ইনসাইড বাংলাদেশ

কেন জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়?

প্রকাশ: ০২:১০ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail কেন জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়?

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের উর্ধ্বগতির কারণে পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে নিয়মিত তেলের মূল্য সমন্বয় করে থাকে। 

ভারত ২০২২ সালের ২২ মে থেকে কলকাতায় ডিজেলের মূল্য প্রতি লিটার ৯২.৭৬ রুপি এবং পেট্রোল লিটার প্রতি ১০৬.০৩ রুপি নির্ধারণ করেছে। 

এই মূল্য বাংলাদেশি টাকায় যথাক্রমে ১১৪.০৯ টাকা এবং ১৩০.৪২ টাকা। (১ রুপি = গড় ১.২৩ টাকা)। 

বাংলাদেশে কলকাতার তুলনায় ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৩৪.০৯ এবং পেট্টোল লিটার প্রতি ৪৪.৪২ টাকা কমে বিক্রয় হচ্ছিল। মূল্য কম থাকায় তেল পাচার হওয়ার আশঙ্কা শতভাগ। 

এশিয়ার অনান্য দেশ যেমন - 

নেপালে ডিজেল ১২৭ টাকা, ইন্দোনেশিয়া ১৩৮, সিঙ্গাপুর ১৮৯ টাকা, চীন ১১৮ টাকা, আরব আমিরাত ১২২.৮০ টাকা ও হংকং এ ২৬০ টাকা। 

অন্যান্য দেশ অনেক আগেই তাদের জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে আর বাংলাদেশ সরকার ভর্তুকি দিয়ে এসেছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্যও অপেক্ষা করেছে। 

জনবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় জনগণের স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। যতদিন সম্ভব ছিল ততদিন সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির চিন্তা করে নাই। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে অবস্থার প্রেক্ষিতে অনেকটা নিরুপায় হয়েই জ্বালানি তেলের মূল্য এডজাস্টমেন্টে যেতে বাধ্য হচ্ছে সরকার। 

২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য কমিয়ে দিয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সে অনুযায়ী জ্বালানি তেলের মূল্য রি-এডজাস্টমেন্ট করবে সরকার। 

বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন বিগত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি ২২ থেকে জুলাই ২০২২ পর্যন্ত) জ্বালানি তেল বিক্রয়ে ৮০১৪.৫১ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।

বর্তমানে, আন্তর্জাতিক  তেলের বাজার পরিস্থিতির কারণে বিপিসির আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে মূল্য সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে সরকার । 

সূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজ

জ্বালানি তেল   মূল্য   সমন্বয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর কাছের মানুষদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন

প্রকাশ: ০১:০০ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বঙ্গবন্ধুর কাছের মানুষদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সময় তার কাছের মানুষদের ভূমিকা নিয়ে অনেক বিতর্ক এবং প্রশ্ন উঠেছে এবং এই প্রশ্নগুলো এখনও অমীমাংসিত। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিকভাবে অনেক শিষ্যদেরকে গড়ে তুলেছেন। অনেক শিষ্যদেরকে তিনিই অপত্য স্নেহ দিয়ে নেতৃত্বে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন,

তোফায়েল আহমেদ: ডাকসুর এই সাবেক ভিপিকে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব বানিয়েছিলেন এবং প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছিলেন। অনেকেই মনে করেন যে, রক্ষীবাহিনী দেখভাল করতেন তোফায়েল আহমেদ। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা যখন আক্রান্ত হয়েছিলেন তখন তোফায়েল আহমেদ এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, অনেক প্রশ্ন রক্ষীবাহিনীর ভূমিকা নিয়েও। যদিও তোফায়েল আহমেদ এ ব্যাপারে বিভিন্ন রকম ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে তার এই বক্তব্য তেমন কোনো সহানুভূতি পায়নি। বরং অধিকাংশ মানুষই মনে করেন যে, তোফায়েল আহমেদের যে ভূমিকা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পালন করা উচিত ছিল, সেই ভূমিকা পালন করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

এইচ টি ইমাম: এইচ টি ইমাম ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং বঙ্গবন্ধুর আরেকজন বিশ্বস্ত, আস্থাভাজন ব্যক্তি। কিন্তু ৭৫ এর পর যখন খুনি মোশতাক নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন, সেই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন এই এইচ টি ইমামই। এ কারণে ইতিহাসের দায় থেকে তিনি মুক্ত হতে পারেন না।

কে এম শফিউল্লাহ: কে এম শফিউল্লাহ ছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান। সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থান হলো অথচ সেনাপ্রধান ভূমিকাহীন। তিনি কিছুই জানতেন না। শুধু তাই নয়, পঁচাত্তরের পরে তিন বাহিনী বেতার কেন্দ্রে গিয়ে খুনি মোশতাক এর সরকারকে আনুগত্য জানিয়েছিল। সেখানে শফিউল্লাহ ছিলেন অন্যতম। অবশ্য এরপর শফিউল্লাহ তার সেনাপ্রধানের পদ ধরে রাখতে পারেননি। তবে জীবন বাঁচাতে তিনি রাষ্ট্রদূতের পদ গ্রহণ করেছিলেন। এরপর যদিও তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগদান করেন। কিন্তু পঁচাত্তরের তার ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন সেই প্রশ্ন এখনো জ্বলজ্বল করছে। বিশেষ করে শফিউল্লাহ সেনাপ্রধান থাকার পর কিভাবে সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ হলো এবং সেনাপ্রধান হিসেবে তিনি কি ভূমিকা পালন করলেন তা নিয়ে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন রয়েছে এবং এই সমস্ত প্রশ্নের কোনো উত্তর আজ পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি।

ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদ: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শেষ অনুষ্ঠান ছিল ১৯৭৫ এর ১৪ আগস্ট। ওই দিন বঙ্গবন্ধুর একান্ত সচিব ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদ এর বিদায় অনুষ্ঠান ছিল এবং নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল গণভবনে। ওই বিদায় অনুষ্ঠান শেষ করে বঙ্গবন্ধু তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে যান। পরের দিন তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা ছিল। ফরাসউদ্দিন আহমেদ উচ্চশিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন এজন্যই তাকে বিদায় দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ড. ফরাসউদ্দিনের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। বরং তিনি খুনি মোশতাকের এনওসি নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। একজন একান্ত সচিব যদি এত বড় একটি ঘটনার পর মুষড়ে রাতে পারেন না। 

ড. কামাল হোসেন: পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট এর ঘটনার সময় ড. কামাল হোসেন দেশের ছিলেন না। তিনি ব্রিটেনে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে হত্যার বিচার চাওয়া বা হত্যার নিন্দা জানানো বা এটির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ড. কামাল হোসেন কোনো ভূমিকাই পালন করেননি। বরং এরপর তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকেও নিজেকে তিনি গুটিয়ে নিয়েছিলেন। যদিও ১৯৮১ সালের পর আবার তিনি আওয়ামী লীগে সক্রিয় হয়েছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সভাপতিকে বিপদগ্রস্ত করার জন্য সব ধরনের উদ্যোগই গ্রহণ করেছিলেন।

এরকম আরো কিছু ব্যক্তি আছেন যাদেরকে বঙ্গবন্ধু অপত্য স্নেহ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন, ভালোবেসেছিলেন এবং যাদের পরিচয় বঙ্গবন্ধুর কারণে হয়েছে। তারা পঁচাত্তরের পর যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারেনি কেন? এই প্রশ্নটি ইতিহাসে এক অমীমাংসীত অধ্যায়।

বঙ্গবন্ধু   ১৫ আগস্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রবাসীর স্ত্রীকে অচেতন করে নগ্ন ভিডিও ধারণ

প্রকাশ: ১২:৪৮ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail প্রবাসীর স্ত্রীকে অচেতন করে নগ্ন ভিডিও ধারণ

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (৩২) অচেতন করে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার কড়িহাটি গ্রামের নুর হোসেন ড্রাইভারের ছেলে মোতাহের হোসেন স্বপন (৩৮) ও একই গ্রামের মৃত হোসেনের ছেলে মিজানুর রহমান টিপু (২৯)।     

সোমবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রবিবার (১৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে চাটখিল থানায় এ মামলা দায়ের করেন। 

মামলার এজাহার বলা হয়েছে, গত ৮ আগস্ট দুই আসামি সুকৌশলে গৃহবধূর রান্না ঘরে থাকা দুধের সাথে ঘুমের চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে দেয়। প্রতিদিনের ন্যায় গৃহবধূ তার সন্তানদের নিয়ে রাতের খাবার খাওয়া শেষে রান্না ঘর থেকে দুধ পান করে তার শয়ন কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত অনুমানিক ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে ২ আসামি গৃহবধূর শয়ন কক্ষে ঢুকে তাকে বিবস্ত্র করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। এসময় ওই গৃহবধূ টের পেলে স্বপন তাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে গৃহবধূর চিৎকারে দুই আসামি পালিয়ে যায়। 

এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়,  পরবর্তীতে গৃহবধূর বিবস্ত্র ছবি আসামি টিপু তার মুঠোফোনে প্রেরণ করে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দিলে বিবস্ত্র ছবি ও ভিডিও গৃহবধূর প্রবাসী স্বামীর কাছে প্রেরণসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক কার্যকলাপ করার কুপ্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় আসামিরা।

চাটখিল থানার পরিদর্শক হুমায়ন কবির জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়ে রবিবার রাতেই দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকালে আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 


নোয়াখালী   নগ্ন ভিডিও  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট

প্রকাশ: ১২:২৯ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর চকবাজারে একটি পলিথিন কারখানায় আগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট।

সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি জানান, আগুন লাগার ৯ মিনিটের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করে। প্রথমে ছয়টি এবং পরে আরও ইউনিট যোগ দেয়।

ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশ: ১২:১৩ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি সুরা ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন। সোমবার (১৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে জাতীয় শোক দিবসে সকালে রাজধানীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে তিনি বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্ট নিহত স্বজনদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এসময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফাতেহা পাঠ এবং মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দ্বিতীয় বার পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে ধানমন্ডির বাসভবনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এ জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত এবং তার ছেলে আরিফ ও সুকান্তবাবু, মেয়ে বেবি, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান। 

টুঙ্গিপাড়া   বঙ্গবন্ধু   সমাধি   প্রধানমন্ত্রী   শ্রদ্ধা   ১৫ আগস্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

খুনী নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত আনতে কানাডাস্থ হাই কমিশনের বিবৃতি

প্রকাশ: ১০:৫৬ এএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail খুনী নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত আনতে কানাডাস্থ হাই কমিশনের বিবৃতি

জাতির পিতার ৪৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন এক বিবৃতি দিয়েছে। এই বিবৃতিতে তারা বঙ্গবন্ধুর খুনী নূর চৌধুরীর কানাডায় আশ্রয় এবং তাকে দেশে ফেরত পাঠানো বিষয়ে আলোকপাত করেছে। 

বিবৃতিতে বলা হয় , ‘কানাডা বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুপ্রতিম একটি দেশ। গত একান্ন বছর যাবত দুটি দেশ দ্বিপাক্ষিক ও  আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক সাথে কাজ করে চলেছে। কিন্ত অতি পরিতাপের এই বিষয় যে, সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের ১৮জন সদস্যের অন্যতম দন্ডপ্রাপ্ত প্রধান খুনি নুর চৌধুরী বিগত ২৬ বছর ধরে কানাডার আশ্রিত রয়েছে। 

তারপরেও আমরা সবাই জানি কানাডার সাথে বাংলাদেশের চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সমর্থন ও সহযোগিতা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের মধ্যে কানাডা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বন্ধু রাষ্ট্র এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কানাডার বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার, রেহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু যেমন বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, জলবায়ু সঙ্কট, লিঙ্গ সমতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতি কানাডার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য।' 

তারা আরো বলেন যে,’২০২১ সালের পর থেকে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হয়েছে এবং নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে একটি বিমান পরিষেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার দ্বার প্রান্তে রয়েছে। ঢাকা ও টরেন্টোর মধ্যে বাংলাদেশ বিমান এর সরাসরি ফ্লাইট চালু হয়েছে যাতে করে মানুষে মানুষে যোগাযোগ,ব্যবসা-বিনিয়োগের সম্প্রসারণ বৃদ্ধি পাবে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।‘  

এ সত্বেও , জঘন্য ও সাজাপ্রাপ্ত খুনি নূর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠানোর বিষয়টা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যে একটি অমীমাংসিত বিষয় হিসাবে বিরাজমান রয়েছে। কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশন সাজাপ্রাপ্ত খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাব্য সকল বাধা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। বাংলাদেশ সব সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসায় বিশ্বাসী। হাইকমিশন জোড় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে করে সম্ভাব্য সকল পর্যায়ে কিভাবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত নেওয়া যায় এবং এই জঘন্য খুনির বিচারের রায় কার্যকর করে জাতির সবচেয়ে কলঙ্কজনক খুনের ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা ঘায়। জঘন্যতম খুনি নুর চৌধুরীকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে হাইকমিশন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ এবং অতি অগ্রাধিকার বিষয় হিসেবেএটিকে চিনহিত করে সেভাবে কাজ করছে এবং কাজ করে যাবে যতক্ষন না পর্যন্ত এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে৷ 

এটি পরিস্কারভাবে বলা প্রয়োজন যে, হাইকমিশন জঘন্য ও সাজাপ্রাপ্ত খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে। হাইকমিশন কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছে যাতে তাঁরা খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা প্রদান করেন এবং বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় মানবিক ভুমিকা রাখেন এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন যে, বিগত সরকারের আমল সমূহে কানাডা সরকার খুনি নুর চৌধুরীকে ফেরত দিতে চাইলেও তদানিন্তন সরকারসমূহ এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়নি বা আগ্রহ দেখায়নি।   

পরিশেষে, হাইকমিশন কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশী সকল ভাই-বোনদেরকে খুনি নুর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর প্রচেষ্টায় সাহায্য করার জন্য ও সামিল হবার। 



নুর চৌধুরী   বঙ্গবন্ধু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন