ইনসাইড বাংলাদেশ

বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বরিশালে আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিআরটিএ

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, বরিশাল বিভাগে পরিবেশবান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

সংস্থাটির বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, সেবা প্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এবং হয়রানি মুক্ত নির্ভেজাল সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বরিশাল বিভাগের সবগুলো জেলায় বিআরটিএ এর পরিসেবাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বিআরটিএ এর সেবা সমুহের মধ্যে রয়েছে মোটরযান নিবন্ধন, মালিকানা স্থানান্তর, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন, মোটরযানের ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন ইস্যু ও নবায়ন, রুট পারমিট ইস্যু ও নবায়ন ইত্যাদি।

তিনি আরও জানান, সেবা প্রার্থীদের মাঝে বিআরটিএ এর সেবাপ্রক্রিয়াকে সহজ করার ফলে পূর্বের চেয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে পিরোজপুর বাসীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে ঝালকাঠি এবং বরগুনা বাসীদের পটুয়াখালী আসতে হতো এখন নিজ নিজ নিজ জেলা থেকেই লাইসেন্স নিতে পারবেন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কাগজ জমা দেয়ার দিনই বায়োমেট্রিকস নেয়া হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার বিআরটিএ অফিস থেকে বিভাগীয় অফিসকে পৃথক করা হয়েছে। এবং প্রতিটি জেলা অফিসে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এর ফোন নাম্বার দেয়া হয়েছে। যাতে কোন মানুষ হয়রানির শিকার হলে তাদের যে কোন প্রকার অভিযোগ দিতে পারেন।

চলতি বছর ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১৪ হাজার ৪১০ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫ হাজার ৯২৩ টি, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় ১ হাজার ৬৬৩ টি, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ টি, ভোলা জেলায় ১ হাজার ২৯৬ টি ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরন করা হয়েছে। এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি মুলক ১৫ টি প্রশিক্ষনে ৭৯৭ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেছে। যার মধ্যে বরিশাল জেলায় ৭ টি, ঝালকাঠি জেলায় ২ টি, পিরোজপুর জেলায় ১ টি, পটুয়াখালী জেলায় ২ টি বরগুনা জেলায় ১ টি, ভোলা জেলায় ২ টি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের মিশন হচ্ছে, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে ডিজিটাল, টেকসই, নিরাপদ, সুশৃংখল, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এছাড়াও সেবাপ্রার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের জন্য বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবীর কুমার সাহা,জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জঃ) এমডি শাহ আলম,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ শামসুল হক,মোটরযান পরিদর্শক ইকবাল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক মোঃ জাফর হাসান,মেকানিকাল এ্যাসিস্টান্ট আঃ সালাম সহ অন্যান্ন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বিআরটিএ এর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

বরিশাল   আধুনিক সড়ক পরিবহন নিশ্চিত   কাজ করছে   বিআরটিএ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দোহারে নেইমার ভক্তের সঙ্গে সেলফি নিতে আসেন ব্রাজিলিয়ান ভক্তরা!

প্রকাশ: ০৮:২৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে চলছে কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। বিশ্বকাপ কাতারে হলেও এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। প্রিয় দলের সমর্থন জানাতে একের পর এক নানা কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনার জন্ম দিচ্ছেন ভক্তরা। তাদেরই একজন ঢাকার দোহারের জনসেবা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকের রেডিওলজিস্ট আকরাম হোসেন।

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই তিনি তার প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে কত কিছুই না করেছেন। এবার প্রিয় খেলোয়াড় নেইমারের মতো চুলের কাট দিয়ে নেইমারের প্রতি ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ জানালেন ৫০ বছর বয়সী আকরাম হোসেন। তার দলের জয়ে যেমন উল্লাসিত হন আবার দলের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙে পরেন এই ব্রাজিলিয়ান ভক্ত। আকরাম হোসেনের সঙ্গে এখন সেলফি নিতে অনেক ব্রাজিলিয়ান ভক্তরা আসেন তার কাছে।

আকরাম হোসেম বলেন, ব্রাজিল ও নেইমারের ভক্ত আমি ৷ নেইমারের পায়ের জাদু দেখতে কার না ভালো লাগে। সেই প্রিয় খেলোয়াড়ের চুলের কাটিং দেখে আমিও চুল কেটেছি। আশা করি ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপ জিতবে। আজ রাতেও গোল উৎসবে সেই উত্তাপ ছড়াবে প্রিয় দল ব্রাজিল।

কাতার বিশ্বকাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাজধানীতে আটক আরও ২৫৫

প্রকাশ: ০৭:১৬ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ঢাকা মহানগর এলাকা থেকে আরও ২৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার মোট ২৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে, ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া পুলিশের বিশেষ অভিযানে রবিবার পর্যন্ত (৪ দিনে) ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪৭২ জনকে আটকের কথা জানানে হয়েছিল। ফলে গত ৫ দিনে মোট ৭২৭ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যায়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১০ ডিসেম্বর নিয়ে অবশেষে স্বস্তিতে সরকার

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিভাগীয় গণসমাবেশ করবে বিএনপি। গত ৮ অক্টোবর বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান প্রথম ১০ ডিসেম্বর সরকার পতনের কথা বলেন। এরপর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ আরও কয়েকজন নেতাও একই কথা বলেন এবং তাঁরা বলেন যে, ১০ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ চলবে খালেদা জিয়ার কথায়। কয়েকজন বিএনপি নেতার এই ধরণের বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ১০ ডিসেম্বর। যদিও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে, ১০ ডিসেম্বর কিছুই হবে না। যদিও ১০ ডিসেম্বরকে ঘিরে বিএনপি একটি নীলনকশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু অবশেষে সরকারের কৌশলের কাছে হেরে গেছে বিএনপি।

১০ ডিসেম্বর রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহিংস করার লক্ষেই মূলত নয়াপল্টনে গণসামাবেশ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে, রাস্তায় নয় উন্মুক্ত খোলা মাঠে গণসমাবেশ করতে হবে। কিন্তু বিএনপি জানায় যে তাঁরা নয়াপল্টনেই মহাসমাবেশ করবে এবং সেই সিদ্ধান্তে তাঁরা অনড় অবস্থানে থাকে। এতে বিএনপির নীলনকশার স্বরূপ উন্মোচিত হয়। এরপর সরকার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। সহিংসতা কিংবা কোনো ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ১ থেকে ১৫ ডিসেম্বর বিশেষ অভিযানের ঘোষণা দেয় পুলিশ। পুলিশের এই অভিযানের ইতিবাচক ফলাফল আসতে শুরু করেছে। পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপির যে পরিকল্পনা ছিলো তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে গেছে।

পাশাপাশি ১০ ডিসেম্বর নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনেও চাপে পড়েছে বিএনপি। বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছেড়ে কেন রাস্তায় সমাবেশ করতে চায় এনিয়েও তার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে। গত কয়েক মাস ধরে কূটনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি যে তৎপরতা চালিয়েছে তা এই ১০ ডিসেম্বরে বিএনপির এই কর্মকাণ্ডের কারণে শেষ হয়ে যেতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। আর তাই ১০ ডিসেম্বরের সহিংস পরিকল্পনা থেকে বিএনপি সরে এসেছে বল জানা যায়। বিএনপি এখন বলছে, অন্যান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো ঢাকারটিও সাধারণ একটি সমাবেশ।

এদিকে বিএনপির মধ্যে হঠকারী একটি অংশ এমন দাবি করেছিল যে, দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক তারেক রহমান লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন। তাদের কেউ কেউ বলছেন, খালেদা জিয়াও ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে উপস্থিত হবেন। কিন্তু সরকারের কৌশল এবং কূটনৈতিক চাপ, সব মিলিয়ে বিএনপির মধ্যে যে অংশটি একটি সহিংস পরিস্থিতি তৈরি করার পাঁয়তারা করছিলো তারাও এখন চুপসে গেছে। ফলে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে এখন স্বস্তিতে আছে সরকার।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত জাপান সফর নিয়ে কাজ করছি: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশ: ০৫:৪৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফর যত দ্রুত সম্ভব এ সফর আয়োজনে দুই দেশ কাজ করছে। কারণ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফর। আগে কিংবা পরে এ সফরে আয়োজন করা হবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ইতো নাওকি বলেন, বাংলাদেশে আমার খুবই চমৎকার কিছু স্মৃতি আছে। বাংলাদেশের মানুষ খুবই সদয়। তারা জাপানের প্রতি অনুরক্ত। তারা খুবই আতিথেয়তাপ্রবণ।

তিনি বলেন, আমি সিলেট, সুন্দরবন এলাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, পাহাড়পুরসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। সেখানে তাদের কাছ থেকে বেশ সমাদর পেয়েছি। তারা খুবই বন্ধুত্বপ্রবণ। জাপান-বাংলাদেশ পরীক্ষিত বন্ধু দেশ। আমরা নিজেদের মধ্যকার অংশীদারত্ব নতুন স্তরে নিয়ে যেতে চাই।

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জাপান-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য তথ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। চলতি বছরে জাপান-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পঞ্চাশ বছরে পা দিয়েছে। বছরটি উদযাপনে আমরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   জাপান সফর   ইতো নাওকি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাস্তায় সমাবেশের অনুমতি পাবে না বিএনপি: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, রাস্তায় সমাবেশ করার অনুমতি পাবে না বিএনপি। তবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বাদে অন্য কোনো স্থানের নাম এখনো প্রস্তাব করেনি বিএনপি।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নাকি নয়াপল্টন, বিএনপিকে কোথায় সমাবেশ করতে দেওয়া হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সোমবার (৫ ডিসেম্বর)  ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। 

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে সমাবেশের ভেন্যুর বিষয়ে আলোচনা করতে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে।

ওই বৈঠক শেষে ডিএমপির সদরদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান বলেছিলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি নয়াপল্টনে সমাবেশ করবো। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আমাদের একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।

এর মধ্যে পুলিশ আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে চিঠি দিয়েছে। আমরা এ বিষয়ে আজ (রোববার) আলোচনা করতে এসেছিলাম। বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে আলোচনা করে এ বিষয়ে ঠিক করতে বলা হয়েছে। ভেন্যুর বিষয়ে আলোচনা তারা করবেন। আগামীকাল (সোমবার) থেকেও এ আলোচনা চলতে পারে। এরপরই ভেন্যু চূড়ান্ত হবে।

তবে ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ নয়াপল্টনেই করার দলীয় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার বাড়ির সামনে পুলিশের তল্লাশি চৌকি, নেতাকর্মীদের গ্রেফতার-হয়রানি, আমার বাসা ঘেরাও সবই একইসূত্রে গাঁথা। বাসা ঘেরাও করে ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশ দমানো যাবে না। সমাবেশ বানচাল করতে ভয় পেয়ে সরকার এসব করছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ১০ ডিসেম্বরের ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের অনুমতি না পেয়ে বিএনপি এখন সমাবেশের জন্য নতুন ভেন্যু খুঁজছে।

তিনি বলেন, ডিএমপির পক্ষ থেকে বিএনপিকে নতুন ভেন্যুর প্রস্তাব দেয়নি। আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দিয়েছি। তারাই নতুন ভেন্যুর কথা বলছে। তবে আমরা আশা করি, বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই তাদের সমাবেশটি করবে।

তিনি আরও বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কারণ, আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্যানটি নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। আমরা বিএনপিকে অনুরোধ করেছি, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে করার জন্য। ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে যত ধরনের নিরাপত্তা সহযোগিতা করার দরকার সব পদক্ষেপ আমরা নেবো।

নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে গত ১৫ নভেম্বর পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেয় বিএনপি। তবে যানজট ও নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টির কারণ দেখিয়ে গত ২৯ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিএনপিকে দেওয়া অনুমতিপত্রে সমাবেশের জন্য ২৬টি শর্ত জুড়ে দেয় ডিএমপি। তবে বিএনপির নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বলে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে।

গতকাল রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়া ঢাকার ভেতরে সমাবেশের জন্য বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব পেলে তা বিবেচনা করা হবে।

বিএনপি   ১০ ডিসেম্বর   ডিএমপি কমিশনার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন