ইনসাইড বাংলাদেশ

দুগ্ধপোষ্য বকনা বাছুর দেখে বিতরণ না করে ফিরে গেলেন এমপি


Thumbnail দুগ্ধপোষ্য বকনা বাছুর দেখে বিতরণ না করে ফিরে গেলেন এমপি

বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহে আলম বানারীপাড়ায় দুগ্ধপোষ্য, রুগ্ন ও অপুষ্টির শিকার বকনা বাছুর দেখে জেলেদের মাঝে বিতরণ না করেই ফিরে যান। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বানারীপাড়ায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত হন। এ সময় জেলেদের জন্য ক্রয়কৃত ১ থেকে ৪ মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য, রুগ্ন ও অপুষ্টির শিকার বকনা বাছুর দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এবং বিতরণ না করেই এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে বিতরণ অনুষ্ঠান থেকে ফিরে যান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ঢাকা থেকে আগত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলামও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি শিডিউল অনুযায়ী নির্ধারিত সাইজের ও মূল্যের বকনা বাছুর ক্রয় করে দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলেদের মাঝে বিতরণ করতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, সাবেক প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতা ডা. খোরশেদ আলম সেলিম ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডুসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমপির সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থল থেকে চলে যান। হতাশ হয়ে খালি হাতে ফিরে যান জেলেরাও।

উল্লেখ্য, প্রকল্পের শিডিউল (দরপত্র) অনুযায়ী প্রতিটি বকনা বাছুরের মূল্য ২৫ হাজার টাকা করে ও ১ বছর বয়সী হওয়ার কথা ছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঠিকাদার মামুনকে  শিডিউল অনুযায়ী বকনা বাছুর দেওয়ার জন্য তিন দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে অন্যথায় তার বিরুদ্ধে শিডিউল বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিপন কুমার সাহা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন শিডিউল অনুযায়ী বকনা বাছুর ক্রয় না করায় বিতরণ না করে এগুলো ফেরত পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শিডিউল অনুযায়ী বকনা বাছুর না দিলে ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্তসহ তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, এ ধরণের বকনা বাছুর ক্রয়ের দায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা এড়াতে পারেন না বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

অপরদিকে, ছোট সাইজের রুগ্ন ও দুগ্ধপোষ্য বকনা বাছুর বিতরণ না করে ফিরে যাওয়ায় সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলমকে স্থানীয় সচেতন মহল সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি বরাদ্দের টাকা লোপাটের উদ্দেশ্যে এধরণের বকনা বাছুর ক্রয়ের  সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

প্রকাশ: ১২:৪৮ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের গাড়ি

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে, এক সময় ঐতিহ্যবাহী গরু আর মহিষের গাড়ি বাহনের সরগরম অস্তিত্ব ছিল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে এই বাহনটি। সময়ের ব্যবধানে এখন এই গরু ও মহিষের গাড়ি স্থান পেয়েছে বইয়ের পাতায় ও রূপকথার গল্পের মতো।

সর্বত্রই ছিল এই গরু আর মহিষের গাড়ির কদর। বরযাত্রী থেকে শুরু করে কনে আনা চলতো এগুলো দিয়ে। জমি থেকে ধান আনা, জমিতে জৈব সার নিয়ে যাওয়া, মালামাল পরিবহনেও এগুলো ছিল অপরিহার্য। এখন গরু-মহিষের গাড়ি প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে। যেকোন উৎসব গরু না হয় মহিষের গাড়ি ছাড়া যেন কল্পনাই করা যেত না। 

আমাদের পল্লী এলাকার জনপ্রিয় বাহন ছিল গরু আর মহিষের গাড়ি। গরু-মহিষের গাড়িই ছিল এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে ভরসা। গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় গরু ও মহিষের গাড়ি এখন অধিকাংশ এলাকা থেকে বিলুপ্তির পথে। এখন এসব বাহন রূপকথার গল্পমাত্র, বাংলা নববর্ষ পালনের সময় ২/১ টা গরু, মহিষের গাড়ী দেখা গেলেও সেটা  বিলুপ্ত হতে হতে স্থান পেয়েছে সংবাদপত্র ও বইয়ের পাতায়।

গরু-মহিষের গাড়িগুলো কাঠের চাকা ও বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হতো। এখন তার স্থান দখল করেছে মাহিন্দ্রা, টমটমসহ আরও কিছু যানবাহন। এখনো কোথাও কোথাও গরু-মহিষের গাড়ির দেখা মেলে। হয়তো কিছুদিন পরে সেগুলোও আর দেখা যাবে না।

স্থানীয়রা বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে গরু-মহিষের গাড়ি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হতে দেখেছি। এখন গরু-মহিষের গাড়ি তেমন আর ব্যবহার হয় না। এখন মানুষ মাহিন্দ্রা, পাওয়ার ট্রলি ও ট্রাক্টরসহ ইঞ্জিন চালিত গাড়ি দিয়ে যাতায়াতসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। আগে গরু-মহিষের গাড়িতে সেসব করা হতো।

কিন্তু বর্তমান কুড়িগ্রাম অঞ্চলের গ্রাম বাংলা থেকে গরু ও মহিষের গাড়ি হারিয়ে যাওয়ায় এসব অনুভূতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বর্তমান যুগের ছেলে-মেয়েরা। আধুনিকতার প্রবাহে ইতিহাস-ঐতিহ্যের অনেক কিছু আমরা হারাচ্ছি। আমাদের জীবন থেকে হারাচ্ছে এ রকম নানা ঐতিহ্য। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু ও মহিষের গাড়িকে এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে খুব দ্রুত এই গরুর গাড়ি ইতিহাসের পাতায় স্থান নিবে।

হারিয়ে যাচ্ছে   ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষের   গাড়ি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, বরিশাল বিভাগে পরিবেশবান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

সংস্থাটির বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, সেবা প্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এবং হয়রানি মুক্ত নির্ভেজাল সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের সবগুলো জেলায় বিআরটিএ এর পরিসেবাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিআরটিএ এর সেবা সমুহের মধ্যে রয়েছে মোটরযান নিবন্ধন, মালিকানা স্থানান্তর, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন, মোটরযানের ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন ইস্যু ও নবায়ন, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন ইত্যাদি।

তিনি আরও জানান, সেবা প্রার্থীদের মাঝে বিআরটিএ এর সেবাপ্রক্রিয়াকে সহজ করার ফলে পূর্বের চেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে পিরোজপুর বাসীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে ঝালকাঠি এবং বরগুনা বাসীদের পটুয়াখালী আসতে হতো এখন নিজ নিজ নিজ জেলা থেকেই লাইসেন্স নিতে পারবেন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কাগজ জমা দেয়ার দিনই বায়োমেট্রিকস নেয়া হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার বিআরটিএ অফিস থেকে বিভাগীয় অফিসকে পৃথক করা হয়েছে। এবং প্রতিটি জেলা অফিসে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে। যাতে কোন মানুষ হয়রানির শিকার হলে তাদের যে কোন প্রকার অভিযোগ দিতে পারেন।

চলতি বছর ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১৪ হাজার ৪১০ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫ হাজার ৯২৩ টি, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় ১ হাজার ৬৬৩ টি, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ টি, ভোলা জেলায় ১ হাজার ২৯৬ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি মুলক ১৫ টি প্রশিক্ষনে ৭৯৭ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেছে। যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৭ টি, ঝালকাঠি জেলায় ২ টি, পিরোজপুর জেলায় ১ টি, পটুয়াখালী জেলায় ২ টি বরগুনা জেলায় ১ টি, ভোলা জেলায় ২ টি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের মিশন হচ্ছে, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল, টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এছাড়াও সেবাপ্রার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের জন্য বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবীর কুমার সাহা,জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জঃ) এমডি শাহ আলম,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শামসুল হক,মোটরযান পরিদর্শক ইকবাল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক মোঃ জাফর হাসান,মেকানিকাল এ্যাসিস্টান্ট আঃ সালাম সহ অন্যান্ন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বিআরটিএ এর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বরিশাল   আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত   কাজ করছে   বিআরটিএ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

বরগুনা জেলা জুড়ে পুঁথিপাঠ, লোকজ সঙ্গীত ও বাশিঁর সূরের মূর্ছনায় কবিতাবৃত্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী  শিশু আনন্দ মেলা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরগুনা -১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু এমপি। 

জানা যায়, করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদন ও বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মাণের লক্ষে এ মেলার আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহি বরগুনা প্রেসক্লাব। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান,  জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর,  পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস সালাম, বরগুনার পৌরসসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম।
 
বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সনজিব দাস বলেন, বরগুনায় শিশুদের বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। করোনার মধ্যে প্রায় তিনবছর শিশুরা স্কুলেও যেতে পারেনি।  আমরা করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদনের জন্য এ মেলার আয়োজন করেছি। এর পাশাপাশি মেলার আয়ের টাকায় বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মান করা হবে। আমরা জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহায়তায় মেলাটি আয়োজন করেছি। 

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি মাসব্যাপি আমাদের আয়োজনে মুলত লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।  বাউল ও জারি সারি   ও পালাগান,  যাদু, কৌতুক অভিনয়, মঞ্চ নাটকসহ হারিয়ে যাওয়া নানা ধরণের লোকজ সংস্কৃতির তুলে ধরবো। আমরা আশা করি ভিন্নধর্মী এমন মেলা সবার মাঝে সাড়া ফেলবে।

বরগুনা   মাসব্যাপী   শিশু মেলা   শুরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন

প্রকাশ: ০৭:১৯ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠা কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাক জন্মদিন আজ। এই উপলক্ষে কদমতলী থানা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বাদ আসর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল ও সন্ধ্যায় কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। 

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নাছিম মিয়ার সভাপতিত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকার জননন্দিত নেতা সাবেক ছাত্রনেতা ড. মোঃ আওলাদ হোসেন।

ড. মোঃ আওলাদ হোসেন বলেন, ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতি নদীর তীরে গিমাডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চারবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। মমতাময়ী এবং মানবকল্যাণে ব্রতী এক অনন্য দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশী-বিদেশী নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র, রাজনৈতিক সহিংসতা, করোনা অতিমারীর কুফল, রাশিয়া-ইউক্রেণ যুদ্ধ ইত্যাদি প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে টানা প্রায় ১৪ বছর ক্ষমতা থাকা  চ্যালেঞ্জিং ছিল সবসময়। মানুষের প্রতি বিশ্বাস, অকৃত্রিম ভালোবাসা, অভিজ্ঞতা, আত্মপ্রত্যয় ও দূরদর্শিতার কারণে জননেত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বনেত্রী। তাঁর প্রজ্ঞা, মেধা ও বিচক্ষণতা দ্বারা দেশের মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারায়, দেশের অর্থনীতিতে তাক লাগানো ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে- বাংলাদেশ বিশ্বে এক অপার বিস্ময় সৃষ্টি করেছে।

এমন এক মহান নেত্রীর শুভ জন্মদিনে অন্তরের গভীর থেকে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা, ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী মুফতী, ঢাকা জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ আহসানউল্লাহ, রোখসানা বেগম পারুল, শহিদ মাহমুদ হেমী,  ইকবাল হোসেন চৌধুরী, শামসুল আলম, জাহাঙ্গীর খান সহ ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকার আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহি তালের ডোঙ্গা

প্রকাশ: ১০:২৭ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহি তালের ডোঙ্গা

তালের ডোঙ্গা, এক সময় সর্বত্র চোখে পড়ত বরিশাল সহ বিভিন্ন জেলাতে। তাল গাছ দিয়ে তৈরি এই ডোঙ্গা হল বিশেষ ধরণের একটি নৌকা। তবে এখন আর ডোঙ্গা তেমন দেখা যায় না। 

একসময় তালের এই বিশেষ নৌকা ছিল গ্রামের লোকজনের যাতায়াতের অন্যতম বাহন। কিন্তু এখন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে, নৌকার ভীড়ে  হারিয়ে গেছে এই তালের নৌকা। এক সময় প্রত্যকে জেলা উপজেলায়  প্রচুর তাল গাছ দেখা যেত, ফলে সেই সময়  ডোঙ্গাও তৈরি হতো প্রচুর।

 ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী একটি তাল গাছ থেকে দুটি ডোঙ্গা তৈরি করা যায়। ডোঙ্গার মাথায় বিভিন্ন নকশাও তৈরি করা হয় । ভালো গাছের ডোঙ্গা ৮-১০ বছর ব্যবহার করা যায় এবং বর্ষা চলে গেলে ডোঙ্গা পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হয়। শ্রাবণ থেকে আশ্বিন মাসে ডোঙ্গা বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়।


বরিশালে উজিরপুর উপজেলায় ডোঙ্গা তৈরির কারিগর গোপাল সরকার জানান, তাল গাছের আধিক্যের কারণেই এই অঞ্চলে এক সময় প্রচুর ডোঙ্গা তৈরি হতো। ডোঙ্গা তেরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন অনেক লোকজন। ডোঙ্গা তৈরি করতে কেউ কারিগর নিয়ে বাড়িতেই তৈরি করে নিতেন তালের ডোঙ্গা।

 বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের  সাপানি এলাকার আব্দুল লতিফ জানায়,  বর্ষার মৌসুমে থেকে শুরু হয়ে প্রায় সারা বছর বিলে ঝিলে পানি থাকত। বাড়ি থেকে হাট বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের প্রধান বাহন ছিল তালের ডোঙ্গা। তিনি আরো বলেন, এ ছাড়াও দুই তিনজনের পারাপার, মাছ ধরা, ধান কাটা, শাপলা তোলা, শামুক সংগ্রহ, বিল বাঁওড় পুকুরে মাছের ঘেরে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো তালের ডোঙ্গা। বরিশাল সহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল,বিল এলাকায়  এখনো খুব অল্প বিস্তর দেখা মেলে ডোঙ্গার।  আগেকার দিনে এর ব্যবহার অনেক বেশি চোখে পড়লেও এখন সর্বত্র হারিয়ে গেছে এই ঐতিহ্যেবাহি তালের ডোঙ্গা।

যেমন হারিয়ে গেছে তালের ডোঙ্গা তেমনি পৃথিবী থেকে চলে গেছেন এর মূল কারিগররাও। এটি পরিবেশ বান্ধব ঐতিহ্যবাহী  এবং সহজ নৌযান। এ ধরনের নৌযান টিকিয়ে রাখার জন্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন।


বিলুপ্তি   ঐতিহ্যবাহি   তালের ডোঙ্গা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন