কালার ইনসাইড

বুবলীর কেন এই চোর-পুলিশ খেলা?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রপাড়ার এক আলোচিত নাম শবনম বুবলী। শুধু চলচ্চিত্র অঙ্গন নয়, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্ব মহলে এই নায়িকা নিয়ে চলছে নানা চর্চা। কেননা কিছুদিন আগে সুপারস্টার শাকিব খানের সাথে প্রেম, বিয়ে ও সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন তিনি। যদিও তাঁদের বিয়ে, সন্তানের বিষয়টি অনেক আগে থেকেই মিডিয়াতে ওপেন সিক্রেট ছিল। কিন্তু দুজনের কেউই বিষয়টি কখনো স্বীকার করেনি।

সবকিছুকে পিছনে ফেলে অবশেষে শাকিব খান ও বুবলী দুজনেই তাদের সন্তানের কথা জানান সবাইকে। আর এরপর থেকেই বুবলী কিছুদিন পরপর তাদের প্রেম, বিয়ে ও সন্তান বিয়ে নানা তথ্য জানাতে থাকেন তার ফেসবুকে। আর সে সব ইস্যু নিয়ে আলোচনায় থাকেন তিনি।



তাদের প্রেম, বিয়ে, সন্তানের খবর প্রকাশের পর আরও শোনা যায় তাদের বিচ্ছেদের খবরও। তবে বিষয়টি বুবলী শুধুই গুজব বলে চালিয়ে দিয়েছেন। যদিও এর আগে অন্তঃসত্ত্বার খবরটিও বুবলী গুজবই বলেছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সত্য হলো। নায়িকা অস্বীকার করলেও শাকিব খান বিচ্ছেদের বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন তখন।

শাকিব খান তার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নয় মাস আগে সে (বুবলী) আমেরিকা থেকে আসার পর তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আমাদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি, নেই সেটা যারা দেখেও না দেখার বা বোঝার ভান করে, সবাইকে কি আমার গিয়ে বুঝিয়ে আসতে হবে?



যাক সেসব পিছনের কথা। সম্প্রতি বুবলীর জন্মদিন ছিলো। আর এ জন্মদিনে সেরা উপহার শাকিব খান থেকে পাওয়া ডায়মন্ডের নাকফুল উল্লেখ করে তিনি বলেন, শাকিব নিজের জন্মদিন নিয়েই তেমন একটা এক্সাইটেড থাকে না। ওভাবে সেলিব্রেটও করে না। জন্মদিন উপলক্ষে আমাকে একদিন আগেই উইশ করেছে। গত সপ্তাহে আমাকে সে উপহার কিনে দিয়েছে। আমি আগে থেকে জানতাম না উপহারটি কী। যখন খুলে দেখলাম ডায়মন্ডের নাকফুল, দেখে আমার চোখে জল চলে এসেছিল। এটি হাতে নিয়ে আমি আবেগপ্রবণ হয়েছিলাম। আমি মনে করি, এ উপহার আমার জন্য তার অন্য রকমের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

বুবলীর এমন কথা শুনে নিজের সামাজিক মাধ্যমে বুবলীকে খোঁচা দেন শাকিবের প্রাক্তন স্ত্রী অপু বিশ্বাস। পরে বুবলীও পাল্টা দিতে ভুল করেননি। গতকাল তাদের সাইবার যুদ্ধে সরগরম ছিল ফেসবুক।

এদিকে অপু-বুবলীর যুদ্ধের মাঝে শাকিব বিস্ফোরক তথ্য জানালেন। একটি গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তিনি বুবলীকে কোনো ডায়মন্ডের নাকফুল দেননি।

শাকিব বলেন, ডায়মন্ডের নাকফুল তিনি (বুবলী) উপহার পেতেই পারেন। ১টা কেন, ১০টাও পেতে পারেন। তার আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবরা আছেন। তবে সবাইকে আশ্বস্ত করে একটা কথা বলতে চাই, কোনো ধরনের ডায়মন্ডের নাকফুল আমি তাকে উপহার দেইনি। সত্যি কথা বলতে, তার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের যোগাযোগ নেই। উপহার দেওয়া কিংবা উইশ করা কোনোটাই আমার পক্ষ থেকে হয়নি। সন্তানের প্রয়োজনে সে আমাকে বা আমি তাকে লিখলেও তা শুধু শেহজাদকে কেন্দ্র করে যতটুকু দরকার ততটুকুই হয়, এর বাইরে আর কোনো কিছুর প্রশ্নই আসে না।

শাকিবের এমন মন্তব্যের পর বেশ চটেছেন বুবলী। তিনি বলেন,  প্রায় সাত বছর ধরে ওর সঙ্গে সম্পর্ক। এই সাত বছরে কখনো তার সম্মানহানি হয় এমন কোনো কথা কখনো কোথাও বলিনি। তার সম্মান যেন ঠিক থাকে সর্বদা সেদিকে খেয়াল করে চলেছি। তার অনুমতি নিয়েই অন্য নায়কদের সঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু তাতে কি হলো? সে তো একের পর এক মন্তব্য করে আমার সম্মানহানি করছে। আমার ইমেজ নষ্ট করছে। তাই নিজের সম্মানের কথা ভেবে, বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা ভেবে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত কথা বলতে চাই।



যদিও এই সংবাদ সম্মেলন কবে নাগাদ করতে পারেন তার নির্ধারিত তারিখ বলেননি তিনি। শুধু বলেছেন, যা হচ্ছে তার তো একটা বিহিত দরকার। এভাবে আর কত?

বুবলী বলেন, দুই দিন পর পর আমাকে নিয়ে এভাবে মন্তব্য করা তো মেনে নেওয়া যায় না। আমি তো সব কিছু ঠিক রাখতে কম চেষ্টা করছি। যখন তার সঙ্গে যোগাযোগ থাকে তখন এক রকম। আবার একটু দূরে এলেই আরেক রকম। কিন্তু আমি তো তার সম্মান হেয় এমন কখনও কিছু বলিনি করিওনি। তাহলে আমাকে নিয়ে কেন একের পর এক এভাবে মন্তব্য! তাই ভাবছি  এখন আমার উচিত বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা। না হলে সবাই আমাকে ভুল বুঝবে।



এদিকে প্রথম বুবলী তাঁর অন্তঃসত্ত্বার থাকা কালীন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিলে সাংবাদিকরা তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান কিছুদিনের মাঝেই তিনি সংবাদ সম্মেলন করে সব কিছু জানাবেন। কিন্তু তা আর পরবর্তীতে হয়নি। সন্তানের ছবি প্রকাশের পর সাংবাদিকদের থেকে এক প্রকার পালিয়েই ছিলেন তিনি।

এই ঘটনার আবার পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে কেননা শাকিবকে নিয়ে আনা তার নানা অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের কথা বললেও তিনি পরবর্তীতে কোথায় কখন তা করবেন তা গণমাধ্যমকে জানাননি। এমনকি অনেক গণমাধ্যম কর্মীদের ফোন কলও রিসিভ করেনি।

বুবলীর কেন এই চোর-পুলিশ খেলা কিছুদিন পরপর তা নিয়ে অনেকেই নানা মন্তব্য করছেন। অনেকেই বলছেন শুধু মাত্র আলোচনায় থাকতে ও হিংসাত্মক ভাবেই বুবলী এ কাজ গুলো করছেন।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পর্দার আড়ালে নির্যাতনের স্বীকার বাংলাদেশের মডেল-অভিনেত্রীরা

প্রকাশ: ১০:০৮ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

শোবিজের তারকাদের নিয়ে সধারণ মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। বিশেষ করে নায়ক-নায়িকাদের নিয়ে যেনো তাদের জানার শেষ নেই। তাদের চলাফেরা, আচার-আচরণ সব কিছুই তাঁদের ভক্তরা অনুসরণ করেন। সিনেমা-নাটকে প্রেম-ভালোবাসা একটি সুন্দর সংসারের চিত্র দেখালেও বাস্তব জীবনে কতটা খুশি নায়িকারা? কিছুদিন পর পরই দেখা যায় শোবিজের অনেক নায়িকা কিংবা মডেল কিংবা গায়িকারা স্বামীর নির্যাতনের কথা সামনে নিয়ে আসেন।

ভালোবেসে বিয়ে করে অনেক নায়িকাই সংসার জীবনে সুখী হতে পারেনি। স্বীকার হতে হয়েছে স্বামীর নির্যাতনের। বিচ্ছেদের পর আবার নতুন সংসার গড়লে সেখানেও দেখা যায় একই দৃশ্য। সুখের আশায় ঘর বাঁধলেও যৌতুক কিংবা অন্য কোন কারণে সেই সুখ তার কপালে জোটে না। 

ঢাকাই চলচ্চিত্রের দর্শকপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। সর্বদা হাস্যজল থাকা এই নায়িকা হয়েছে স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার। যার কারণে ২০২০ সালে ইতি হয় তাঁর সংসারের।

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদের সঙ্গে আংটি বদল করেন শাবনূর। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তারা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের মা হন শাবনূর। কিন্তু স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখে থাকা হলো না তার। ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। সে সময় এই নায়িকার অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদ জানিয়ে ছিলেন, শাবনূরের স্বামী অনিক মাদকাসক্ত ছিলেন। রাত বিরাতে মাতাল হয়ে বাসায় ফিরতেন। প্রতিবাদ করলে শাবনূরকে নানারকম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন।

বর্তমানে শাবনূর তার ছেলেকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন।

নব্বইয়ের দশকের চাহিদাসম্পন্ন নায়িকা মুনমুন। ব্যক্তিগত জীবনে মীর মোশাররফ হোসেন রোবেনের সঙ্গে প্রেমে জড়ান এই নায়িকা। প্রেমের পর তা পরিণয়ে রূপ নেয়।২০১০ সালে তারা বিয়ে করেন। তাদের সংসারে রয়েছে দুই সন্তান। কিন্তু তাদের এই ভালোবাসার সংসার এক যুগ পার না হতেই ভেঙে যায়। তিনিও হয়েছেন স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার। 

মুনমুন তখন গণমাধ্যমকে জানিয়ে ছিলেন, দেখুন আমরা কিন্তু ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলাম। আমাদের সন্তানও রয়েছে। এই পর্যায় এসে কেউ কী চায় সংসার ভেঙে যাক। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। আমি অনেক সেক্রিফাইজ করেছি। আমাকে শারীরিক নির্যাতনও করতো। 

সময়টা ২০১৫ সাল, ফেসবুকে অভিনেত্রী ফারিয়া-অপুর পরিচয়। সেখান থেকে বন্ধুত্ব ও প্রেম। তিন বছর পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা আংটিবদল করেন। ২০১৯  সালের ১ ফেব্রুয়ারি ধুমধাম করে বিয়ে হয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ অপুর। পরিচয় ও প্রেমের হিসাবে তাদের সম্পর্কের বয়স পাঁচ বছর। কিন্তু বিয়ের এক বছর পার না হতেই না হতেই তাদের বিচ্ছেদ হয়। ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর অপুর সাথে বিচ্ছেদ হয় ফারিয়ার। 

মডেল-অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের মাশরুর হোসেন সিদ্দিকীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। স্বামী পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ী। কিন্তু বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।এই অভিনেত্রী তখন নানা নির্যাতনের কথাও গণমাধ্যমকে বলে ছিলেন।



শবনম ফারিয়া স্বামীর কাছে নির্যাতিত হয়ে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন। শুধু নির্যাতনই নয়, নির্যাতন করে হাত ভেঙে দিয়েছিলেন তার স্বামী। সমাজের নিয়ম ও কী বলবে সমাজ, স্বজন এই ভেবে সহজে বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েছেন দেবীখ্যাত অভিনেত্রী। 

এদিকে নির্যাতনের স্বীকার হয়ে ডির্ভোস নিয়ে ছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে তিনি স্বামী হিশাম চিশতির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং যৌতুকের জন্য মারপিটসহ হুমকি প্রদানের অপরাধে মামলাও করেছিলেন। 

মডেল ও অভিনেত্রী মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। চলতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রাহীকে বিয়ে করেন সারিকা। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে।
সম্প্রতি তার দ্বিতীয় স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে মারধর ও যৌতুক দাবির অভিযোগ আনেন এই অভিনেত্রী। সারিকার এই মামলা আমলে নিয়েছেন আদালত।

সারিকা বলেন, আমি সংসার জীবন নিয়ে অতিষ্ঠ। সে (রাহী) আমাকে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক- সব দিকেই টর্চার করেছে। একজন নারী কখন ঘরের বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আনে- এটা সবাইকে বুঝতে হবে। বিষয়টি পারিবারিকভাবে বেশ কয়েকবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু লাভ হয়নি। দিনকে দিন আরও খারাপের দিকে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে বিচার চেয়ে আদালতে গিয়েছি।

পর্দায় যেই মানুষগুলোকে দেখে সাধারণ মানুষ তাদের নিজের জীবনে সেই তারকার প্রভাব নিয়ে আসে। সেই তারকাদের পর্দার আড়ালে এমন নির্যাতন ও তা প্রকাশ্যে আসলে আমাদের সমাজের জন্য কতটুকু কল্যাণকর তা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের পরও নির্যাতনের ঘটনা কোনোভাবেই কমছে না। মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর নারীর সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নানা কর্মসূচি পালন করে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প তো রয়েছেই। তারপরও দেশে কমেনি নারী নির্যাতনের ঘটনা। 

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্যমতে, ২০২১ সালে ৩ হাজার ৭০৩ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্বের যেসব দেশে স্বামী বা সঙ্গীর হাতে নারী নির্যাতনের হার বেশি, সেসব দেশের তালিকায় এসেছে বাংলাদেশের নাম। দেশের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সি নারীদের ৫০ শতাংশই জীবনে কখনো না কখনো সঙ্গীর হাতে শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

তাদের তথ্যমতে, বিশ্বে প্রতি তিন জন নারীর এক জন জীবদ্দশায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুর‍্যো কর্তৃক পরিচালিত ২০১১ সালের জরিপ মতে, শতকরা ৮৭ ভাগ নারী স্বামীর মাধ্যমে কোনো না কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হন। জাতিসংঘের বিশেষ রিপোর্ট মতে, বাংলাদেশে ৬০ শতাংশ বিবাহিত নারী জীবনে কোনো না কোনো সময়ে স্বামী কিংবা তার পরিবার বা উভয়ের দ্বারা নির্যাতিত হন।


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

পরিচালকের সুমনের ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ তরুণীর

প্রকাশ: ০৩:৫৪ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কলকাতার টেলিভিশন ‘জি বাংলা’য় সোমবার থেকে শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘সোহাগ জল’। এবার এই ধারাবাহিকের পরিচালক সুমন দাসের ওপরেই উঠল ‘মি টু’ অভিযোগ। ‘সোহাগ জল’ ধারাবাহিকের প্রথম সম্প্রচারের দিনই মুম্বাইয়ের মডেল পূজা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে করে সুমনে দাসের বিরুদ্ধে আনলেন গুরুতর অভিযোগ। খুনের অভিযোগও এনেছেন সুমনের বিরুদ্ধে।

শুধু পূজা নয়, তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন আরও একজন মডেল। যার নাম সোমদত্তা মিত্র, তিনিও পূজার মতোইরঅভিযোগ করেছেন পরিচালকের বিরুদ্ধে। সোমদত্তা বলছেন, সুমন দাসের জন্য তিনি অভিনয়ের পরিবর্তে অন্য চাকরি করছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় নাট্যমঞ্চে সুমনের সঙ্গে আলাপ সোমদত্তার। সুমনের ছবি ‘জান্নাত’-এ অভিনয়ও করেছিলেন সোমদত্তা।

সুমনের চাহিদা ও জেদের বশে ইন্ডাস্ট্রি ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। সোমদত্তা জানান, সুমন তাঁকে বারবার বলতো তাঁকে গার্লফ্রেন্ড হওয়ার জন্যে, কিন্তু অভিযোগকারিণী বারবার বাধা দিয়েছেন সুমনকে। কিন্তু পরিচালক শোনেনি। ফোনে ব্লক করে দেওয়ার পরও মদ্যপ অবস্থায় এসে গালিগালাজ করেছেন সুমন। অভিনেত্রীর বাবাকে মেসেজ পাঠিয়েও নানা রকম নোংরা ভাষা প্রয়োগ করতেন তিনি। অবশেষে শহরে ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।  

অন্যদিকে ২০১৭ সালে পূজার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সুমনের। তবে এবার বেপরোয়া হননি পরিচালক। তবে পূজার দাবি, ফ্ল্যাটের মধ্যেই তাঁকে ধর্ষণ ও খুন করার চেষ্টা করেছিলেন সুমন। তাঁকে ফ্ল্যাটে আটকে রাখারও চেষ্টা করেন পরিচালক।  

কিন্তু পূজা উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে ফ্ল্যাটের বাথরুমে নিজেকে বন্দি করে ধস্তাধ্বস্তি করে। অবশেষে পরিচালকের প্রতিবেশী এসে পূজাকে রক্ষা করেন। এসব ঘটনাই ফেসবুক লাইভে এসে জানান পূজা।  

ধর্ষণ   খুন   নির্মাতা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

‘রঙবাজার’ নিয়ে নতুন মিশনে লাইভ টেকনোলজিস

প্রকাশ: ০৩:০৪ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

যৌনপল্লির জীবন এবং তাদের উচ্ছেদের এক অন্যরকম গল্প উঠে আসবে বড় পর্দায়। ছবিটি একরকম চোখের পলকে নির্মাণ করে ফেলেছেন রাশিদ পলাশ। ‘রঙবাজার’ নামের এই পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবিটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন গোলাম রাব্বানী। আর এটি নির্মিত হয়েছে ‘পরাণ’-খ্যাত ব্যানার লাইভ টেকনোলজির ব্যানারে।  

চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শম্পা রেজা, মৌসুমী হামিদ, নাজনীন চুমকি, শাজাহান সম্রাট, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, তানজিকা আমিন, লুৎফুর রহমান জর্জ, বড়দা মিঠু, কনিকা, মাসুম রেজয়ান, কানিজসহ অনেকে।

তামজিদ অতুলের গল্প ভাবনা এবং ইয়াসির আরাফাতের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রাজবাড়ির গোয়ালন্দে টানা শুটিং হয়েছে ছবিটির। বর্তমানে দৃশ্যগুলো রয়েছে সম্পাদনার টেবিলে।