ইনসাইড বাংলাদেশ

একনেকের সভায় দুই হাজার ৬৬৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ০১ জুন, ২০২২


Thumbnail

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা। 

বুধবার (০১ জুন) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি ছিল চলতি অর্থবছরের ১৬তম একনেক সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে চীন ঋণ হিসেবে দিচ্ছে ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা। সুদ-আসলে এই ঋণ ডলারে পরিশোধ করতে হবে। ফলে ভৌত অবকাঠামোগত কাজ শুরুর আগেই নতুন করে ৬৫১ কোটি ৭১ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যয় বাড়ছে এ প্রকল্পে। ২০১৭ সালে যখন প্রকল্পটি পাস হয় তখন ডলারের দাম ছিল ৮০ দশমিক ৭০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৮৯ টাকা। ব্যয়ের পাশাপাশি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ছে দুই বছর।  

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মূল প্রকল্পের ব্যয় ছিল ১৬ হাজার ৯০১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। নতুন করে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে সম্পন্ন হওয়ার কথা। নতুন করে মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের কাজ এখনও শেষ হয়নি।

২০১৭ সালে রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকার যানজট নিরসনে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে চীনের ঋণ পেতে দেরি হওয়ায় প্রকল্পটির কাজ শুরু হতে দেরি হয়। মূল প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৯৫১ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং চীনা ঋণ ধরা ছিল ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৯০৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বেড়ে ৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা হচ্ছে। অন্যদিকে চীনা ঋণ ১ হাজার ২৫৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা কমে হচ্ছে ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো
• রূপকল্প ২০৪১: দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র সঞ্চয় যোজন 
• রংপুর জেলাধীন  পীরগঞ্জ, হারাগাছ ও বদরগঞ্জ পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প 
• দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন ও পরিচালনা
• বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জন্য ৫০টি বিজি এবং ৫০টি এমজি যাত্রীবাহী ক্যারেজ পুনর্বাসন 
• প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বানৌজা শের-ই-বাংলা পটুয়াখালী স্থাপন (১মং সংশোধিত) প্রকল্প 
• রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগে নেসকোর আওতাধীন এলাকায় স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন 
• নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের  সাউথ এশিয়া সাব রিজিওনাল ইকোনোমিক  কর্পোরেশন ইন্টিগ্রেটেড ট্রেড ফ্যাসিলেশন সেক্টর ডেভলপমেন্ট 
• সাউথ এশিয়া সাব-রেজওনাল ইকনোমিক করপোরেশন (এসএএসইসি) ইন্টিগ্রেটেড ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন সেক্টর ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট 

একনেক   প্রকল্প   প্রধানমন্ত্রী   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কাল কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধনের অপেক্ষায় ২৮ প্রকল্প

প্রকাশ: ১০:০২ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বুধবার (৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজার আসছেন। এদিন উখিয়ার ইনানীতে আন্তর্জাতিক নৌমহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি ২৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। পাশাপাশি ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার বেলা ৩ টায় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন সরকার প্রধান ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জনসভায় ভাষণ দেওয়ার পূর্বে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কক্সবাজারের ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। 

এ জনসভায় ৫ লাখ লোকের সমাগমে জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী ইতিপূর্বে ২০১৭ সালের ৬ মে একই স্থানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ প্রদান করেছিলেন।

এর পূর্বে সকালে কক্সবাজার মেরিনড্রাইভ সড়কের ইনানী সৈকত এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নৌ-শক্তি প্রদর্শন মহড়ার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেখানে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৪৩টি যুদ্ধ জাহাজ অংশ নিবে।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৫ লাখ লোকের সমাগমে জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। কক্সবাজারে ইতিমধ্যে তিনটি বড় মেগাপ্রকল্পসহ ৭৭ টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। যেখানে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা। তারমধ্যে মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প, দোহাজারী রামু হয়ে কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ অন্যতম।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২৮টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনিকভাবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সকল প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

কক্সবাজার   প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সমৃদ্ধি ও সাফল্যের পথে বাংলাদেশের সঙ্গে হাঁটতে চায় ভারত: প্রণয় ভার্মা

প্রকাশ: ০৯:১৩ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর ক্ষেত্রে ভারত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। বৃহত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্যের পথে বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে একসঙ্গে হাঁটতে ভারত সবসময় প্রস্তুত থাকবে।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ঢাকায় মৈত্রী দিবসের ৫১তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রণয় ভার্মা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীর ক্ষেত্রে ভারত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। বিগত ৫০ বছরে উভয় দেশেরই গুরুত্বপূর্ণ অর্জন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দেশ দুটির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কর্তৃক ১৯৭১ সালের ইতিহাস অনুধাবন করা ও সেই ঐতিহ্যের ধারা অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ১০ দিন আগে ভারত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

এরপর গত বছরের মার্চ মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরকালে তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ৬ ডিসেম্বরকে মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারত্বের বিগত ৫১ বছরের অর্জনসমূহ এবং ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করার সুযোগ হিসেবে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।

তিনি উভয় দেশের বন্ধুত্বকে ১৯৭১ সালের যৌথ আত্মত্যাগের মূলে নিহিত এবং ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতির দৃঢ় বন্ধনে লালিত বলে বর্ণনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক। এছাড়া অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও শিল্প নেতৃত্ব, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

দ্বিপাক্ষিক মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও নীতির সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত এবং পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে সৃষ্ট এই ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে উভয় দেশের অঙ্গীকারকে আবারও নিশ্চিত করে বাংলাদেশি ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক দলের বর্ণাঢ্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মৈত্রী দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হয়।

ভারত   প্রণয় ভার্মা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা জারি

প্রকাশ: ০৮:৫৬ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা করছে ঢাকার ব্রিটিশ দূতাবাস। আশঙ্কার কথা জানিয়ে ব্রিটিশ নাগরিকদের চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দিয়েছে ব্রিটিশ দূতাবাস।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় রাজনৈতিক সমাবেশে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। সমাবেশের কারণে রাজধানী ঢাকায় যানবাহন চলাচল ও যোগাযোগব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে। ওইদিন ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনও চোখে পড়তে পারে।

‘এজন্য রাজনৈতিক সমাবেশ ও বড় জনসমাগমের এলাকাসমূহ এড়িয়ে চলতে দেশটিতে অবস্থান করা এবং সফররত ব্রিটিশ নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হলো’ বলেও ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিভাগীয় গণসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তারা দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে এ সমাবেশ করতে চান। সমাবেশের অনুমতির জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার বরাবর চিঠি দেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির গণসমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুলিশ বিএনপিকে ২৬ শর্তে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে।

তবে সেখানে বিএনপি সমাবেশ করতে নারাজ। প্রথম দিকে তারা নয়াপল্টনেই সমাবেশ করতে নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা জানান। তবে পরে সোহরাওয়ার্দীর বিকল্প স্থানে অনুমতি পেলে ‘বিবেচনা’ করার কথা জানিয়েছে বিএনপি।

বিএনপি ‘বিকল্প স্থান’ চাওয়ার পর পুলিশ টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ও পূর্বাচলে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে গ্রিন সিগন্যাল দেয়। তাতে সাড়া দেয়নি বিএনপি। ফলে ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশের স্থান নিয়ে দ্বান্দ্বিক অবস্থা এখনো কাটেনি।

পাশাপাশি সমাবেশের নামে ঢাকায় কোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করলে বিএনপি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা। তবে বিএনপি বরাবর বলে আসছে, তারা অন্যান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো ঢাকায়ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবে।

১০ ডিসেম্বর   ব্রিটিশ দূতাবাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সারাদেশের মতো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশেও নিরাপত্তা দেবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:৩১ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের সরকার দেশে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না। আমাদের নেতাকর্মীদেরও কর্তব্য আছে। ১০ ডিসেম্বর কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালে আমাদের নেতাকর্মীরা দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে তাদেরকে প্রতিহত করবে। সরকার সারাদেশে তাদের সমাবেশে নিরাপত্তা দিয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও দেবে।’ 

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বিএনপির ঢাকার সমাবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের সাথে আলোচনাকালে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চেয়েছিল, বরাদ্দও হয়েছে। কিন্তু তারা এখন রাস্তার বদলে রাস্তায় চেয়ে বেড়াচ্ছে। যে ময়দান থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, যে ময়দানে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পন করেছিল, যেখানে তারাও অতীতে অনেক জনসভা করেছে, আমরা তো নিয়মিতভাবেই করি, সেখানে তাদের যেতে এতো অস্বীকৃতি, অনীহা কেন। তারা শুধু রাস্তায় জনসভা করতে চায়, গাড়ি-ঘোড়া ভাংচুর করতে চায়, জনজীবনে বিপত্তি ঘটাতে চায়।’ 

ড. হাছান বলেন, ‘সাংবাদিকরা এবং শহরের সাধারণ নাগরিকরা রাস্তায় জনসভার বিরুদ্ধে। কারণ এতে মানুষের ভোগান্তি হয়। সমাবেশের জন্য মাঠের বিকল্প হিসেবে বিএনপি আরেকটা মাঠের কথা বলতে পারে। সোহরাওয়ার্দীতে না চাইলে তারা বাণিজ্য মেলার মাঠ বা আরো বড় বিশ্ব ইজতেমার মাঠ যেখানে ২০ লাখ মানুষ ধরে, না হলে কামরাঙ্গির চরের মাঠেও যেতে পারে। তারা সেটা বলে না, বলে এই রাস্তা না হয় ঐ রাস্তা। মতিঝিলের রাস্তা যেখানে অনেক ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে, সেটি কেন তাদের এতো পছন্দ। এটির পেছনেও গভীর ষড়যন্ত্র, দুরভিসন্ধি আছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কোনো জনসভা করতে চায় না, এটিকে ইস্যু বানাতে চায় এবং দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টায় তারা আছে।’ 

বিএনপি নেতা ইশরাক এবং রুহুল কবীর রিজভীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘আগুনসন্ত্রাসীরা তো বিএনপির নেতাকর্মী। আগুনসন্ত্রাস করার জন্য বিএনপির নেতারাই নির্দেশ এবং অর্থ দিয়েছিল। সেসবের অডিও রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে। বিএনপি নেতাদের হাতে আগুন এবং মানুষের রক্ত লেগে আছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছে, এখন পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘টেলিভিশনে যারা বড় গলায় কথা বলছে তাদের হাতে মানুষের রক্ত এবং আগুন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে এবং যাদের জামিন আদালত বাতিল করেছে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই। তবে জনগণ মনে করে শুধু আগুনসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেই নয়, আগুনসন্ত্রাসের হোতাদের অর্থাৎ তাদেরকে যারা নির্দেশ দিয়েছে, পরিচালনা করেছে এবং অর্থ দিয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।’ 

বিএনপি নেতারা ঘনঘন কূটনীতিকদের সাথে বৈঠক করছেন এমন প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘এ দেশের মালিক জনগণ। এ দেশে কে ক্ষমতায় থাকবে, কে থাকবে না সেটা জনগণ নির্ধারণ করবে। এখানে কূটনীতিকদের বেশি কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বিএনপি ক্ষণে ক্ষণে কূটনীতিকদের কাছে ছুটে যায়। তাদেরকে কোলে করে কেউ ক্ষমতায় বসাবে না। এ দেশে কূটনীতিকরা কাউকে ক্ষমতায় বসানোর ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং কূটনীতিকদের কাছে বারবার ছুটে গিয়ে বরং তারা নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করছে। বিদেশি কূটনীতিকরা যখন আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলে, আমি মনে করি তখন সেটি আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রে অনেক সময় হস্তক্ষেপ হয়ে দাঁড়ায় যেটি সমীচীন নয়। এজন্য কোনো রাজনীতিবিদের বা কোনো রাজনৈতিক দলের কূটনীতিকদের প্রোভোক করা উচিত নয়।’ 

কপ-২৭ প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি : ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সাথে মতবিনিময়

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সাথে কপ-২৭ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি বিষয়ে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ উল হক, সদস্য সাজু রহমান, হাবিব রহমান প্রমুখ সভায় অংশ নেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

পরিবেশবিদ ড. হাছান এ সময় বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করার জন্য আমরা যে বৈশ্বিক চুক্তিতে উপনীত হয়েছি, তা বাস্তবায়নে অগ্রগতি পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে একটা বৈশ্বিক ঐক্যমত তৈরি করার লক্ষ্যেই কপ সম্মেলনগুলো হয়। পরিবেশ পরিবর্তনজনিত ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ এর জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের দাবি আমাদের বহুদিনের। শেষ পর্যন্ত প্যারিস এগ্রিমেন্টের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে এটিকে স্বীকার করে নেওয়া হলেও কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। মিশরে কপ-২৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীসহ বিশ্বের প্রায় একশ’ রাষ্ট্রপ্রধান-সরকার প্রধানরা গিয়েছিলেন এবং এবারের অন্যতম অগ্রগতি হলো যে, বিশ্ব সম্প্রদায় ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়েছে। 

মন্ত্রী জানান, কপ-২৭ সম্মেলনে অনেকেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য আগের চেয়ে বেশি কমিটমেন্ট করেছে। আমাদের সরকারও ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির ৪০% নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্থাৎ সোলার, গ্রিনপাওয়ার, জলবিদ্যুৎ ব্যবহারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এসবের জন্য একটা প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। এটি খুব ভালো দিক। ভাবনার বিষয় এতোকিছুর পরও বিশ্বের তাপমাত্রা ১৮৮০ সালের ভিত্তি তাপমাত্রা থেকে ৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে, এখন ১.১ ডিগ্রি বেড়েছে। আর তাতেই সার্বিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকায় দাবানল, পাকিস্তানে যারা পানির সাথে খুব বেশি পরিচিত নয়, সেখানে বন্যা দেখা যাচ্ছে।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শেরপুরের শ্রীবরদী মুক্ত দিবস আজ

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আজ ৬ ডিসেম্বর শেরপুরের শ্রীবরদী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে শ্রীবরদী উপজেলার মিত্র বাহিনীর আক্রমণে টিকতে না পেরে পাক হানাদার বাহিনীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। 

ধানুয়া কামালপুর মিত্র বাহিনীর আক্রমণে হেরে ৪ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা শ্রীবরদীতে অবস্থান করেন। ১১ নম্বর সেক্টরের কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে মিত্র বাহিনীরা আক্রমণ শুরু করে। 

কামালপুর থেকে এসে পাক হানাদার বাহিনীরা শ্রীবরদী, ভায়ডাঙ্গা, ঝগড়ার চর ও কুরুয়াতে ক্যাম্প তৈরি করেন। মিত্র বাহিনীরা তাদের ক্যাম্পে আক্রমণ শুরু করে তাদের ক্যাম্প বাধ্য করে। পাক হানাদার বাহিনীরা ৬ ডিসেম্বর ভোরে লংগরপাড়া হয়ে শেরপুরে এসে অবস্থান করেন। পরে তারা জামালপুরের দিকে চলে যান। 

শ্রীবরদী উপজেলার সদর ইউনিয়নে আবুয়াপাড়াতে গাছের ডালে বীর প্রতীক জহরুল হক মুন্সি ও মুক্তিযুদ্ধো আব্দুর রেজ্জাক বিজয়ের নিশান তুলেন।

মুক্ত দিবস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন