ইনসাইড বাংলাদেশ

মোবাইল ফোন ব্যবহারে পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে নারীরা

প্রকাশ: ০৮:১৭ এএম, ২৮ জুলাই, ২০২২


Thumbnail মোবাইল ফোন ব্যবহারে পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে নারীরা

দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারে পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে নারীরা। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ৬৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ পুরুষের ও ৪৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ নারীর নিজ ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে। এছাড়া ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে নিজ ব্যবহারের মোবাইল রয়েছে ৮৬ দশমিক ৭২ শতাংশ পুরুষের ও ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ নারীর।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উভয় শ্রেণির বয়সীদের মধ্যে নিজ ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে এমন জনসংখ্যা সর্বাধিক ঢাকা বিভাগে এবং সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে।

বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএস-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রতিবেদন অনুযায়ী মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে মোট ৫৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং আঠারো বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ৭২ দশমিক ৩১ শতাংশ জনসংখ্যার নিজ ব্যবহারের মোবাইল ফোন রয়েছে।

২০২২ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে মোট ৩০ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ১৮ আঠারো বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ৩৭ দশমিক এক শতাংশ জনসংখ্যা গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ৩৮ দশমিক দুই শতাংশ পুরুষের ও ২৩ দশমিক ৫২ শতাংশ নারীর এবং ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের মধ্যে ৪৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ পুরুষের ও ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারী গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে পরিলক্ষিত হয়, উভয় শ্রেণির বয়সীদের মধ্যে গত তিন মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে এমন জনসংখ্যা সর্বাধিক ঢাকা বিভাগে এবং সর্বনিম্ন রংপুর বিভাগে।

মোবাইল   ফোন   পুরুষ   নারী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে জমি দখলের অভিযোগ নাকচ চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ০১:৩৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail নীলফামারীতে জমি দখলের অভিযোগ নাকচ চেয়ারম্যানের

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নির্দেশে জমি দখল অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়
অস্বীকার করেছে চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ইটাখোলা সিংদই ফকির পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মশিউর রহমান শাহ ফকির।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের নির্দেশে অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তিদের নিয়ে গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর ভোরে আমার জমি দখল করে সেখানে কলাগাছ ও নতুন বাড়ীঘর নির্মাণ করে। ঘটনা জানার পর সেখানে গিয়ে দেখি কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি চেয়ারম্যানের ভাইদের সহযোগীতায় বাড়ীঘর নির্মাণ করছে। আমি তাতে বাধা দিতে গেলে আমাকে আঘাত করে ও ছোড়া দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এমত অবস্থায় আমি ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এজাহার দায়েরের পরামর্শ দেয়।’

সংবাদ সম্মেলনে মশিউর রহমানের চাচা আমির আলী শাহ্ধসঢ়; ফকির, আবু বক্কর সিদ্দিক, শাহিনুর আলী, মশিউর রহমানের ভাই সাদ্দাম আলী, আরাফাত আলী, আব্দুল লতিফ, নুর আলোম ও হাবিবুল্লাহ সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগে বিষয় অস্বীকার করে ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ীর জমি-জমা নিয়ে আজকে যারা সংবাদ সম্মেলন করলো সে জমি তাদের পূর্ব পুরুষেরা আমাদের বাপ-চাচাদের দলিল করে দেয়। যার দলিল আমাদের কাছে আছে। আর গতকালকের যে জমি দখলের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না আর আমি সেখানে উপস্থিতও ছিলাম না। আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার নামে সংবাদ সম্মেলন করেছে মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, মশিউর রহমান সব-সময় আমার বিরুদ্ধে লেগেই থাকে। আমাকে নির্বাচনে হারানোর জন্যে সে আমার প্রতিদ্বন্ধি হয়ে ভোটে দাড়িয়ে ১৫০ ভোট পেয়ে হেরে যায়। ভোটে হারার পর আবার আমার পিছনে লাগছে । আমি যে তার কি ক্ষতি করেছি জানি না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

নীলফামারীতে   জমি দখলের   অভিযোগ নাকচ   চেয়ারম্যান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১:১৯ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বরিশাল জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আউটার স্টেডিয়ামে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাসের সভাপতিত্বে খেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম ,বরিশাল মেট্রোপলিটন উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা।

এছাড়াও, বরিশাল সুপারিনটেডেন্ড সাগরদী পিটিআই  দীনা ইয়াসমিন, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারি, ১০ টি উপজেলার টিম ও তাদের প্রতিনিধিরা ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ । দুটি মাঠে প্রথম রাউন্ডের ৬ টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ তারিখ ১ম সেমিফাইনাল, ২য় সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

বরিশাল   জেলা পর্যায়   বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ   ফুটবল টুর্নামেন্টের   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

প্রকাশ: ১২:৪৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে, এক সময় ঐতিহ্যবাহী গরু আর মহিষের গাড়ি বাহনের সরগরম অস্তিত্ব ছিল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে এই বাহনটি। সময়ের ব্যবধানে এখন এই গরু ও মহিষের গাড়ি স্থান পেয়েছে বইয়ের পাতায় ও রূপকথার গল্পের মতো।

সর্বত্রই ছিল এই গরু আর মহিষের গাড়ির কদর। বরযাত্রী থেকে শুরু করে কনে আনা চলতো এগুলো দিয়ে। জমি থেকে ধান আনা, জমিতে জৈব সার নিয়ে যাওয়া, মালামাল পরিবহনেও এগুলো ছিল অপরিহার্য। এখন গরু-মহিষের গাড়ি প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে। যেকোন উৎসব গরু না হয় মহিষের গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেত না। 

আমাদের পল্লী এলাকার জনপ্রিয় বাহন ছিল গরু আর মহিষের গাড়ি। গরু-মহিষের গাড়িই ছিল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে ভরসা। গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় গরু ও মহিষের গাড়ি এখন অধিকাংশ এলাকা থেকে বিলুপ্তির পথে। এখন এসব বাহন রূপকথার গল্পমাত্র, বাংলা নববর্ষ পালনের সময় ২/১ টা গরু, মহিষের গাড়ী দেখা গেলেও সেটা  বিলুপ্ত হতে হতে স্থান পেয়েছে সংবাদপত্র ও বইয়ের পাতায়।

গরু-মহিষের গাড়িগুলো কাঠের চাকা ও বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হতো। এখন তার স্থান দখল করেছে মাহিন্দ্রা, টমটমসহ আরও কিছু যানবাহন। এখনো কোথাও কোথাও গরু-মহিষের গাড়ির দেখা মেলে। হয়তো কিছুদিন পরে সেগুলোও আর দেখা যাবে না।

স্থানীয়রা বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে গরু-মহিষের গাড়ি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হতে দেখেছি। এখন গরু-মহিষের গাড়ি তেমন আর ব্যবহার হয় না। এখন মানুষ মাহিন্দ্রা, পাওয়ার ট্রলি ও ট্রাক্টরসহ ইঞ্জিন চালিত গাড়ি দিয়ে যাতায়াতসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। আগে গরু-মহিষের গাড়িতে সেসব করা হতো।

কিন্তু বর্তমান কুড়িগ্রাম অঞ্চলের গ্রাম বাংলা থেকে গরু ও মহিষের গাড়ি হারিয়ে যাওয়ায় এসব অনুভূতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান যুগের ছেলে-মেয়েরা। আধুনিকতার প্রবাহে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক কিছু আমরা হারাচ্ছি। আমাদের জীবন থেকে হারাচ্ছে এ রকম নানা ঐতিহ্য। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু ও মহিষের গাড়িকে এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে খুব দ্রুত এই গরুর গাড়ি ইতিহাসের পাতায় স্থান নিবে।

হারিয়ে যাচ্ছে   ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের   গাড়ি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, বরিশাল বিভাগে পরিবেশবান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

সংস্থাটির বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, সেবা প্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এবং হয়রানি মুক্ত নির্ভেজাল সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের সবগুলো জেলায় বিআরটিএ এর পরিসেবাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিআরটিএ এর সেবা সমুহের মধ্যে রয়েছে মোটরযান নিবন্ধন, মালিকানা স্থানান্তর, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন, মোটরযানের ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন ইস্যু ও নবায়ন, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন ইত্যাদি।

তিনি আরও জানান, সেবা প্রার্থীদের মাঝে বিআরটিএ এর সেবাপ্রক্রিয়াকে সহজ করার ফলে পূর্বের চেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে পিরোজপুর বাসীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে ঝালকাঠি এবং বরগুনা বাসীদের পটুয়াখালী আসতে হতো এখন নিজ নিজ নিজ জেলা থেকেই লাইসেন্স নিতে পারবেন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কাগজ জমা দেয়ার দিনই বায়োমেট্রিকস নেয়া হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার বিআরটিএ অফিস থেকে বিভাগীয় অফিসকে পৃথক করা হয়েছে। এবং প্রতিটি জেলা অফিসে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে। যাতে কোন মানুষ হয়রানির শিকার হলে তাদের যে কোন প্রকার অভিযোগ দিতে পারেন।

চলতি বছর ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১৪ হাজার ৪১০ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫ হাজার ৯২৩ টি, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় ১ হাজার ৬৬৩ টি, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ টি, ভোলা জেলায় ১ হাজার ২৯৬ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি মুলক ১৫ টি প্রশিক্ষনে ৭৯৭ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেছে। যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৭ টি, ঝালকাঠি জেলায় ২ টি, পিরোজপুর জেলায় ১ টি, পটুয়াখালী জেলায় ২ টি বরগুনা জেলায় ১ টি, ভোলা জেলায় ২ টি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের মিশন হচ্ছে, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল, টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এছাড়াও সেবাপ্রার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের জন্য বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবীর কুমার সাহা,জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জঃ) এমডি শাহ আলম,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শামসুল হক,মোটরযান পরিদর্শক ইকবাল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক মোঃ জাফর হাসান,মেকানিকাল এ্যাসিস্টান্ট আঃ সালাম সহ অন্যান্ন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বিআরটিএ এর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বরিশাল   আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত   কাজ করছে   বিআরটিএ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

বরগুনা জেলা জুড়ে পুঁথিপাঠ, লোকজ সঙ্গীত ও বাশিঁর সূরের মূর্ছনায় কবিতাবৃত্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী  শিশু আনন্দ মেলা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরগুনা -১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু এমপি। 

জানা যায়, করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদন ও বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মাণের লক্ষে এ মেলার আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহি বরগুনা প্রেসক্লাব। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান,  জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর,  পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস সালাম, বরগুনার পৌরসসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম।
 
বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সনজিব দাস বলেন, বরগুনায় শিশুদের বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। করোনার মধ্যে প্রায় তিনবছর শিশুরা স্কুলেও যেতে পারেনি।  আমরা করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদনের জন্য এ মেলার আয়োজন করেছি। এর পাশাপাশি মেলার আয়ের টাকায় বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মান করা হবে। আমরা জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহায়তায় মেলাটি আয়োজন করেছি। 

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি মাসব্যাপি আমাদের আয়োজনে মুলত লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।  বাউল ও জারি সারি   ও পালাগান,  যাদু, কৌতুক অভিনয়, মঞ্চ নাটকসহ হারিয়ে যাওয়া নানা ধরণের লোকজ সংস্কৃতির তুলে ধরবো। আমরা আশা করি ভিন্নধর্মী এমন মেলা সবার মাঝে সাড়া ফেলবে।

বরগুনা   মাসব্যাপী   শিশু মেলা   শুরু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন