ইনসাইড বাংলাদেশ

খুনী নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত আনতে কানাডাস্থ হাই কমিশনের বিবৃতি

প্রকাশ: ১০:৫৬ এএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail খুনী নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত আনতে কানাডাস্থ হাই কমিশনের বিবৃতি

জাতির পিতার ৪৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন এক বিবৃতি দিয়েছে। এই বিবৃতিতে তারা বঙ্গবন্ধুর খুনী নূর চৌধুরীর কানাডায় আশ্রয় এবং তাকে দেশে ফেরত পাঠানো বিষয়ে আলোকপাত করেছে। 

বিবৃতিতে বলা হয় , ‘কানাডা বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুপ্রতিম একটি দেশ। গত একান্ন বছর যাবত দুটি দেশ দ্বিপাক্ষিক ও  আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক সাথে কাজ করে চলেছে। কিন্ত অতি পরিতাপের এই বিষয় যে, সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের ১৮জন সদস্যের অন্যতম দন্ডপ্রাপ্ত প্রধান খুনি নুর চৌধুরী বিগত ২৬ বছর ধরে কানাডার আশ্রিত রয়েছে। 

তারপরেও আমরা সবাই জানি কানাডার সাথে বাংলাদেশের চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সমর্থন ও সহযোগিতা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের মধ্যে কানাডা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বন্ধু রাষ্ট্র এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কানাডার বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার, রেহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু যেমন বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, জলবায়ু সঙ্কট, লিঙ্গ সমতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতি কানাডার সহযোগিতা বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য।' 

তারা আরো বলেন যে,’২০২১ সালের পর থেকে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হয়েছে এবং নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে একটি বিমান পরিষেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার দ্বার প্রান্তে রয়েছে। ঢাকা ও টরেন্টোর মধ্যে বাংলাদেশ বিমান এর সরাসরি ফ্লাইট চালু হয়েছে যাতে করে মানুষে মানুষে যোগাযোগ,ব্যবসা-বিনিয়োগের সম্প্রসারণ বৃদ্ধি পাবে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।‘  

এ সত্বেও , জঘন্য ও সাজাপ্রাপ্ত খুনি নূর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত না পাঠানোর বিষয়টা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যে একটি অমীমাংসিত বিষয় হিসাবে বিরাজমান রয়েছে। কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশন সাজাপ্রাপ্ত খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাব্য সকল বাধা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। বাংলাদেশ সব সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসায় বিশ্বাসী। হাইকমিশন জোড় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে করে সম্ভাব্য সকল পর্যায়ে কিভাবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত নেওয়া যায় এবং এই জঘন্য খুনির বিচারের রায় কার্যকর করে জাতির সবচেয়ে কলঙ্কজনক খুনের ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা ঘায়। জঘন্যতম খুনি নুর চৌধুরীকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে হাইকমিশন দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ এবং অতি অগ্রাধিকার বিষয় হিসেবেএটিকে চিনহিত করে সেভাবে কাজ করছে এবং কাজ করে যাবে যতক্ষন না পর্যন্ত এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে৷ 

এটি পরিস্কারভাবে বলা প্রয়োজন যে, হাইকমিশন জঘন্য ও সাজাপ্রাপ্ত খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে। হাইকমিশন কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছে যাতে তাঁরা খুনি নুর চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা প্রদান করেন এবং বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় মানবিক ভুমিকা রাখেন এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন যে, বিগত সরকারের আমল সমূহে কানাডা সরকার খুনি নুর চৌধুরীকে ফেরত দিতে চাইলেও তদানিন্তন সরকারসমূহ এ ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়নি বা আগ্রহ দেখায়নি।   

পরিশেষে, হাইকমিশন কানাডায় বসবাসকারী বাংলাদেশী সকল ভাই-বোনদেরকে খুনি নুর চৌধুরীকে ফেরত পাঠানোর প্রচেষ্টায় সাহায্য করার জন্য ও সামিল হবার। 



নুর চৌধুরী   বঙ্গবন্ধু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নীলফামারীতে জমি দখলের অভিযোগ নাকচ চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ০১:৩৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail নীলফামারীতে জমি দখলের অভিযোগ নাকচ চেয়ারম্যানের

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নির্দেশে জমি দখল অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়
অস্বীকার করেছে চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ইটাখোলা সিংদই ফকির পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মশিউর রহমান শাহ ফকির।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের নির্দেশে অজ্ঞাত কিছু ব্যক্তিদের নিয়ে গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর ভোরে আমার জমি দখল করে সেখানে কলাগাছ ও নতুন বাড়ীঘর নির্মাণ করে। ঘটনা জানার পর সেখানে গিয়ে দেখি কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি চেয়ারম্যানের ভাইদের সহযোগীতায় বাড়ীঘর নির্মাণ করছে। আমি তাতে বাধা দিতে গেলে আমাকে আঘাত করে ও ছোড়া দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এমত অবস্থায় আমি ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এজাহার দায়েরের পরামর্শ দেয়।’

সংবাদ সম্মেলনে মশিউর রহমানের চাচা আমির আলী শাহ্ধসঢ়; ফকির, আবু বক্কর সিদ্দিক, শাহিনুর আলী, মশিউর রহমানের ভাই সাদ্দাম আলী, আরাফাত আলী, আব্দুল লতিফ, নুর আলোম ও হাবিবুল্লাহ সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগে বিষয় অস্বীকার করে ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ীর জমি-জমা নিয়ে আজকে যারা সংবাদ সম্মেলন করলো সে জমি তাদের পূর্ব পুরুষেরা আমাদের বাপ-চাচাদের দলিল করে দেয়। যার দলিল আমাদের কাছে আছে। আর গতকালকের যে জমি দখলের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না আর আমি সেখানে উপস্থিতও ছিলাম না। আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রনোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার নামে সংবাদ সম্মেলন করেছে মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, মশিউর রহমান সব-সময় আমার বিরুদ্ধে লেগেই থাকে। আমাকে নির্বাচনে হারানোর জন্যে সে আমার প্রতিদ্বন্ধি হয়ে ভোটে দাড়িয়ে ১৫০ ভোট পেয়ে হেরে যায়। ভোটে হারার পর আবার আমার পিছনে লাগছে । আমি যে তার কি ক্ষতি করেছি জানি না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

নীলফামারীতে   জমি দখলের   অভিযোগ নাকচ   চেয়ারম্যান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১:১৯ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বরিশাল জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আউটার স্টেডিয়ামে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাসের সভাপতিত্বে খেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সুপার মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম ,বরিশাল মেট্রোপলিটন উপ পুলিশ কমিশনার মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা।

এছাড়াও, বরিশাল সুপারিনটেডেন্ড সাগরদী পিটিআই  দীনা ইয়াসমিন, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারি, ১০ টি উপজেলার টিম ও তাদের প্রতিনিধিরা ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ । দুটি মাঠে প্রথম রাউন্ডের ৬ টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ তারিখ ১ম সেমিফাইনাল, ২য় সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

বরিশাল   জেলা পর্যায়   বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ   ফুটবল টুর্নামেন্টের   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

প্রকাশ: ১২:৪৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে, এক সময় ঐতিহ্যবাহী গরু আর মহিষের গাড়ি বাহনের সরগরম অস্তিত্ব ছিল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে এই বাহনটি। সময়ের ব্যবধানে এখন এই গরু ও মহিষের গাড়ি স্থান পেয়েছে বইয়ের পাতায় ও রূপকথার গল্পের মতো।

সর্বত্রই ছিল এই গরু আর মহিষের গাড়ির কদর। বরযাত্রী থেকে শুরু করে কনে আনা চলতো এগুলো দিয়ে। জমি থেকে ধান আনা, জমিতে জৈব সার নিয়ে যাওয়া, মালামাল পরিবহনেও এগুলো ছিল অপরিহার্য। এখন গরু-মহিষের গাড়ি প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে। যেকোন উৎসব গরু না হয় মহিষের গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেত না। 

আমাদের পল্লী এলাকার জনপ্রিয় বাহন ছিল গরু আর মহিষের গাড়ি। গরু-মহিষের গাড়িই ছিল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে ভরসা। গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় গরু ও মহিষের গাড়ি এখন অধিকাংশ এলাকা থেকে বিলুপ্তির পথে। এখন এসব বাহন রূপকথার গল্পমাত্র, বাংলা নববর্ষ পালনের সময় ২/১ টা গরু, মহিষের গাড়ী দেখা গেলেও সেটা  বিলুপ্ত হতে হতে স্থান পেয়েছে সংবাদপত্র ও বইয়ের পাতায়।

গরু-মহিষের গাড়িগুলো কাঠের চাকা ও বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হতো। এখন তার স্থান দখল করেছে মাহিন্দ্রা, টমটমসহ আরও কিছু যানবাহন। এখনো কোথাও কোথাও গরু-মহিষের গাড়ির দেখা মেলে। হয়তো কিছুদিন পরে সেগুলোও আর দেখা যাবে না।

স্থানীয়রা বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে গরু-মহিষের গাড়ি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হতে দেখেছি। এখন গরু-মহিষের গাড়ি তেমন আর ব্যবহার হয় না। এখন মানুষ মাহিন্দ্রা, পাওয়ার ট্রলি ও ট্রাক্টরসহ ইঞ্জিন চালিত গাড়ি দিয়ে যাতায়াতসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। আগে গরু-মহিষের গাড়িতে সেসব করা হতো।

কিন্তু বর্তমান কুড়িগ্রাম অঞ্চলের গ্রাম বাংলা থেকে গরু ও মহিষের গাড়ি হারিয়ে যাওয়ায় এসব অনুভূতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান যুগের ছেলে-মেয়েরা। আধুনিকতার প্রবাহে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক কিছু আমরা হারাচ্ছি। আমাদের জীবন থেকে হারাচ্ছে এ রকম নানা ঐতিহ্য। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু ও মহিষের গাড়িকে এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে খুব দ্রুত এই গরুর গাড়ি ইতিহাসের পাতায় স্থান নিবে।

হারিয়ে যাচ্ছে   ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের   গাড়ি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, বরিশাল বিভাগে পরিবেশবান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

সংস্থাটির বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, সেবা প্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এবং হয়রানি মুক্ত নির্ভেজাল সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের সবগুলো জেলায় বিআরটিএ এর পরিসেবাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিআরটিএ এর সেবা সমুহের মধ্যে রয়েছে মোটরযান নিবন্ধন, মালিকানা স্থানান্তর, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন, মোটরযানের ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন ইস্যু ও নবায়ন, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন ইত্যাদি।

তিনি আরও জানান, সেবা প্রার্থীদের মাঝে বিআরটিএ এর সেবাপ্রক্রিয়াকে সহজ করার ফলে পূর্বের চেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে পিরোজপুর বাসীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে ঝালকাঠি এবং বরগুনা বাসীদের পটুয়াখালী আসতে হতো এখন নিজ নিজ নিজ জেলা থেকেই লাইসেন্স নিতে পারবেন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কাগজ জমা দেয়ার দিনই বায়োমেট্রিকস নেয়া হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার বিআরটিএ অফিস থেকে বিভাগীয় অফিসকে পৃথক করা হয়েছে। এবং প্রতিটি জেলা অফিসে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে। যাতে কোন মানুষ হয়রানির শিকার হলে তাদের যে কোন প্রকার অভিযোগ দিতে পারেন।

চলতি বছর ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১৪ হাজার ৪১০ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫ হাজার ৯২৩ টি, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় ১ হাজার ৬৬৩ টি, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ টি, ভোলা জেলায় ১ হাজার ২৯৬ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি মুলক ১৫ টি প্রশিক্ষনে ৭৯৭ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেছে। যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৭ টি, ঝালকাঠি জেলায় ২ টি, পিরোজপুর জেলায় ১ টি, পটুয়াখালী জেলায় ২ টি বরগুনা জেলায় ১ টি, ভোলা জেলায় ২ টি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের মিশন হচ্ছে, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল, টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এছাড়াও সেবাপ্রার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের জন্য বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবীর কুমার সাহা,জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জঃ) এমডি শাহ আলম,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শামসুল হক,মোটরযান পরিদর্শক ইকবাল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক মোঃ জাফর হাসান,মেকানিকাল এ্যাসিস্টান্ট আঃ সালাম সহ অন্যান্ন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বিআরটিএ এর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বরিশাল   আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত   কাজ করছে   বিআরটিএ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

বরগুনা জেলা জুড়ে পুঁথিপাঠ, লোকজ সঙ্গীত ও বাশিঁর সূরের মূর্ছনায় কবিতাবৃত্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী  শিশু আনন্দ মেলা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরগুনা -১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু এমপি। 

জানা যায়, করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদন ও বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মাণের লক্ষে এ মেলার আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহি বরগুনা প্রেসক্লাব। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান,  জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর,  পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস সালাম, বরগুনার পৌরসসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম।
 
বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সনজিব দাস বলেন, বরগুনায় শিশুদের বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। করোনার মধ্যে প্রায় তিনবছর শিশুরা স্কুলেও যেতে পারেনি।  আমরা করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদনের জন্য এ মেলার আয়োজন করেছি। এর পাশাপাশি মেলার আয়ের টাকায় বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মান করা হবে। আমরা জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহায়তায় মেলাটি আয়োজন করেছি। 

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি মাসব্যাপি আমাদের আয়োজনে মুলত লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।  বাউল ও জারি সারি   ও পালাগান,  যাদু, কৌতুক অভিনয়, মঞ্চ নাটকসহ হারিয়ে যাওয়া নানা ধরণের লোকজ সংস্কৃতির তুলে ধরবো। আমরা আশা করি ভিন্নধর্মী এমন মেলা সবার মাঝে সাড়া ফেলবে।

বরগুনা   মাসব্যাপী   শিশু মেলা   শুরু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন