কালার ইনসাইড

নয় মাসেই ভেঙে গেল কিম কার্দাশিয়ানের প্রেম!

প্রকাশ: ০৩:২১ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail

কমেডিয়ান পেট ডেভিডসনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মার্কিন রিয়েলিটি শো তারকা ও মডেল কিম কার্দাশিয়ান। মাত্র নয় মাসেই নাকি ভেঙে গেছে তাদের এই সম্পর্ক।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এই জুটির মুখপাত্রদের কেউ-ই মন্তব্য করেননি।

গায়ক কেনি ওয়েস্টের সঙ্গে ডিভোর্সের ঘোষণার পর ২০২১ সালের অক্টোবরে ‘সাটারডে নাইট লাইভ’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন কিম কার্দাশিয়ান। এরপরই পেট ডেভিডসনের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়।

কেনি ওয়েস্টের সঙ্গে কিমের ডিভোর্সের আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলছে। ২০১২ সাল থেকে একসঙ্গে থাকতেন কিম কার্দাশিয়ান ও কেনি ওয়েস্ট। ২০১৪ সালে বিয়ে করেন তারা। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স আবেদন করেন কিম ও কেনি ওয়েস্ট।  

সম্প্রতি গুঞ্জন চাউর হয়, তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবছেন তারা। এরইমধ্যে ২৮ বছর বয়সী পেট ডেভিডসনের সঙ্গে ৪১ বছর বয়সী কিমের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

মডেল   কিম কার্দাশিয়ান   বিচ্ছেদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মুক্তির পর ‘পরাণ’র আট রেকর্ড

প্রকাশ: ১১:০১ পিএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মুক্তির পর ‘পরাণ’র আট রেকর্ড

ঝরাজীর্ণ প্রেক্ষাগৃহের আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। দীর্ঘদিন পরে প্রেক্ষাগৃহে দশর্ককের ভিড় আর টিকেটের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে। আর এর শুরুটা হয়েছে ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘পরাণ’ সিনেমার মধ্য দিয়ে। এই সিনেমাটির চলচ্চিত্র শিল্পের গতি এনে দিয়েছে। 

অল্প কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও দিন দিন সিনেমাটির দর্শকপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। সঙ্গে বাড়তে থাকে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যাও।৬ ষষ্ঠ সপ্তাহে এসেও সিনেমাটি দেশের ৩৬টি  প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। শিগগিরই সিনেমাটি দেশের বাইরে যাবে। ‘পরাণ’র এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লাইভ টেকনোলজির ডিরেক্টর তামজিদ অতুল।

এদিকে মুক্তির পর সিনেমাটি করেছে বেশ কয়েকটি রেকর্ড। আজ সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আটটি রেকর্ড-এর ফিরিস্তি দিয়ে একটি পোস্টও দিয়েছেন অতুল।

সেখানে ২০২২ সালের হিসাবে ‘পরাণ’ হায়েস্ট ওপেনিং ডে গ্রস কালেকশন করেছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সপ্তাহ ধরে একই ট্রেন্ডে চলা, মাল্টিপ্লেক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন ধরা চলা বাংলা সিনেমা, অগ্রিম টিকিট বিক্রি (চলমান), গণমাধ্যম ও দর্শকের কাছে সবচেয়ে কম প্রমোশনে বেশি হাইপ ওঠা, বছরের সেরা ভালো গানের তকমা, দেশের বাইরে (অস্ট্রেলিয়া) দর্শক চাহিদার কারণে অগ্রিম টিকিট বিক্রি এবং দর্শক চাপে মল্টিপ্লেক্সগুলোতে শো বাড়ানোর মতো অর্জনগুলোর বিষয় উঠে এসেছে।

দেশের আলোচিত একটি সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।‘পরাণ’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ, বিদ্যা সিনহা মিম ও ইয়াশ রোহান। এতে আরও আছেন শিল্পী সরকার অপু, শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকী, লুৎফর রহমান জর্জ, রাশেদ মামুন অপু, মিলি বাশার প্রমুখ। সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমন চৌধুরী ও নাভেদ পারভেজ।

পরাণ   আট রেকর্ড  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মিশার ‘৩৩’

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মিশার ‘৩৩’

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বড় পর্দায় দর্শক মাতাচ্ছেন তিনি। চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ৯০০’রও বেশী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। শুরুতে রাজীব, হুমায়ূন ফরীদ, মিজু আহমেদ, আহমেদ শরীফ, নাসির খানদের সাথে দ্বিতীয় ভিলেন হিসেবে অভিনয় করলেও অচিরেই তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে প্রধান ভিলেন হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন। বলছি ঢাকাই চলচ্চিত্রের দর্শকপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগরের কথা। দেখতে দেখতে ক্যারিয়ারের ৩৩ বছর পার করলেন এই অভিনেতা।

১৯৬৬ সালের ৪ জানুয়ারি পুরান ঢাকার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে মিশা সওদাগর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ওসমান গনি ও মা বিলকিস রাশিদা। তাদের তিন পুত্র ও দুই কন্যার মধ্যে মিশার অবস্থান চতুর্থ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনিও দুই পুত্রের বাবা। ১৯৮৬ সালে এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখ কার্যক্রমে নির্বাচিত হয়ে সিনেমায় যাত্রা শুরু করেন মিশা সওদাগর। ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘চেতনা’ সিনেমার মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে নায়ক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। ‘অমরসঙ্গী’ সিনেমাতেও তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, কিন্তু দু’টির একটিতেও ব্যবসায়িক সাফল্য পাননি।



পরবর্তীতে বেশ কয়েকজন পরিচালক তাকে ভিলেন হিসেবে অভিনয়ের পরামর্শ দেন। প্রথম তমিজ উদ্দিন রিজভীর ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমাতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেন মিশা। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ভিলেন হিসেবে নিজেকে বড় পর্দায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। হুমায়ুন ফরীদিকে দেখে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করতে আগ্রহী হন মিশা। এ কারণে ফরীদিকে তিনি বলেন, ‘আত্মিক ওস্তাদ’।

মিশার প্রকৃত নাম শাহিদ হাসান। তবে সিনেমায় আসার পর স্ত্রী মিতার নামের ‘মি’ এবং নিজের নামের ‘শা’ একসঙ্গে করে নিজেই নাম রাখেন মিশা। তার দাদার নাম থেকে সওদাগর টাইটেল নিয়ে নিজের পুরো নামকরণ করেন মিশা সওদাগর।



অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৩ সালে ফাগুন অডিও ভিশনের বিশেষ অনুষ্ঠান পাঁচফোড়ন-এর সঞ্চালক হিসেবে দেখা যায় মিশা সওদাগরকে। পূর্বে তিনি ফাগুন অডিও ভিশনের ইত্যাদি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়া একই বছর তিনি মাহফুজ আহমেদের পরিচালনায় আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে নাটকে অভিনয় করেন। নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে মিশা বলেন, আমার কাছে প্রচুর নাটকের প্রস্তাব আসে। কিন্তু আমি নাটকে কাজ করি না। এই নাটকে অভিনয় করতে রাজি হয়েছি মাহফুজ আহমেদের অনুরোধের কারণেই।

মিশা অভিনীত প্রথম টেলিভিশন নাটক হল একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত জুয়েল মাহমুদের ললিতা।



এদিকে কাজের সম্মাননা হিসেবে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন এই অভিনেতা। ক্যারিয়ারের ৩৩ বছর নিয়ে এই মিশা সওদাগর বলেন, আমার এই দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ নির্মাতাদের সাথে কাজ করেছি। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অভিনেতা-অভিনেতাদের সাথে আমি অভিনয় করেছি। রাজ্জাক ভাই, ফারুক ভাই, ওয়াসিম ভাই, সোহেল রানা ভাই, জাভেদ ভাই, ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই, জসীম ভাই, ববিতা আপা, কবরী আপা, শাবানা আপা, সুচরিতা আপা, চম্পা আপা, দিতি ম্যাডামও বাংলাদেশের বড় সব সুপারস্টারদের বুকে গিয়েছি আমি। সবার ভালোবাসায় আজ আমি এই জায়গায়। আসলে কিভাবে এত দ্রুত ৩৩ বছর হয়ে গেলো তা বুঝতেই পারলাম না। দর্শকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, তাদের ভালোবাসায় আমি আজকের এই মিশা সওদাগর।

মিশা সওদাগর  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

প্রযোজকের গোপন কথা ফাঁস করলেন মাহি

প্রকাশ: ০৭:২০ পিএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail প্রযোজকের গোপন কথা ফাঁস করলেন মাহি

মাহিয়া মাহি ও জিয়াউল রোশান অভিনীত সিনেমা ‘আশীর্বাদ’। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।সিনেমাটির কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জেনিফার ফেরদৌস।

আগামী ১৯ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি পাবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রযোজক। এ সময় সিনেমাটির প্রযোজক জেনিফার, পরিচালক মানিক, ঝন্টুসহ অন্যান্য শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে হাজির ছিলেন না মাহি-রোশান। সিনেমাটির নায়ক-নায়িকা উপস্থিত না থাকার কারণ জানতে চান সাংবাদিকরা।

জেনিফার বলেন, নায়ক-নায়িকা যখন নিজের সিনেমার প্রচার না করে, তখন আমরা তো আর জোর করে করাতে পারি না। নিজের সিনেমার ভালো না বুঝলে আমাদের কিছু করার নেই। সিনেমার প্রচার না করলে এক সময় মাইনাস হয়ে যাবে তারা। আমার আর কিছু বলার নেই। আশা করছি, নির্মাণ এবং গল্পের জন্য আমার সিনেমা ভালো চলবে।

শুটিংয়ের সময়েও খারাপ আচরণ করেছেন মাহি। তা উল্লেখ করে জেনিফার বলেন, করোনার সময়ে শুটিং করা কতটা কঠিন ছিল তা আপনারা সবাই জানেন। ওই সময়ে অনেক কলাকুশলীর অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় ছিল। ওই সময়ে শুটিং করছিলাম। আমার সহকারী হিসেবে একটি ছেলে ছিল। কিন্তু মাহির কারণে ওই ছেলেকে শুটিং থেকে বাদ দিতে হয়। পরে কাঁদতে কাঁদতে সেট থেকে বেরিয়ে যায় ছেলেটি।

শুটিং বয়কে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেনিফার বলেন, আমার সিনেমার নায়িকা সম্ভবত নারকেল তেল চেয়েছিল। ওই সময়ে ছেলেটি আমার মাথায় ছাতা ধরেছিল। যার কারণে নায়িকাকে তেল দিতে দেরি হয়। এতে মাহি বেঁকে বসে। ওই ছেলেকে বাদ না দিলে মাহি শুটিং করবে না বলে জানায়। পরে বাধ্য হয়ে ছেলেটিকে বাদ দিই।



এদিকে যাকে নিয়ে এত বিস্তর অভিযোগ তাঁর সাথে বাংলা ইনসাইডারের  কথা হয়। মাহি বলেন, আমি প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই আমার প্রযোজককে। কেননা তিনি আমাকে এই সিনেমায় কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এই সিনেমাটি আমার অন্য অনেক স্পেশাল ছিলো কারণ এটি আমার প্রথম সরকারি অনুদানের সিনেমা। 

জেনিফারের অভিযোগ মিথ্যা উল্লেখ করে মাহি বলেন, আপা বলেছে আমাকে তেল দেয়া হয়নি বলে আমি শুটিং করবো না জানিয়েছিলাম এবং আমার কারণে নাকি একটি ছেলেকে শুটিং সেট থেকে বের করে দেয়া হয়ে ছিলো। বিষয়টি পুরোটাই মিথ্যা। আমরা সেদিন শুটিং করছিলাম ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে। শুটিংয়ের কিছুক্ষন আগে বৃষ্টি হয়েছিলো। এর কিছুক্ষন পরেই আমাদের শট ছিলো মাঠে। বৃষ্টির কারণে মাঠ অনেকটাই ভেজা ছিলো। সেই অবস্থায় শুট করতে গিয়ে আমার এলার্জির কারণে শরীরে চুলকানি শুরু হয়। আমি তখন তাড়াতাড়ি গাড়িতে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করি। আমাদের প্রোডাকশনে মেয়ে বলতে আমরা দুইজনই ছিলাম। কাউকে তেমন ভাবে কিছু বলতেও পারছিলাম না। এমন অবস্থায় আমার সহকারী বললো নারিকেল তেল দিতে কিন্তু আশাপাশে তেমন কোন দোকানও ছিলো না। যার কারণে বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিলাম আমি। তখন বেশ কয়েকবার আমার সহকারী সেই প্রোডাশন বয়কে একটু তেল ব্যবস্থা করে দিতে বললে সে এক প্রকার রেগে যায়, বলে ম্যাডামের জন্য আগে গরুর মাংস ব্যবস্থা করি তারপর সব হবে। একটা মানুষ মারা যাচ্ছে আর অন্য জন্য গরুর মাংস খাবে সেটা কী করে হয় ? মানবতা বলতেও তো একটা কথা থাকে। শুধু আমি নই আমাদের অনেক আর্টিস্টদের কোন সম্মান করা হয়নি শুটিং সেটে। 

মাহি আরও বলেন, ছবিটি সরকারি অনুদানের ছবি তাই আমরা আর্টিস্টরা অনেক কম পারিশ্রমিক নিয়েছি। কিন্তু সেই তুলনায় আমরা সম্মান পাইনি। একটি সিনেমা আমার সন্তানের মত, অথচ আমার চোখের সামনে সেই সন্তানটি মারা যাচ্ছে এটা আমি সহ্য করতে পারবো না। 



ছবির মুক্তির বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে মাহি বলেন, কিছুদিন আগে  এক সাংবাদিক আমাকে কল দিয়ে বলছে ছবিটি ১৯ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে। আমি বললাম কোন সিনেমা সে বললো ‘আশীর্বাদ’। তাঁর কথা শুনে আমি আকাশ থেকে পড়লাম কারণ আমি এই বিষয়ে কিছুই জানতাম না। ছবির সংশ্লিষ্ট কেউ আমাকে একবার জানায়ও নাই। শুধু তাই নয় ছবির প্রচারণা কিভাবে কী হবে সে বিষয়েও কেউ আমাকে কিছুই বলে নাই। সব কিছু মিলিয়ে আমি বেশ বিরক্ত। আর এই ছবির নির্মাতা সব কিছু জানেন শুটিংয়ে কি হয়েছে। সে যদি বলে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো সত্য বলে একবার আমি সব মাথা পেতে নিবো। 

মাহি আক্ষেপ করেই বলেন, এই ছবিটা আমাদের স্বপ্নের সিনেমা ছিলো। কিন্তু সব কিছুই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সাইনিংয়ের প্রথম দিনেই আমাদের শর্ত দেয়া হয় প্রযোজক ছাড়া কোন ছবি ফেসবুকে দেয়া যাবে না। এটা কেমন নিয়ম। এতগুলা সিনেমা করেছি কখনো এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়নি। শুধু তাই নয় সাভারে শুটিংয়ের সময়  পাক হানাদার বাহিনির একটি সিন ছিলো। সেখানে প্রফেশনার কোন শিল্পী না নিয়ে নেয়া হয়েছে গ্রামের লোকদের। যারা ভালো করে বন্ধুক ধরতে পারেনা। এমনকি তাঁরা কখনো ক্যামেরার সামনেই দাঁড়ায়নি। শুনেছি ছবিটির জন্য ৬০ম লাখ টাকা অনুদান পেয়েছেন প্রযোজক।  তবে  দর্শক হলে দেলেই দেখতে পাবেন ছবিটি কত টাকা দিয়ে নির্মাণ হয়েছে। 

এদিকে শুধু মাহি একাই নন ছবির নায়ক রোশানও প্রযোজকে নিয়ে জানিয়েছেন বেশ কিছু তথ্য। তিনি বলেন, জেনিফারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে রোশান বলেন, ‘এটা ৬০ লাখ টাকার অনুদানের ছবি। আমি জানি না আসলে সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে সিনেমা বানানো হয়েছে কি না। না হলে এতো কোয়ালিটি কম্প্রোমাইজ করে কেন সিনেমা বানানো হলো। শুটিং ইউনিটে কখনো খাবারের সমস্যা হবার কথা না। অথচ উনি খাবারের সমস্যা করলেন। খাবার পানি পর্যন্ত নিজের ঘরে তালাবন্ধ করে রাখতেন। আমাদের খাবারের ও পানির সমস্যায় পড়তে হয়েছে অনেকবার। টাকা বাচাতে উনি নিজেই বাজার করতে যেতেন। 

২০১৯-২০ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ‘আশীর্বাদ’ সিনেমাটি। পরিচালক মানিক জানান, সিনেমায় সত্তর দশকের ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি ধাপ।

সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন, কাজী হায়াৎ, রেহানা জোলি, রেবেকা, শাহনূর, অরণ্য বিজয়, হারুন রশিদ, সায়েম আহমেদ, সীমান্ত, শিশুশিল্পী জেনিলিয়া, আরিয়ান প্রমুখ।


মাহি   রোশান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মাহির কথা বলতেই ক্ষেপে গেলেন প্রযোজক

প্রকাশ: ০৫:৫৬ পিএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মাহির কথা বলতেই ক্ষেপে গেলেন প্রযোজক

 মাহিয়া মাহি ও জিয়াউল রোশান অভিনীত সিনেমা ‘আশীর্বাদ’। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। সিনেমাটির কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জেনিফার ফেরদৌস।

আগামী ১৯ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি পাবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন প্রযোজক। এ সময় সিনেমাটির প্রযোজক জেনিফার, পরিচালক মানিক, ঝন্টুসহ অন্যান্য শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে হাজির ছিলেন না মাহি-রোশান। সিনেমাটির নায়ক-নায়িকা উপস্থিত না থাকার কারণ জানতে চান সাংবাদিকরা।

জেনিফার বলেন, নায়ক-নায়িকা যখন নিজের সিনেমার প্রচার না করে, তখন আমরা তো আর জোর করে করাতে পারি না। নিজের সিনেমার ভালো না বুঝলে আমাদের কিছু করার নেই। সিনেমার প্রচার না করলে এক সময় মাইনাস হয়ে যাবে তারা। আমার আর কিছু বলার নেই। আশা করছি, নির্মাণ এবং গল্পের জন্য আমার সিনেমা ভালো চলবে।

শুটিংয়ের সময়েও খারাপ আচরণ করেছেন মাহি। তা উল্লেখ করে জেনিফার বলেন, করোনার সময়ে শুটিং করা কতটা কঠিন ছিল তা আপনারা সবাই জানেন। ওই সময়ে অনেক কলাকুশলীর অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় ছিল। ওই সময়ে শুটিং করছিলাম। আমার সহকারী হিসেবে একটি ছেলে ছিল। কিন্তু মাহির কারণে ওই ছেলেকে শুটিং থেকে বাদ দিতে হয়। পরে কাঁদতে কাঁদতে সেট থেকে বেরিয়ে যায় ছেলেটি।

শুটিং বয়কে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেনিফার বলেন, আমার সিনেমার নায়িকা সম্ভবত নারকেল তেল চেয়েছিল। ওই সময়ে ছেলেটি আমার মাথায় ছাতা ধরেছিল। যার কারণে নায়িকাকে তেল দিতে দেরি হয়। এতে মাহি বেঁকে বসে। ওই ছেলেকে বাদ না দিলে মাহি শুটিং করবে না বলে জানায়। পরে বাধ্য হয়ে ছেলেটিকে বাদ দিই।

এ বিষয়ে মাহির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেননি কেন? এ প্রশ্নের উত্তরে এই প্রযোজক বলেন, সিনেমার শুটিং শেষ করাটা জরুরি ছিল; এজন্য যারা সেটে উল্টাপাল্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো স্টেপ নিতে পারিনি। বরং সিনেমার স্বার্থে সবকিছু মেনে নিয়েছি। কাউকে নালিশ করিনি; এখনো নালিশ করছি না। আপনারা প্রসঙ্গটি সামনে আনার কারণে কথাগুলো বলছি।

২০১৯-২০ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ‘আশীর্বাদ’ সিনেমাটি। পরিচালক মানিক জানান, সিনেমায় সত্তর দশকের ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি ধাপ।

সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন, কাজী হায়াৎ, রেহানা জোলি, রেবেকা, শাহনূর, অরণ্য বিজয়, হারুন রশিদ, সায়েম আহমেদ, সীমান্ত, শিশুশিল্পী জেনিলিয়া, আরিয়ান প্রমুখ।

মাহিয়া মাহি   আশীর্বাদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের উন্নয়নে কাজ করবেন বাপ্পী

প্রকাশ: ০৫:৪৯ পিএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের উন্নয়নে কাজ করবেন বাপ্পী

সমাজের তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের উন্নয়নে কাজ করতে এগিয়ে এলেন চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের সামাজিক সমস্যা সমাধানে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জেসিআই ঢাকা ওয়েস্ট ‘ফাইট ফর ইকুয়ালিটি’ নামের একটি কার্যক্রম শুরু করেছে। আর এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ‘নায়ক’খ্যাত এই অভিনেতা।

সম্প্রতি ‘ফাইট ফর ইকুয়ালিটি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাপ্পী চৌধুরী। সেখানে তিনি বলেন, নানা সময়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের কষ্ট কথা শুনে তাদের জন্য কিছু করার ইচ্ছাটা মনে ছিল। কিন্তু সময়-সুযোগ হচ্ছিল না। জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পেলাম। সংগঠনটির মাধ্যমে তাদের যেকোনো সমস্যায় আমি পাশে থাকার কথা দিচ্ছি।

অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত বেশ কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন বাপ্পী। তাদের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন তিনি। কাউকে বিরক্ত না করে নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের বেশকিছু পরামর্শ দেন অভিনেতা।

জেসিআই ঢাকা ওয়েস্টের লোকাল প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে আরও উপস্থিত ছিলেন লোকাল ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাহমুদুর রহমান, প্রজেক্ট ডিরেক্টর ইকবাল হোসেন ইকু, প্রজেক্ট লিড আশেক ফারাবি, কো-লিড নিশাদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

‘ফাইট ফর ইকুয়ালিটি’ নিয়ে আলতামিশ নাবিল বলেন, ‘সমাজের প্রতি ক্ষেত্রে একজন নারী কিংবা পুরুষের যেমন অধিকার, একজন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরও ঠিক একই অধিকার। কিন্তু নানা ক্ষেত্রে তারা বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন। লিঙ্গ বৈষম্য রুখতে এবং তাদের জন্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার নিশ্চিত করেতেই আমাদের এই উদ্যোগ।’

জানা যায়, প্রজেক্টটির মাধ্যমে ঢাকা শহরের গনশৌচাগারগুলোতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য আলাদা শৌচাগারের ব্যবস্থাসহ আয়োজন করা হবে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও স্বাস্থ্যখাতে ডিসকাউন্টের ব্যবস্থা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীর গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ি এবং শাহবাগে ৩টি পাবলিক টয়লেট তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের ব্যবহারের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রজেক্টটির ডিরেক্টর ইকবাল হোসেন ইকু। এখন থেকে এই পাবলিক টয়লেটগুলোতে নারী ও পুরুষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের ব্যবহার নিশ্চিত করতে আলাদাভাবে স্টিকার দেওয়া থাকবে। এছাড়া সেপ্টেম্বরে তাদের জন্যে মেডিক্যাল হেলথ ক্যাম্প এবং একটি মোবাইল টয়লেট উন্মোচন কারা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

তৃতীয় লিঙ্গ   বাপ্পী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন