কোর্ট ইনসাইড

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশন গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশ: ০১:১৬ পিএম, ২৮ জুন, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশন গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদেশে ৩০ দিনের মধ্যে এই কমিশন গঠন করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

এর আগে গত রোববার (২৬ জুন) পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়।

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও যোগাযোগ সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

পদ্মা সেতু   ষড়যন্ত্রকারী  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ফের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ইডেন ছাত্রলীগ

প্রকাশ: ০৮:৪৫ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ফের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ইডেন ছাত্রলীগ

ফের পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছে ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। সংঘর্ষের ঘটনায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর অপরপক্ষকেও আসামি করে পাল্টা মামলা দায়ের হয়েছে। ইডেন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিতু আক্তার বাদী হয়ে লালবাগ থানায় মামলা করেছেন। তিনি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এম এম মোর্শেদ।

তিনি বলেন, বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মামলা হয়েছে। ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। একটি কোর্টে অপরটি থানায়। তবে দুই মামলার তদন্তই লালবাগ থানা পুলিশ করছে।

জানা গেছে, বেআইনিভাবে মারপিট করে সাধারণ জখমসহ হত্যার চেষ্টা, চুরি, ক্ষতি করা ও হুমকি দেওয়ার অপরাধে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৭৯, ৪২৭ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করা হয়েছে। এতে জেবুন্নাহার শিলা, সামিয়া আক্তার বৈশাখী, মারজানা আক্তার উর্মি, কল্পনা বেগম, সোনালী আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, আফরোজা রশ্মি, রুপা দত্ত, ফাতেমা খানম বিন্তি, সাদিয়া জাহান সাথী, সানজিদা পারভিন চৌধুরী, শেখ সানজিদা, এস এম মিলি, মারিয়া, শারমিন, জান্নাতুল ফেরদৌস, মনিকা তনচংগ্যা মিমি, মায়দা বেগম মায়া, তানজিলা আক্তারসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। এদের অধিকাংশই ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি ও সহ-সম্পাদক। একইসাথে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরোধী প্যানেল হিসেবেও পরিচিত।  

গত বুধবার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নুরের আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত সেটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। ওই মামলার আসামিরা হলেন- তামান্না জেসমিন রিভা, রাজিয়া সুলতানা, নুঝাত ফারিয়া রোকসানা, মিম ইসলাম, নূর জাহান, ঋতু আক্তার, আনিকা তাবাসসুম স্বর্ণা ও কামরুন নাহার জ্যোতি।

জান্নাতুল ফেরদৌসী ওই আটজনের নাম উল্লেখসহ ২০/২৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় আসামির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন। এরপর আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে আদালত মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগামী ২৩ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে ‘সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির’ অভিযোগ এনে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস। এ কারণে তাকে ছাত্রীনিবাসের একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় মধ্যরাতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের একাংশের বিক্ষোভে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীরা রিভা ও রাজিয়ার বহিষ্কারের দাবি জানান। পরে রোববার দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ আসে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে।

তদন্ত কমিটির প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে গত রোববার দুপুরে বিরোধী পক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। পরে বিকেলে সভাপতি রিভা সংবাদ সম্মেলন করতে এলে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুইপক্ষ। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ ছাত্রলীগের সব সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

পাল্টাপাল্টি   ইডেন ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

শেষ পর্যন্ত ফেঁসে গেলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক

প্রকাশ: ০৪:১২ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail শেষ পর্যন্ত ফেঁসে গেলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক

ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা, সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলাটি লালবাগ থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নূরের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে লালবাগ থানা পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে একই দিন সকালে ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস বাদী হয়ে এ মামলার আবেদন করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন—নুঝাত ফারিয়া রোকসানা, মিম ইসলাম, নূর জাহান, ঋতু আক্তার, আনিকা তাবাসুম স্বর্ণা ও কামরুন নাহার জ্যোতি।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার নির্দেশে রাত ১০টার সময় আসামি আনিকা তাবাসুম স্বর্ণাসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন দেশীয় অস্ত্রসহ বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসের রুমে অনধিকার প্রবেশ করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে তাকে খুঁজতে থাকে। কিন্তু ওই সময় জান্নাতুলকে না পেয়ে তার আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং তার ওয়ার ড্রপে থাকা চিকিৎসার ২০ হাজার টাকা ও ব্যবহৃত ল্যাপটপ (মূল্য ৩৪ হাজার টাকা) চুরি করে নিয়ে যায়। রুমে বাকিদের জীবননাশের হুমকি দেয়।

খবর পেয়ে জান্নাতুল রুমে আসার পথে আয়শা হলের সামনে রিভা-রাজিয়াসহ ৮ আসামি তাকে ঘিরে ধরে। তারপর চুলের মুঠি ধরে টেনে হিচড়ে ২নং গেটের গেস্ট রুমের পাশে নিয়ে আসে। এরপর সাংবাদিকের কাছে আসামিদের কু-কর্মের কথা বলার কারণ জিজ্ঞাসা করে তাকে গালিগালাজসহ এলোপাতাড়ি কিলঘুষি লাথি মেরে তাকে নিলাফুলা রক্তাক্ত জখম করে। রিভা তার হাতে থাকা হকিস্টিক দিয়ে তাকে আঘাত করে।

আর রাজিয়াসহ বাকি আসামিরা তার ওড়না খুলে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গলায় পেঁচিয়ে দুদিক থেকে টান দেয়। জান্নাতুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মৃত ভেবে আসামিরা তাকে ছেড়ে যায়। পরে তার হাত থেকে ২০ হাজার টাকার রিয়েলমি ৭ প্রো, গলায় থাকা ৩৫ হাজার টাকার স্বর্ণের চেনসহ তার বোনের কাছ থেকে ১৮ হাজার টাকার রেডমি নোট ৭ ফোন নিয়ে নেয়।

পরে খবর পেয়ে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাডামরা জান্নাতুল ফেরদৌসকে উদ্ধার করেন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়। পরে ক্যাম্পাস না ছাড়লে তার জীবন শেষ করে দেবে বলে আসামিরা হুমকি দেন।  

এই ঘটনায় লালবাগ থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন বলে আর্জিতে বলা হয়।

ইডেন ছাত্রলীগ   তামান্না জেসমিন রিভা   রাজিয়া সুলতানা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

অস্ত্র মামলায় জি কে শামীমসহ ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০১:১০ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail অস্ত্র মামলায় জি কে শামীমসহ ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অস্ত্র মামলায় এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।  

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলামের আদালতে দুপুর ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, জিকে শামীমের সহযোগী সাত দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।

একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।


২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত মামলার চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছেন বলে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে এর সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি তিনি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

জি কে শামীমসহ ৭ দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ

প্রকাশ: ০৮:১৬ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জি কে শামীমসহ ৭ দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ

এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় আজ রোববার। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলামের আদালত দুপুর ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করবেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

মামলার অপর আসামিরা হলেন জি কে শামীমের দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

এর আগে গত ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

জি কে শামীমের অস্ত্র মামলায় তদন্ত সংস্থা র‌্যাব আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর চার্জশিট দাখিল করে। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠন করেন।

প্রসঙ্গত, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

জি কে শামীম   অস্ত্র মামলা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ব্যবসায়ীকে অপহরণ মামলায় ডিবির ৭ সদস্যের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০২:১৭ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ব্যবসায়ীকে অপহরণ মামলায় ডিবির ৭ সদস্যের কারাদণ্ড

কক্সবাজারের টেকনাফে ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাত সদস্যের প্রত্যেককে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত; এছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে সাজার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাঈল এই রায় ঘোষণা।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন- ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা ও আলাউদ্দিন এবং দুই কনস্টেবল আল আমিন ও মোস্তফা আজম।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় সব আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর কক্সবাজার শহরের থানার পেছনের রোড থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা টেকনাফের ব্যবসায়ী আবদুল গফুরকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। এরপর ‘ক্রসফায়ারে’ মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তার স্বজনদের কাছে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। দেনদরবারের পর ১৭ লাখ টাকা দিতে রাজি হয় পরিবার। টাকা পৌঁছে দেওয়া হলে পরের দিন ভোররাতে আবদুল গফুরকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

বিষয়টি গফুরের স্বজনরা সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা চৌকির কর্মকর্তাকে জানান। রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সেনাবাহিনীর এই নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন করা হয়েছিল। মুক্তিপণ আদায়কারী ডিবি পুলিশের সদস্যরা মাইক্রোবাসে মেরিন ড্রাইভ সড়কে পৌঁছালে চৌকির সেনাসদস্যরা মাইক্রোবাস তল্লাশি করে ১৭ লাখ টাকা পান। এ সময় ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাকি ছয়জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেন সেনাসদস্যরা।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আবদুল গফুর বাদী হয়ে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা ও আলাউদ্দিন এবং দুই কনস্টেবল আল আমিন ও মোস্তফা আজমকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার প্রায় ১০ মাস পর ২০১৮ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডিবির সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিপি ফরিদুল আলম বলেন, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ রায় হলো। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

ব্যবসায়ী আবদুল গফুরের ভাই টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান বলেন, এই ঘটনায় মামলা দায়ের করায় আমাদের পরিবারকে ব্যাপকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। আসামিরা তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসি সিনহা হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রদীপ কুমার দাশের সঙ্গে যোগসাজস করে বিভিন্ন মিথ্যা মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করেছে। এসব নির্যাতনে আমার ভাই গফুর মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে গেছে।

প্রসঙ্গত, অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর ডিবির সাত সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটি ডিবির সাত পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সুপারিশও করে। বিভাগীয় মামলার কার্যক্রমটি এখনো চলমান রয়েছে।

ব্যবসায়ী   অপহরণ   ডিবি   কারাদণ্ড  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন