ইনসাইড বাংলাদেশ

সংখ্যালঘু নির্যাতনে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচারের নেপথ্যে কারা?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২


Thumbnail সংখ্যালঘু নির্যাতনে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচারের নেপথ্যে কারা?

হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিস (এইচআরসিবিএম) হলো একটি এনজিও যা যুক্তরাষ্ট্রের দাতব্য সংস্থার অধীনে নিবন্ধিত এবং জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সঙ্গে জড়িত। এটি বাংলাদেশ, ভারত এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ আন্তর্জাতিক এনজিও হিসাবে অনেক দেশে কাজ করছে। এই সংস্থাটি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে জেনোফোবিয়া, মানবাধিকার লঙ্ঘন, জাতিগত বৈষম্য, নাগরিক অসন্তোষ, বর্বরতা ও নিপীড়নের অবসান ঘটাতে কাজ করছি দাবি করলেও মূলত বাংলাদেশবিরোধী এক ভয়ঙ্কর অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সেই অপপ্রচারের ফলে জেনোফোবিয়া, মানবাধিকার লঙ্ঘন, জাতিগত বৈষম্য, নাগরিক অসন্তোষ, বর্বরতা ও নিপীড়নের অবসান তো হচ্ছেই না বরং সেগুলোকে আরও উস্কে দিচ্ছে বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা।

হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিস (এইচআরসিবিএম) এনজিও সংস্থাটি বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চলছে মর্মে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচার-প্রচারণা করছে এবং বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদের ৭০ শতাংশই হিন্দু ছিলো, এমনটাই জানিয়ে হিন্দু জেনোসাইড (Hindu Genocide) হয়েছিল বলে দাবী করছে সংস্থাটি। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে এই ধরণের মিথ্যাচার ক্রমশ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব যখন একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে, তখন এই ধরণের মিথ্যাচার একটি দেশের উন্নয়নের হুমকি স্বরূপ। জানা যায়, বাংলাদেশে নির্যাতিত সংখ্যালঘু নারী ও মেয়ে প্রসঙ্গে এইচআরসিবিএম জাতিসংঘে একটি প্যারালাল সভা করছে যা ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে বলে তাদের ওয়েবসাইটে উল্লেখ্য করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের কোথায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে? এই ধরণের মিথ্যাচারের জবাব কেন দেয়া হচ্ছে না? এর পেছনে কারা রয়েছে?

প্রিয়া সাহার কথা মনে আছে? বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ তুলছেন প্রিয়া সাহা নামের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সংগঠনের এক নেত্রী। সেই ভিডিও প্রকাশের পরই মূলত প্রিয়া সাহা সকলের সামনে আসেন এবং আলোচনা-সমালোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হন। এই নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোড়ন ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিলো। ২০১৯ সালের ১৭ই জুলাই ‘সেকেন্ড মিনিস্টারিয়াল টু এ্যাডভান্স রিলিজিয়াস ফ্রিডম’ নামক একটি ইভেন্টে যোগ দিতে হোয়াইট হাউসে যান। সেখানে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বলেন, “স্যার, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। এখানে ৩৭ মিলিয়ন (তিন কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়ে গেছে। দয়া করে আমাদের, বাংলাদেশী মানুষদের, সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। সে দেশে এখনো ১৮ মিলিয়ন (১ কোটি ৮০ লাখ) সংখ্যালঘু আছেন। আমার অনুরোধ হচ্ছে, আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ছেড়ে যেতে চাই না। শুধু আমাদের দেশে থাকতে সাহায্য করুন।”

সম্প্রতি এই প্রিয়া সাহার ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, তিনি সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের নামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিশ্বের দরবারে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার করছেন এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন। সম্প্রতি নীলক্ষেত বইয়ের মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নীলক্ষেতে বইয়ের দোকানে আগুন দিয়ে পাঠের অযোগ্য বই মেলা থেকে কিনতে বাধ্য করছে। ধিক।’ তাঁর এমন স্ট্যাটাসের পর স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, এই তথ্য তিনি কোথায় পেলেন কিংবা এর সত্যতা কি? সরকারবিরোধী উস্কানি তৈরিতে এই ধরণের স্ট্যাটাস দেয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। এইদিকে, এইচআরসিবিএম এর তৈরি করা একটি তথ্যচিত্রে দেখা যায় যে, ১৯৪৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত আদমশুমারির পরিসংখ্যানে কীভাবে কমেছে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা। সেখানে দেখানো হয় যে, সংখ্যালঘুদের হার কমেছে তাদের ওপর নির্যাতন এবং তাদের নির্বিচারে হত্যার ফলে। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে হিন্দু ছিলো ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ, যা ২০১১ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে। অথচ আদমশুমারি অনুযায়ী যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে হিন্দু ছিলো ৯৬ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮ জন, যা ২০১১ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৫১ জন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে নির্যাতন হলে কীভাবে দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বেড়েছে। ১৯৭৪ সালের ৮১ শতাংশের মুসলিম দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিবেচনায় এই হিন্দুর বৃদ্ধির হার কম হবে, এটা খুব স্বাভাবিক। তাই এটি যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এইচআরসিবিএম এর এমন কার্যক্রমের পেছনে প্রিয়া সাহা মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন বলেই মনে করছেন অনেকে।

তবে শুধু প্রিয়া সাহাই নয়, এমন আরও অনেকেই দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশবিরোধী এমন অপপ্রচারে লিপ্ত। তাঁরা ধরা-ছোঁয়ার বাহিরে থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভয়ঙ্কর মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। তাই প্রশ্ন উঠেছে, অপপ্রচার রোধে কি করছে আমাদের দূতাবাসগুলো?

সংখ্যালঘু   প্রিয়া সাহা   অপপ্রচার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১ দিন ছুটি নিলেই টানা ৫ দিনের ছুটি সরকারি চাকরিজীবীদের!

প্রকাশ: ০৯:০৯ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ১ দিন ছুটি নিলেই টানা ৫ দিনের ছুটি সরকারি চাকরিজীবীদের!

পূজার ছুটি, ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ও সাপ্তাহিক দুদিন ছুটির মধ্যে বাড়তি একদিনের ছুটি নিলেই টানা পাঁচ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

চলতি বছরে সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী বুধবার (৫ অক্টোবর) দুর্গাপূজার জন্য সাধারণ ছুটি। পরের দিন বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) অফিস খোলা।

এরপর শুক্রবার (৭ অক্টোবর) এবং শনিবার (৮ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি। এরপরের দিন রোববার (৯ অক্টোবর) ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ছুটি।  

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) একদিন ছুটি নিলেই দুটি সাধারণ ও সাপ্তাহিক দুদিনের ছুটি মিলিয়ে পাঁচ দিনের ছুটি মিলবে সরকারি চাকরিজীবীদের।  

আর কেউ যদি পূজার ছুটির পর বৃহস্পতিবার অফিস করেন তিনি শুক্র-শনি-রোববার মিলিয়ে একটানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন। তবে, সরকারি চাকরির নিয়মানুযায়ী, কেউ যদি ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে চান তাহলে তাকে বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়। ঐচ্ছিক ছুটি একদিন ভোগ করা যায়। অনেকেই ঈদের ছুটির সঙ্গে সেই ঐচ্ছিক ছুটি কাটান।  

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখন যদি কেউ সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে ৬ অক্টোবর ছুটি কাটাতে চান তা তাহলে তার দুই দিন ক্যাজুয়্যাল লিভ (নৈমিত্তিক ছুটি) হিসেবে গণনা হবে। সেজন্য তাকে নিয়মানুযায়ী আবেদন করতে হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলা, আটক ৪

প্রকাশ: ০৫:৪৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলা, আটক ৪

রাজশাহীতে সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের রাজশাহীর স্টাফ রিপোর্টার তানজিমুল হকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিক কোম্পানীর কর্মচারিরা হামলা চালিয়ে সাংবাদিক তানজিমুল হকে মারধর ও গাড়ি ভাংচুর করে।

আজ রোববার (২ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী নগরীর টুলটুলি পাড়া বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিক কোম্পানীর মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাংবাদিক তানজিমুল হক বাদী হয়ে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১২ থেকে ১৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার সূত্র ধরে পুলিশ ওই কোম্পানীর চারজনকে আটক করেছে।

জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর টুলটুলি পাড়ায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছোট একটি রাস্তার পাশে বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের  কোম্পানী রয়েছে। প্রতিদিন এ কোম্পানির ৫-৭ টা গাড়ি রাস্তার উপরে রেখে তারা মালামাল উঠা-নামানোর কাজ করা হয়। এতে ওই রাস্তায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে যানবাহন ও পথচারিদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

খবর পেয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় প্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়মের অভিযোগে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে ছয়মাসের জন্য সিলগালা করা হয়। এদিকে, সাংবাদিক নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে রাজশাহীতে কর্মরত সাংবাদিকরা।

রোববার দুপুর ১২ টার দিকে সাংবাদিক তানজিমুল হক সংবাদ সংগ্রহের কাজে বের হওয়ার সময় বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের মূল ফটকের সামনে গাড়িসহ তিনি আটকা পড়েন। বিষয়টি বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানালে তারা সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে সাংবাদিককে মারধর ও গাড়ি ভাংচুর করে কর্মচারিরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে গৃহবধুকে হত্যা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৫:৩৯ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে গৃহবধুকে হত্যা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

যৌতুক না দেওয়ায় বরিশালে গৃহবধূ মোর্শেদা আক্তার সাথীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের বিচার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। এ সময় এই ঘটনায় জড়িত ভুক্তভুগীর ননদ লুনা ও ননদের ছেলেসহ তিনজনকে গ্রেফতার দাবি করেন সাথীর ভাই নজরুল ইসলামসহ বক্তারা।

রোববার (২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নগরীর সদর রোডে জেলা সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন, বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশন বরিশালের সাধারণ সম্পাদক এলবার্ট রিপন বল্লভ, জেলা বাসদের সদস্য দুলাল মল্লিক ও মানিক হাওলাদার, জেলা সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সহ-সভাপতি মাফিয়া বেগম, সদস্য শানু বেগম, ছাত্রফ্রন্টের বিএম কলেজ শাখার সাধারণ সম্পদক বিজন সরকার প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, ২০১১ সালে সাথী রানাকে বিয়ের পর জানতে পারে তার আগের একটি বিয়ে রয়েছে ও তিনি মাদক ব্যবসায়ী। তারপরও সংসার টিকিয়ে রাখতে তিনি সব কিছু সহ্য করেছিলেন। এরই মধ্যে স্বামী রানা মাদক মামলা থেকে মুক্তি পেতে এক লাখ টাকা ও ব্যবসার জন্য আরও এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আগস্ট মাস থেকে সাথীকে নির্যাতন শুরু করে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে তিনি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। 

উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) দিনগত রাতে ননদ লুনা ও ননদের ছেলেসহ তিনজন কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে সাথীর শরীরের ৩০ ভাগ পুড়ে যায়। সাথীর শরীরের আগুন দেওয়ার পর শ্বশুর বাড়ি লোকজন তাকে বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সাত দিন চিকিৎসাধীন থেকে গত শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মারা যান তিনি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘আইন লঙ্ঘনকারী পুলিশের সদস্যরাও কারাগারে আছেন’

প্রকাশ: ০৩:৫৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আইন লঙ্ঘনকারী পুলিশের সদস্যরাও কারাগারে আছেন

র‍্যাব ও পুলিশের কেউ অপরাধে জড়ালে  ছাড় পাচ্ছেন না বলে উল্ল্যেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘র‍্যাব-পুলিশ যেই হোক, শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে তারা কিন্তু শাস্তির বাইরে যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘জেলে গিয়ে দেখুন অনেক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য জেল খাটছে। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। যুক্তরাষ্ট্র যে সংস্কারের কথা বলছে আমরা সবসময় সেটা করছি। আমরা র‍্যাব  আধুনিকায়ন করছি, যেটা প্রয়োজন সেটাই করছি।’

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও-এ মানবপাচার নিয়ে এক গবেষণা প্রতিবেদন উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, র‍্যাব  সংস্কারের মধ্যেই আছে। র‍্যাবের  কেউ অপরাধে যুক্ত হলে তার ক্ষেত্রেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, র‍্যাব এলিট ফোর্স, আমরা বিভিন্ন সময়ে র‍্যাবকে  বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে থাকি। তারা তাদের নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করে থাকে। আমাদের কাছে যে রিপোর্টটা এসেছে, আমরা তা স্টাডি করছি, যদি কারও ব্যক্তিগত ইনভলভমেন্ট থাকে সেগুলো আমরা দেখছি। আমরা চেক করে দেখছি, ভুলভ্রান্তি থাকলে আমরা দেখছি।

র‍্যাবের কার্যক্রমের  বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘র‍্যাব যখন তৈরি হয় তাদের ট্রেনিং দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।’

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। জবাবদিহি ও সংস্কার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।

হাসের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না’ বলে মন্তব্য করেন এলিট ফোর্সটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন লঙ্ঘনকারী   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   র‍্যাব-পুলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

রোববার (২ অক্টোবর) ড. নাহিদ রশীদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিজ দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের  এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (সচিব) ড. নাহিদ রশীদকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, ড. নাহিদ রশীদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের সদস্য।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন