ইনসাইড বাংলাদেশ

জানুয়ারিতে শিল্পে গ্যাস সংকট কেটে যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০১:১৮ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আমাদের দেশেও গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সে কারণে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এটি সাময়িক সমস্যা, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে এই সংকট কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) সিরামিক এক্সপো বাংলাদেশ-২০২২ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিরামিক শিল্প বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় একটি খাত। দেশে উৎপাদিত হওয়া সিরামিক পণ্য চাহিদার ৮৫ ভাগ পূরণ করছে। ইতোমধ্যে ৫০টি দেশের ওয়ান বিলিয়ন ডলার পরিমাণ সিরামিক পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। সিরামিক পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি যাতে আরও বাড়ানো যায় সে অনুসারে ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সরকার।

তিনি বলেন, তৈরি পোশাকের মতো সিরামিকসহ যেসব খাতের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করতে চায় তাদের সবার সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ও মহাসচিব ইরফান উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

বিসিএমইএ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এশিয়ার অন্যতম এ সিরামিক মেলায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশের ১২০টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১৫০টি ব্র্যান্ড নিয়ে অংশ নিয়েছে।

এতে দর্শনার্থী ও ক্রেতা বিক্রেতাসহ সবার জন্য প্রবেশ ফি ছাড়া উন্মুক্ত থাকবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, দেশের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে সিরামিক খাত ক্রমেই অবস্থান সুসংহত করে চলেছে। ৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য। অমিত সম্ভাবনাময় এই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে তৎপর রয়েছেন দেশের সিরামিক শিল্প উদ্যোক্তারা। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয়বারের মতো রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী সিরামিক এক্সপো-২০২২।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লন্ডনের ক্যাসেট শুনে বিএনপির লোকজন দেশে আওয়াজ দেয়: লিটন

প্রকাশ: ০৮:৫৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, তারেক জিয়া লন্ডনে বসে ক্যাসেট বাজায়। আর সেই ক্যাসেট শুনে বিএনপির লোকজন দেশে আওয়াজ দেয়। হাওয়া ভবন, চম্পা ভবন, খোয়াব ভবন ছিল। খোয়াব ভবনের মতো খোয়াব দেখে লাভ নাই। আবারও ক্ষমতায় বসবেন, লুটপাট করবেন; আপনাদের সেই স্বপ্ন আর পূরণ হবে না।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিএনপির সমাবেশ প্রসঙ্গে মেয়র খায়রুজ্জামান বলেন, বিএনপি কয়েকদিন ধরে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে রাজশাহীর আটটি জেলা থেকে ভাড়া করে লোকজন নিয়ে এসে মাঠ ভর্তি দেখাতে চায়। আসুন, দেখুন, মাত্র একদিনের নোটিশে আমরা কী রকম বড় মিছিল ও সমাবেশ করতে পারি। আমরা শুধুমাত্র রাজশাহী মহানগর এই আয়োজন করেছি। রাজশাহী জেলা ও অন্যান্য জেলাকে আলাদাভাবে প্রোগ্রাম করতে বলেছি। আওয়ামী লীগ জনগণের দল। আওয়ামী লীগ মানেই জনগণের সংগঠন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তিল তিল করে তার যৌবনের সমস্ত উত্তাপ দিয়ে দলটিকে সুসংগঠিত করেছিলেন। সেই দল আওয়ামী লীগকে দুর্বল ভাববেন না, শেখ হাসিনাকে দুর্বল ভাববেন না।

বিএনপির উদ্দেশ্যে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, সরকার অনুমতি দিয়েছে সমাবেশ করেন, ভদ্রভাবে করেন। ৮ জেলা থেকে লোক নিয়ে এসে করেন, আপত্তি নেই। কিন্তু যদি শুনি কোথাও কোনো গাড়ি ভেঙেছেন, যানবাহনে আগুন দিয়েছেন বা জনগণের মাঝে অশান্তি তৈরি করেছেন, তাহলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কী করবে, সেটি তাদের ব্যাপার। দলীয়ভাবে আমরা ক্ষমতাসীন দল ছেড়ে দিতে পারি না। জনগণ আমাদের রায় দিয়েছে, জনগণের পক্ষে কাজ করার জন্য, উন্নয়ন দেবার জন্য, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করবার জন্য, আমরা সেটি রক্ষা করতে ওয়াদাবদ্ধ।

বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য বেগম আখতার জাহান, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, সৈয়দ শাহাদত হোসেন, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, রেজাউল ইসলাম বাবুল, ডা. তবিবুর রহমান শেখ, নাঈমুল হুদা রানা, বদরুজ্জামান খায়ের, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আহসানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম সরকার, মীর ইসতিয়াক আহমেদ লিমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজনৈতিক সহিংসতার শঙ্কা বিদেশী দূতাবাসগুলোর

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা হতে পারে বলে কয়েকটি পশ্চিমা দেশের কূটনীতিকরা মনে করছেন। বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহাবস্থান, সমঝোতা এবং সহনশীলতারনীতি অনুসরণ না করা হয় তাহলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠতে পারে যেটি বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারে। বাংলাদেশ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি কূটনীতিকদের ব্যাপক তৎপরতা রয়েছে। তারা আগামী ১০ ডিসেম্বরের ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং এই পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতেই বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনীতিকরা এরকম অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দূতাবাসই এখন পর্যন্ত ১০ ডিসেম্বর নিয়ে কোনো বিবৃতি বা মন্তব্য করেনি।

তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে একটি বিবৃতি চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে। তারা এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। পরিস্থিতির যদি অবনতি ঘটে তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীলতা এবং সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানাবেন এবং সন্ত্রাস-সহিংসতা পরিহার করার অনুরোধ করবে বলে জানা গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেভাবে পর্যবেক্ষণ করছে তাতে তারা শঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, ১০ ডিসেম্বরকে ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে শেষ পর্যন্ত যদি জনসভার স্থান নিয়ে প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐক্য না হয় তাহলে সহিংসতার শঙ্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উড়িয়ে দিচ্ছে না।

শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও একইরকম অভিমত মনে করছে। তারা মনে করছেন, দ্রুত বাংলাদেশের রাজনীতিতে উত্তাপ-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। তবে সকল পক্ষকে ধৈর্যধারণ করা উচিত এবং তাদেরকে রাজনৈতিক রীতি-নীতি অনুসরণ করেই যেকোনো কর্মসূচি পালন করতে হবে। জাপানও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর পর্যবেক্ষণ করছে। তারা মনে করছেন যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেন এমন না হয় যেখানে জনগণের জীবন হুমকির মুখে পড়ে। জাপান দূতাবাসও মনে করছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। এতে জনজীবনের দুর্ভোগ বাড়বে, এটি কারোই কাম্য নয়। আর এইজন্যই রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলেও দূতাবাস সূত্রগুলো বলছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি অনানুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদেরকে বলা হয়েছে যে, বিরোধী দলের কর্মসূচির ক্ষেত্রে যেন রাজনৈতিক সহনশীলতার সীমা অতিক্রম না করে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে যেন ধৈর্য এবং সংযমের পরিচয় দেয়। সন্ত্রাস-সহিংসতা কোনো রাজনৈতিক সমাধান আনতে পারে না, এমন বার্তাও বিএনপিকে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দলের কাছেও যুক্তরাজ্য অনুরোধ জানিয়েছে যে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে যেন সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের অধিকার দেওয়া হয়। এই দূতাবাসগুলোর এই শঙ্কা এবং অভিমত শেষ পর্যন্ত আমাদের রাজনীতির ওপর প্রভাব ফেলবে কিনা সেটিই এখন দেখার বিষয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তালাবদ্ধ ঘর থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার


Thumbnail

কুড়িগ্রামের পলাশবাড়ীতে শোয়ার ঘর থেকে মোছা. শাহেরা বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার (৩০ নভেম্বর) দিবাগত সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামে।

শাহেরা বেগম উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পলাশবাড়ী পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তারের মেয়ে। স্বামী মোখলেছুর রহমান একই উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ডোমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শাহেরা বেগমের সঙ্গে স্বামী মোখলেছুর রহমানের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জেরে স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়েছে বলে ধারণা তাদের। তবে নিহতের মা ফাতেমাসহ পরিবারের লোকজনের দাবি পারিবারিক কলহের জেরে শাহেরার স্বামী তাকে গলাকেটে হত্যা করে ঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়েছেন।

নিহতের ছেলে শামীম জানান, সকালে কাজের জন্য বাইরে বের হই। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে ঘর তালাবন্ধ দেখতে পাই। পরে তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে লেপে ঢাকা মায়ের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পাই।

শাহেরা বেগমের মা ফাতেমা বেগম জানান, জামাই মেয়েকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। আমি সারাদিন বাইরে ছিলাম। খবর শুনে এসে মেয়ের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পাই। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পারিবারিক কলহের কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে, ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে, এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।’

গলাকাটা   মরদেহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আ'লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করলো ময়মনসিংহ

প্রকাশ: ০৭:৩৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আর একদিন পরেই ময়মনসিংহে দীর্ঘ ৬ বছর পর ৩ ডিসেম্বর  অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। এ নিয়ে ময়মনসিংহের আওয়ামী নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা এবং উৎসবের আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে। রাজনীতির মাঠ রয়েছে সরগরম। সব মহলে বয়ছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে শেষ মূহর্তের চুলচেরা বিশ্লেষণ কাদের কাঁধে যাবে আগামী ৩ বছরের দল পরিচালনার দায়িত্বভার।

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সার্কিট হাউস মাঠের প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং তাদের অনুসারীদের পোস্টার প্যানায় শহর ছেয়ে গেছে। আগামী ৩ ডিসেম্বর সার্কেট হাউজ মাঠের আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে ইতিমধ্যে সভায় জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে মঞ্চ এবং অন্যান্য কাজ। সম্মেলন কে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী শনিবার সার্কিট হাউজ মাঠের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এম.পি।

নির্বাচন সামনে রেখে এই সম্মেলনকে এবং এ সময় গঠিত সম্ভাব্য জেলা ও মহানগর কমিটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

বিশেষতঃ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৃণমূলে দলকে গোছানো এবং আগামীর নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে এ কমিটিকে। ময়মনসিংহে নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে কমিটির কাছে এমনটিই প্রত্যাশা করছেন তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ। সেই সাথে তাদের প্রচার প্রচারণায় জেলা কমিটির সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সভাপতি জহিরুল হক খোকা,জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক জ্বালাল উদ্দিন খান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফারুক আহমেদ খান এর নাম শোনা যাচ্ছে। বর্তমান সভাপতি জহিরুল হক খোকা দক্ষতার সাথেই দল পরিচালনা করেছেন বলে অনেক নেতা-কর্মী মনে করছেন। বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ হিসেবে নেতাকর্মীদের কাছে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতাও। জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ আলী আকন্দ,সাধারণ সম্পাদক শওকত জাহান মুকুল,সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ হাসান অনু,জেলা কমিটির অন্যতম নেতা আহসান মোঃ আজাদ,মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিতুর রহমান শান্ত,জেলা কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল হাসান বাবু এর নাম নেতাকর্মীদের প্রচার
প্রচারণায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও বর্তমান গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বলে গুঞ্জণ রয়েছে। অনেকর মতে ভাষা সৈনিক ও সাবেক এমপি মরহুম শামসুল হকের পুত্র হিসেবে দল পরিচালনায় শরীফ আহমেদেরও নেতাকর্মীদের কাছে একটি পৃথক অবস্থান রয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এর নেতৃত্বে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলেও একজন ত্যাগী ও কারানির্যাতিত নেতা হিসেবে তারও নেতাকর্মীদের কাছে পৃথক অবস্থান রয়েছে । তবে,জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নেতাদের অনেকের বিরূদ্ধেই এলাকার সাথে যোগাযোগ না রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে। দলীয় প্রয়োজনে সময় না দেওয়ার এবং এমনকি,কারো কারো নামে দলকে দ্বিধাবিভক্ত করার অভিযোগও নেতাকর্মীদের করতে দেখা গেছে। এছাড়াও,প্রার্থীদের কারো করো বিরূদ্ধে আর্থিক অনিয়ম,চোরাচালান এবং মাদক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সভাপতি এহতেশামুল আলম,ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ ইকরামুল হক টিটু,জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাদেক খান মিল্কী টজু এর নাম প্রচার প্রচারণায় পাওয়া গেছে। শহরে ৩ জন প্রার্থীই সরব প্রচার প্রচারণায় চলছে। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ
মহানগর এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ ইকরামুল হক টিটুকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান- প্যনা পোস্টারে এমন প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে।

মহানগরের সভাপতি প্রার্থীদের কারো কারো নামে স্ত্রী ও সন্তানকে ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে রাজনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কারো কারো নামে দীর্ঘ সময় রাজনীতির মাঠে অনুপস্থিতি,নেশাগ্রস্থ থাকা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপকালে উঠে এসেছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন- বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি গোলাম ফেরদৌস জিল্লু,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর শহীদ উদ্দিন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু,সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক রিপন,কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য সাইদুল আরেফিন রাসেল,৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মসিকের প্যানেল মেয়র ০২ মোঃ মাহবুবুর রহমান দুলাল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির নেতা লিটন পাল। তবে তৃণমূলের প্রত্যাশা আগামীর কমিটিতে এমন নেতা নির্বাচিত হবেন যিনি সার্বক্ষণিক সময় দিয়ে দলকে সংগঠিত করবেন। সবার বিশ্বাস- আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব বিষয় যাচাই বাছাই করেই আগামীর নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।

এ প্রসঙ্গে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন,সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রান্তিক পর্যায়ে দলের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র,অপচেষ্টা মোকাবিলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। এ ধরনের কাজ যারা স্বরান্বিত করতে পারবেন,আমি আশাবাদী এমন নেতাদের কাঁধে দলের গুরু দ্বায়ীত্ব উঠবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল আলম বলেন,ইতোমধ্যে ২১টি ওয়ার্ডের সম্মেলন হয়েছে। ১২টি কমিটি দেওয়া হয়েছে,বাকিগুলোও দেওয়া হবে। তবে যারা ত্যাগী: দীর্ঘদিন দলের রাজনীতি করেছেন; এমন নেতারাই নেতৃত্বে আসবে বলে মনে করছেন তিনি।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্তর মতে,তার বাবা যেভাবে ২৭ বছর আওয়ামী লীগকে আগলে রেখেছিলেন,বাবার দেখানো পথ অনুসরণ করেই আওয়ামী লীগকে আগলে রাখবেন তিনি। এ তরুণ নেতা মনে করেন তাঁর বাবার সময় দলে কোন্দল ছিল না। তার কাঁধে নেত্রী দায়িত্ব দিলে দলের ভিতরের সকল বিভেদ দূর করে দলকে শক্তিশালী করে গড়তে সকল পদক্ষেপ নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করবেন তিনি।

কমিটি প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন,সম্মেলনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর দলকে সংগঠিত করতে সঠিকভাবে কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও করে জাবেন। তিনি আরও বলেন,দলের স্বার্থে নেত্রী আমাকে যেখানেই চাইবেন,আমি  সেখানেই থাকতে চাই।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতন

প্রকাশ: ০৭:২৬ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নওগাঁর মান্দায় পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতন ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে আব্দুল কুদ্দুসকে (৩২) নামে এক স্বামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার(৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ছোটমুল্লুক আদর্শ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে দুপুরে ওই গ্রামে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।  গ্রেফতার আব্দুল কুদ্দুস ওই গ্রামের মৃত বাবর আলী ভুট্টুর ছেলে।

স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ১২ বছর আগে জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার রামগাঁ গ্রামের জহির উদ্দিনের মেয়ে নুরজাহান বেগমকে বিয়ে করেন আব্দুল কুদ্দুস। এরমধ্যে তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম হয়। অভাবী সংসারে জীবিকার তাগিদে আব্দুল কুদ্দুস ঢাকায় রিকশা চালাতেন। পরকীয়া সন্দেহে গত এক বছর থেকে তাদের সংসারে কলোহ শুরু হয়। এ নিয়ে গৃহবধূ নুরজাহান বেগমকে নির্যাতন করতেন স্বামী আব্দুল কুদ্দুস। গত ২৫ নভেম্বর তিনি বাড়ি আসেন। ওই দিন রাতেই স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া হলে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে বেদম মারধর করেন। পরের দিন রাতেও পরকীয়ার সন্দেহে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে কাঁচি দিয়ে স্ত্রী মাথার চুল কেটে দেন আব্দুল কুদ্দুস।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ নুরজাহান বেগম বলেন, গত ২৫ নভেম্বর স্বামী আব্দুল কুদ্দুস বাড়ি আসার পর ঝগড়া হলে মারধর করে। পরের দিন রাতে দ্বিতীয় দফায় আবারও মারধর করে কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, বুধবার সকালে আবারও মারধর করে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ সময় আমাকে বাঁচাতে ছোট মেয়ে বাবার পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করে। এ সুযোগে বাড়ি থেকে পালিয়ে পাশের জয়বাংলা মোড়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষ্ণুপদ সাহার দোকানঘরে আশ্রয় নিয়ে জীবন রক্ষা পায়।

অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস তার স্ত্রীকে নির্যাতন ও চুল কেটে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিষ্ণুপদ সাহা বলেন, স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহ গত এক বছর থেকে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। আব্দুল কুদ্দুস ঢাকায় রিকশা চালাতো। কয়েক আগে বাড়ি এসে স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেয়। গতকালও নির্যাতন করে। অবশেষে পালিয়ে এসে আমার দোকান ঘরে ঢুকে রক্ষা পায়। এসময় গ্রাম পুলিশের সহায়তায় আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করে ভুক্তভোগী গৃহবধূসহ তাকে ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়া হয়। পরে পুলিশে সংবাদ দেওয়া হলে তাকে থানায় নেয়। তবে বর্তমানে গৃহবধূ তার স্বামীর বাড়িতেই আছে।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর-এ আলম সিদ্দিকী বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে বুধবার তার স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন। মামলার পর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে

পরকীয়া  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন