ইনসাইড বাংলাদেশ

এএমআর প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পদক্ষেপ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:২২ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail এএমআর প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পদক্ষেপ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

একটি বড় ধরণের সংকটে পরিণত হওয়ার আগেই এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ঠেকাতে টেকসই রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এএমআর এমন একটি সমস্যা যা সংকটে রূপ নিতে পারে। এর কারণে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ প্রাণহানি হতে পারে। এটি প্রতিরোধে আমদের টেকসই রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’ সুতরাং, এএমআর সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) লেক্সিংটন হোটেলে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিষয়ে প্রাতঃরাশ বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের এই গ্রুপ থেকে বিষয়টিকে তুলে ধরার জন্যে কাজ চলছে, কিন্তু এটি স্পষ্ট যে এই ব্যাপারে আরও কিছু করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ‘কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলো যথাযথভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সেগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। আমাদের একটি ‘অভিন্ন স্বাস্থ্য পদ্ধতি’তে স্থিত হওয়া প্রয়োজন।’

ইতোমধ্যে, প্রায় ১৫০টি দেশের এএমআর বিষয়ে তাদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এগুলো বাস্তবায়নের জন্যে অর্থপূর্ণ সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতায় এএমআর গুরুত্ব পাওয়া উচিত এবং ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ড পছন্দের হাতিয়ার হতে পারে।

এএমআর-এর জন্য বিশ্ব ও জাতীয় পর্যায়ে একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ পরিস্থিতি তৈরি করা দরকার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এএমআর এর দায়িত্ব ও প্রতিক্রিয়া বোঝার জন্যে নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ২০১৯ সাল থেকে গ্লাস প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট করে আসছে। সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারের জড়িত হওয়া অত্যাবশ্যকীয় এবং একটি রোগী-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পদ্ধতির সাথে যোগসূত্রের মাধ্যমে শুরুতেই রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করা যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নতুন এএমআর-এর ভ্যাকসিন ও অন্যান্য চিকিৎসার জন্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের অভাবকে উদ্বেগের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ জন্যে বেসরকারি খাতের যথাযথ প্রণোদনা প্রয়োজন।

কিছু জটিল প্যাথোজেনের জন্য এএমআরের বিকাশের ঝুঁকি রয়েছে, তিনি বলেন, এই বিষয়ে সংগৃহীত প্রমাণ এবং তথ্য উপাত্ত বেশ চোখ খুলে দেয়ার মত।

সরকারপ্রধান বলেন, এএমআর সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির কোন বিকল্প নেই এবং এ জন্যে নভেম্বরে বার্ষিক বিশ্ব সচেতনতা সপ্তাহ একটি উপযুক্ত উপলক্ষ।

শেখ হাসিনা অভিমত দেন যে এই সূচকগুলোর ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ মানব স্বাস্থ্য, প্রাণী স্বাস্থ্য, খাদ্য ব্যবস্থা এবং পরিবেশকে প্রভাবিত করে এমন এএমআর নীতি তৈরিতে সাহায্য করতে পারে বলে।

তিনি আশা করেন, আজকের সকালের বৈঠকটি এএমআর এর বিরুদ্ধে আরও রাজনৈতিক গতিবেগ সঞ্চারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সকলেই বিশেষজ্ঞদের ভাবনা, উপলব্ধি জানতে, শুনতে এবং উপকৃত হতে চান।

সূত্র: বাসস


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র: আওয়ামী লীগে অসন্তুষ্ট, বিএনপিকে সন্দেহ

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail যুক্তরাষ্ট্র: আওয়ামী লীগে অসন্তুষ্ট, বিএনপিকে সন্দেহ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে এখন প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে আগামী নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয়, সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সোজাসাপ্টা। শুধুমাত্র আগামী নির্বাচন নয়, বাংলাদেশের মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয় নিয়েও সুশীল সমাজের শেখানো বুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন আওড়াচ্ছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত প্রতিনিয়ত যে সমস্ত কথাবার্তাগুলো বলছেন তা আমাদের বাংলাদেশের সুশীল সমাজের কথারই অনুরণন। বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কি? কূটনীতিকদের সঙ্গে খোঁজখবর নিয়ে দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেতিবাচক এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের অপছন্দ এবং অস্বস্তি এখন আর লুকোচুরির বিষয় নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্র এসব বিষয়গুলোকে প্রকাশ্য করছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারে এখনও আস্থাশীল। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, শেখ হাসিনা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি একটি বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট সমালোচনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র যেমন মনে করে যে, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীন মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে, এক্ষেত্রে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গটি আনে। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৩ বছরের শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, এটি তাদের রিপোর্টে তা উল্লেখ করেছে। এজন্য তারা র‍্যাবের সংস্কার দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, বাংলাদেশে গুম এবং বিরোধীদলের নিপীড়নের ঘটনা গুলো অত্যন্ত ব্যাপকতা পেয়েছে এবং এটি বন্ধ হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়েও উদ্বিগ্ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি হচ্ছে এটিও তারা মনে করে। এই সমস্ত বিষয় গুলো সরকারের কিছু কিছু মহল করছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আলাপ-আলোচনায় প্রকাশ্যে বলছে। এ কারণেই আওয়ামী লীগের ওপর তারা অসন্তুষ্ট এবং তারা মনে করে যে, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা ছাড়া এটি সম্ভব হবে না। যুক্তরাষ্ট্র এটিও মনে করে যে, নির্বাচনে যদি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটে তাহলে সরকার এ ধরনের কাজ গুলো করতে পারে। এজন্যই যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, সত্যিকারের জন প্রতিফলন ভোটের মাধ্যমে হওয়া উচিত।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট থাকলেও বিএনপির প্রতি যে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট এমন নয়। বরং বিএনপিকে তারা আরও বেশি গুরুতর এবং সন্দেহজনক একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি তাদের পক্ষপাত নাই। এই কথার মধ্য দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিএনপির আন্দোলনকে সমর্থন করা বা বিএনপির দাবিকে সমর্থন করার মত কোনো অভিপ্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাই। বিএনপির একাধিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত আপত্তি রয়েছে এবং গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-

১. তারেক জিয়ার নেতৃত্ব: যুক্তরাষ্ট্রের সবসময় মনে করে যে, তারেক জিয়া একজন দুর্বৃত্ত, অর্থ পাচারকারী। ওয়ান-ইলেভেনের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত তারেক জিয়ার সম্পর্কে গোপন বার্তা পাঠিয়েছিলেন এবং সেই বার্তার প্রেক্ষিতেই তারেক জিয়া এখনও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছেন। তারেক জিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হয় না।

২. জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যোগাযোগ: যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, বিএনপির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী এবং জঙ্গিদের যোগসূত্র রয়েছে এবং এই সম্পর্কটা অনেক গভীরে প্রোথিত।

৩. বিএনপির সাম্প্রদায়িক অবস্থান: যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বিএনপি একটি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি দল এবং সাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনাকে লালন করে।

আর এ সমস্ত কারণে বিএনপি যদি আবার বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসে তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আফগানিস্তানের মতো হবে কিনা, এ নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সংশয় রয়েছে। কাজেই আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুটি প্রধান দলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নেতিবাচক মনোভাব থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন সুশীলদের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েছে বলেই কূটনীতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ ‘তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৯:৫৯ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ ‘তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীন দেশের স্পর্শকাতর ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।  

সরকারি ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করে রোববার (২ অক্টোবর) প্রজ্ঞাপন জারি করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

এ বিষয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ১৫ ধারায় বলা আছে- এ আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা তথ্য পরিকাঠামোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা দিতে পারবে। সে অনুযায়ী সরকার ২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডেটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট।

তালিকায় আরও রয়েছে- সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিটিসিএল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপজিটরি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

তথ্য পরিকাঠামো  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বনানীতে মেয়ের কবরে শায়িত তোয়াব খান

প্রকাশ: ০৮:৪৫ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বনানীতে মেয়ের কবরে শায়িত তোয়াব খান

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা সাংবাদিক তোয়াব খানকে বনানী কবরস্থানে মেয়ের কবরে সমাহিত করা হয়েছে। সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে সমাহিত করা হয় তাকে। 

২৫ বছর আগে ছোট মেয়ে এষা খানকে যে কবরে সমাহিত করা হয়েছিল, সেটিতেই শেষ শয্যা হলো তোয়াব খানের।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থতার পর তোয়াব খানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গত শনিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সোমবার সকালে তেজগাঁওয়ে দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা শেষে প্রথিতযশা সাংবাদিককে নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। 

এরপর মরদেহ নেওয়া হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে হয় জানাজা। আসরের নামাজের পর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে হয় তৃতীয় জানাজা। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় বনানী কবরস্থানে। 

বনানী কবরস্থানে তোয়াব খানকে সমাহিত করার সময় স্ত্রী, মেয়ে, ছোট ভাই, ভাগ্নে, ফুপাতো ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্য ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। 

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী বুধবার বাদ আসর তোয়াব খানের বনানীর বাসায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

তোয়াব খান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কুড়িগ্রামে উৎসাহ উদ্দীপনায় মহাঅষ্টমী পূজা অনুষ্ঠিত


Thumbnail কুড়িগ্রামে উৎসাহ উদ্দীপনায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবে কুড়িগ্রামে দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন মন্দিরে রামকৃষ্ণ আশ্রমের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সহস্রাধিক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে কুমারী পূজায় অংশ নেয়া পূজারীরা অঞ্জলী প্রদানসহ প্রার্থনায় অংশ নেন। 

এ সময় কুমারী পূজা পরিদর্শনে এসে বক্তব্য রাখেন- কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম,পুলিশ সুপার আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র কাজিউল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ লাল, এ্যাড. আব্রাহাম লিংকন, জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি রবি বোস, সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র রায়, রামকৃষ্ণ আশ্রম কুড়িগ্রামের সভাপতি অমল ব্যানার্জী, সেক্রেটারী জেনারেল উদয় শংকর চক্রবর্তী, দক্ষিণপাড়া মন্দির কমিটির সভাপতি শ্যামল ভৌমিক প্রমূখ। 

বক্তারা সামাজিক সৌহাদ্য ও ধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে সার্বজনীন উৎসব হিসেবে শারদীয় দূর্গোৎসব পালন করার আহ্বান জানান।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন কূটনীতিকদের ওপর ক্ষোভ ঝেড়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,  বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে আপনাদের এত মাথাব্যথা কেন? তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের নাক না গলানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আগে নিজেদের দেশের অবস্থা দেখুন। তরপর বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলুন।

সোমবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শারদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি বিভিন্ন দূতাবাসে অভিযোগ করে। তাদের (বিদেশি কূটনীতিকদের) বলতে চাই, গণতন্ত্রের গল্প শোনান। কিন্তু আজ এসব না করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামান। বিশ্বের তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন। অস্থির পৃথিবীকে শান্ত করুন। দোষ করবেন আপনারা বড় বড় দেশগুলো আর সাফার করতে হবে আমাদের ছোট দেশগুলোকে।

গলিত লাশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ফিরে আসবে না মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করছে। তারা যাই করুক না কেন, গলিত লাশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ফিরে আসবে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, আমরাও সেভাবেই দেবো।

সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা হচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অশুভ শক্তির পরাজয় হবে, শুভ শক্তির বিজয় হবে। দেবীদুর্গার আগমনে সহিংসতার বিনাশ হবে।

এসময় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশি কূটনীতিক   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন