ইনসাইড বাংলাদেশ

তরুণ প্রজন্মকে মানবতার সেবা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail তরুণ প্রজন্মকে মানবতার সেবা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগের সময়ে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মানবতার সেবায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি। হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের পুরোনো মর্যাদা ফিরিয়ে আনাসহ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিকে আধুনিকীকরণে পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৩ আগস্ট) গণভবনে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির নবনির্বাচিত বোর্ড সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাতে বোর্ড সদস্যরা বন্যা, করোনা, রোহিঙ্গাসহ দুর্যোগের সময়ে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করেন। 

তারা বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের জঘন্যতম ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শাহাদতবরণকারী সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশব্যাপী রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যক্রম বিস্তারে বরাবরের মতো তার সরকার ও তার ব্যক্তিগত সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে আগামী ৪ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক রেডক্রস সংস্থা আইএফআরসির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহাবকে অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় ১৫ আগস্টের দুঃসহ স্মৃতিচারণ করে বিস্ময় প্রকাশ করেন, যে জাতির জন্য বঙ্গবন্ধু সারাটি জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই বাঙালি হয়ে কীভাবে ঘাতকরা জাতির পিতার বুকে গুলি চালিয়েছিল! 

তিনি বলেন, ঘাতকরা একসময় আমাদের বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করত। আজও তারা তৎপর, আমাকে ও আওয়ামী লীগকে সরিয়ে দিতে চায়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে এদেশের মানুষের কল্যাণ হয় না। 

আবেগজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা রেডক্রস সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মানবতার কল্যাণে সেবা করার জন্য, ’৭৫-এ জাতির পিতাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার পর সেই রেডক্রসেরই এক টুকরো কাপড়কে কাফন বানিয়ে তাকে দাফন করা হয়েছিল। 

গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহাবের নেতৃত্বে ভাইস চেয়ারম্যান নূরুর রহমান, ট্রেজারার এম এ সালাম, মহাসচিব কাজী সফিকুল আজম, আরমা দত্ত, এম মঞ্জুরুল ইসলামসহ অন্যান্য বোর্ড সদস্যরা। 

তরুণ প্রজন্ম   মানবতার সেবা   আহ্বান   প্রধানমন্ত্রীর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র: আওয়ামী লীগে অসন্তুষ্ট, বিএনপিকে সন্দেহ

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail যুক্তরাষ্ট্র: আওয়ামী লীগে অসন্তুষ্ট, বিএনপিকে সন্দেহ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে এখন প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে আগামী নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয়, সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সোজাসাপ্টা। শুধুমাত্র আগামী নির্বাচন নয়, বাংলাদেশের মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয় নিয়েও সুশীল সমাজের শেখানো বুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন আওড়াচ্ছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত প্রতিনিয়ত যে সমস্ত কথাবার্তাগুলো বলছেন তা আমাদের বাংলাদেশের সুশীল সমাজের কথারই অনুরণন। বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কি? কূটনীতিকদের সঙ্গে খোঁজখবর নিয়ে দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেতিবাচক এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের অপছন্দ এবং অস্বস্তি এখন আর লুকোচুরির বিষয় নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্র এসব বিষয়গুলোকে প্রকাশ্য করছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারে এখনও আস্থাশীল। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, শেখ হাসিনা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি একটি বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট সমালোচনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র যেমন মনে করে যে, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীন মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে, এক্ষেত্রে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গটি আনে। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৩ বছরের শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, এটি তাদের রিপোর্টে তা উল্লেখ করেছে। এজন্য তারা র‍্যাবের সংস্কার দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, বাংলাদেশে গুম এবং বিরোধীদলের নিপীড়নের ঘটনা গুলো অত্যন্ত ব্যাপকতা পেয়েছে এবং এটি বন্ধ হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়েও উদ্বিগ্ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি হচ্ছে এটিও তারা মনে করে। এই সমস্ত বিষয় গুলো সরকারের কিছু কিছু মহল করছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আলাপ-আলোচনায় প্রকাশ্যে বলছে। এ কারণেই আওয়ামী লীগের ওপর তারা অসন্তুষ্ট এবং তারা মনে করে যে, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা ছাড়া এটি সম্ভব হবে না। যুক্তরাষ্ট্র এটিও মনে করে যে, নির্বাচনে যদি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটে তাহলে সরকার এ ধরনের কাজ গুলো করতে পারে। এজন্যই যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, সত্যিকারের জন প্রতিফলন ভোটের মাধ্যমে হওয়া উচিত।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট থাকলেও বিএনপির প্রতি যে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট এমন নয়। বরং বিএনপিকে তারা আরও বেশি গুরুতর এবং সন্দেহজনক একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি তাদের পক্ষপাত নাই। এই কথার মধ্য দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিএনপির আন্দোলনকে সমর্থন করা বা বিএনপির দাবিকে সমর্থন করার মত কোনো অভিপ্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাই। বিএনপির একাধিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত আপত্তি রয়েছে এবং গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-

১. তারেক জিয়ার নেতৃত্ব: যুক্তরাষ্ট্রের সবসময় মনে করে যে, তারেক জিয়া একজন দুর্বৃত্ত, অর্থ পাচারকারী। ওয়ান-ইলেভেনের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত তারেক জিয়ার সম্পর্কে গোপন বার্তা পাঠিয়েছিলেন এবং সেই বার্তার প্রেক্ষিতেই তারেক জিয়া এখনও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছেন। তারেক জিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হয় না।

২. জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যোগাযোগ: যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, বিএনপির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী এবং জঙ্গিদের যোগসূত্র রয়েছে এবং এই সম্পর্কটা অনেক গভীরে প্রোথিত।

৩. বিএনপির সাম্প্রদায়িক অবস্থান: যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বিএনপি একটি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি দল এবং সাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনাকে লালন করে।

আর এ সমস্ত কারণে বিএনপি যদি আবার বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসে তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আফগানিস্তানের মতো হবে কিনা, এ নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সংশয় রয়েছে। কাজেই আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুটি প্রধান দলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নেতিবাচক মনোভাব থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন সুশীলদের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েছে বলেই কূটনীতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ ‘তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৯:৫৯ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ ‘তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীন দেশের স্পর্শকাতর ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।  

সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করে রোববার (২ অক্টোবর) প্রজ্ঞাপন জারি করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

এ বিষয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ১৫ ধারায় বলা আছে- এ আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা দিতে পারবে। সে অনুযায়ী সরকার ২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডেটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট।

তালিকায় আরও রয়েছে- সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিটিসিএল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপজিটরি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

তথ্য পরিকাঠামো  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বনানীতে মেয়ের কবরে শায়িত তোয়াব খান

প্রকাশ: ০৮:৪৫ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বনানীতে মেয়ের কবরে শায়িত তোয়াব খান

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা সাংবাদিক তোয়াব খানকে বনানী কবরস্থানে মেয়ের কবরে সমাহিত করা হয়েছে। সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে সমাহিত করা হয় তাকে। 

২৫ বছর আগে ছোট মেয়ে এষা খানকে যে কবরে সমাহিত করা হয়েছিল, সেটিতেই শেষ শয্যা হলো তোয়াব খানের।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থতার পর তোয়াব খানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গত শনিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সোমবার সকালে তেজগাঁওয়ে দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা শেষে প্রথিতযশা সাংবাদিককে নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। 

এরপর মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে হয় জানাজা। আসরের নামাজের পর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে হয় তৃতীয় জানাজা। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় বনানী কবরস্থানে। 

বনানী কবরস্থানে তোয়াব খানকে সমাহিত করার সময় স্ত্রী, মেয়ে, ছোট ভাই, ভাগ্নে, ফুপাতো ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্য ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। 

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী বুধবার বাদ আসর তোয়াব খানের বনানীর বাসায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

তোয়াব খান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কুড়িগ্রামে উৎসাহ উদ্দীপনায় মহাঅষ্টমী পূজা অনুষ্ঠিত


Thumbnail কুড়িগ্রামে উৎসাহ উদ্দীপনায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবে কুড়িগ্রামে দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন মন্দিরে রামকৃষ্ণ আশ্রমের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সহস্রাধিক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে কুমারী পূজায় অংশ নেয়া পূজারীরা অঞ্জলী প্রদানসহ প্রার্থনায় অংশ নেন। 

এ সময় কুমারী পূজা পরিদর্শনে এসে বক্তব্য রাখেন- কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম,পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র কাজিউল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ লাল, এ্যাড. আব্রাহাম লিংকন, জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি রবি বোস, সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র রায়, রামকৃষ্ণ আশ্রম কুড়িগ্রামের সভাপতি অমল ব্যানার্জী, সেক্রেটারী জেনারেল উদয় শংকর চক্রবর্তী, দক্ষিণপাড়া মন্দির কমিটির সভাপতি শ্যামল ভৌমিক প্রমূখ। 

বক্তারা সামাজিক সৌহাদ্য ও ধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে সার্বজনীন উৎসব হিসেবে শারদীয় দূর্গোৎসব পালন করার আহ্বান জানান।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন কূটনীতিকদের ওপর ক্ষোভ ঝেড়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,  বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে আপনাদের এত মাথাব্যথা কেন? তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের নাক না গলানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগে নিজেদের দেশের অবস্থা দেখুন। তরপর বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলুন।

সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শারদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বিভিন্ন দূতাবাসে অভিযোগ করে। তাদের (বিদেশি কূটনীতিকদের) বলতে চাই, গণতন্ত্রের গল্প শোনান। কিন্তু আজ এসব না করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান। বিশ্বের তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন। অস্থির পৃথিবীকে শান্ত করুন। দোষ করবেন আপনারা বড় বড় দেশগুলো আর সাফার করতে হবে আমাদের ছোট দেশগুলোকে।

গলিত লাশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ফিরে আসবে না মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করছে। তারা যাই করুক না কেন, গলিত লাশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ফিরে আসবে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, আমরাও সেভাবেই দেবো।

সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা হচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অশুভ শক্তির পরাজয় হবে, শুভ শক্তির বিজয় হবে। দেবীদুর্গার আগমনে সহিংসতার বিনাশ হবে।

এসময় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশি কূটনীতিক   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন