ইনসাইড বাংলাদেশ

বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরগুনায় মাসব্যাপী শিশু মেলা শুরু

বরগুনা জেলা জুড়ে পুঁথিপাঠ, লোকজ সঙ্গীত ও বাশিঁর সূরের মূর্ছনায় কবিতাবৃত্তির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী  শিশু আনন্দ মেলা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন বরগুনা -১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু এমপি। 

জানা যায়, করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদন ও বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মাণের লক্ষে এ মেলার আয়োজন করেছে ঐতিহ্যবাহি বরগুনা প্রেসক্লাব। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান,  জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর,  পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস সালাম, বরগুনার পৌরসসভার মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম।
 
বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সনজিব দাস বলেন, বরগুনায় শিশুদের বিনোদনের জন্য কোনো পার্ক নেই। করোনার মধ্যে প্রায় তিনবছর শিশুরা স্কুলেও যেতে পারেনি।  আমরা করোনা অতিক্রান্ত শিশুদের বিনোদনের জন্য এ মেলার আয়োজন করেছি। এর পাশাপাশি মেলার আয়ের টাকায় বরগুনা প্রেসক্লাবের চতুর্থ তলায় অডিটোরিয়াম নির্মান করা হবে। আমরা জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক সহায়তায় মেলাটি আয়োজন করেছি। 

বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, শিশুদের বিনোদনের পাশাপাশি মাসব্যাপি আমাদের আয়োজনে মুলত লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে।  বাউল ও জারি সারি   ও পালাগান,  যাদু, কৌতুক অভিনয়, মঞ্চ নাটকসহ হারিয়ে যাওয়া নানা ধরণের লোকজ সংস্কৃতির তুলে ধরবো। আমরা আশা করি ভিন্নধর্মী এমন মেলা সবার মাঝে সাড়া ফেলবে।

বরগুনা   মাসব্যাপী   শিশু মেলা   শুরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকের প্রকৃত চিত্র জানাতে নির্দেশ

প্রকাশ: ০৯:২০ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক নিয়ে ‘যেসব কথাবার্তা’ উঠছে, সেই বিষয়ে প্রকৃত চিত্র জানাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অর্থ বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

রোববার (২৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সচিব সভার পর সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ কথা জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ওভারঅল, আরও কয়েকটা ব্যাংকের কথা..., এটি শোনার পর আমি ইন্টারনেটে গিয়ে দেখলাম, কয়েকটা ব্যাংকের ব্যাপারে বাইরে থেকে ইউটিউবে বিভিন্ন রকম বক্তৃতা দিচ্ছেন। তবুও এটিকে অবহেলা করা হয়নি। বলা হয়েছে, এগুলো দেখে চিত্রটি আমাদের জানাও।’

ব্যাংক খাতসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটি নিয়ে বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অর্থ বিভাগকে নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, চারদিকে এত কথাবার্তা উঠছে, আসল চিত্র কী, সেটি শিগগিরই দেখে অবহিত করবেন।’

সচিব সভার বৈঠকে খাদ্যনিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খাদ্যের মজুত যাতে কোনোভাবেই ১৫ লাখ টনের নিচে না থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে সচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে কী কী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো ১৬ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত আছে। এটি স্বস্তিদায়ক।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বসুন্ধরার সহায়তায় সেই ১২ কৃষকের মুক্তি, হাসিমুখে ফিরলেন বাড়ি

প্রকাশ: ০৮:৩৩ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঋণ নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে পাবনার ঈশ্বরদীতে গ্রেফতার ১২ প্রান্তিক কৃষককে জামিন দিয়েছেন আদালত। দুই দিন বন্দী থাকার পর রোববার (২৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাবনা জেলা কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা।

এর আগে, রোববার দুপুরে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. শামসুজ্জামান ওই ১২ জনসহ ৩৭ কৃষকের জামিন মঞ্জুর করেন। কৃষকদের পক্ষে আইনি প্রক্রিয়া পরিচালিত করতে যাবতীয় সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ায় দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ বসুন্ধরা গ্রুপ।      

আসামিপক্ষের আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কারাগারে থাকা ১২ জনসহ ওই মামলার আরও ২৫ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এরপর আদালত ৩৭ জনকেই জামিন দেন। দুপুরে ২৫ জন জামিন পেয়ে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করেন। এ ছাড়া কারাগারে থাকা ১২ জন বিকেল সাড়ে ৪টার পর ছাড়া পেয়ে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। এই জামিনের পর কৃষকেরা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন।

মুক্তি পাওয়া কৃষকেরা হলেন- ঈশ্বরদী উপজেলার ভাড়ইমারি গ্রামের আলম প্রামাণিক (৫০), মাহাতাব মন্ডল (৪৫), কিতাব আলী (৫০), হান্নান মিয়া (৪৩), মোহাম্মদ মজনু (৪০), মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান (৫০), আবদুল গণি মণ্ডল (৫০), শামীম হোসেন (৪৫), সামাদ প্রামাণিক (৪৩), নূর বক্স (৪৫), মোহাম্মদ আকরাম (৪৬) ও মোহাম্মদ রজব আলী (৪০)। তাঁরা সবাই প্রান্তিক কৃষক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ৩৭ জন প্রান্তিক কৃষকের একটি দলকে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক জনপ্রতি ২৫ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়। ঋণখেলাপি হওয়ার অভিযোগে ২০২১ সালে ব্যাংকের পক্ষে তৎকালীন ব্যবস্থাপক সৈয়দ মোজাম্মেল হক মাহমুদ বাদী হয়ে ৩৭ জনের নামে মামলা করেন। ২৩ নভেম্বর পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন। ২৫ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত পরোয়ানাভুক্ত ৩৭ জনের মধ্যে ১২ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায়।

কৃষক ও তাঁদের পরিবারের দাবি, ঋণ গ্রহণের পর এক বছরের মাথায় অধিকাংশ ঋণগ্রহীতা তাঁদের ঋণ পরিশোধ করেছেন। তাঁদের পাস বই ও জমা স্লিপও আছে। অথচ সেই অর্থ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা জমা না করে আত্মসাৎ করেছেন। ফলে তাঁদের এই হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।

জামিনে মুক্তির পর আতিয়ার রহমান বলেন, ‘আমি ৪০ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। আমরা অতিদরিদ্র হওয়ায় টাকা পরিশোধ করতে পারি নাই।’

বিকেলে জামিনে পাবনা কারাগার থেকে বের হন কিতাব আলী ও হান্নান মিয়া। তাঁরা বলেন, সেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে অধিকাংশ টাকা পরিশোধ করার পরও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করে। তাঁরা মাঠে-ময়দানে খেটে খাওয়া দিনমজুর হওয়ায় বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেননি। সেদিন তাঁরা গাজরের খেতে কাজ করছিলেন। এমন সময় সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কূটনীতিকদের পাল্টা চাপে রাখার কৌশলে সরকার

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সরকার এখন কূটনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হয় তা নিয়ে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের কূটনীতিকরা অবিরত কথা বলছে। বাংলাদেশের মানবাধিকার, সুশাসন ইত্যাদি নিয়েও কথাবার্তা বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকার কূটনীতিকদের এ সমস্ত হুঁশিয়ারী বা সাবধান উচ্চারণে মোটেও আতঙ্কিত নয়, উদ্বিগ্ন নয়। কূটনীতিকদের এই সমস্ত হুমকি-ধামকিতে আওয়ামী লীগ সরকার নতজানু হবার মত কোনো অবস্থানে নেই। বরং কূটনীতিকদের পাল্টা চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, সরকার মনে করছে যে কূটনীতিকরা শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ করছেন এবং তাদের সীমালঙ্ঘন করছেন। গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন যে, কূটনৈতিক শিষ্টাচার না মানা বিদেশী কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে সময় হলে একশনে যাবে বাংলাদেশ। গত শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আফগানিস্তান, ইরান, চিলির উদাহরণ দিয়ে বলেন, বিদেশী হস্তক্ষেপের কারণে অনেক দেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। বিদেশীরা সবসময় নিজেদের স্বার্থে কাজ করে। উন্নত দেশগুলোতে বিদেশি কূটনীতিকদের এক পয়সা পাত্তা দেওয়া হয়না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য যে স্ব-প্রণোদিত নয় বরং আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকদের মনোভাবই তিনি প্রকাশ করেছেন, এটি আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা বলেছেন। এর মাধ্যমে কূটনীতিকদের পাল্টা চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে সরকার।

আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেছেন যে, বাংলাদেশ এখন আগের অবস্থায় নেই। বিদেশি সাহায্যের ওপর বাংলাদেশ নির্ভর করে না। বরং বাংলাদেশ এখন আত্মমর্যাদাশীল এক দেশ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। কাজেই, কথায় কথায় বিদেশীদের ধমক-হুমকিতে আমরা নতজানু হব না। আওয়ামী লীগ সরকার কূটনীতিকদের উপেক্ষা করার পেছনে কতগুলো যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে পেয়েছে। এই কারণগুলোর কারণেই তারা মনে করছেন যে, পশ্চিমা কূটনীতিকরা চাপ দিলে শেষ পর্যন্ত তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি সাধন করবে। কারণ, বাংলাদেশের অধিকাংশ পশ্চিমা কূটনীতিক মনে করে যে, আফগানিস্তানে তালেবান বিপ্লব, পাকিস্তানে জঙ্গিদের উত্থান ইত্যাদি বাস্তবতা বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের একটা সম্ভাবনা তৈরি করেছে। একমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে জঙ্গিবাদকে দমন করতে পারে। উগ্র মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগই কঠোরভাবে কাজ করে, অন্য কোনো রাজনৈতিক দল নয়। বরং বিএনপি-জামাত জোট যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে বাংলাদেশ আরেকটি আফগানিস্তান হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ কারণে পশ্চিমা কূটনীতিকরা সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করলেও শেষ পর্যন্ত এই চাপ বেশি দূর এগোতে পারবে না বলে তারা মনে করছে।

দ্বিতীয়ত, পশ্চিমা কূটনীতিকরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নির্বাচন বা গণতন্ত্র, সুশাসন ইত্যাদি নিয়ে কথা বললেও তারা শেষ পর্যন্ত জানে যে, বাংলাদেশ যদি শান্তি স্থিতিশীলতা নষ্ট হয় তাহলে সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে এবং এর অনিবার্য পরিণতি হবে বাংলাদেশে বিদেশি যে বিনিয়োগ গুলো আছে সেই বিনিয়োগ গুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এটাই তারা চায়না। তৃতীয়ত, বাংলাদেশে যে বিপুল বাজার রয়েছে এই বাজার যদি শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা এবং স্থিতিশীলতা না থাকে তাহলে নষ্ট হয়ে যাবে। এই বাস্তবতা থেকেই পশ্চিমা দেশগুলো সরকারের ওপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করলেও সরকারকে উপড়ে ফেলা বা সরকারের বিকল্প খোঁজার পথে যাবে না। এটি তাদের জন্যই বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। এ কারণেই বাংলাদেশ কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে পাল্টা হুমকি দেওয়া শুরু করেছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে কোচের ধাক্কায় এইই পরিবারের ৩ জন নিহত

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঠাকুরগাঁওয়ে যাত্রীবাহী কোচ ও  মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। 

(২৭শে নভেম্বর) রোববার  সকালে সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর বিলডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের মুথরাপুরের  মাসুদুর রহমান (৫৪) ও নিহত মাসুদুর রহমানের স্ত্রী রহিমা বেগম (৪৪) ও মেয়ে মেহের নেগার সিমি (১৩)। 

স্থানীয় সূত্রে  জানা যায় যে, মাসুদুর রহমান তার স্ত্রী সহ মেয়ে সিমিকে  মথুরাপুর রোড থেকে মোটরসাইকেল করে লক্ষ্মীপুর মাদ্রাসায় নিয়ে  যাচ্ছিল। 

এসময় অপরদিক থেকে  ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী কোচ  বিলডাঙ্গী এলাকায়  মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা  দিলে, এতে ঘটনাস্থলেই মাসুদুর রহমানের স্ত্রী  রহিমা বেগম নিহত হয়।

এসময় এলাকাবাসি মাসুদুর রহমান ও তার মেয়েকে  উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতাল কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি কামাল হোসেন।

নিহত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ডা. শিমুল এমপির শ্রদ্ধা

প্রকাশ: ০৫:৫৩ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল রবিবার দুপুরে শিবগঞ্জের স্থানীয় ২০ জন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শতাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এর আগে শনিবার রাতে এক গাড়িবহরে বীরমুক্তিযোদ্ধা ও দলীয় নেতাকর্মী সঙ্গে নিয়ে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। 

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল মান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান মজনু, শিবগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি আকবর আলী ও আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলামসহ অন্যরা। বিষয়টি মোবাইল ফোনে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জায়িছেনে সংসদ সদস্য ডা. শিমুল।

বঙ্গবন্ধুর সমাধি   শ্রদ্ধা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন