ইনসাইড বাংলাদেশ

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি, ২২ জেলে উদ্ধার

প্রকাশ: ০৮:৪০ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি, ২২ জেলে উদ্ধার

কক্সবাজারে উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে টিকতে না পেরে মাছ ধরার একটি ট্রলার ডুবে যায়। পরে ট্রলারের ২২ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয় জেলেরা। 

শুক্রবার (১২ আগস্ট) বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক পয়েন্টে এ ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।

এফবি আল্লাহর দান নামে ট্রলারটির মালিক মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি সাইরার ডেইল এলাকা শের উল্লাহ। জাল, তেল ও মালামালসহ ট্রলারটির মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিকের ছেলে এজাজুল হক (১৮)। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সময় এজাজুল হক ট্রলারে ছিলেন।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন- এজাজুল হক, নাছির উদ্দিন, রেজাউল, জয়নাল,আব্দুল আজিজ, নুর, নুরনবী, বাদশা, ছোটন, আজিজ, রুহুল কাদের, জাহাঙ্গীর, নেছার, শাহাবউদ্দিন, নুর হোসেন, বশর, রবিউল, কালু, কোরবান আলী ও জাবের। বাকি দুইজনের নাম জানা যায়নি। জেলেরা সবাই মহেশখালির মাতারবাড়ি এলাকার।

নাজিরারটেক উপকূলে আসার পর এজাজুল হক বলেন, ট্রলারটি দেড় কোটি টাকায় তৈরি করা হয়েছে। ২২ জেলেসহ শুক্রবার দুপুর ২টায় নাজিরারটেক উপকূল থেকে মাছ ধরার জন্য সাগরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। তেল, খাদ্য সামগ্রীসহ দুই লাখ টাকার মালামাল তোলা হয়। কিন্তু নাজিরারটেক পয়েন্টে পৌঁছাতেই ট্রলারটি বালিতে আটকা পড়ে। এরপর ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়।

ট্রলারটি উল্টে ১১ জেলে পানিতে পড়ে যায় আর বাকিরা ট্রলারটির নানা অংশ ধরে ওপরে ভাসতে থাকে। পরে স্থানীয় জেলেরা ৪টি ট্রলার নিয়ে এগিয়ে এসে সবাইকে উদ্ধার করে।

বেঁচে ফেরা জেলে কোরবান বলেন, ট্রলারটি উল্টে যাওয়ার পর প্রথমে আমি পানিতে পড়ে যাই। পরে সাঁতার কেটে উপকূলে ওঠার চেষ্টা করি। কিন্তু উপকূল অনেক দূরে ছিল। এক পর্যায়ে মনে করেছিলাম পানিতে ডুবে মারা যাব। কিন্তু আল্লাহর রহমতে অন্য জেলেরা এসে উদ্ধার করেছে।

নাজিরারটেক মাঝিমাল্লা সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক খালেদ মোশারফ বলেন, ট্রলারটি ২২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রলারটিও উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বেশ কয়েক ঘণ্টা চেষ্টার পরও উদ্ধার করতে পারছি না ভাটার কারণে। জোয়ার এলে ৪টি ট্রলারের সাহায্য ডুবে যাওয়া ট্রলারটি টেনে উপকূলের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে।



বঙ্গোপসাগর   ট্রলার ডুবি   কক্সবাজার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১:১৯ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বরিশাল জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আউটার স্টেডিয়ামে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাসের সভাপতিত্বে খেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম ,বরিশাল মেট্রোপলিটন উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা।

এছাড়াও, বরিশাল সুপারিনটেডেন্ড সাগরদী পিটিআই  দীনা ইয়াসমিন, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারি, ১০ টি উপজেলার টিম ও তাদের প্রতিনিধিরা ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ । দুটি মাঠে প্রথম রাউন্ডের ৬ টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ তারিখ ১ম সেমিফাইনাল, ২য় সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

বরিশাল   জেলা পর্যায়   বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ   ফুটবল টুর্নামেন্টের   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

প্রকাশ: ১২:৪৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে, এক সময় ঐতিহ্যবাহী গরু আর মহিষের গাড়ি বাহনের সরগরম অস্তিত্ব ছিল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে এই বাহনটি। সময়ের ব্যবধানে এখন এই গরু ও মহিষের গাড়ি স্থান পেয়েছে বইয়ের পাতায় ও রূপকথার গল্পের মতো।

সর্বত্রই ছিল এই গরু আর মহিষের গাড়ির কদর। বরযাত্রী থেকে শুরু করে কনে আনা চলতো এগুলো দিয়ে। জমি থেকে ধান আনা, জমিতে জৈব সার নিয়ে যাওয়া, মালামাল পরিবহনেও এগুলো ছিল অপরিহার্য। এখন গরু-মহিষের গাড়ি প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে। যেকোন উৎসব গরু না হয় মহিষের গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেত না। 

আমাদের পল্লী এলাকার জনপ্রিয় বাহন ছিল গরু আর মহিষের গাড়ি। গরু-মহিষের গাড়িই ছিল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে ভরসা। গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় গরু ও মহিষের গাড়ি এখন অধিকাংশ এলাকা থেকে বিলুপ্তির পথে। এখন এসব বাহন রূপকথার গল্পমাত্র, বাংলা নববর্ষ পালনের সময় ২/১ টা গরু, মহিষের গাড়ী দেখা গেলেও সেটা  বিলুপ্ত হতে হতে স্থান পেয়েছে সংবাদপত্র ও বইয়ের পাতায়।

গরু-মহিষের গাড়িগুলো কাঠের চাকা ও বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হতো। এখন তার স্থান দখল করেছে মাহিন্দ্রা, টমটমসহ আরও কিছু যানবাহন। এখনো কোথাও কোথাও গরু-মহিষের গাড়ির দেখা মেলে। হয়তো কিছুদিন পরে সেগুলোও আর দেখা যাবে না।

স্থানীয়রা বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে গরু-মহিষের গাড়ি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হতে দেখেছি। এখন গরু-মহিষের গাড়ি তেমন আর ব্যবহার হয় না। এখন মানুষ মাহিন্দ্রা, পাওয়ার ট্রলি ও ট্রাক্টরসহ ইঞ্জিন চালিত গাড়ি দিয়ে যাতায়াতসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। আগে গরু-মহিষের গাড়িতে সেসব করা হতো।

কিন্তু বর্তমান কুড়িগ্রাম অঞ্চলের গ্রাম বাংলা থেকে গরু ও মহিষের গাড়ি হারিয়ে যাওয়ায় এসব অনুভূতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান যুগের ছেলে-মেয়েরা। আধুনিকতার প্রবাহে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক কিছু আমরা হারাচ্ছি। আমাদের জীবন থেকে হারাচ্ছে এ রকম নানা ঐতিহ্য। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু ও মহিষের গাড়িকে এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে খুব দ্রুত এই গরুর গাড়ি ইতিহাসের পাতায় স্থান নিবে।

হারিয়ে যাচ্ছে   ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের   গাড়ি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, বরিশাল বিভাগে পরিবেশবান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

সংস্থাটির বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, সেবা প্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এবং হয়রানি মুক্ত নির্ভেজাল সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের সবগুলো জেলায় বিআরটিএ এর পরিসেবাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিআরটিএ এর সেবা সমুহের মধ্যে রয়েছে মোটরযান নিবন্ধন, মালিকানা স্থানান্তর, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন, মোটরযানের ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন ইস্যু ও নবায়ন, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন ইত্যাদি।

তিনি আরও জানান, সেবা প্রার্থীদের মাঝে বিআরটিএ এর সেবাপ্রক্রিয়াকে সহজ করার ফলে পূর্বের চেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে পিরোজপুর বাসীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে ঝালকাঠি এবং বরগুনা বাসীদের পটুয়াখালী আসতে হতো এখন নিজ নিজ নিজ জেলা থেকেই লাইসেন্স নিতে পারবেন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কাগজ জমা দেয়ার দিনই বায়োমেট্রিকস নেয়া হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার বিআরটিএ অফিস থেকে বিভাগীয় অফিসকে পৃথক করা হয়েছে। এবং প্রতিটি জেলা অফিসে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে। যাতে কোন মানুষ হয়রানির শিকার হলে তাদের যে কোন প্রকার অভিযোগ দিতে পারেন।

চলতি বছর ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১৪ হাজার ৪১০ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫ হাজার ৯২৩ টি, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় ১ হাজার ৬৬৩ টি, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ টি, ভোলা জেলায় ১ হাজার ২৯৬ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি মুলক ১৫ টি প্রশিক্ষনে ৭৯৭ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেছে। যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৭ টি, ঝালকাঠি জেলায় ২ টি, পিরোজপুর জেলায় ১ টি, পটুয়াখালী জেলায় ২ টি বরগুনা জেলায় ১ টি, ভোলা জেলায় ২ টি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের মিশন হচ্ছে, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল, টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এছাড়াও সেবাপ্রার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের জন্য বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবীর কুমার সাহা,জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জঃ) এমডি শাহ আলম,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শামসুল হক,মোটরযান পরিদর্শক ইকবাল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক মোঃ জাফর হাসান,মেকানিকাল এ্যাসিস্টান্ট আঃ সালাম সহ অন্যান্ন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বিআরটিএ এর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বরিশাল   আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত   কাজ করছে   বিআরটিএ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

বরগুনা জেলা জুড়ে পুঁথিপাঠ, লোকজ সঙ্গীত ও বাশিঁর সূরের মূর্ছনায় কবিতাবৃত্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী  শিশু আনন্দ মেলা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরগুনা -১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু এমপি। 

জানা যায়, করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদন ও বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মাণের লক্ষে এ মেলার আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহি বরগুনা প্রেসক্লাব। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান,  জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর,  পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস সালাম, বরগুনার পৌরসসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম।
 
বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সনজিব দাস বলেন, বরগুনায় শিশুদের বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। করোনার মধ্যে প্রায় তিনবছর শিশুরা স্কুলেও যেতে পারেনি।  আমরা করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদনের জন্য এ মেলার আয়োজন করেছি। এর পাশাপাশি মেলার আয়ের টাকায় বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মান করা হবে। আমরা জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহায়তায় মেলাটি আয়োজন করেছি। 

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি মাসব্যাপি আমাদের আয়োজনে মুলত লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।  বাউল ও জারি সারি   ও পালাগান,  যাদু, কৌতুক অভিনয়, মঞ্চ নাটকসহ হারিয়ে যাওয়া নানা ধরণের লোকজ সংস্কৃতির তুলে ধরবো। আমরা আশা করি ভিন্নধর্মী এমন মেলা সবার মাঝে সাড়া ফেলবে।

বরগুনা   মাসব্যাপী   শিশু মেলা   শুরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন

প্রকাশ: ০৭:১৯ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠা কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাক জন্মদিন আজ। এই উপলক্ষে কদমতলী থানা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বাদ আসর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল ও সন্ধ্যায় কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। 

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নাছিম মিয়ার সভাপতিত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকার জননন্দিত নেতা সাবেক ছাত্রনেতা ড. মোঃ আওলাদ হোসেন।

ড. মোঃ আওলাদ হোসেন বলেন, ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতি নদীর তীরে গিমাডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চারবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। মমতাময়ী এবং মানবকল্যাণে ব্রতী এক অনন্য দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশী-বিদেশী নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র, রাজনৈতিক সহিংসতা, করোনা অতিমারীর কুফল, রাশিয়া-ইউক্রেণ যুদ্ধ ইত্যাদি প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে টানা প্রায় ১৪ বছর ক্ষমতা থাকা  চ্যালেঞ্জিং ছিল সবসময়। মানুষের প্রতি বিশ্বাস, অকৃত্রিম ভালোবাসা, অভিজ্ঞতা, আত্মপ্রত্যয় ও দূরদর্শিতার কারণে জননেত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বনেত্রী। তাঁর প্রজ্ঞা, মেধা ও বিচক্ষণতা দ্বারা দেশের মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারায়, দেশের অর্থনীতিতে তাক লাগানো ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে- বাংলাদেশ বিশ্বে এক অপার বিস্ময় সৃষ্টি করেছে।

এমন এক মহান নেত্রীর শুভ জন্মদিনে অন্তরের গভীর থেকে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী মুফতী, ঢাকা জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ আহসানউল্লাহ, রোখসানা বেগম পারুল, শহিদ মাহমুদ হেমী,  ইকবাল হোসেন চৌধুরী, শামসুল আলম, জাহাঙ্গীর খান সহ ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকার আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন