কালার ইনসাইড

ভার্চুয়াল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে চলচ্চিত্রের ক্ষতি করছি নাতো?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ভার্চুয়াল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে চলচ্চিত্রের ক্ষতি করছি নাতো?

বেশ লম্বা সময় ধরেই চলচ্চিত্রের অবস্থা বেশ খারাপ। নেই ভালো মানের সিনেমা, দর্শক হচ্ছেন হল বিমুখ। একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সিনেমা হলগুলো। সবকিছু মিলিয়ে এক ক্রান্তিকাল পার করছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। তবে এইবার ঈদে অন্ধকারে কিছুটা আলোর দেখা মিলেছে। এবার ঈদে ছবি মুক্তির পর বেশ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে দর্শক মহলে।

প্রেক্ষাগৃহগুলো অধিকাংশই হাউজ ফুল। টিকেট বুকিং হয়ে থাকছে অগ্রিম। অনেকেই টিকিট না পেয়ে ব্ল্যাকেও টিকেট কিনছেন। সিনে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাংলা সিনেমার সুদিন ফিরে আসছে। তবে এত আনন্দের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। সিনেমার এই সুসময়কে অনেকাংশেই ম্লান করে দিচ্ছে ভার্চুয়াল বাকবিতণ্ডা। গত রোজার ঈদে চলচ্চিত্রের নানা ফেসবুক গ্রুপে ভক্তদের বাকবিতণ্ডা থাকলেও এবার সেই কাতারে নাম লিখিয়েছেন তারকারাও।

দীর্ঘ আট বছর পর অনন্ত জলিল ও বর্ষা জুটি নতুন সিনেমা নিয়ে হাজির হয়েছেন। গত ১০ জুলাই দেশের ১১৫টি হলে মুক্তি পেয়েছে তাদের অভিনীত ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমাটি। মুক্তির পর থেকেই প্রতিদিন বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ঘুরে বেড়িয়েছেন তারা। সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। অনন্তের প্রতিটি সিনেমার নায়িকা কেন বর্ষা, এ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। আর সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বর্ষা বলেন, কী টাইপের নায়িকা আপনাদের পছন্দ? সেই নায়িকা পছন্দ- যারা পেটে সন্তান নিয়ে কিংবা সন্তান প্রসব করে হাইডে (আড়ালে) থাকে? নাকি যারা হিরোইন, ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা নিয়ে ধরা পড়ে পুলিশের হেফাজতে থাকে? যেসব নায়িকা বিয়ের শাড়িটাও স্পন্সর নিয়ে পরে তাদের পছন্দ? তাদেরকে অনন্ত জলিলের সঙ্গে মানাবে? আমি সেই গ্রেডের নায়িকা না। আমি আমার জায়গায় আছি।

বর্ষার এমন মন্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সেই কাতারে ছিলেন ‘পরাণ’ সিনেমার নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। তিনি বলেন, প্রথমেই বলে রাখি আমার বিয়ের ড্রেস আমার নিজের টাকায় কেনা। আমি মনে করি ইন্ডাস্ট্রিতে যারা কাজ করে তাদের নিয়ে কিছু বলতে গেলে ভেবেচিন্তে বলতে হয়।

তিনি আরও বলেন, সকল কো-আর্টিস্টকে সম্মান দিয়ে কথা বলা শিখতে হয়। এটাই আসল বিষয়। সবাইকে একসঙ্গে মিলে কাজ করতে হবে। আমি আপনার বদনাম করলাম, আপনি আরেকজনের বদনাম করলেন। এটা তো ঠিক না। আমি আমার পরিবার থেকে এসব শিক্ষা পাইনি।

এদিকে, ঈদের পর মুক্তি পেয়েছে নতুন চলচ্চিত্র 'হাওয়া'। এই ছবির মূল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী নিজেও জড়িয়েছেন বাকবিতণ্ডায়। তিনি সিনেমা মুক্তির দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘হাওয়া’ পিওর বাংলাদেশের সিনেমা। বাংলাদেশে বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ নকল সিনেমা তৈরি হয়েছে। এখনও সেই স্টাইল ফলো করে অনেকে নির্মাণ করছেন। ‘হওয়া’ যারা দেখবেন, আপনারা সত্যি সত্যি যদি সিনেমা বুঝেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে, ‘হাওয়া’ সিনেমা পিওর বাংলাদেশের সিনেমা।

নিজের সিনেমার প্রশংসা করতে গিয়ে ছোট পর্দার এই অভিনেতার বড় পর্দার সব সিনেমা নিয়ে আক্রমণমূলক মন্তব্যে বেশ সরব হয়ে উঠেন অনেকেই। বড় পর্দার সব সিনেমা নিয়ে নেতিবাচক বক্তব্য দিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। চঞ্চলের এমন মন্তব্য নিন্দা জানিয়েছেন অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা।

চঞ্চল চৌধুরীর বক্তব্যর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা সায়মন তারিক এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, কাউকে ছোট করে বড় হওয়া যায় না। গত দুদিন আগে টেলিভিশন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ‘হাওয়া’ সিনেমা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, এত দিন এদেশে নকল সিনেমা নির্মাণ হত। নকলের যুগ শেষ। ‘হাওয়া’ সম্পূর্ণ নতুন গল্পের সিনেমা। এই রকম সাবজেক্ট নিয়ে এদেশে আর কোন সিনেমা নির্মাণ হয়নি। আমি সবিনয়ে চঞ্চল চৌধুরীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাই। ‘হাওয়া’ নতুন কোন গল্পের সিনেমা নয়। আশির দশকে নায়ক রাজ রাজ্জাক ‘অভিযান’ নামে যে সিনেমাটি নির্মাণ করেছিলেন ‘হাওয়া’ সিনেমাটি তারই কপি গল্প। ‘অভিযান’ সিনেমাটির পুরো গল্প ছিল ট্রলারে। মৎস্যজীবীদের নিয়ে। তাদের জালেই ধরা পরে রোজিনা। রোজিনাকে ঘিরেই গল্প এগিয়ে চলে। ‘হাওয়া’ সেই গল্পের অনুকরণে নির্মিত সিনেমা।

তিনি আরও লিখেন, আজ সুমন যে ‘হাওয়া’ বানিয়েছেন তার অনেক আগেই রাজ্জাক সাহেব এমন সিনেমা বানিয়ে দেখিয়েছেন। চঞ্চল চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞ অভিনেতার কাছে এমন মন্তব্য আশা করিনি। নিজের অভিনীত সিনেমার প্রচারণা করতে গিয়ে দেশের মুক্তিপ্রাপ্ত সব সিনেমাকে ছোট করে কথা বলা নেহায়েতই হীনমন্যতার প্রকাশ।

চলচ্চিত্র নির্মাতা দেওয়ান নাজমুল বলেন, চঞ্চল চৌধুরী কে? এমন প্রশ্ন আসলে লক্ষ কোটি মানুষ বলবে সে নাটকের মানুষ। এটাই তার পরিচয়। হঠাৎ করে সিনেমায় নাম লেখিয়ে ২-৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তবুও দর্শক কিন্তু এখনও তাকে নাটকের লোকই বলেন। চঞ্চল চৌধুরী একজন নন্দিত নাটকের নায়ক, পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন অভিনেতা। আপনার কাছে আমরা নন্দিত কথা আশা করব।

প্রশ্ন রেখে তিনি আরো বলেন, আপনার আগের সিনেমাগুলো কি নকল ছিল? আপনার সিনেমা ছাড়া অন্য কারো সিনেমা কি আপনি দেখেন? দয়া করে আমাদের নায়ক রাজ রাজ্জাক স্যারের ‘অভিযান’ দেখবেন। তা হলে আপনার কথার সত্যতা খুঁজে পাবেন। দয়া করে নিজেকে বড় করতে গিয়ে চলচ্চিত্রের অন্যকে ছোট না করার অনুরোধ রাখছি।

চলচ্চিত্র নির্মাতা এম.এন ইস্পাহানী, সৈকত নাসির, চিত্রনাট্যকার, কাহিনীকার, সংলাপকার আবদুল্লাহ জাহির বাবু সহ আরো অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতা চঞ্চল চৌধুরীর কথার প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দিয়েছেন।

এ ছাড়া ‘হাওয়া’র অভিনয়শিল্পী সুমন আনোয়ার ফেসবুকে লেখেন, মেধাশূন্য আর দখলদারিত্বের রাজত্বে নতুন হাওয়া বইছে, বাংলার আপামর মানুষ মেধাবীদের বুকে টেনে নিয়েছে, পরচর্চা আর ঈর্ষান্বিত না হয়ে আপনার মেধার বিকাশ ঘটান।

তার এমন স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, মেধাশূন্য কাদের বলেছেন আর দখলদারিত্বের কথা কাকে বলেছেন সেটা হয়তো অনেকের বুঝতে অসুবিধা হবে না! আপনারা নিজেদের সুশীল বলে বলে গলা ফাটিয়ে এই তার নমুনা!

তিনি আরও লিখেছেন, এমন অহংকার করে অন্যদের ছোট করে কথা আমরা চলচ্চিত্রের লোকেরা কখনও বলি না। আর এটা ভুলে যাবেন না, যে চলচ্চিত্রটি নিয়ে গর্ব করছেন সেটাও গতানুগতিক একটি বাংলা চলচ্চিত্রের প্রোডাকশন হাউস থেকেই রিলিজ করেছেন। না হলে ঘরে বসে চা খেতে খেতে দেখতে হতো আপনার সিনেমাটা।

এই সব বাকবিতণ্ডার মাঝেই নতুন করে যুক্ত হন ‘হাওয়া’ সিনেমার চিত্রনায়িকা নাজিফা তুষি। মুক্তির প্রথম দিন থেকে সিনেমার প্রচারে হাওয়া টিমের সঙ্গে বিভিন্ন হলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নাজিফা তুষি। সেই ধারাবাহিকতায় শ্যামলী স্কয়ারে যান তিনি। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন নাজিফা তুষি। কিন্তু কথা বলার আগে তিনি পাশে থাকা ‘পরাণ’ ও ‘দিন : দ্য ডে’ সিনেমার পোস্টার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। কেবল নিজের সিনেমা ‘হাওয়া’র পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়েই তিনি কথা বলবেন বলে জানান। এরপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এমন কর্মকাণ্ডে সমালোচনা করছেন। শোবিজের মানুষেরাও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। এমনকি নায়িকা পরীমনিও তার ফেসবুকে লিখেছেন প্রতিবাদ জানিয়ে।

বিষয়টি নিয়ে তুষি বলেন, আমি ভাবতেও পারছি না একটা ছোট্ট এবং সহজ বিষয়কে এভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এ ধরনের রিঅ্যাক্ট আসবে। আমি ইনটেনশনালি কিছু করিনি। সিম্পল জিনিসকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করিয়েছে লোকজন! আমি সত্যি অবাক এগুলো দেখে।

ভার্চুয়াল এমন বাকবিতণ্ডায় চলচ্চিত্রের অনেক ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। নিজেদের মাঝে একাত্মতা ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার মন মানসিকতা না থাকলে চলচ্চিত্রের অবস্থা কখনোই ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব না বলে মনে করছেন তাঁরা।


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নির্মাতার মিথ্যাচার, নিজেই চাচ্ছেন না ছবি আলোচনায় আসুক

প্রকাশ: ০৬:৩৩ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail নির্মাতার মিথ্যাচার, নিজেই চাচ্ছেন না ছবি আলোচোনায় আসুক

মাহিয়া মাহি ও জিয়াউল রোশান অভিনীত সিনেমা ‘আশীর্বাদ’। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।সিনেমাটির কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জেনিফার ফেরদৌস।

আগামী ১৯ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি পাবে। তবে মুক্তির আগেই ছবির প্রযোজক ও নায়ক-নায়িকা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন। প্রযোজক অভিযোগ করছেন নায়ক-নায়িকাকে নিয়ে আবার তাঁরা করছেন প্রযোজককে নিয়ে। 

জেনিফার বলেন, নায়ক-নায়িকা যখন নিজের সিনেমার প্রচার না করে, তখন আমরা তো আর জোর করে করাতে পারি না। নিজের সিনেমার ভালো না বুঝলে আমাদের কিছু করার নেই। সিনেমার প্রচার না করলে এক সময় মাইনাস হয়ে যাবে তারা। আমার আর কিছু বলার নেই। আশা করছি, নির্মাণ এবং গল্পের জন্য আমার সিনেমা ভালো চলবে।

শুটিংয়ের সময়েও খারাপ আচরণ করেছেন মাহি। তা উল্লেখ করে জেনিফার বলেন, করোনার সময়ে শুটিং করা কতটা কঠিন ছিল তা আপনারা সবাই জানেন। ওই সময়ে অনেক কলাকুশলীর অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় ছিল। ওই সময়ে শুটিং করছিলাম। আমার সহকারী হিসেবে একটি ছেলে ছিল। কিন্তু মাহির কারণে ওই ছেলেকে শুটিং থেকে বাদ দিতে হয়। পরে কাঁদতে কাঁদতে সেট থেকে বেরিয়ে যায় ছেলেটি।

শুটিং বয়কে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেনিফার বলেন, আমার সিনেমার নায়িকা সম্ভবত নারকেল তেল চেয়েছিল। ওই সময়ে ছেলেটি আমার মাথায় ছাতা ধরেছিল। যার কারণে নায়িকাকে তেল দিতে দেরি হয়। এতে মাহি বেঁকে বসে। ওই ছেলেকে বাদ না দিলে মাহি শুটিং করবে না বলে জানায়। পরে বাধ্য হয়ে ছেলেটিকে বাদ দিই।

তবে তাঁর অভিযোগকে মিথ্যা বলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মাহি। মাহি জানান, আপা বলেছে আমাকে তেল দেয়া হয়নি বলে আমি শুটিং করবো না জানিয়েছিলাম এবং আমার কারণে নাকি একটি ছেলেকে শুটিং সেট থেকে বের করে দেয়া হয়ে ছিলো। বিষয়টি পুরোটাই মিথ্যা। আমরা সেদিন শুটিং করছিলাম ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে। শুটিংয়ের কিছুক্ষন আগে বৃষ্টি হয়েছিলো। এর কিছুক্ষন পরেই আমাদের শট ছিলো মাঠে। বৃষ্টির কারণে মাঠ অনেকটাই ভেজা ছিলো। সেই অবস্থায় শুট করতে গিয়ে আমার এলার্জির কারণে শরীরে চুলকানি শুরু হয়। আমি তখন তাড়াতাড়ি গাড়িতে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করি। আমাদের প্রোডাকশনে মেয়ে বলতে আমরা দুইজনই ছিলাম। কাউকে তেমন ভাবে কিছু বলতেও পারছিলাম না। এমন অবস্থায় আমার সহকারী বললো নারিকেল তেল দিতে কিন্তু আশাপাশে তেমন কোন দোকানও ছিলো না। যার কারণে বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলাম আমি। তখন বেশ কয়েকবার আমার সহকারী সেই প্রোডাশন বয়কে একটু তেল ব্যবস্থা করে দিতে বললে সে এক প্রকার রেগে যায়, বলে ম্যাডামের জন্য আগে গরুর মাংস ব্যবস্থা করি তারপর সব হবে। একটা মানুষ মারা যাচ্ছে আর অন্য জন্য গরুর মাংস খাবে সেটা কী করে হয় ? মানবতা বলতেও তো একটা কথা থাকে। শুধু আমি নই আমাদের অনেক আর্টিস্টদের কোন সম্মান করা হয়নি শুটিং সেটে। 

মাহি আরও বলেন, ছবিটি সরকারি অনুদানের ছবি তাই আমরা আর্টিস্টরা অনেক কম পারিশ্রমিক নিয়েছি। কিন্তু সেই তুলনায় আমরা সম্মান পাইনি। একটি সিনেমা আমার সন্তানের মত, অথচ আমার চোখের সামনে সেই সন্তানটি মারা যাচ্ছে এটা আমি সহ্য করতে পারবো না। 

এদিকে ছবির পরিচালক সম্প্রতি মোস্তাফিজুর রহমান মানিক প্রযোজকের সঙ্গে সুর মিলেয়ে কথা বলেছেন। যদিও এর আগে মাহি বলেছিলেন পরিচাক স্যার যদি বলেন সব সত্য তাহলে আমি মাথা পেতে নিবো সব। নির্মাতা এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, মাহির অভিযোগ অসত্য। প্রথমে আমিই ফেসবুকে সিনেমাটির পোস্টার শেয়ার করে প্রচারণা শুরু করি। মাহি আমাকে অনুরোধ করেছিলেন সিনেমাটি আরও পরে মুক্তি দেয়ার জন্য। তখন আমি তাকে জানিয়েছিলাম এটি এখন আর আমার হাতে নেই। আমি তাকে কখনোই বলিনি এই সিনেমার প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে। এসব মিথ্যা কথা। কেন তিনি এসব মিথ্যা কথা বলছেন বুঝতে পারছি না।

নির্মাতার এমন মন্তব্যে বেশ চটেছেন মাহি। তাঁর কথা সত্য গোপণ করা হচ্ছে। এরপর পরই বাংলা ইনসাইডারের হাতে আসে নির্মাতা ও মাহির কিছু চ্যাটিং। যেখানে নির্মাতা নিজেই বলছেন তিনি চান না ছবিটি আলোচনায় আসুক। চিপা চাপা দিয়ে ছবিটি বের হয়ে যাক। পাশাপাশি তিনি এক ভয়েস পাঠিয়ে বলেন, ছবি ১৯ তারিখ মুক্তি পাবে না কারণ এরকিছুই প্রস্তুত নয়।

এদিকে শোনা যাচ্ছে নির্মাতাও বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন। যেখানে ছবির নায়ক-নায়িকা সহ ছবির আরও অনেকেই উপস্থিত থাকবেন। শুধু তাইনয় পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে তিনি ঐ মিথ্যা ভিডিও বাইট দিয়েছেন। 

২০১৯-২০ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ‘আশীর্বাদ’ সিনেমাটি। পরিচালক মানিক জানান, সিনেমায় সত্তর দশকের ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি ধাপ।

সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন, কাজী হায়াৎ, রেহানা জোলি, রেবেকা, শাহনূর, অরণ্য বিজয়, হারুন রশিদ, সায়েম আহমেদ, সীমান্ত, শিশুশিল্পী জেনিলিয়া, আরিয়ান প্রমুখ।

মাহি   রোশান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

প্রথম আলোর চরকির উৎসবে মাদকের আসর

প্রকাশ: ০৬:০৫ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail প্রথম আলোর চরকির উৎসবে মাদকের আসর

প্রথম আলো একটি ওটিটি প্লাটফর্ম চরকি চালু হতেই বেশ অল্প সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ওটিটি প্লাটফর্ম চরকিতে নিয়োমিত মুক্তি পাচ্ছে নানা কন্টেন্ট।  ওটিটি প্লাটফর্মটির মাধ্যমে যেন সমাজে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি করা, অশ্লীলতা, অশ্রাব্য গালিগালাজ শেখানো, মাদকে উৎসাহিত করা এবং মানুষের মধ্যে অপরাধী হয়ে উঠার প্রবণতাকেই উস্কে দিচ্ছে। 

চরকি’র বেশিরভাগ কন্টেন্ট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাদক, অশ্রাব্য গালাগালি, অশ্লীলতা, খুন, অপরাধের অন্ধকার জগত ছাড়া কিছুই দেখানো হয় না। চরকি’র ১৮+ বলে প্রচারিত কন্টেন্টগুলো তরুণ সমাজের কাছে খুবই জনপ্রিয়। আর এর অধিকাংশ দর্শকের বয়স ১৮ বছরের নিচে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী। কারণ, সহজেই চরকি’র সাবক্রিপশন করে যে কেউ দেখতে পারে এই সমস্ত কন্টেন্ট। আর এই কন্টেন্টগুলো বিশেষ করে দেশের তরুণ সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর এবং সমাজ নষ্টের একটি মিশন হিসেবে মনে করছে অনেক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে অপরাধ, মাদক, কিশোর গ্যাং ইত্যাদি বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ এই কন্টেন্টগুলো।

চরকিতে মুক্তি পাওয়া টান, শাটিকাপ, মরীচিকা, ফ্লোর নাম্বার সেভেন সহ বেশ কিছু কনটেন্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনা তৈরি হয়েছে। 'টান' ওয়েব ফিল্মটিতে পুরোটি জুড়ে মাদক এবং মাদককে প্রমোট করা হয়েছে, খুন-সন্ত্রাসকে উপজীব্য করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রটি পরিবারের সবার একসঙ্গে বসে দেখার মতো অবস্থা নেই। সেখানে সিয়ামকে দেখানো হয়েছে একজন মাদকাসক্ত, যিনি স্ত্রীর টাকা চুরি করেন।

অন্যদিকে এর আগে শাটিকাপ নামের একটি ওয়েব সিরিজে যে ভাষা ব্যবহার করেছে তা কখনো টেলিভিশন বা চলচ্চিত্রের ভাষা হতে পারে কি না, তা নিয়ে বোদ্ধাগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। অশ্লীল-অশ্রাব্য এবং উচ্চারণ অযোগ্য গালাগালির মধ্যদিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি এগিয়ে গেছে। পুরো ওয়েব সিরিজের মধ্যে একটি শুদ্ধ এবং ভালো বাক্য নেই।

চরকিতে মুক্তি দেয়া হয় সাহস নামের চলচ্চিত্রটি বড় পর্দায় মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা ছিলো নির্মাতার কিন্তু ছবিটিতে মাদক ও অশ্লীল সংলাপের কারণে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড তা মুক্তিতে বাধা দেন। পরবর্তীতে তা চরকিতে মুক্তি দেয়া হয়। 

এদিকে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিন্ডিকেট ওয়েব সিরিজটি বেশ আলোচিত হয়েছে। যার কারণে সম্প্রতি ঢাকা ক্লাবে একটি সাকসেস পার্টি রাখেন চরকি কতৃপক্ষ। যেখানে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সেই আয়োজনে ডিনারের পাশাপাশি ছিলো মদের আসর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই সময়ের কিছু ছবি দেখা গিয়েছে। 

এদিকে  প্রথম আলো গ্রুপ মাদকের বিরুদ্ধে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কর্মসূচি করছে, অন্যদিকে তাদের ওটিটি প্লাটফর্মে মাদককে প্রমোট করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিগুলো ভাইরাল হলে এ নিয়ে শুরু হয় নানা সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন আসলে প্রথম আলো কোন দিকে যাচ্ছে? তাঁরা কী সমাজের উন্নয়নে কাজ করছেন নাকি সমাজকে ধ্বংসের দিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহিত করছেন?


চরকি   মাদক  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

টঙ্গী থেকে মস্কোতে যুবরাজের ‘আদিম’

প্রকাশ: ০৪:৫৩ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail টঙ্গী থেকে মস্কোতে যুবরাজের ‘আদিম’

বস্তিবাসীদের জীবন নিয়ে সিনেমা ‘আদিম’। পুরো সিনেমার শুটিংও হয়েছে একটি বস্তিতেই। এতে কোনো পরিচিত অভিনেতা-অভিনেত্রী নেই। যারা অভিনয় করেছেন তারা সবাই বস্তিতে বাস করেন। তাদের গল্প নিয়ে সিনেমা হওয়াতে কেউ বুঝতেই পারবে না যে তারা কখনো অভিনয় করেনি, বরং মনে হবে এর চেয়ে ভালো অভিনয়, এতো সুন্দরভাবে নিজের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা কোনো সিনিয়র শিল্পীও হয়তো পারবেন না। এই সব কিছুই সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা যুবরাজ শামীমের কারণেই। ছবিটির ডিওপি হিসেবে কাজ করেছেন আমির হামজা। 

টঙ্গী বস্তিতে শুট করা সিনেমা ‘আদিম’ প্রথমবারের মতো দেখবে পুরো পৃথিবী, দেখবে পৃথিবীর চলচ্চিত্র প্রেমী দর্শক। ‘আদিম’ নামের এই বাংলা ছবিটি প্রদর্শিত হচ্ছে ৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। উৎসবে মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে যুবরাজ শামীমের এই সিনেমাটি দেখানো হবে।

মস্কোতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ‘৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। এ সময় মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে বাংলাদেশের ‘আদিম’ চলচ্চিত্রটির জায়গা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

যদিও গেল মাসেই নির্মাতা যুবরাজ শামীমকে ই-মেইলযোগে ‘আদিম’ এই উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে নিশ্চিত হওয়ার খবরটি জানানো হয়। এ বিষয়ে যুবরাজ জানান, উৎসব কর্তৃপক্ষ গেল মাসেই আদিম প্রতিযোগিতা বিভাগে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আমি চেয়েছিলাম, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের পর সবার সাথে এই আনন্দ সংবাদটির খবর ভাগ করে নিতে।

এই তরুণ নির্মাতা জানান, উৎসবে যোগ দিতে চলচ্চিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক মোহাম্মদ নূরুজ্জামান-সহ তিনি আগামি ২৭ আগস্ট মস্কোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন। উৎসবে ৩০ আগস্ট ‘আদিম’র ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে।

এমন আনন্দঘন মুহূর্তে নির্মাতা স্মরণ করলেন যারা তার স্বপ্নের ‘আদিম’ নির্মাণে আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

যুবরাজ শামীম জানান, গণ অর্থায়নের ছবি ‘আদিম’। এই ছবিটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো মঙ্গলবার (৯ আগস্ট)। ২০১৭ সালের এই দিনে প্রতি ইউনিট শেয়ার ৫ হাজার টাকা ধরে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ‘আদিম’র যাত্রা শুরু হয়। সিনেমা নির্মাণের পুরো টাকাটাই আসে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে। যারা আমাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিলেন, তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

নির্মাতার নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রসায়ন’র ব্যানারে নির্মিত এবং সহ প্রযোজক হিসেবে সিনেমাকার ও লোটাস ফিল্ম যুক্ত আছে বলেও জানান যুবরাজ। আদিম’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাদশা, দুলাল, সোহাগী, সাদেকসহ আরও অনেকে।

টঙ্গী থেকে মস্কোতে ‘আদিম’ নিয়ে যাত্রার প্রাক্কালে এই নির্মাতা বলেন, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়মিত পৃথিবীর বড় বড় ফেস্টিভ্যালে যাচ্ছে, এটা এখন আমার কাছে খুব স্বাভাবিক ঘটনাই মনে হয়। তবে টঙ্গীর বস্তিতে সাদামাটাভাবে শুট করা একটা গল্প মস্কোর সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ সিনেমা থিয়েটারে প্রদর্শিত হবে, এটা আমারা কাছে সত্যিই অনেক বড় পাওয়া।

১৯৩৫ সাল থেকে অনুষ্ঠিত মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবের ৪৪তম আসর বসবে ২৬ আগস্ট। পর্দা নামবে ২ সেপ্টেম্বর। মস্কোর পর সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ ইতালির ‘রিলিজিয়ন টুডে ফিল্ম ফেস্টিভাল’ এ ‘আদিম’র ইতালিয়ান প্রিমিয়ার হবে।

আদিম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাঁদের

প্রকাশ: ০৩:৪৮ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাঁদের

এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের কাহিনি নিয়ে নির্মিত হলো নাটক ‘রংবাজ’। নাটকটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরিচালক কাম অভিনেতা সাইফ চন্দন ও মডেল-অভিনেত্রী আফ্রি সেলিনা। তাদের দুজনের নানা রংবাজী নিয়ে এই নাটকের গল্প।

গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত রাজশাহী শহরের মনোরম সব লোকেশনে নাটকটির শুটিং হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাইফ চন্দন বলেন, আমি যখন একজন নির্মাতার চোখে রাজশাহী শহর দেখি, দারুণ লাগে। যানজটবিহীন সুন্দর একটি শহর। এখানে আমি আগেও কাজ করেছি। রাজশাহী খুব পছন্দের একটি শহর আমার। ‘রংবাজ’ নাটকটির কাজ আমার প্রিয় এই শহরে করলাম খুব ভালো লেগেছে। দর্শকরা কাজটি পছন্দ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

অন্যদিকে আফ্রি বলেন, কাজটি একটু ভিন্ন ঘরানার। গল্পটিও বেশ মজার। কাজটি করতে বেশ ভালো লেগেছে। দর্শকদের ভালো পছন্দ করলেই আমরা সার্থক।



‘রংবাজ’ নাটকে আরও অভিনয় করেছেন রকি খান, এইচ কে স্বাধীন, মম শিউলি, শাহীন মৃধ্যা, ডেঞ্জার জনি, কামাল, জয়সহ অনেকে।

নাটকটির কাহিনি লিখেছেন দেলোয়ার হোসাইন দিল। এটি পরিচালনা করেছেন জিয়াউদ্দিন আলম।

পরিচালক বলেন, শিগগিরই নাটকটি কোনো প্রতিষ্ঠিত ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করা হবে। তবে কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে অন-এয়ার হবে কিনা এ ব্যাপারে প্রযোজক সিদ্ধান্ত নেবেন।


রংবাজ   নাটক  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আমির ও অক্ষয়ের সিনেমার শো

প্রকাশ: ০৩:১০ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আমির ও অক্ষয়ের সিনেমার শো

দক্ষিণী সিনেমার যখন জয়জয়কার ঠিক তখন বলিউডে চলছে ভীষণ মন্দা। বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছে একের পর এক সিনেমা। ত্রাতার ভূমিকা নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন মহাতারকারা। এই যখন অবস্থা ঠিক তখন বি-টাউনকে আরেকবারের মতো হতাশায় নিমজ্জিত করল আমির খানের ‘লাল সিং চাড্ডা’ এবং অক্ষয় কুমারের ‘রক্ষা বন্ধন’ সিনেমা দুটি।

১১ আগস্ট রক্ষা বন্ধন এক হাজার হলে মুক্তি পায়। কিন্তু একদিন যেতেই পাল্টে গেছে চিত্র। দর্শক টানতে ব্যর্থ হওয়ায় হলগুলো থেকে নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে ছবিটি। একই দিনে তেরো শ হলে মুক্তি পেয়েছিল আমিরের ‘লাল সিং চাড্ডা’। প্রচারনায় কমতি না থাকলেও ‘রক্ষ বন্ধনে’র পথেই হাঁটছে সিনেমাটি। এরইমধ্যে অনেকগুলো হলে ছবিটির শো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সিনেমাটির বক্স অফিসের আয়ের অবস্থা করুণ। প্রত্যাশার চেয়ে ৪০ শতাংশ কম আয় করেছে ‘লাল সিং চাড্ডা’। ওদিকে ‘রক্ষা বন্ধনে’র দশা আরো বেহাল। আমিরের ছবি শহরের দর্শকদের কিছুটা হলেও ধরতে পারছে। কিন্তু হল মালিকদের আফসোস, অক্ষয়ের সিনেমা তাও পারছে না। প্রত্যাশার চেয়ে করেছে ৩০ শতাংশ কম আয়।

‘লাল সিং চাড্ডা’য় আমিরের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন কারিনা কাপুর। অন্যদিকে ভাই-বোনের বন্ধনের গল্পে নির্মিত ‘রক্ষা বন্ধনে’ অক্ষয় ছাড়াও অভিনয় করেছেন ভূমি পেড়নেকর।

আমির   অক্ষয়ে  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন