ইনসাইড বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর কাছের মানুষদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন

প্রকাশ: ০১:০০ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বঙ্গবন্ধুর কাছের মানুষদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সময় তার কাছের মানুষদের ভূমিকা নিয়ে অনেক বিতর্ক এবং প্রশ্ন উঠেছে এবং এই প্রশ্নগুলো এখনও অমীমাংসিত। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিকভাবে অনেক শিষ্যদেরকে গড়ে তুলেছেন। অনেক শিষ্যদেরকে তিনিই অপত্য স্নেহ দিয়ে নেতৃত্বে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন,

তোফায়েল আহমেদ: ডাকসুর এই সাবেক ভিপিকে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব বানিয়েছিলেন এবং প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছিলেন। অনেকেই মনে করেন যে, রক্ষীবাহিনী দেখভাল করতেন তোফায়েল আহমেদ। কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা যখন আক্রান্ত হয়েছিলেন তখন তোফায়েল আহমেদ এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, অনেক প্রশ্ন রক্ষীবাহিনীর ভূমিকা নিয়েও। যদিও তোফায়েল আহমেদ এ ব্যাপারে বিভিন্ন রকম ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে তার এই বক্তব্য তেমন কোনো সহানুভূতি পায়নি। বরং অধিকাংশ মানুষই মনে করেন যে, তোফায়েল আহমেদের যে ভূমিকা পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পালন করা উচিত ছিল, সেই ভূমিকা পালন করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

এইচ টি ইমাম: এইচ টি ইমাম ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং বঙ্গবন্ধুর আরেকজন বিশ্বস্ত, আস্থাভাজন ব্যক্তি। কিন্তু ৭৫ এর পর যখন খুনি মোশতাক নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন, সেই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন এই এইচ টি ইমামই। এ কারণে ইতিহাসের দায় থেকে তিনি মুক্ত হতে পারেন না।

কে এম শফিউল্লাহ: কে এম শফিউল্লাহ ছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান। সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থান হলো অথচ সেনাপ্রধান ভূমিকাহীন। তিনি কিছুই জানতেন না। শুধু তাই নয়, পঁচাত্তরের পরে তিন বাহিনী বেতার কেন্দ্রে গিয়ে খুনি মোশতাক এর সরকারকে আনুগত্য জানিয়েছিল। সেখানে শফিউল্লাহ ছিলেন অন্যতম। অবশ্য এরপর শফিউল্লাহ তার সেনাপ্রধানের পদ ধরে রাখতে পারেননি। তবে জীবন বাঁচাতে তিনি রাষ্ট্রদূতের পদ গ্রহণ করেছিলেন। এরপর যদিও তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগদান করেন। কিন্তু পঁচাত্তরের তার ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন সেই প্রশ্ন এখনো জ্বলজ্বল করছে। বিশেষ করে শফিউল্লাহ সেনাপ্রধান থাকার পর কিভাবে সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ হলো এবং সেনাপ্রধান হিসেবে তিনি কি ভূমিকা পালন করলেন তা নিয়ে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন রয়েছে এবং এই সমস্ত প্রশ্নের কোনো উত্তর আজ পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি।

ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদ: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শেষ অনুষ্ঠান ছিল ১৯৭৫ এর ১৪ আগস্ট। ওই দিন বঙ্গবন্ধুর একান্ত সচিব ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদ এর বিদায় অনুষ্ঠান ছিল এবং নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল গণভবনে। ওই বিদায় অনুষ্ঠান শেষ করে বঙ্গবন্ধু তোফায়েল আহমেদকে নিয়ে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে যান। পরের দিন তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা ছিল। ফরাসউদ্দিন আহমেদ উচ্চশিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন এজন্যই তাকে বিদায় দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ড. ফরাসউদ্দিনের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। বরং তিনি খুনি মোশতাকের এনওসি নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। একজন একান্ত সচিব যদি এত বড় একটি ঘটনার পর মুষড়ে রাতে পারেন না। 

ড. কামাল হোসেন: পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট এর ঘটনার সময় ড. কামাল হোসেন দেশের ছিলেন না। তিনি ব্রিটেনে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে হত্যার বিচার চাওয়া বা হত্যার নিন্দা জানানো বা এটির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ড. কামাল হোসেন কোনো ভূমিকাই পালন করেননি। বরং এরপর তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকেও নিজেকে তিনি গুটিয়ে নিয়েছিলেন। যদিও ১৯৮১ সালের পর আবার তিনি আওয়ামী লীগে সক্রিয় হয়েছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সভাপতিকে বিপদগ্রস্ত করার জন্য সব ধরনের উদ্যোগই গ্রহণ করেছিলেন।

এরকম আরো কিছু ব্যক্তি আছেন যাদেরকে বঙ্গবন্ধু অপত্য স্নেহ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন, ভালোবেসেছিলেন এবং যাদের পরিচয় বঙ্গবন্ধুর কারণে হয়েছে। তারা পঁচাত্তরের পর যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারেনি কেন? এই প্রশ্নটি ইতিহাসে এক অমীমাংসীত অধ্যায়।

বঙ্গবন্ধু   ১৫ আগস্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১ দিন ছুটি নিলেই টানা ৫ দিনের ছুটি সরকারি চাকরিজীবীদের!

প্রকাশ: ০৯:০৯ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ১ দিন ছুটি নিলেই টানা ৫ দিনের ছুটি সরকারি চাকরিজীবীদের!

পূজার ছুটি, ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ও সাপ্তাহিক দুদিন ছুটির মধ্যে বাড়তি একদিনের ছুটি নিলেই টানা পাঁচ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

চলতি বছরে সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী বুধবার (৫ অক্টোবর) দুর্গাপূজার জন্য সাধারণ ছুটি। পরের দিন বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) অফিস খোলা।

এরপর শুক্রবার (৭ অক্টোবর) এবং শনিবার (৮ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি। এরপরের দিন রোববার (৯ অক্টোবর) ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ছুটি।  

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) একদিন ছুটি নিলেই দুটি সাধারণ ও সাপ্তাহিক দুদিনের ছুটি মিলিয়ে পাঁচ দিনের ছুটি মিলবে সরকারি চাকরিজীবীদের।  

আর কেউ যদি পূজার ছুটির পর বৃহস্পতিবার অফিস করেন তিনি শুক্র-শনি-রোববার মিলিয়ে একটানা তিন দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন। তবে, সরকারি চাকরির নিয়মানুযায়ী, কেউ যদি ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে চান তাহলে তাকে বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়। ঐচ্ছিক ছুটি একদিন ভোগ করা যায়। অনেকেই ঈদের ছুটির সঙ্গে সেই ঐচ্ছিক ছুটি কাটান।  

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখন যদি কেউ সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে ৬ অক্টোবর ছুটি কাটাতে চান তা তাহলে তার দুই দিন ক্যাজুয়্যাল লিভ (নৈমিত্তিক ছুটি) হিসেবে গণনা হবে। সেজন্য তাকে নিয়মানুযায়ী আবেদন করতে হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলা, আটক ৪

প্রকাশ: ০৫:৪৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলা, আটক ৪

রাজশাহীতে সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের রাজশাহীর স্টাফ রিপোর্টার তানজিমুল হকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিক কোম্পানীর কর্মচারিরা হামলা চালিয়ে সাংবাদিক তানজিমুল হকে মারধর ও গাড়ি ভাংচুর করে।

আজ রোববার (২ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী নগরীর টুলটুলি পাড়া বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিক কোম্পানীর মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাংবাদিক তানজিমুল হক বাদী হয়ে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১২ থেকে ১৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার সূত্র ধরে পুলিশ ওই কোম্পানীর চারজনকে আটক করেছে।

জানা যায়, রাজশাহী মহানগরীর টুলটুলি পাড়ায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছোট একটি রাস্তার পাশে বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের  কোম্পানী রয়েছে। প্রতিদিন এ কোম্পানির ৫-৭ টা গাড়ি রাস্তার উপরে রেখে তারা মালামাল উঠা-নামানোর কাজ করা হয়। এতে ওই রাস্তায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে যানবাহন ও পথচারিদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

খবর পেয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় প্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়মের অভিযোগে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে ছয়মাসের জন্য সিলগালা করা হয়। এদিকে, সাংবাদিক নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে রাজশাহীতে কর্মরত সাংবাদিকরা।

রোববার দুপুর ১২ টার দিকে সাংবাদিক তানজিমুল হক সংবাদ সংগ্রহের কাজে বের হওয়ার সময় বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের মূল ফটকের সামনে গাড়িসহ তিনি আটকা পড়েন। বিষয়টি বায়োহার্বস আয়ুর্বেদিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানালে তারা সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে সাংবাদিককে মারধর ও গাড়ি ভাংচুর করে কর্মচারিরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে গৃহবধুকে হত্যা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৫:৩৯ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে গৃহবধুকে হত্যা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

যৌতুক না দেওয়ায় বরিশালে গৃহবধূ মোর্শেদা আক্তার সাথীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের বিচার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। এ সময় এই ঘটনায় জড়িত ভুক্তভুগীর ননদ লুনা ও ননদের ছেলেসহ তিনজনকে গ্রেফতার দাবি করেন সাথীর ভাই নজরুল ইসলামসহ বক্তারা।

রোববার (২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নগরীর সদর রোডে জেলা সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন, বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশন বরিশালের সাধারণ সম্পাদক এলবার্ট রিপন বল্লভ, জেলা বাসদের সদস্য দুলাল মল্লিক ও মানিক হাওলাদার, জেলা সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সহ-সভাপতি মাফিয়া বেগম, সদস্য শানু বেগম, ছাত্রফ্রন্টের বিএম কলেজ শাখার সাধারণ সম্পদক বিজন সরকার প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, ২০১১ সালে সাথী রানাকে বিয়ের পর জানতে পারে তার আগের একটি বিয়ে রয়েছে ও তিনি মাদক ব্যবসায়ী। তারপরও সংসার টিকিয়ে রাখতে তিনি সব কিছু সহ্য করেছিলেন। এরই মধ্যে স্বামী রানা মাদক মামলা থেকে মুক্তি পেতে এক লাখ টাকা ও ব্যবসার জন্য আরও এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আগস্ট মাস থেকে সাথীকে নির্যাতন শুরু করে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে তিনি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। 

উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) দিনগত রাতে ননদ লুনা ও ননদের ছেলেসহ তিনজন কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে সাথীর শরীরের ৩০ ভাগ পুড়ে যায়। সাথীর শরীরের আগুন দেওয়ার পর শ্বশুর বাড়ি লোকজন তাকে বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সাত দিন চিকিৎসাধীন থেকে গত শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মারা যান তিনি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘আইন লঙ্ঘনকারী পুলিশের সদস্যরাও কারাগারে আছেন’

প্রকাশ: ০৩:৫৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আইন লঙ্ঘনকারী পুলিশের সদস্যরাও কারাগারে আছেন

র‍্যাব ও পুলিশের কেউ অপরাধে জড়ালে  ছাড় পাচ্ছেন না বলে উল্ল্যেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘র‍্যাব-পুলিশ যেই হোক, শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে তারা কিন্তু শাস্তির বাইরে যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘জেলে গিয়ে দেখুন অনেক পুলিশ ও র‍্যাব সদস্য জেল খাটছে। আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। যুক্তরাষ্ট্র যে সংস্কারের কথা বলছে আমরা সবসময় সেটা করছি। আমরা র‍্যাব  আধুনিকায়ন করছি, যেটা প্রয়োজন সেটাই করছি।’

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও-এ মানবপাচার নিয়ে এক গবেষণা প্রতিবেদন উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, র‍্যাব  সংস্কারের মধ্যেই আছে। র‍্যাবের  কেউ অপরাধে যুক্ত হলে তার ক্ষেত্রেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, র‍্যাব এলিট ফোর্স, আমরা বিভিন্ন সময়ে র‍্যাবকে  বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে থাকি। তারা তাদের নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করে থাকে। আমাদের কাছে যে রিপোর্টটা এসেছে, আমরা তা স্টাডি করছি, যদি কারও ব্যক্তিগত ইনভলভমেন্ট থাকে সেগুলো আমরা দেখছি। আমরা চেক করে দেখছি, ভুলভ্রান্তি থাকলে আমরা দেখছি।

র‍্যাবের কার্যক্রমের  বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘র‍্যাব যখন তৈরি হয় তাদের ট্রেনিং দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।’

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। জবাবদিহি ও সংস্কার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানান তিনি।

হাসের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব সংস্কারের প্রশ্নই ওঠে না’ বলে মন্তব্য করেন এলিট ফোর্সটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন লঙ্ঘনকারী   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   র‍্যাব-পুলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

রোববার (২ অক্টোবর) ড. নাহিদ রশীদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিজ দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের  এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (সচিব) ড. নাহিদ রশীদকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, ড. নাহিদ রশীদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের সদস্য।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন