসীর দেওয়া বক্তব্য দিয়ে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করা এক সাংবাদিক বলেন, আমি গত কয়েকদিন আগে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সিট বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু নিয়ে একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করি। এতে সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী সাক্ষাৎকার দেন। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের অন্য নেত্রীরা যখন জান্নাতুল ফেরদৌসীর কক্ষে প্রবেশ করেন তখন সে আমাকে কল দেন। আমি কলটি রেকর্ড করে রাখি। পরে তাকে বের করে নেওয়ার সময় উপস্থিত নেত্রীরা ফোন কাটতে বাধ্য করেন। পরে আমি ফোন করলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ঘটনায় ওই দিন রাতেই বিক্ষোভ করেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের একাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরদিন আবারও আন্দোলন করে ছাত্রলীগের একাংশ। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা। এসময় দুগ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। একই দিন রাতে কলেজে ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করে ১৬ জনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।


ইডেন কলেজ   ছাত্রলীগ সভাপতি   ছাত্রলীগ সম্পাদক   তামান্না জেসমিন রিভা   রাজিয়া সুলতানা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ঢাবিতে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ১০

প্রকাশ: ০৬:৩৪ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ঢাবিতে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ১০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের সাথে দেখা করতে এসে ছাত্রলীগের হামলার মুখে পড়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটের দিকে ছাত্রদলের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী নীলক্ষেতের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের প্রবেশদ্বার দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন। এসময় লাঠি ও স্টাম্প নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় নেতৃত্ব দেন স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুনিম শাহরিয়ার মুন।

হামলায় ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং আহতদের রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও ইসলামিক হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল। ঢাকা পোস্টকে তিনি বলেন, আমাদের অন্তত ১০-১৫ জন আহত হয়েছে, ৪-৫ জন গুরুতর আহত। গুরুতর আহতদের মধ্যে আছেন ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম।   

ছাত্রদলের আহতদের মধ্যে রাজু, শাওন, আরিফ, আমিনুল, সোহাগ, সোহেল ও জুবায়েরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

হামলার পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। ছাত্রদলের চামড়া তুলে নেব আমরা, জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়, ছাত্রদলের আস্তানা, এই ঢাবিতে হবে না;  হই হই রই রই, ছাত্রদল গেলি কই, ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।  

বিকেল ৫টার পর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন।


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

কুবির ফার্মেসী বিভাগে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত

প্রকাশ: ১২:৫৯ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কুবির ফার্মেসী বিভাগে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের দিনব্যাপী নানা আয়োজন সম্পূর্ণ হয়েছে। আয়োজনের মধ্যে ছিল বিশ্ব ফার্মাসিষ্ট দিবস পালন, নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় এবং হেল্প পিপল গেট ওয়েল প্রতিপাদ্যে সেমিনার। 

রোববার (২৫শে সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসিষ্ট দিবস উপলক্ষে এক র‍্যালির মাধ্যমে দিনব্যাপী আয়োজনের সূচনা হয় এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর (বার্ড) ময়নামতি অডিটেরিয়ামে ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক ও প্রভাষক বিদ্যুৎ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় এবং সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও ট্রেজারার ড. মোঃ আসাদুজ্জামান এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেনেটা লিমিটেডের জিএম মোঃ ওবাইদুল ইসলাম  । 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি বিজ্ঞান শিক্ষা ও এর সাথে সম্পর্কিত মানুষদের ছাড়া কোন বিশ্ববিদ্যালয়, দেশ ও পৃথিবী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। আমাদের প্রয়োজন অনেক বেশি বিজ্ঞানী, আমাদের প্রয়োজন অনেক বেশি ফার্মাসিষ্ট। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য হিসেবে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আমি এখানে যতদিন রয়েছি একাডেমিক কোয়ালিটিতে সর্বদা আমার অধিক গুরুত্ব থাকবে। '

ট্রেজারার ড. মোঃ আসাদুজ্জামান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, 'কেন আমরা ফার্মেসীতে পড়াশোনা করি? কেনই বা পড়াশোনা করব? সেটা সবার আগে আমাদের অনুধাবন ও ধারন করতে হবে। করোনার সময় জাতি বুঝতে পেরেছে একজন ফার্মাসিষ্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান পরিস্থিতে জনগণকে মেডিসিন সম্পর্কে সচেতন করার দায়িত্ব আপনাদের।'  

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়   ফার্মেসী বিভাগ   বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বহিষ্কৃত হওয়ায় অনশনের হুমকি ১৬ নেত্রীর

প্রকাশ: ১২:১৮ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বহিষ্কৃত হওয়ায় অনশনের হুমকি ১৬ নেত্রীর

ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৬ নেতাকর্মীকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কমিটি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান বহিষ্কৃত নেত্রীরা। তা না হলে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন তারা।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কলেজ গেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী সুস্মিতা বাড়ৈই বলেন, কীভাবে তদন্ত ছাড়া এ বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ভিত্তিহীন বহিষ্কারাদেশ যদি প্রত্যাহার এবং এর সুষ্ঠু বিচার না করা হয় তাহলে আমরা আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করব।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত ১ নম্বর সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মী জান্নাতুল ফেরদৌস আপুর ওপর হওয়া হামলার ঘটনায় এতসব ঘটনা। অথচ সেই আপুর ওপর হওয়া হামলার কোনো বিচার না করে আমরা যারা এটির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার না হয়ে একপাক্ষিক বিচার হয়েছে। এই একপাক্ষিক বিচারের প্রতিবাদে আমরা একটু পর ধানমন্ডির পার্টি অফিসে গিয়ে আমরণ অনশন করব।’

এর আগে রোববার রাতে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

সেইসঙ্গে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা উর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি, সাদিয়া জাহান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা, সূচনা আক্তারকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে এই বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রীভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে ‘সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির’ অভিযোগ এনে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ায় শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সংগঠনটির সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে ছাত্রীনিবাসের একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করার অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনায় মধ্যরাতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একাংশের বিক্ষোভে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা রীভা ও রাজিয়ার বহিষ্কারের দাবি জানান।

পরে রোববার দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ আসে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন— ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি তিলোত্তমা শিকদার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি।

তদন্ত কমিটির প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে রোববার দুপুরে বিরোধী পক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাংগঠনিক ব্যবস্থা না এলে গণপদত্যাগের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এরপর বিকেলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সংবাদ সম্মেলন করতে এলে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুইপক্ষ। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।  দুইপক্ষের মারপিটে কলেজ শাখার সভাপতিসহ অন্তত ১০ জন আহত হন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের জন্য উভয়পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করেছে।

বহিষ্কৃত নেত্রী   ছাত্রলীগ   ইডেন মহিলা কলেজ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন