ইনসাইড বাংলাদেশ

সীমান্তে ফের গোলাগুলি, আতঙ্কে ৩১ গ্রামের মানুষ

প্রকাশ: ০৯:০৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সীমান্তে ফের গোলাগুলি, আতঙ্কে ৩১ গ্রামের মানুষ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তিন দিন গোলাগুলি বন্ধ থাকার পর ফের গোলাগুলি ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপ শুরু হয়েছে। এতে টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ির তিনটি ইউনিয়নের ৩১টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ আতঙ্ক ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন পাহাড়ে টানা দুই মাস ধরে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মির (এএ) তুমুল সংঘর্ষ চলছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। আরাকান আর্মির আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার থেকে রাত ও দিনে ছোড়া হচ্ছিল মুহুর্মুহু গুলি ও অসংখ্য মর্টারের গোলা। কয়েক দিন আগে বেশ কয়েকটি মর্টারের গোলা এসে পড়েছিল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে। কিন্তু ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে ওপারে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। তাতে এপারের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছিল। অনেকে নেমে পড়েন ধানখেত, জুমচাষসহ নানা কাজে। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ওপারে গোলাগুলি ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপের বিকট শব্দে এপারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ঢেকুবনিয়া সেনা ব্যারাকের পাশে নাকপুরা এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি হচ্ছিল। থেমে থেমে ছোড়া হচ্ছিল মর্টারের গোলা। গোলাগুলির বিকট শব্দ এপারের খারাংখালী গ্রামের লোকজন শুনতে পান। আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। তাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী, উলুবনিয়াসহ সাতটি গ্রামে। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক আছে।

উখিয়ার পালংখালীর বটতলী গ্রামের লোকজন জানান, তিন দিন গোলাগুলি বন্ধ থাকায় ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের অন্তত সাত হাজার মানুষ স্বস্তিতে ছিলেন। অনেকে পাশের ধানখেত ও চিংড়ি খামারে কাজে নামেন। কিন্তু গোলাগুলি শুরু হওয়ায় তাঁরা ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

ঘুমধুমের পশ্চিমকুল গ্রামের অটোরিকশাচালক আমির হোসেন বলেন, ওপারের গোলাগুলির কারণে দুই মাস ধরে ১৭ কিলোমিটারের ‘ঘুমধুম-বাইশারী’ সড়কে মানুষের চলাচল কমে গেছে। যাত্রী না পাওয়ায় তিন শতাধিক অটোরিকশাচালক বেকার হয়ে পড়েছেন। গত তিন দিন সড়কে কিছু গাড়ি চলাচল করলেও এখন আবার বন্ধ হয়ে গেছে। এপারের মানুষের জীবন–জীবিকা যেন ওপারের গোলাগুলিতে থমকে আছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নাটোরে নকল ড্রিকস ও ভেজাল গুড় তৈরী করায় জরিমানা

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নাটোরের লালপুরে নকল ড্রিকস উৎপাদন করায় শ্রাবনী আইসক্রীম ফ্যাক্টরীকে এক লাখ ৯০হাজার এবং ভেজাল গুড় উৎপাদন করায় কারখানা মালিককে ৬২হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় প্রায় দুই কেজি গুড় ও ৯’শ লিটার গুড় তৈরীর চিনির সিরাপ ধ্বংস করা হয়েছে।

র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের কমান্ডার ফরহাদ হোসেন জানান, দীর্ঘ দিন ধরে জেলার লালপুর বাজারে শ্রাবনী আইসক্রীম ফ্যাক্টরী, সুনাম ধন্য প্রাণ কোম্পানীর শিশুদের কোমল পানীয় আইসক্রীম রোবো ড্রিক্সসের ট্রেড মার্ক নকল করে উৎপাদন করে আসছিল।

পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং র‌্যাব যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় আইসক্রীম ফ্যাক্টরীর মালিক কোরবান আলী কে এক লাখ ৯০হাজার টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর।

অপরদিকে, বড়াইগ্রামের আটঘরিয়া ও ভবানীপুর গ্রামে জনস্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর চুন, ফিটকিরি, ফেব্রিক্স কালার ও সোডা মিশ্রিত করে ভেজাল গুড় তৈরীর অপরাধে তিনজনকে ৬২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় ভেজাল গুড়, ভেজাল চিনির সিরাপ সহ অন্যান্যে উপকরণ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।

জরিমানা   ভেজাল গুড়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রশাসনের নতুন নেতৃত্ব আগামী মাসে

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নির্বাচনের আগে মাঠ প্রশাসন ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদেও ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। সরকার নীতিনির্ধারণ প্রশাসনকে ঢেলে সাজাচ্ছে। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, আগামী মাসে প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদে গুরুত্বপূর্ণ রদবদল হবে। এর মধ্য দিয়ে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রশাসনের নেতৃত্বে আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি আগামী ১৫ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। তার জায়গায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস বিদায় নিচ্ছেন। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর তিনি ওয়াশিংটনে যাবেন। সেখানে বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যোগদান করবেন। এর আগে এই পদে ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম। তার স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। 

গত অক্টোবরের শফিউল আলমের চাকরির মেয়াদ শেষ হলেও নানা রকম কাজের জন্য তিনি বিলম্বে যাচ্ছেন। প্রশাসনের এই শীর্ঘ দুই পদই সিভিল প্রশাসনকে নেতৃত্ব দেয়। এবং তাদের পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই প্রশাসনে নির্বাচনের আগে একটা বড় ধরনের রদবদল হতে যাচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কবির বিন আনোয়ার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে আগামী জানুয়ারিতে। কিন্তু সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, তিনি নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। অন্তত এক থেকে দু বছর তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হতে পারে বলে সরকারের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে  প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্যসচিবও নির্বাচন পর্যন্ত তার দায়িত্ব পালন করবেন। 

প্রধানমন্ত্রীর সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী একান্ত সচিব সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রীর সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রশাসনের শীর্ষ তিন পদে রদবদলের পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বড় ধরনের রদবদল ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে যে সমস্ত মন্ত্রণালয়গুলো আগামী নির্বাচন এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেই সমস্ত দপ্তরগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

ইতোমধ্যে প্রশাসনে দক্ষ এবং যোগ্য সচিবদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের পদায়নের পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় গুলোতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে প্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে এটি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মাঠ প্রশাসনে ২৩ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। আরও অন্তত ২০টি জেলায় জেলা প্রশাসক পরিবর্তন হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। সরকার নির্বাচনের আগে প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায় এবং মাঠ প্রশাসনে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দুটি কাজ করতে চাচ্ছে। প্রথমত, অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য নতুন নেতৃত্ব সামনে আনা হচ্ছে। দ্বিতীয়তঃ নির্বাচন বিরোধী কোনো চক্রান্ত যেন না কার্যকর হয়, সে ব্যাপারে প্রশাসনকে তৎপরতা করার তাগিদ থেকেও এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয় যে প্রশাসনের এই পরিবর্তন রাজনৈতিক উত্তাপে কতটা শীতলতা তৈরি করতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব   মূখ্যসচিব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এএসপি পদমর্যাদার ৫০ কর্মকর্তার পদায়ন

প্রকাশ: ০৪:২৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ৫০ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে পদায়ন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বাংলাদেশ, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সই করা পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এ পদায়ন করা হয়।

পদায়ন করা পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে ক্লিক  করুন




মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রসিক নির্বাচনে থাকছে নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক দল

প্রকাশ: ০১:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আসন্ন রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচন তদারকির জন্য দল নিরপেক্ষ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।নির্বাচনী পরিস্থিতি ও আচরণবিধি প্রতিপালন নিয়ে কাজ করার উদ্দেশে এ ই টিম কাজ করবে বলেও জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান বলেন, ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেনকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় এবং ওই নিরপেক্ষতা যাতে জনগণের কাছে দৃশ্যমান হয় তা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম গঠন করতে হবে। ওই টিমে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

জেলা নির্বাচন অফিসার টিমের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। টিমে বেসরকারি পর্যায়ের দল নিরপেক্ষ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নির্বাচনী এলাকার ব্যাপ্তি বিবেচনায় প্রয়োজনে একাধিক ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম গঠন করতে হবে।

ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের কার্যাবলী :

১. সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হচ্ছে কি না অথবা ভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না তা সরেজমিনে পরিদর্শন। 

২. নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী ব্যয় বাবদ নির্বাচন বিধিমালার ৪৯ বিধিতে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে কি না বা অন্যান্য বিধি-বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কি না তা সরেজমিনে পরিদর্শন।

৩. আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের কোনো বিষয় নজরে আসা মাত্রই বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ; অন্যান্য নির্বাচনী বিধি-নিষেধ ভঙ্গের ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে ফৌজদারি আদালতেও অভিযোগ দায়ের করতে হবে।

৪. এছাড়াও স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর তিনদিন পরপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ; টিমকে প্রয়োজনে উদ্ভূত সমস্যাবলি তাৎক্ষণিকভাবে নিরসনের পরামর্শ দিতে হবে। 

৫. প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা তাদের পক্ষে অন্য কেউ আচরণ বিধিমালার কোনো বিধি ভঙ্গ করলে বা ভঙ্গ করার চেষ্টা করলে বা বিধিমালার কোনো বিধি বিশেষ করে নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত বিধি-বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। অন্যদিকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালতকেও তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

রসিক ভোটে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন আজ মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর), মনোনয়নপত্র বাছাই আগামী ১ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৪ ডিসেম্বর, আপিল নিষ্পত্তি ৭ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ৯ ডিসেম্বর এবং ভোটগ্রহণ ২৭ ডিসেম্বর। সকাল সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর এই সিটিতে সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল। নির্বাচিত কর্পোরেশনের প্রথম সভা হয়েছিল ২০১৮ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। সে মোতাবেক এ সিটির বর্তমান নির্বাচিতদের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।


রসিক   নির্বাচন   ইসি   পর্যবেক্ষক দল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১২ ঘণ্টা চেষ্টার পর গাজীপুরে টেক্সটাইল মিলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ১২:২৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের ১২ ঘন্টা চেষ্টার পর অবশেষে গাজীপুরের সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় সামিম টেক্সটাইল মিলের তুলার গুদামে লাগা আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দিনগত রাত ১২টায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন।

তিনি বলেন, সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকার সাফারি পার্ক সড়কে শামীম টেক্সটাইল মিলের তুলার গুদামে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনের মাত্রা বাড়তে থাকায় পরে জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের আরও একটি ইউনিটসহ মোট পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা। 



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন