ইনসাইড বাংলাদেশ

এপিএসই সর্বনাশ

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ০৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail এপিএসই সর্বনাশ

মন্ত্রীদের কাজের সুবিধার জন্য একজন সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এই সহকারী একান্ত সচিবরা প্রায়ই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। একাধিক মন্ত্রী এপিএস এর কারণে বিপদে পড়েছেন, বিতর্কিত হয়েছেন। বিভিন্ন সময় এই এপিএসদের দৌরাত্ম্যের কারণে মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি একজন সাবেক মন্ত্রীর এপিএসের সম্পদের পাহাড়ের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে প্রচণ্ড প্রভাবশালী ছিলেন মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি প্রথমে ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে, পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। এই সময় তার এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এ এইচ এম ফুয়াদ। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে অর্থপাচারসহ বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে এবং এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, নিয়োগ-বাণিজ্য, কাজকর্মে স্থানীয় ঠিকাদারদের মাধ্যমে অর্থ ঘুষ গ্রহণসহ বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। আর এ কারণেই এই সাবেক এপিএসের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার আইনে মামলা করেছে সিআইডি। 

সিআইডি অনুসন্ধানে এই এপিএস এর সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। শুধু এই এপিএস নয়, ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান সরকার টানা ক্ষমতায় রয়েছে। এই সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রীর বিভিন্ন এপিএসদের নানারকম কেলেঙ্কারি সরকারকে বিব্রত করেছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ দায়িত্ব গ্রহণ করে মন্ত্রিসভায় চমক দেখায়। এই সময় একজন নতুন মন্ত্রী এপিএস হিসেবে তার পুত্রকে নিয়োগ করেছিলেন। পরবর্তীতে এ নিয়ে বিতর্ক হওয়ার কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন। তবে ওই মন্ত্রীর পুত্র মন্ত্রীর দপ্তরে সমস্ত ফাইলপত্রের ব্যাপারে পরামর্শ দিতেন বলে জানা গেছে। ওই একই সময়ে উত্তরাঞ্চল থেকে এক মন্ত্রীর এপিএসের ক্ষমতার দাপটে ওই মন্ত্রণালয় অস্থির ছিল। পরবর্তীতে অবশ্য ওই ২ জন মন্ত্রীই আর নির্বাচনের মনোনয়ন পাননি। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে এবং হেভিওয়েট ব্যক্তিদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করে। সেই সময় একজন হেভিওয়েট নেতার এপিএস এর দৌরাত্ম্যের খবর প্রকাশিত হয়। তার বিরুদ্ধে এখন দুদকে তদন্ত চলছে। এছাড়াও ওই সময় আরও দুই-একজন এপিএসকে নিয়ে মন্ত্রীরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন।

২০০৯ থেকে ১৪ সালের প্রথম মেয়াদে এক এপিএস এর কেলেঙ্কারির কারণেই মন্ত্রিসভা থেকে সরে যেতে হয় প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে। ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণ করলে আবার মন্ত্রিসভায় চমক দেওয়া হয়। এবারও এপিএসদের নিয়ে কেলেঙ্কারির নতুন মাত্রা লাভ করে। একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী যিনি ২০১৪ মেয়াদে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, ২০১৮ তে পূর্ণ মন্ত্রী হন। ২০১৪ তে যখন তিনি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তখন তার একান্ত সচিব হিসেবে একজন সরকারি কর্মকর্তা কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে যখন তিনি পূর্ণ মন্ত্রী হন, তখন ওই কর্মকর্তাকেই মন্ত্রী তার সহকারী একান্ত সচিব বা এপিএস হিসেবে নিয়োগ দান করেন। একজন পিএস কিভাবে এপিএস হন, এ নিয়ে সে সময়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই এপিএসের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যসহ, নানারকম দুর্নীতির অভিযোগ আসে। দুদকও তাকে তলব করেছিল। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে মন্ত্রী তাকে এপিএস এর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন। এখন অন্তত দুজন মন্ত্রী রয়েছেন, যাদের এপিএসরা মন্ত্রণালয়ে দাপট দেখায় এবং তাদের কারণে মন্ত্রণালয়ে এক ধরনের বিরক্তির সৃষ্টি হয়েছে। এপিএসদের কারণে মন্ত্রীদের সর্বনাশ হচ্ছে এবং মন্ত্রীরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে। শুধু যখন মন্ত্রী থাকেন তখন না, মন্ত্রীত্ব চলে যাওয়ার পরও এপিএস নিয়ে তাদের সমস্যার অবসান হচ্ছে না। তাই রাজনৈতিক বিবেচনায় এপিএস নিয়োগ করা উচিত কিনা সে প্রশ্নটি নতুন করে সরকারের মধ্যে এসেছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চট্রগ্রামে করোনায় শনাক্তের হার ২.৬৩ শতাংশ

প্রকাশ: ১২:৪২ পিএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চট্রগ্রামে করোনায় শনাক্তের হার ২.৬৩ শতাংশ

চট্টগ্রামে বেশ কিছুদিন ধরে স্থিতিশীল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার কমে ২ দশমিক ৬৩ শতাংশে নেমেছে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী,  গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ২ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ দিন চট্টগ্রামের ৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন আক্রান্তরা মহানগর এলাকার বাসিন্দা। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ৬৬০ জন।

এর মধ্যে মহানগর এলাকায় ৯ হাজার ৭৮২ জন এবং উপজেলায় ৩৪ হাজার ৮৭৮ জন। এছাড়া মোট মৃত্যুবরণকারী ১ হাজার ৩৬৭ জনের মধ্যে ৭৩৭ জন মহানগর এবং ৬৩০ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

চট্রগ্রাম   করোনা   শনাক্ত   হার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে বছরে পাচার হচ্ছে ৭৩ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশ: ১২:০৬ পিএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে বছরে পাচার হচ্ছে ৭৩ হাজার কোটি টাকা

সারাদেশে জুয়েলারি শিল্পের বাজারে অস্থিরতা, চলমান সঙ্কট ও সমস্যা, দেশি-বিদেশি চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, অর্থপাচার ও চোরাচালান বন্ধ এবং কাস্টমস সহ সকল আইন- প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জোরালো অভিযানের দাবিতে আজ (১৩ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন- (বাজুস)।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরণের বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে বিশ্বব্যাপী পণ্যমূল্য বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির চরম আঘাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিপর্যস্ত। দেশে দেশে মার্কিন ডলার সহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এরই প্রভাব পড়েছে সোনার বিশ্ববাজারে।

তারা আরো বলেন যে , সাম্প্রতিক সময়ে অব্যাহতভাবে মার্কিন ডলারের মাত্রাতিরিক্ত দাম ও সঙ্কট সহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার উর্দ্ধমুখি দাম এবং বেপরোয়া চোরাচালানের ফলে বহুমুখি সঙ্কটে পড়েছে দেশের জুয়েলারি শিল্প। দেশে মার্কিন ডলারের দাম ১১৮ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সোনার বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে দিয়েছে চোরাকারবারিদের দেশি- বিদেশি সিন্ডিকেট। কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে প্রতিনিয়ত স্থানীয় পোদ্দার বা বুলিয়ন বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হচ্ছে। পোদ্দারদের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সোনার পাইকারি বাজার। পোদ্দারদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের সিন্ডিকেটের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মূলত এই চোরাকারবারিদের একাধিক সিন্ডিকেট বিদেশে সোনা পাচারের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হয়। দেশে চলমান ডলার সঙ্কট ও অর্থপাচারের সঙ্গে সোনা চোরাচালানের সিন্ডিকেট সমূহের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। এমন পরিস্থিতিতে সোনার বাজার অস্থিরতার নেপথ্যে জড়িত চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস সহ দেশের সকল আইন- প্রয়োগকারি সংস্থা সমূহের জোরালো অভিযান ও শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সোনার বাজারে শৃঙ্খলা আনতে কঠোর অভিযানের বিকল্প নেই।

এছাড়া সারাদেশে শান্তি, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা ও ব্যবসায়ীক সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কোন দুস্কৃতিকারী, চোরাকারবারী যাতে দেশবিরোধী ও অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে সে লক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছে। অনেক চোরাকারবারীকে আইনের মুখোমুখি করা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ছে। অবৈধ উপায়ে কোন চোরাকারবারি যেন সোনা বা অলংকার দেশে আনতে এবং বিদেশে পাচার করতে না পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সরকারের সকল সংস্থা সমূহকে প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছে।

বাজুসের প্রাথমিক ধারণা- প্রবাসী শ্রমিকদের রক্ত-ঘামে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার করে প্রতিদিন সারাদেশের জল, স্থল ও  আকাশ পথে কমপক্ষে প্রায় ২০০ কোটি টাকার অবৈধ সোনার অলংকার ও বার  চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। যা ৩৬৫ দিন বা একবছর শেষে দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা। দেশে চলমান ডলার সঙ্কটে এই ৭৩ হাজার কোটি টাকার অর্থপাচার ও চোরাচালান বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে বাজুসের প্রস্তাব হলো- সোনা চোরাকারবারিদের চিহ্নিত করতে বাজুসকে সম্পৃক্ত করে পৃথকভাবে সরকারি মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। পাশাপাশি চোরাকারবারিদের দমনে প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে আরও কঠোর আইন করতে হবে। এছাড়াও ব্যাগেজ রুলের আওতায় সোনার বার ও অলঙ্কার আনার সুবিধা অপব্যবহারের কারণে ডলার সঙ্কট ও চোরাচালানে কী প্রভাব পড়ছে, তা জানতে বাজুসকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে সমীক্ষা পরিচালনা করতে হবে।

বাজুস প্রস্তাব করেছে-

# হলমার্ক ব্যতীত কোন অলংকার বিক্রয় করা যাবে না। যদি কোন জুয়েলারী প্রতিষ্ঠানে হলমার্ককৃত অলংকার নিম্নমানের পাওয়া যায় তাহলে যে প্রতিষ্ঠান উক্ত অলংকার হলমার্ক করেছে সে প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত করে আইন প্রয়োগকারি সংস্থাগুলোকে অবহিত করবে বাজুস।

# সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সারা দেশে স্বর্ণের ৪টি মান রয়েছে, যথাক্রমে ১৮, ২১, ২২ ও ২৪ (৯৯ দশমিক ৫)। এই মানের নীচে কোন স্বর্ণ বা স্বর্ণালংকার বিক্রি করা যাবে না। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে তেজাবী (পাকা সোনা বা পিউর গোল্ড) স্বর্ণের ক্ষেত্রে কোন অবস্থাতেই ৯৯ দশমিক ৫ এর নীচে মান গ্রহণযোগ্য না। এক্ষেত্রে সকল হলমাকিং কোম্পানীকে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী স্বর্ণ পরীক্ষা করার জন্য।

বাজুস   সোনার দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজধানীর শ্যামলীতে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে হেলপার নিহত

প্রকাশ: ১১:২৮ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাজধানীর শ্যামলীতে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে হেলপার নিহত

রাজধানীর শ্যামলীতে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে মো. রনি (৩৫) নামে এক হেলপার নিহত হয়েছেন শনিবার (১৩ আগস্ট) ভোরে।    

রনিকে নিয়ে আসা উজ্জ্বল নামে এক ব্যক্তি বলেন, শ্যামলী এলাকায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষ হলে রনি ট্রাকচাপায় গুরুতর আহত হন। এসময় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল পৌনে আটটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের গ্রামের বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম থানার মানিক নগর গ্রামে। সে ওই এলাকার আবুল কাশেমের সন্তান। বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ ঢামেক হাসপাতাল জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।


রাজধানী ঢাকা   হেলপারের মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তুরাগে রিকশা গ্যারেজে বিস্ফোরণ: মারা গেলেন দগ্ধ ৮ জনই

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail তুরাগে রিকশা গ্যারেজে বিস্ফোরণ: মারা গেলেন দগ্ধ ৮ জনই

রাজধানীর তুরাগের রাজাবাড়ী এলাকায় একটি রিকশার গ্যারেজে কেমিক্যাল বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আরও একজন মারা গেছেন। এনিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ৮ জনেরই মৃত্যু হলো।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টা পঞ্চাশ মিনিটের দিকে শেখ হাসিনার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মো. শাহিন (২৬)। 

শেখ হাসিনার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উত্তরা তুরাগে রিকশার গ্যারেজে বিস্ফোরণের দগ্ধ শাহিন গতরাতে মারা গেছেন। আমাদের এখানে দগ্ধ হয়ে ৮ জনই এসেছিলেন। দগ্ধ ৮ জনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন। শাহিনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

উল্লেখ্য, শনিবার (০৬ আগস্ট) দুপুরে তুরাগ থানার রাজাবাড়ী এলাকায় রিকশার গ্যারেজে কেমিক্যাল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আটজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। 

তুরাগ   গ্যারেজ   বিস্ফোরণ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তারেক মাসুদ মিশুক মুনীরের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ১০:১১ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail তারেক মাসুদ মিশুক মুনীরের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ (১৩ আগস্ট) তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট  ‘কাগজের ফুল’ এর  শুটিং লোকেশন দেখে ঢাকায় ফেরার পথে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা নামক স্থানে বিপরীতমুখী চুয়াডাঙ্গা এক্সপ্রেসের একটি বাসের সঙ্গে তারেক মাসুদ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মিশুক মুনীরকে বহনকারী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন। 

তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মভূমি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গা পৌরসভার নূরপুর মহল্লায় তার গ্রামের বাড়িতে তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকাল ৯টায় তারেক মাসুদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ১০টায় বাড়ির আঙিনায় স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে ঢাকার শর্ট ফিল্ম ফোরাম, ফরিদপুরের তারেক মাসুদ ফিল্ম সোসাইটিসহ ভাঙ্গার বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করবে।

তারেক মাসুদ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ও ভাঙ্গা কেএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোসায়েদ হোসেন ঢালী বলেন, পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সমাধি চত্বরে তারেক মাসুদের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তারেক মাসুদের মা নূরুন্নাহার মাসুদ ও স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ।

ফরিদপুর তারেক মাসুদ ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম মেহেদী বলেন, ফরিদপুরের কৃতি সন্তান খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেল ৩টায় শহরের কমলাপুরস্থ রাইট ট্র্যাক স্কুলে এক স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনা সভা শেষে মাটির ময়না, রানওয়েসহ তারেক মাসুদের একাধিক চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী হবে। এরপর তারেক মাসুদের ওপর নির্মিত প্রসূন রহমানের ফেলা নামের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হবে।

তারেক মাসুদ ভাঙ্গার নূরপুর গ্রামের মসিউর রহমান মাসুদ-নূরুন্নাহার দম্পতির ছেলে। তার বাবা ভাঙ্গা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনিই (তারেক) সবার বড়।

শৈশবে স্থানীয় একটি মাদরাসায় কিছু দিন লেখাপড়া করেছেন তারেক মাসুদ। এরপর তিনি ভাঙ্গা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে ঢাকায় চলে যান। সেখানে নটরডেম কলেজ ও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে পড়াশোনা শেষে পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন।



তারেক মাসুদ   মিশুক মুনীর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন