ইনসাইড বাংলাদেশ

ঝিনাইদহে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ১০ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঝিনাইদহে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পারুল খাতুন (৪৫) নামে এক গৃহবধুকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে তার স্বামী। ঘটনার পর থেকে স্বামী মতিয়ার রহমান পলাতক রয়েছেন। তিনি একই গ্রামের কুড়ল বিশ্বাসের ছেলে।

মঙ্গলবার (০৯ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাঁদবা-একতারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ঋতু বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার রাতে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে পারুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে মতিয়ার রহমান। এরপর পারুলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মতিয়ার রহমান পালিয়ে যান।

কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পারুলের মাথায় ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্বামী মতিয়ার রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



ঝিনাইদহ   খুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যে কারণে মার্কিন কর্তৃত্ব বাংলাদেশে চায় না ভারত

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail যে কারণে মার্কিন কর্তৃত্ব বাংলাদেশে চায় না ভারত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ নিয়ে তার আগ্রহ প্রকাশ্য করেছে। এ নিয়ে তারা এখন আর কোনো লুকোচুরি করছেন না। প্রতিদিনই মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন, মানবাধিকার, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলছেন। স্পষ্টত সরকারের ওপর একটি চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। আর এই চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোয়াডভুক্ত দেশগুলোকেও তিনি সাথে নিতে চাইছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যান্য দেশগুলো যুক্ত হয়ে আগামী নির্বাচন যেন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক হয় সেজন্য কথা বলছেন। রাজনৈতিক আন্দোলন নিয়েও তাদের অবস্থান খুব সুস্পষ্ট। কিন্তু এই সমস্ত দৌড়ঝাঁপের মধ্যে ভারতীয় দূতাবাস এক ধরনের দূরত্ব অবলম্বন করে চলেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঢাকায় এসেছেন। ঢাকা আসার পর এখন পর্যন্ত তিনি স্পষ্টত কোনো কার্যক্রমের মধ্যে দৃশ্যমান হননি। এর আগে দোরাইস্বামী যখন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, আসার সাথে সাথে বিক্রম দোরাইস্বামী বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে নানা রকম কথাবার্তা বলেছিলেন। কিন্তু প্রণয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা হয়েছে উল্টো। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে তেমন কোনো কথাবার্তা বলেননি। বাংলাদেশের ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে অবস্থান সেই অবস্থানের ব্যাপারে ভারতের অবস্থান কি? বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ভারত কোয়াডভুক্ত দেশ হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ নিয়ে যে নীতি অবস্থান গ্রহণ করেছে তার সাথে তারা একমত নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ব বাংলাদেশে আবার প্রতিষ্ঠিত হোক, এটাও ভারত চায়না। ২০০৭ সাল থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে একসাথে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত। বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেন আনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের অভিন্ন মতামত ছিল এবং দুটি দেশের কূটনীতিকরাই সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আবার ওয়ান-ইলেভেনকে বিদায় করে একটি নতুন নির্বাচনের ব্যাপারেও দুই দেশের ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান। এই সময় বাংলাদেশের ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতিতে ভারত যেটি অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেটি মেনে নিয়েছে।

২০১৪ এবং ২০১৮ সালেও ভারতই ছিল কূটনীতিকদের জন্য মূল পথপ্রদর্শক। ভারত বাংলাদেশের রাজনীতির ব্যাপারে যেরকম অভিমত এবং অবস্থান গ্রহণ করেছে কূটনীতিকরা সেই অবস্থানকেই শিরোধার্য মেনে নিয়েছে। কিন্তু গত দুই বছরে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ব্যাপারে আগ্রাসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে আবার নতুন করে নাক গলাতে শুরু করে। এখন নতুন রাষ্ট্রদূত এসে এই নাক গলানোর মাত্রা যেমন বাড়িয়েছে তেমনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবং ভূমিকা ক্রমশ স্পষ্ট করেছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানের সঙ্গে ভারত নেই এবং এটি আমাদের কূটনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি বাংলাদেশে এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাহলে একা পারবেনা বলে কূটনীতিকরা মনে করেন। এক্ষেত্রে ভারতের সহযোগিতা লাগবে। কিন্তু ভারত নানা কারণে বাংলাদেশে মার্কিন একক কর্তৃত্ব চায় না। এর পিছনে অনেকগুলো কারণ থাকলেও প্রধান কারণ হচ্ছে পাকিস্তান। ভারত মনে করে যে, কৌশলগত কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক অব্যাহত রাখবে। সাম্প্রতিক সময়ে যখন পাকিস্তান দেউলিয়া হওয়ার পথে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কারণে সেখানে বেইল আউট ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য অর্থ দিয়েছে পাকিস্তানকে। এ বিষয়টি ভারত ভালোভাবে নেয়নি। ভারত মনে করছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক কর্তৃত্ব বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে এই অঞ্চলে পাকিস্তানের প্রভাব আরও বাড়বে। সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের থেকে ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে ভারত। ভারত চায় না যে বাংলাদেশে মার্কিন কর্তৃত্ব পরিপূর্ণ হবে প্রতিষ্ঠিত হোক।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সীমান্তে ফের গোলাগুলি, আতঙ্কে ৩১ গ্রামের মানুষ

প্রকাশ: ০৯:০৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সীমান্তে ফের গোলাগুলি, আতঙ্কে ৩১ গ্রামের মানুষ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তিন দিন গোলাগুলি বন্ধ থাকার পর ফের গোলাগুলি ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপ শুরু হয়েছে। এতে টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ির তিনটি ইউনিয়নের ৩১টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ আতঙ্ক ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন পাহাড়ে টানা দুই মাস ধরে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মির (এএ) তুমুল সংঘর্ষ চলছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। আরাকান আর্মির আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার থেকে রাত ও দিনে ছোড়া হচ্ছিল মুহুর্মুহু গুলি ও অসংখ্য মর্টারের গোলা। কয়েক দিন আগে বেশ কয়েকটি মর্টারের গোলা এসে পড়েছিল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে। কিন্তু ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে ওপারে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। তাতে এপারের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছিল। অনেকে নেমে পড়েন ধানখেত, জুমচাষসহ নানা কাজে। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ওপারে গোলাগুলি ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপের বিকট শব্দে এপারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ঢেকুবনিয়া সেনা ব্যারাকের পাশে নাকপুরা এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি হচ্ছিল। থেমে থেমে ছোড়া হচ্ছিল মর্টারের গোলা। গোলাগুলির বিকট শব্দ এপারের খারাংখালী গ্রামের লোকজন শুনতে পান। আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। তাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী, উলুবনিয়াসহ সাতটি গ্রামে। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক আছে।

উখিয়ার পালংখালীর বটতলী গ্রামের লোকজন জানান, তিন দিন গোলাগুলি বন্ধ থাকায় ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের অন্তত সাত হাজার মানুষ স্বস্তিতে ছিলেন। অনেকে পাশের ধানখেত ও চিংড়ি খামারে কাজে নামেন। কিন্তু গোলাগুলি শুরু হওয়ায় তাঁরা ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

ঘুমধুমের পশ্চিমকুল গ্রামের অটোরিকশাচালক আমির হোসেন বলেন, ওপারের গোলাগুলির কারণে দুই মাস ধরে ১৭ কিলোমিটারের ‘ঘুমধুম-বাইশারী’ সড়কে মানুষের চলাচল কমে গেছে। যাত্রী না পাওয়ায় তিন শতাধিক অটোরিকশাচালক বেকার হয়ে পড়েছেন। গত তিন দিন সড়কে কিছু গাড়ি চলাচল করলেও এখন আবার বন্ধ হয়ে গেছে। এপারের মানুষের জীবন–জীবিকা যেন ওপারের গোলাগুলিতে থমকে আছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১০ দেশের কূটনীতিকদের সাথে ইউনূসের বৈঠক: কি আলোচনা হলো?

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ১০ দেশের কূটনীতিকদের সাথে ইউনূসের বৈঠক: কি আলোচনা হলো?

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন দূতাবাসে দশটি দেশের কূটনীতিকদের সাথে চা চক্রে মিলিত হয়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে ড. ইউনূস মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এসেছিলেন। অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরাও সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন। মূলত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা এবং বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে তিনি ব্রিফ করেছেন। কিন্তু বৈঠকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে যে, সামাজিক ব্যবসা নয় বরং ড. মুহাম্মদ ইউনুস তার ওপর সরকার যে ধরনের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করছে এবং সরকারের বিভিন্ন সমালোচনা মূলক বক্তব্যের ঢালি নিয়েই উপস্থিত হয়েছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে একটি তদন্ত চলছে, দুর্নীতি দমন কমিশন এই তদন্তটি করছে। আর এর প্রেক্ষাপটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসও ছুটে গিয়েছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনে ইউনূসের এই মামলার খোঁজখবর নিতে। এরকম প্রেক্ষাপটেই গতকাল মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে কূটনীতিকদের সাথে চা চক্রে মিলিত হন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এই চা চক্রে যে সমস্ত দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে আছে- যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি এবং আরও কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা। তবে এটি ছিল একেবারেই অনানুষ্ঠানিক বৈঠক বলে জানা গেছে। একাধিক কূটনৈতিকরা বলছেন, এটি ছিল একটি নিছক একটি গেট টুগেদার, যেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা ভাবে আলোচনা হয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন তার সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বিশ্বে যে অর্থনৈতিক সংকট সেই অর্থনৈতিক সংকটে সামাজিক ব্যবসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে কূটনৈতিকরা মনে করেন। এ জন্যই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে কিছু ধারনা নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে তিনি কি ধরনের উদ্যোগ নেবেন সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

এরকম বক্তব্যের বিপরীতে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কূটনীতিকের সাথে আলাপ-আলোচনা করে জানা গেছে যে, বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা এবং সরকার তার ভাষায় তার ওপর যে অন্যায় করছে সে ব্যাপারে তিনি কূটনীতিকদের কাছে বিশদ ব্যাখ্যা করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গ্রামীণ টেলিকমের কার্যক্রম নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দীর্ঘ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে তার পরিকল্পনা কিভাবে নষ্ট সে সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং বর্তমান সরকার তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার করছেন সে সম্পর্কেও তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্য একটি সূত্র বলেছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে। তবে অন্তত দু'জন কূটনীতিক এই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন। তারা বলেছেন যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কখনোই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী নয়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোয়ার্ডের সকল সদস্যের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই আলাপচারিতা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সুশীল সমাজ সরকারের প্রতি সোচ্চার হয়েছে এবং রাজনীতিতে আবারও বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া চালু করার একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিএনপিকে মাঠে নামে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির করার যে নীলনকশা, সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্যই ড. মুহাম্মদ ইউনূস কূটনীতিকদের সাথে চা চক্রে মিলিত হলেন কিনা, সে নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন। অনেকেই মনে করছেন যে, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে যা কিছু ঘটছে তার নেপথ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখন এই বৈঠকের ফলে কোয়াডভূক্ত দেশগুলো নতুন কি ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে, সেটি নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন। তবে একাধিক সূত্র বলছে যে, এই বৈঠকে ভারতের কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হরিজন সম্প্রদায়কে দুর্গাপূজার উপহার দিলো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন

প্রকাশ: ০৭:৫৭ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail হরিজন সম্প্রদায়ে দুর্গাপূজার উপহার দিলো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন

দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন সম্প্রদায়কে উপহার দিলো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে এই উপহার বিতরণ করেন।

এ সময় ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকলের কথা ভাবেন। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সহিংসতামুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে তিনি বদ্ধপরিকর। কিন্তু দেশে যখন কোন উৎসব আসে তখন দেশ বিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। জঙ্গিগোষ্ঠী বিভিন্ন পূজামণ্ডপে হামলার চেষ্টা চালায়। কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদ জামাতেও তারা বোমা হামলা করেছিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ কঠোর হস্তে দমন করা হয়েছে। এদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কোন স্থান নেই। যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইবে তাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হবে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। কোন ভয় নেই, নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব পালন করুন।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম হলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হরিজন সম্প্রদায়ের ১ হাজার পরিবারের প্রত্যেককে নগদ ১ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাঝে চেক বিতরণ করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নেতৃত্বের কারণে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমাদের মেয়েরা সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তারা আমাদের দেশের জন্য গর্ব ও গৌরবের। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী তাদেও পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি দেশের উন্নয়নে যুব সমাজকে সংগঠিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ বর্তমানে উন্নয়নের মহাসড়কে। দৃশ্যমান উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্তসহ দেশকে অস্থিতিশীল করতে বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল বিগত দিনের মতো জঙ্গিবাদ কায়েমের পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ দমনসহ সকল সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিষদাঁত ভেঙ্গে দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ বদিউল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ মাহমুদ উল্লাহ মারূফ, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ, জেলার ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল দুলু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওয়াহিদুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য, জেলা পূজা পরিষদের সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত, সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার দেব, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কুড়িগ্রামে যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশের সুস্থতায় বিশেষ প্রার্থনা


Thumbnail কুড়িগ্রামে যুবলীগের চেয়ারম্যান ফজলে শামস্ পরশের সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ফজলে শামস্ পরশ তৃতীয় দফায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তার কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসার সত্যতা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় উপ দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সারাদেশের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশের ন্যায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক জনাব আনিছুর রহমান খন্দকার চাঁদ এর উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ মসজিদে আছরের নামাজের পর এই দোয়ার আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত সকলে শেখ ফজলে শামস পরশের আশু রোগমুক্তি কামনা করেন এবং পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক নেতৃত্বে তার দ্রুত ফিরে আসার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক জনাব আনিছুর রহমান খন্দকার চাঁদ,  যুগ্ম আহবায়ক মমিনুর রহমান মুমিন, নাজমুল ইসলাম, মামুন সেলিম, রাকিবুজ্জামান রনিসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

যুবলীগের চেয়ারম্যান   ফজলে শামস্ পরশ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন