কালার ইনসাইড

শাহরুখ কন্যা ও রণবীরের বিরুদ্ধে ‘মাতাল’ হওয়ার অভিযোগ

প্রকাশ: ১০:২৪ এএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail শাহরুখ কন্যা ও রণবীরের বিরুদ্ধে ‘মাতাল’ হওয়ার অভিযোগ

নেটমাধ্যমে কটাক্ষের তীর এখন শাহরুখ-কন্যা সুহানা খান ও রণবীর কাপুরের দিকে। কিছু মানুষের অভিযোগ দু’জনেই নাকি ‘মাতাল’। তাদের হাঁটা-চলা ও আচরণ দেখে নাকি মনে হয়- ‘তারা সব সময়ই আকণ্ঠ মদ্যপান করে থাকেন’। সম্প্রতি এই দুই অভিনেতার বেশ কিছু ভিডিও তাই প্রমাণ দিয়েছে। এ নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে ভারতের আমজনতার মাঝে।দেশটির বেশকিছু সাধারণ মানুষের দাবি, “জনসমক্ষে যখনই তারা আসেন, দেখে মনে হয় ‘চূড়ান্ত নেশাগ্রস্ত তারা’।

আবার এমন মতের ভিন্ন পক্ষ নিয়ে অনেকে বলেছেন, দু’জন তারকাকে আপাতদৃষ্টিতে দেখে তাদের ‘মাতাল’ আখ্যা দেওয়া ঠিক নয়। তারকাদের সপক্ষে তাদের যুক্তি, প্রবল কাজের চাপে ক্লান্ত থাকতে পারেন রণবীর বা খুব সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন তিনি। তখন তাকে দেখলে নেশাগ্রস্ত মনে হয়।

অন্যদিকে শাহরুখ-কন্যা সুহানাকে মাস্ক পরে জনসমক্ষে আসতে দেখে অনেকে অভিযোগ করেছেন, চূড়ান্ত নেশাগ্রস্ত সুহানা, তাই মাস্কে মুখ ঢেকেছেন। আদতে ব্যাপারটা অন্য রকম তো হতেই পারে।

অভিনয়ের জগতে সবে মাত্র পা রাখা সুহানা জনসমক্ষে নেশা করে আসবেন কেন? ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি নিশ্চয়ই বদনামের ভাগি হতে চাইবেন না। বরং কোভিড সুরক্ষা-বিধি মেনে মাস্ক পরে তিনি দায়িত্বশীল নাগরিকেরই পরিচয় দিয়েছেন, এমন মতও অনেকে ব্যক্ত করছেন।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জয়া আহসান

প্রকাশ: ০৩:৫২ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জয়া আহসান

আজ জাতীয় শোক দিবস। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঘাতকরা নির্মমভাবে পরিবারসহ তাকে হত্যা করে। যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম কালো অধ্যায় হয়ে আছে।

বছর ঘুরে ১৫ আগস্ট এলেই বাঙালির মনে শোকের ছায়া নেমে আসে। সবাই বিনম্র শ্রদ্ধায় স্বাধীনতার মহানায়ককে স্মরণ করেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও মনে-প্রাণে ধারণ করেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে।

বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে জয়া আহসানের পোস্ট

জাতীয় শোক দিবসের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে জয়া আহসান বললেন, ‘আমার অন্তরের মধ্যে যে বাংলাদেশ সব সময় জেগে থাকে, তার দেহ, মন জুড়ে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে প্রতিধ্বনিত বঙ্গবন্ধুর নাম। শোক নয়, শক্তি হয়ে রয়ে যান জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান। জাতীয় শোক দিবসে চির অম্লান বঙ্গবন্ধুকে জানাই আমার শ্রদ্ধাঞ্জলী। চেতনায়, বিপ্লবে, অনুপ্রেরণায়, দিন বদলের স্বপ্নে আপনি অমলিন বঙ্গবন্ধু।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ভয়াল সেই রাতে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও প্রাণ হারান তার সহধর্মিণী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল সহ আরো অনেকে। 


জয়া আহসান   শোক দিবস  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নির্মাতার মিথ্যাচার, নিজেই চাচ্ছেন না ছবি আলোচনায় আসুক

প্রকাশ: ০৬:৩৩ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail নির্মাতার মিথ্যাচার, নিজেই চাচ্ছেন না ছবি আলোচোনায় আসুক

মাহিয়া মাহি ও জিয়াউল রোশান অভিনীত সিনেমা ‘আশীর্বাদ’। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।সিনেমাটির কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জেনিফার ফেরদৌস।

আগামী ১৯ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি পাবে। তবে মুক্তির আগেই ছবির প্রযোজক ও নায়ক-নায়িকা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন। প্রযোজক অভিযোগ করছেন নায়ক-নায়িকাকে নিয়ে আবার তাঁরা করছেন প্রযোজককে নিয়ে। 

জেনিফার বলেন, নায়ক-নায়িকা যখন নিজের সিনেমার প্রচার না করে, তখন আমরা তো আর জোর করে করাতে পারি না। নিজের সিনেমার ভালো না বুঝলে আমাদের কিছু করার নেই। সিনেমার প্রচার না করলে এক সময় মাইনাস হয়ে যাবে তারা। আমার আর কিছু বলার নেই। আশা করছি, নির্মাণ এবং গল্পের জন্য আমার সিনেমা ভালো চলবে।

শুটিংয়ের সময়েও খারাপ আচরণ করেছেন মাহি। তা উল্লেখ করে জেনিফার বলেন, করোনার সময়ে শুটিং করা কতটা কঠিন ছিল তা আপনারা সবাই জানেন। ওই সময়ে অনেক কলাকুশলীর অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় ছিল। ওই সময়ে শুটিং করছিলাম। আমার সহকারী হিসেবে একটি ছেলে ছিল। কিন্তু মাহির কারণে ওই ছেলেকে শুটিং থেকে বাদ দিতে হয়। পরে কাঁদতে কাঁদতে সেট থেকে বেরিয়ে যায় ছেলেটি।

শুটিং বয়কে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেনিফার বলেন, আমার সিনেমার নায়িকা সম্ভবত নারকেল তেল চেয়েছিল। ওই সময়ে ছেলেটি আমার মাথায় ছাতা ধরেছিল। যার কারণে নায়িকাকে তেল দিতে দেরি হয়। এতে মাহি বেঁকে বসে। ওই ছেলেকে বাদ না দিলে মাহি শুটিং করবে না বলে জানায়। পরে বাধ্য হয়ে ছেলেটিকে বাদ দিই।

তবে তাঁর অভিযোগকে মিথ্যা বলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মাহি। মাহি জানান, আপা বলেছে আমাকে তেল দেয়া হয়নি বলে আমি শুটিং করবো না জানিয়েছিলাম এবং আমার কারণে নাকি একটি ছেলেকে শুটিং সেট থেকে বের করে দেয়া হয়ে ছিলো। বিষয়টি পুরোটাই মিথ্যা। আমরা সেদিন শুটিং করছিলাম ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে। শুটিংয়ের কিছুক্ষন আগে বৃষ্টি হয়েছিলো। এর কিছুক্ষন পরেই আমাদের শট ছিলো মাঠে। বৃষ্টির কারণে মাঠ অনেকটাই ভেজা ছিলো। সেই অবস্থায় শুট করতে গিয়ে আমার এলার্জির কারণে শরীরে চুলকানি শুরু হয়। আমি তখন তাড়াতাড়ি গাড়িতে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করি। আমাদের প্রোডাকশনে মেয়ে বলতে আমরা দুইজনই ছিলাম। কাউকে তেমন ভাবে কিছু বলতেও পারছিলাম না। এমন অবস্থায় আমার সহকারী বললো নারিকেল তেল দিতে কিন্তু আশাপাশে তেমন কোন দোকানও ছিলো না। যার কারণে বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলাম আমি। তখন বেশ কয়েকবার আমার সহকারী সেই প্রোডাশন বয়কে একটু তেল ব্যবস্থা করে দিতে বললে সে এক প্রকার রেগে যায়, বলে ম্যাডামের জন্য আগে গরুর মাংস ব্যবস্থা করি তারপর সব হবে। একটা মানুষ মারা যাচ্ছে আর অন্য জন্য গরুর মাংস খাবে সেটা কী করে হয় ? মানবতা বলতেও তো একটা কথা থাকে। শুধু আমি নই আমাদের অনেক আর্টিস্টদের কোন সম্মান করা হয়নি শুটিং সেটে। 

মাহি আরও বলেন, ছবিটি সরকারি অনুদানের ছবি তাই আমরা আর্টিস্টরা অনেক কম পারিশ্রমিক নিয়েছি। কিন্তু সেই তুলনায় আমরা সম্মান পাইনি। একটি সিনেমা আমার সন্তানের মত, অথচ আমার চোখের সামনে সেই সন্তানটি মারা যাচ্ছে এটা আমি সহ্য করতে পারবো না। 

এদিকে ছবির পরিচালক সম্প্রতি মোস্তাফিজুর রহমান মানিক প্রযোজকের সঙ্গে সুর মিলেয়ে কথা বলেছেন। যদিও এর আগে মাহি বলেছিলেন পরিচাক স্যার যদি বলেন সব সত্য তাহলে আমি মাথা পেতে নিবো সব। নির্মাতা এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, মাহির অভিযোগ অসত্য। প্রথমে আমিই ফেসবুকে সিনেমাটির পোস্টার শেয়ার করে প্রচারণা শুরু করি। মাহি আমাকে অনুরোধ করেছিলেন সিনেমাটি আরও পরে মুক্তি দেয়ার জন্য। তখন আমি তাকে জানিয়েছিলাম এটি এখন আর আমার হাতে নেই। আমি তাকে কখনোই বলিনি এই সিনেমার প্রচারণা থেকে দূরে থাকতে। এসব মিথ্যা কথা। কেন তিনি এসব মিথ্যা কথা বলছেন বুঝতে পারছি না।

নির্মাতার এমন মন্তব্যে বেশ চটেছেন মাহি। তাঁর কথা সত্য গোপণ করা হচ্ছে। এরপর পরই বাংলা ইনসাইডারের হাতে আসে নির্মাতা ও মাহির কিছু চ্যাটিং। যেখানে নির্মাতা নিজেই বলছেন তিনি চান না ছবিটি আলোচনায় আসুক। চিপা চাপা দিয়ে ছবিটি বের হয়ে যাক। পাশাপাশি তিনি এক ভয়েস পাঠিয়ে বলেন, ছবি ১৯ তারিখ মুক্তি পাবে না কারণ এরকিছুই প্রস্তুত নয়।

এদিকে শোনা যাচ্ছে নির্মাতাও বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন। যেখানে ছবির নায়ক-নায়িকা সহ ছবির আরও অনেকেই উপস্থিত থাকবেন। শুধু তাইনয় পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে তিনি ঐ মিথ্যা ভিডিও বাইট দিয়েছেন। 

২০১৯-২০ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ‘আশীর্বাদ’ সিনেমাটি। পরিচালক মানিক জানান, সিনেমায় সত্তর দশকের ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি ধাপ।

সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন, কাজী হায়াৎ, রেহানা জোলি, রেবেকা, শাহনূর, অরণ্য বিজয়, হারুন রশিদ, সায়েম আহমেদ, সীমান্ত, শিশুশিল্পী জেনিলিয়া, আরিয়ান প্রমুখ।

মাহি   রোশান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

প্রথম আলোর চরকির উৎসবে মাদকের আসর

প্রকাশ: ০৬:০৫ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail প্রথম আলোর চরকির উৎসবে মাদকের আসর

প্রথম আলো একটি ওটিটি প্লাটফর্ম চরকি চালু হতেই বেশ অল্প সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ওটিটি প্লাটফর্ম চরকিতে নিয়োমিত মুক্তি পাচ্ছে নানা কন্টেন্ট।  ওটিটি প্লাটফর্মটির মাধ্যমে যেন সমাজে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি করা, অশ্লীলতা, অশ্রাব্য গালিগালাজ শেখানো, মাদকে উৎসাহিত করা এবং মানুষের মধ্যে অপরাধী হয়ে উঠার প্রবণতাকেই উস্কে দিচ্ছে। 

চরকি’র বেশিরভাগ কন্টেন্ট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাদক, অশ্রাব্য গালাগালি, অশ্লীলতা, খুন, অপরাধের অন্ধকার জগত ছাড়া কিছুই দেখানো হয় না। চরকি’র ১৮+ বলে প্রচারিত কন্টেন্টগুলো তরুণ সমাজের কাছে খুবই জনপ্রিয়। আর এর অধিকাংশ দর্শকের বয়স ১৮ বছরের নিচে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী। কারণ, সহজেই চরকি’র সাবক্রিপশন করে যে কেউ দেখতে পারে এই সমস্ত কন্টেন্ট। আর এই কন্টেন্টগুলো বিশেষ করে দেশের তরুণ সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর এবং সমাজ নষ্টের একটি মিশন হিসেবে মনে করছে অনেক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে অপরাধ, মাদক, কিশোর গ্যাং ইত্যাদি বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ এই কন্টেন্টগুলো।

চরকিতে মুক্তি পাওয়া টান, শাটিকাপ, মরীচিকা, ফ্লোর নাম্বার সেভেন সহ বেশ কিছু কনটেন্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনা তৈরি হয়েছে। 'টান' ওয়েব ফিল্মটিতে পুরোটি জুড়ে মাদক এবং মাদককে প্রমোট করা হয়েছে, খুন-সন্ত্রাসকে উপজীব্য করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রটি পরিবারের সবার একসঙ্গে বসে দেখার মতো অবস্থা নেই। সেখানে সিয়ামকে দেখানো হয়েছে একজন মাদকাসক্ত, যিনি স্ত্রীর টাকা চুরি করেন।

অন্যদিকে এর আগে শাটিকাপ নামের একটি ওয়েব সিরিজে যে ভাষা ব্যবহার করেছে তা কখনো টেলিভিশন বা চলচ্চিত্রের ভাষা হতে পারে কি না, তা নিয়ে বোদ্ধাগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। অশ্লীল-অশ্রাব্য এবং উচ্চারণ অযোগ্য গালাগালির মধ্যদিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি এগিয়ে গেছে। পুরো ওয়েব সিরিজের মধ্যে একটি শুদ্ধ এবং ভালো বাক্য নেই।

চরকিতে মুক্তি দেয়া হয় সাহস নামের চলচ্চিত্রটি বড় পর্দায় মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা ছিলো নির্মাতার কিন্তু ছবিটিতে মাদক ও অশ্লীল সংলাপের কারণে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড তা মুক্তিতে বাধা দেন। পরবর্তীতে তা চরকিতে মুক্তি দেয়া হয়। 

এদিকে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিন্ডিকেট ওয়েব সিরিজটি বেশ আলোচিত হয়েছে। যার কারণে সম্প্রতি ঢাকা ক্লাবে একটি সাকসেস পার্টি রাখেন চরকি কতৃপক্ষ। যেখানে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সেই আয়োজনে ডিনারের পাশাপাশি ছিলো মদের আসর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই সময়ের কিছু ছবি দেখা গিয়েছে। 

এদিকে  প্রথম আলো গ্রুপ মাদকের বিরুদ্ধে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কর্মসূচি করছে, অন্যদিকে তাদের ওটিটি প্লাটফর্মে মাদককে প্রমোট করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিগুলো ভাইরাল হলে এ নিয়ে শুরু হয় নানা সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন আসলে প্রথম আলো কোন দিকে যাচ্ছে? তাঁরা কী সমাজের উন্নয়নে কাজ করছেন নাকি সমাজকে ধ্বংসের দিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহিত করছেন?


চরকি   মাদক  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

টঙ্গী থেকে মস্কোতে যুবরাজের ‘আদিম’

প্রকাশ: ০৪:৫৩ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail টঙ্গী থেকে মস্কোতে যুবরাজের ‘আদিম’

বস্তিবাসীদের জীবন নিয়ে সিনেমা ‘আদিম’। পুরো সিনেমার শুটিংও হয়েছে একটি বস্তিতেই। এতে কোনো পরিচিত অভিনেতা-অভিনেত্রী নেই। যারা অভিনয় করেছেন তারা সবাই বস্তিতে বাস করেন। তাদের গল্প নিয়ে সিনেমা হওয়াতে কেউ বুঝতেই পারবে না যে তারা কখনো অভিনয় করেনি, বরং মনে হবে এর চেয়ে ভালো অভিনয়, এতো সুন্দরভাবে নিজের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা কোনো সিনিয়র শিল্পীও হয়তো পারবেন না। এই সব কিছুই সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা যুবরাজ শামীমের কারণেই। ছবিটির ডিওপি হিসেবে কাজ করেছেন আমির হামজা। 

টঙ্গী বস্তিতে শুট করা সিনেমা ‘আদিম’ প্রথমবারের মতো দেখবে পুরো পৃথিবী, দেখবে পৃথিবীর চলচ্চিত্র প্রেমী দর্শক। ‘আদিম’ নামের এই বাংলা ছবিটি প্রদর্শিত হচ্ছে ৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। উৎসবে মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে যুবরাজ শামীমের এই সিনেমাটি দেখানো হবে।

মস্কোতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ‘৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। এ সময় মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে বাংলাদেশের ‘আদিম’ চলচ্চিত্রটির জায়গা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

যদিও গেল মাসেই নির্মাতা যুবরাজ শামীমকে ই-মেইলযোগে ‘আদিম’ এই উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে নিশ্চিত হওয়ার খবরটি জানানো হয়। এ বিষয়ে যুবরাজ জানান, উৎসব কর্তৃপক্ষ গেল মাসেই আদিম প্রতিযোগিতা বিভাগে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আমি চেয়েছিলাম, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের পর সবার সাথে এই আনন্দ সংবাদটির খবর ভাগ করে নিতে।

এই তরুণ নির্মাতা জানান, উৎসবে যোগ দিতে চলচ্চিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক মোহাম্মদ নূরুজ্জামান-সহ তিনি আগামি ২৭ আগস্ট মস্কোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন। উৎসবে ৩০ আগস্ট ‘আদিম’র ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে।

এমন আনন্দঘন মুহূর্তে নির্মাতা স্মরণ করলেন যারা তার স্বপ্নের ‘আদিম’ নির্মাণে আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

যুবরাজ শামীম জানান, গণ অর্থায়নের ছবি ‘আদিম’। এই ছবিটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো মঙ্গলবার (৯ আগস্ট)। ২০১৭ সালের এই দিনে প্রতি ইউনিট শেয়ার ৫ হাজার টাকা ধরে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ‘আদিম’র যাত্রা শুরু হয়। সিনেমা নির্মাণের পুরো টাকাটাই আসে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে। যারা আমাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিলেন, তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

নির্মাতার নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রসায়ন’র ব্যানারে নির্মিত এবং সহ প্রযোজক হিসেবে সিনেমাকার ও লোটাস ফিল্ম যুক্ত আছে বলেও জানান যুবরাজ। আদিম’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাদশা, দুলাল, সোহাগী, সাদেকসহ আরও অনেকে।

টঙ্গী থেকে মস্কোতে ‘আদিম’ নিয়ে যাত্রার প্রাক্কালে এই নির্মাতা বলেন, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়মিত পৃথিবীর বড় বড় ফেস্টিভ্যালে যাচ্ছে, এটা এখন আমার কাছে খুব স্বাভাবিক ঘটনাই মনে হয়। তবে টঙ্গীর বস্তিতে সাদামাটাভাবে শুট করা একটা গল্প মস্কোর সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ সিনেমা থিয়েটারে প্রদর্শিত হবে, এটা আমারা কাছে সত্যিই অনেক বড় পাওয়া।

১৯৩৫ সাল থেকে অনুষ্ঠিত মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবের ৪৪তম আসর বসবে ২৬ আগস্ট। পর্দা নামবে ২ সেপ্টেম্বর। মস্কোর পর সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ ইতালির ‘রিলিজিয়ন টুডে ফিল্ম ফেস্টিভাল’ এ ‘আদিম’র ইতালিয়ান প্রিমিয়ার হবে।

আদিম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাঁদের

প্রকাশ: ০৩:৪৮ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাঁদের

এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের কাহিনি নিয়ে নির্মিত হলো নাটক ‘রংবাজ’। নাটকটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরিচালক কাম অভিনেতা সাইফ চন্দন ও মডেল-অভিনেত্রী আফ্রি সেলিনা। তাদের দুজনের নানা রংবাজী নিয়ে এই নাটকের গল্প।

গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত রাজশাহী শহরের মনোরম সব লোকেশনে নাটকটির শুটিং হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাইফ চন্দন বলেন, আমি যখন একজন নির্মাতার চোখে রাজশাহী শহর দেখি, দারুণ লাগে। যানজটবিহীন সুন্দর একটি শহর। এখানে আমি আগেও কাজ করেছি। রাজশাহী খুব পছন্দের একটি শহর আমার। ‘রংবাজ’ নাটকটির কাজ আমার প্রিয় এই শহরে করলাম খুব ভালো লেগেছে। দর্শকরা কাজটি পছন্দ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

অন্যদিকে আফ্রি বলেন, কাজটি একটু ভিন্ন ঘরানার। গল্পটিও বেশ মজার। কাজটি করতে বেশ ভালো লেগেছে। দর্শকদের ভালো পছন্দ করলেই আমরা সার্থক।



‘রংবাজ’ নাটকে আরও অভিনয় করেছেন রকি খান, এইচ কে স্বাধীন, মম শিউলি, শাহীন মৃধ্যা, ডেঞ্জার জনি, কামাল, জয়সহ অনেকে।

নাটকটির কাহিনি লিখেছেন দেলোয়ার হোসাইন দিল। এটি পরিচালনা করেছেন জিয়াউদ্দিন আলম।

পরিচালক বলেন, শিগগিরই নাটকটি কোনো প্রতিষ্ঠিত ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করা হবে। তবে কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে অন-এয়ার হবে কিনা এ ব্যাপারে প্রযোজক সিদ্ধান্ত নেবেন।


রংবাজ   নাটক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন