ইনসাইড ইকোনমি

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫ টাকা

প্রকাশ: ০৪:২০ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫ টাকা

দেশে ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এবার কমেছে। এখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের এলপিজি কিনতে ১ হাজার ২০০ টাকা লাগবে। এত দিন এ জন্য দিতে হচ্ছিল ১ হাজার ২৩৫ টাকা। সে হিসাবে ১২ কেজি এলপিজির দাম কমল ৩৫ টাকা। একইসঙ্গে অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে।

রোববার (২ অক্টোবর) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করেন বিইআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু ফারুক। এ সময় সচিব খলিলুর রহমান, সদস্য মোকবুল-ই ইলাহিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যক্ত ছিলেন। নির্ধারিত নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, অক্টোবর মাসে প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০১ টাকা ১ পয়সা, যা সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ১০২ টাকা ৮৮ পয়সা, আগস্ট মাসে ছিল ১০১ টাকা ৬২ পয়সা। দাম কমানোর ফলে অক্টোবর মাসে ১২ কেজির এলপিজির সিলিন্ডারের দাম পড়বে ১ হাজার ২০০ টাকা, যা সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ১ হাজার ২৩৫ টাকা এবং আগস্ট মাসে ছিল ১ হাজার ২১৯ টাকা।

অন্যদিকে অক্টোবর মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৫৫ টাকা ৯২ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন, যা সেপ্টেম্বর মাসে ছিল ৫৭ টাকা ৫৫ পয়সা। এই হিসাবে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে দাম কমেছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা।

জানা গেছে, এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

এডিবি থেকে ২ হাজার ৭৩ কোটি টাকা ঋণ পেলো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৬:২৭ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ সহায়তা দিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রতি ডলার সমান ১০৩ টাকা ৬৯ পয়সা ধরে এ ঋণের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ৭৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) নগরীরর শেরে বাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং এডিবির মধ্যে এ ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড ক্রেডিট অ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি ও প্রকল্পচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ঋণচুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এবং এডিবির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং চুক্তিতে সই করেন।

বাংলাদেশ আবাসিক মিশন প্রকল্পচুক্তিতে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং স্বাক্ষর করেন।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয়া হবে। এ প্রকল্প ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণ সহজলভ্য করা এবং নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ প্রকল্পের কার্যক্রম ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ সালে শেষ হবে।

১৯৭৩ সাল থেকে এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। এডিবি এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ২৭ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা এবং শূন্য দশমিক ৫৩৭ বিলিয়ন ডলারের অনুদান সহায়তা দিয়েছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

খাদের কিনারায় দেশের ব্যাংক খাত: টিআইবি

প্রকাশ: ০৯:৩২ এএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঋণের নামে ইসলামী ব্যাংকসহ তিনটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছে একটি গ্রুপ। ভুয়া ঠিকানা ও অস্তিত্বহীন কোম্পানির নামে নেওয়া হয়েছে এ ঋণ। গগনচুম্বী খেলাপি ঋণ ও অর্থ পাচারের কারণে ইতোমধ্যে ব্যাংকিং খাত খাদের কিনারায় পৌঁছেছে। এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে অত্যন্ত চালাকির সঙ্গে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে— বিষয়টি দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর জন্য ‘ভয়ংকর উদ্বেগজনক’ মন্তব্য করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সাধারণ গ্রাহককে ব্যাংক থেকে ন্যূনতম অঙ্কের ঋণ নিতে গেলেও যে পরিমাণ কাগজপত্র দিতে হয়, সেখানে কীভাবে ভুয়া কিংবা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে অবলীলায় হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে তুলে নেওয়া হচ্ছে?

গত ১৪ বছরে আগের তুলনায় মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ছয়গুণ বেড়েছে, বারবার খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা পরিবর্তন করে কিংবা পুনঃতফসিল করেও খেলাপি ঋণ আদায় করা যাচ্ছে না, তখন কাদের স্বার্থে কিংবা কাদের দেখে অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে এমন আগ্রাসী ঋণ দেওয়া হয়? প্রকৃতপক্ষে কারা এ বিপুল পরিমাণ অর্থের সুবিধাভোগী? এ প্রশ্নের উত্তর দেশবাসীর জানার অধিকার আছে।’

কেন ব্যাংকখাতের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলো না-এমন প্রশ্ন রেখে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে ঋণ নিয়ে বিদেশে অর্থপাচারের নির্ভরযোগ্য বহু তথ্য প্রতিনিয়ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রকাশিত হচ্ছে। বিশেষ করে— আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে চালান জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থপাচারের ঘটনায় খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, পণ্য আমদানিতে ২০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি দাম দেখানোর শতাধিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘অস্বাভাবিক ও প্রশ্নবিদ্ধ ঋণের উল্লিখিত ঘটনা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করার পাশাপাশি কোনোভাবেই যেন এসব অর্থ বিদেশে পাচার হতে না পারে, সে বিষয়ে এখনই যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাচার হওয়া অর্থ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে দেশে-বিদেশে সবধরনের লেনদেনের তথ্য আদান-প্রদান সহায়ক ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড (সিআরএস)’-এ অবিলম্বে যুক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে ভুয়া ও বেনামি ঋণ জালিয়াতি প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে অবিলম্বে ব্যক্তিমালিকানাধীন খাতে ‘প্রকৃত মালিকানার স্বচ্ছতা’ আইন প্রণয়ন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংকের মালিকানায় কিংবা শীর্ষ পদে বদল এসব ব্যাংকের আমানতের অর্থ লোপাটে সহায়ক হয়। ব্যাংকের মালিকপক্ষ বা পরিচালনা পর্ষদই তখন ঋণ জালিয়াতিতে যুক্ত হয় এবং যোগসাজশের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লুটপাটে জড়িত হওয়ার সুযোগও বহুগুণে বেড়ে যায়। তিনি বলেন, খাদের কিনারা থেকে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতকে উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। 


টিআইবি   ব্যাংক খাত   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ

প্রকাশ: ০৩:৩৬ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৮৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮.৯১ শতাংশ।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতির এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। 

মূল্যস্ফীতি নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর আগের মাস অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সে হিসেবে এই হার সামান্য একটু কমেছে, শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতি হিসাবকে সরকার দুই ভাগে ভাগ করে থাকে। খাদ্য এবং খাদ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্য। নভেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে তা বেড়েছে। এ সময় খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং অক্টোবরে ছিল ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। অপর দিকে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি অক্টোবরে ছিল ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। নভেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশে। 

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী তেল গ্যাসের দাম কমে এসেছে, আমাদের দেশেও অবধারিতভাবে কমবে। তাই সামনের দিনগুলোতে আমাদের মূল্যস্ফীতি আরও কমে আসবে। শুধু তাই নয় চলমান ইউক্রেন-রাশিয়ার এ যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন যেমন আছে তেমনটি স্থির থাকলেও চলতি অর্থবছর শেষে আমাদের কাঙ্ক্ষিত মাত্রা, প্রায় ৭ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে বলে আশা করছি।’

নভেম্বর মূল্যস্ফীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

তিন দিনের পর্যটন মেলায় শতকোটি টাকার ব্যবসা

প্রকাশ: ০৯:০৮ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে (বিআইসিসি) প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা। দেশের পর্যটন খাতকে চাঙা করতে এই মেলার আয়োজন করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)। সাড়াও মিলেছে বেশ। তিন দিনব্যাপী মেলায় বুকিংসহ ১০০ কোটির মতো ব্যবসা হয়েছে বলে আটাব এর সূত্রে জানা গেছে।

আটাব বলছে, এবারের মেলায় ভারত, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, ওমান, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, আজারবাইজান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ১৫টি দেশ থেকে ৯০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ভালো ব্যবসা করেছে বলে জানান আয়োজকেরা।

পর্যটন মেলায় বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোর স্টলে বেশি ভিড় লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে বেসরকারি খাতের বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, নভোএয়ার ও সদ্য বাজারে আসা এয়ার অ্যাস্ট্রার স্টলে ছিল বেশি ভিড়। সরকারি প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টলেও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় ভ্রমণ, ভিসাসহ বিভিন্ন রিসোর্ট ও ভ্রমণ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশ নেয় অনলাইনভিত্তিক সেবা প্রদানকারী শেয়ার ট্রিপ, ফ্লাইট এক্সপার্ট ও ট্রাভেল চ্যাম্পের মতো প্রতিষ্ঠান।

এসব প্রতিষ্ঠান মেলা উপলক্ষে ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রির জন্য উপস্থাপন করে। এ সুযোগ লুফে নেন মেলায় আসা বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

বাড়লো সোনার দাম, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ

প্রকাশ: ০৭:৫০ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালোমানের সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নতুন দাম রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে গত ১৮ ও ১৩ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। ফলে ২১ দিনের মধ্যে দেশের বাজারে তিন দফা বাড়লো সোনার দাম। এতে দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে গেছে দামি এ ধাতুটি।

এর আগে চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বর সব থেকে ভালোমানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভালোমানের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা। দেশের বাজারে এতদিন এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল।

এখন সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো সোনার দাম। ভালোমানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৩ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোন অপরিবর্তিত আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শনিবার বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী— সব থেকে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ ও ১৩ নভেম্বর সোনার দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ২৫ অক্টোবর এবং ২৭, ১৯ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। তার আগে ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২২ আগস্ট সোনার দাম বাড়ানো হয়। এর আগে ১৮ আগস্ট সোনার দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। তবে ৪ ও ৭ আগস্ট এবং ২৭ ও ২৯ জুলাই সোনার দাম বাড়ানো হয়।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন