ইনসাইড এডুকেশন

জাতির জনকের সমাধিতে জাবি উপাচার্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশ: ১২:৪৯ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জাতির জনকের সমাধিতে জাবি উপাচার্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল আলম।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন , ‘বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার না দিলে আমি হয়তো উপাচার্য হতে পারতাম না।’

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর উপাচার্য বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে সূরা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর তিনি শোকবইতে স্বাক্ষর করে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত মিউজিয়াম ও গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন।

উপাচার্য আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অসামান্য অবদানের প্রতি সামান্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনা করতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে নিয়ে এখানে আসা। আজকের এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ সহ আয়োজক কমিটির সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ।’

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মোঃ মনজুরুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ডিন অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নুহু আলম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর কবির, পরিবহন অফিসের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ছায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান সহ প্রায় ২০০ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

জাতির জনকের সমাধিতে   জাবি উপাচার্যের   শ্রদ্ধাঞ্জলি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

বরিশাল বোর্ডে জিপিএ-৫ পাসে মেয়েরা এগিয়ে

প্রকাশ: ১১:২০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

এসএসসিতে বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। এরমধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ৬৮ শিক্ষার্থী। তবে এবারও এ শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএ’র হারে এগিয়ে।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) বেলা দেড়টায় ফলাফলের পরিসংখ্যান ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ বছর পরীক্ষায় বরিশাল বোর্ড থেকে অংশ নেয় ৯৪ হাজার ৮৭১ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৪৫ হাজার ৯৭১ জন এবং ছাত্রী ৪৮ হাজার ৯০০।

পাস করেছে ৮৫ হাজার ১৪ জন; যার মধ্যে ছাত্র ৪০ হাজার ৪৩৫ এবং ছাত্রী ৪৪ হাজার ৫৭৯ জন। বিভাগে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ভোলা জেলা।
 
গত বছর বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ১৯ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে দশমিক ৫৮ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ কমেছে ১৫১টি।

জিপিএ-৫  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

নাটোরে এক পা দিয়ে লিখে এসএসসি পাস করল সেই রাসেল

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নাটোরে সিংড়ায় উপজেলার এক পায়ের আঙুল দিয়ে লিখে এবার এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন রাসেল মৃধা। সে এবার এসএসসিতে জিপিএ ৩.৮৮ পেয়েছেন
শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েও তাকে কোনো বাধাই পিছনে ফেলতে পারেনি। এভাবেই সকল বাধাকে পিছনে ফেলে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে চান রাসেল মৃধা।
প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী রাসেল মৃধা সিংড়া উপজেলার শোলাকুড়া মহল্লার দিনমজুর আব্দুর রহিম মৃধার ছেলে। শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সে।

রাসেলের জন্ম থেকেই দুই হাত নেই, ডান পাও নেই। বাঁ পা থাকলেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক ছোট। রাসেল ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখে পড়াশোনা শেষ বা-মার সকল দায়িত্ব নিবে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তার চেষ্টার কোনো কমতি নেই।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অভাব-অনটনের মাঝেও প্রতিবন্ধী রাসেল মৃধার লেখাপড়ার প্রতি আলাদা স্পৃহা দেখে তার দরিদ্র বাবা-মা হাল ছাড়েননি। তার স্বপ্ন পূরণে পড়াশোনা করিয়ে চলেছেন। সে বিগত দিনে পিএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। সামনের দিনগুলোও সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে যেতে চান রাসেল।
প্রতিবন্ধী রাসেল মৃধা বলেন, ‘আমার দুটো হাত নাই, একটি পাও নেই। এক পা দিয়ে লিখে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ করেছি। সকলের দোয়ায় আমি এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। যেন সামনের দিনগুলোতে ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারি।

রাসেল আরও বলেন, ‘আমার অনেক ইচ্ছা লেখাপড়া করে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে একটি চাকরি করবো। আমার বাবা-মার সকল দায়িত্ব নিবো। তারা আমার জন্য অনেক কষ্ট করেছে। আমার ফলাফলের জন্য আমার বাবা-মা ও শিক্ষকদের প্রতি  চির কৃতজ্ঞ।রাসেল মৃধার বাবা আব্দুর রহিম মৃধা বলেন, ‘শারীরিক সীমাবদ্ধতা আমার ছেলের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। সে এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছি। আমি অনেক আনন্দিত। তার লেখাপড়ার প্রতি অনেক আগ্রহ। দিনমজুরের কাজ করে অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করাচ্ছি। লেখাপড়া শিখে সে একদিন আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবে। সবাই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন।

শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা অধ্যক্ষ মাওলানা মোর্তারফ হোসেন জানান, রাসেল মৃধা এবছর আমার প্রতিষ্ঠান থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সে কৃতিত্বের সঙ্গে সাফল্য অর্জন করবে। লেখাপড়া শিখে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে পারে সেজন্য তার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইলো।’

উল্লেখ্য ‘পা দিয়ে লিখে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে রাসেল’ এ শিরোনামে  বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করলে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আসে। পরে জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ সিংড়া পৌর এলাকার শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা কেন্দ্রে রাসেলকে দেখতে ছুটে যান। এসময় তিনি রাসেলকে আর্থিক সহযোগিতাও প্রদান করেন।

পা দিয়ে লিখে   এসএসসি   রাসেল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

রামুতে আরকেকে'র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

প্রকাশ: ০৫:৪০ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কক্সবাজারের রামুতে জাপান ভিত্তিক মানবতাবাদী সংগঠন রিসসো কোসেই-কাই এর উদ্যোগে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। 

এই উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারের অধ্যক্ষ শীলপ্রিয় মহাস্থবির। 

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশের ব্রাঞ্চ প্রধান কাজুয়া নাগাসিমা। 

বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেন, আরকেকে এনজিও বোর্ডের পরিচালক বংকিম বড়ুয়া, আরকেকে টেম্পল কক্সবাজারের আহ্বায়ক সৌমেন বড়ুয়া, সহকারী ব্রাঞ্চ প্রধান কল্লোল বড়ুয়া, অনুজ বড়ুয়া, রামু প্রেস ক্লাব সভাপতি নীতিশ বড়ুয়া, স্থানীয় ইউপি সদস্য বিপুল বড়ুয়া আব্বু, আরকেকে'র হিসাব রক্ষক ডিপলু বড়ুয়া, চট্টগ্রামের শিক্ষা বিষযক প্রধান মৃদুল কান্তি বড়ুয়া, আরকেকে লিডার মুকুট বড়ুয়া ও বাবুল বড়ুয়া প্রমূখ। 

আলোচনা সভা শেষে ২শতাধিক দরিদ্র, অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন অতিথিরা।

শিক্ষা উপকরণ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছে কুড়িগ্রামের মানিক


Thumbnail

পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মানিক রহমান।

অদম্য মেধাবী মানিক রহমান এ বছর কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। 

জন্ম থেকেই দুই হাত নাই মানিকের। দুই পা থাকলেও একটি লম্বা ও অন্যটি খাটো। অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকায় সে সুস্থ ও স্বাভাবিক অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মতোই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। মানিক রহমান উপজেলার চন্দ্রখানা গ্রামের মিজানুর রহমান ও মরিয়ম দম্পতি ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অদম্য মেধাবী এই শারীরিক প্রতিবন্ধী মানিক রহমানের দুই হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (পাইলট) কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। সে জেএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ ৫ পেয়েছেন। এবারে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে সবাইকে চমকে দিলেন।

মানিক রহমান বলেন, আল্লাহর কাছে লাখ শুকরিয়া আমি জিপিএ ৫ পেয়েছি। আমি বাড়িতে বসে আমার কম্পিউটারে পরীক্ষার ফলাফল দেখেছি। আমি খুবই আনন্দিত। আমার স্বপ্ন আমি লেখাপড়া শেষ করে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হবো।

মানিক রহমানের মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার ছেলে জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী। লেখাপড়ায় তার খুব আগ্রহ। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করছি তাকে। আজকের রেজাল্ট শুনে আমি খুবই আনন্দিত। সবাই দোয়া করবেন আমার ছেলেটা লেখাপড়া শেষ করে যেন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে পারে।

বাবা ওষুধ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, আমার দুই ছেলে তার মধ্যে মানিক বড়। জন্মের পর থেকেই সে শারীরিক প্রতিবন্ধী। ছোট থেকেই তাকে পা দিয়ে লেখার অভ্যাস তৈরি করি। আমার ছেলে যখন ভালো রেজাল্ট করে তখন খুব ভালো লাগে।

ফুলবাড়ী জছি মিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবেদ আলী খন্দকার বলেন, মানিক রহমান ছাত্র হিসেবে খুবই ভালো। সে জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে। তাছাড়াও ট্যালেন্ট ফুল বৃত্তিও পেয়েছে। আমার দীর্ঘ বিশ্বাস ছিল এসএসসি পরীক্ষায় সে জিপিএ ৫ পাবে। আজ তার ফলাফলে আমরা খুবই খুশি।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শামছুল আলম আলম বলেন, মানিক রহমান জিপিএ ৫ পেয়েছেন এটা গর্বের বিষয়। আমি মানিক রহমানের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করি।

পা দিয়ে লিখ   জিপিএ-৫   এসএসসি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশ করেনি কেউই

প্রকাশ: ০৩:২৪ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ৫০ বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। কেউই পাস করতে পারেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গত বছর ছিল ১৮টি। অর্থাৎ শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৩২টি।

অপরদিকে এ বছর শতভাগ পাস করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ২ হাজার ৯৭৫টি। শতভাগ পাস করেছিল এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গত বছর ছিল ৫ হাজার ৪৯৪টি। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২ হাজার ৫১৯টি।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে গণভবন থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল তুলে ধরেন।

এতে দেখা যায়, নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে এবার পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গত বছর এর হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল।

এছাড়া এবার মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ জন। এবারও জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা। এবার ছাত্রীদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৬ জন। অন্যদিকে ছাত্রদের মধ্যে ১ লাখ ২১ হাজার ১৫৬ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

এছাড়া বোর্ডগুলোর পাসের হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ৯০ দশমিক ০৩, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮৬ দশমিক ৭, বরিশাল বোর্ডে ৮৯ দশমিক ৬১, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৭ দশমিক ৫৩, কুমিল্লা বোর্ডে ৯১ দশমিক ২৮, দিনাজপুর বোর্ডে ৮১ দশমিক ১৪, যশোর বোর্ডে ৯৫ দশমিক ৩, রাজশাহী বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৮৭, সিলেট বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৮২, মাদরাসা বোর্ডে ৮২ দশমিক ২২ আর কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৭ শতাংশ।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন