ইনসাইড গ্রাউন্ড

লীগ নির্ধারনী মহাগুরুত্বপূর্ণ শেষ ম্যাচের আগে সুসংবাদ পেলেন গার্দিওলা

প্রকাশ: ০৩:৫৫ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail লীগ নির্ধারনী মহাগুরুত্বপূর্ণ শেষ ম্যাচের আগে সুসংবাদ পেলেন গার্দিওলা

আজ সিটি তো কাল লিভারপুল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে এই মৌসুমের শেষে এসে যেনো কোন দলেরই পা হড়কানোর বিন্দু পরিমাণ কোন সুযোগই নেই। কারণ এক পয়েন্টেই যে ঠিক হতে যাচ্ছে এই মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন দলের ভাগ্য। 

এক দশক আগেও যেখানে ৯০ পয়েন্টে নির্ধারিত হয়ে যেতো লীগ জয়ের ভাগ্য। যেখানে এই মৌসুমে লিভারপুল ও সিটি সেটিকে নিয়ে গেছে এক অন্য উচ্চতায়। দুই দলই নিঃশ্বাস ফেলছে একে অন্যর ঘাড়ে। 

যদিও ৩৭ ম্যাচ শেষে ৯০ পয়েন্ট নিয়ে এই মৌসুমে লীগের সবার উপরে আছে সিটি। কিন্তু সমান ম্যাচ খেলে ঠিক এক পয়েন্ট পিছিয়ে সিটির সাথেই লিভারপুলের অবস্থান। দুই দলের হাতেই আছে সমান একটি করে ম্যাচ। সিটি যদি শেষ ম্যাচে এসে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে পচা শামুকে পা না আর কাটে তবে এবারের ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে জয়ী দল হবে তারাই। তবে… জয় ব্যাতিত অন্য যেকোনো ফলাফলই পাল্টে দিতে পারে লীগ ভাগ্য রেখা। কারণ সিটি জয় হীন ম্যাচে লিভারপুল যদি উলভসকে হারিয়ে দেয়, তাহলে আর শীর্ষে থাকা হবে না সিটির। 

দুই দলের জন্যই প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের মত টান টান উত্তেজনায়। আর তাই তো আগামী রোববার রাত নটায় শুরু হতে যাওয়া দুটি ম্যাচের ফলাফল আসার আগে তাই কোনোভাবেই বলা যাচ্ছে না, এবার কে জিতবে লিগ শিরোপা।  

এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই গার্দিওলার চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন দলের ডিফেন্ডাররা। একে একে চোটে পড়েছিলেন জন স্টোনস, রুবেন দিয়াস, নাথান আকে, কাইল ওয়াকারের মতো ডিফেন্ডাররা।

গত কয়েক ম্যাচে তো দলের ৩৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ফার্নান্দিনিওকেই খেলতে হয়েছিল সেন্টারব্যাক হিসেবে। মহাগুরুত্বপূর্ণ শেষ লিগ ম্যাচের আগে সে ভয়ে থাকতে হচ্ছে না আর গার্দিওলাকে। আসল সময়ে ওয়াকার ও স্টোনস দুজনই ফিট হয়ে গিয়েছেন, দলের সঙ্গে অনুশীলনও করেছেন। যদিও দিয়াস এখনও দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেননি।

রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে চোটে পড়েছিলেন স্টোনস। আগের রাউন্ডের অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চোটে পড়েছিলেন ওয়াকার।

অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে শেষ লিগ ম্যাচের আগে এর চেয়ে বড় সুসংবাদ হয়তো পেতে পারতেন না গার্দিওলা!

ম্যানচেস্টার সিটি   লিভারপুল   ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বোলিং নৈপুণ্যে প্রোটিয়াদের উড়িয়ে দিলো ভারত

প্রকাশ: ০৯:১৫ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বোলিং নৈপুণ্যে প্রোটিয়াদের উড়ীয়ে দিলো ভারত

প্রথমে বোলারদের দাপট, এরপর লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার যাদবের দানবিয় ব্যাটিংয়ে সহজ জয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। গতকাল বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থিরুভানাথাপুরামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মার দলের জয় ৮ উইকেটে।

বোলারদের নৈপুণ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৬ রানে আটকে দিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা ২০ বল বাকি থাকতে। 

অনুশীলনে পাওয়া পিঠের চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি জাসপ্রিত বুমরাহ। তার বদলে দলে আসা চাহার ২৪ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ২৬ রান দিয়ে দুইটি উইকেট নেন হার্শাল প্যাটেল। এদিকে, উইকেট না পেলেও দুর্দান্ত বোলিং করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও আকসার প্যাটেল। নিজের প্রথম ও ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে জয়ের ভিত গড়ে দেওয়া আর্শদিপ জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। শেষ পর্যন্ত তার বোলিং ফিগার ৪-০-৩২-৩। শুরুতে মন্থর ব্যাটিং করা রাহুল পরে রানের গতি বাড়িয়ে ৫৬ বলে করেন ৫১ রান। ৪ ছক্কার সঙ্গে মারেন ২ চার। ৩৩ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ চারে ৫০ রান করেন সূর্যকুমার। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৯৩ রানের। 

চাহার ও আর্শদিপের চমৎকার বোলিংয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। স্কোরবোর্ডে ৯ রান যোগ হতেই হারায় তারা ৫ উইকেট।  টি-টোয়েন্টিতে দুই অঙ্কে যাওয়ার আগে ৫ উইকেট হারানোর অভিজ্ঞতা নেই টেস্ট খেলুড়ে আর কোনো দলের। এর আগে সবচেয়ে কম রানে দক্ষিণ আফ্রিকার ৫ উইকেট পড়েছিল ২০০৭ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০ রানে। 

সফরকারীদের শিবিরে প্রথম ছোবল হানেন চাহার। ইনিংসের ষষ্ঠ বলে তার দুর্দান্ত ইনসুইঙ্গারে স্টাম্প এলোমেলো হয়ে যায় টেম্বা বাভুমার। প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড এরপর ভেঙে দেন আর্শদিপ। তার অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল স্টাম্পে টেনে আনেন কুইন্টন ডি কক। সুইং করে বেরিয়ে যাওয়া বলে কট বিহাইন্ড হন রাইলি রুশো। পরের বলে আর্শদিপ চমকে দেন ডেভিড মিলারকে। ভেতরে ঢোকা বল ভেঙে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের স্টাম্প। 

চাহারের বাড়তি লাফিয়ে ওঠা বলে থার্ডম্যানে ধরা পড়েন ট্রিস্টান স্টাবস। আউট হওয়া পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেবল ডি কক খুলতে পারেন রানের খাতা। রুশো, মিলার, স্টাবস পান গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ৫ উইকেট নিতে স্রেফ ১৫ বল লাগে ভারতের, যা তাদের সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার শুরুর ৫ উইকেট নিয়েছিল তারা ৩১ বলে। 

অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে কিছুক্ষণ টানেন এইডেন মারক্রাম। তাকে এলবিডব্লিউর রিভিউ নিয়ে ফেরায় ভারত। ওয়েইন পার্নেলকে বিদায় করেন আকসার প্যাটেল।  দক্ষিণ আফ্রিকা একশ পার করে কেশভ মহারাজের ব্যাটে। ২ ছক্কা ও ৫ চারে ৩৫ বলে ক্যারিয়ার সেরা ৪১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আগের ১৮ টি-টোয়েন্টিতে ৪ ইনিংস ব্যাটিং করে তার মোট রান ১৫, সেরা ছিল ১১। 

ছোট পুঁজি নিয়ে শুরুতে ভারতকে চেপে ধরে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাদার বলে কট বিহাইন্ড হন রোহিত শর্মা। এরপর যেন রান করার পথই খুঁজে পাচ্ছিল না স্বাগতিকরা। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে কেবল ১৭ রান। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ৬ ওভারে যা তাদের সর্বনিম্ন। 

সপ্তম ওভারের প্রথম বলে আনরিক নরকিয়ার বলে বিরাট কোহলি কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়লে আরও বিপদে পড়ে ভারত। এই পেসারকে টানা দুটি ছক্কায় উড়িয়ে চাপ কিছুটা সরিয়ে দেন সূর্যকুমার। একটা সময় রাহুলের রান ছিল ৩৬ বলে ১৫। দশম ওভারে নরকিয়াকে ছক্কা মেরে রানের গতিতে দম দেন তিনি। পরে বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার তাবরাইজ শামসিকে মারেন আরেকটি।  আরেক প্রান্তে দ্রুত রান তুলতে থাকেন সূর্যকুমার। ৩৩ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি। শামসিকে ছক্কায় উড়িয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে নিজের ফিফটিও পূর্ণ করেন রাহুল, ৫৬ বলে। দুই দলের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আগামী রবিবার। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর: 

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১০৬/৮ (ডি কক ১, বাভুমা ০, রুশো ০, মারক্রাম ২৫, মিলার ০, স্টাবস ০, পার্নেল ২৪, মহারাজ ৪১, রাবাদা ৭*, নরকিয়া ২*; চাহার ৪-০-২৪-২, আর্শদিপ ৪-০-৩২-৩, অশ্বিন ৪-১-৮-০, হার্শাল ৪-০-২৬-২, আকসার ৪-০-১৬-১) 

ভারত: ১৬.৪ ওভারে ১১০/২ (রাহুল ৫১*, রোহিত ০, কোহলি ৩, সূর্যকুমার ৫০*; রাবাদা ৪-১-১৬-১, পার্নেল ৪-০-১৪-০, নরকিয়া ৩-০-৩২-১, শামসি ২.৪-০-২৭-০, মহারাজ ৩-০-২১-০) 

ফল: ভারত ৮ উইকেটে জয়ী 

ম্যান অব দা ম্যাচ: আর্শদিপ সিং 

সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে ভারত


ক্রিকেট   টি-টোয়েন্টি   টি-টোয়েন্টি সিরিজ   ভারত   দক্ষীন আফ্রিকা   প্রোটিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ একাদশে বিশাল বড় পরিবর্তন

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশের বিশ্বকাপ একাদশে বিশাল বড় পরিবর্তন

১৬ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের অষ্টম আসর। এই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের ঝালাই করে নিতে দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলতে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। যদিও এই সিরিজে দলে ছিলেন না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। দলে না থেকেও দলের সব ব্যাপারে সাথে ছিলেন পুরো সিরিজ জুড়ে। সাকিব বিহীন বাংলাদেশের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে স্বাগতিক আরব আমিরাত। প্রথম ম্যাচে অনেক কষ্টে জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দাপটের সাথে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

সিরিজ জয় করেই ঢাকার উদ্দেশ্যে ফ্লাইটে উঠে বাংলাদেশ। আজ বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টায় হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

সকালে দেশে ফিরে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান গণমাধ্যমকে বলেন, এমন জয় দলকে বুস্ট আপ করবে। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের আগে এমন অনুশীলনের সুযোগ সুবিধা পরবর্তীতে কাজে দিবে। আরব আমিরাতের সাথে সিরিজ খেলতে না গিয়ে দেশে থাকলে আমাদের পক্ষে এমন অনুশীলন করা সম্ভব ছিল না। সেই সাথে বিশ্বকাপে দলে পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দেন সোহান।

সোহান বলেন, ‘বিশ্বকাপের জন্য যে ১৮-২০ জনের স্কোয়াড আছে তাদের যে কারোরই দলে থাকার সুযোগ আছে। কারন বিশ্বকাপ অনেক বড় টুর্নামেন্ট। সবার জন্যই দরজা খোলা। বিশ্বকাপই আমাদের মূল লক্ষ্য। তবে এটা টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনা। নিউজিল্যান্ডে গিয়ে পরিস্থিতি ও কন্ডিশন কেমন থাকে এসব দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সোহান সেই সঙ্গে আরও যোগ করেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে আমার কাছে মনে হয় অনেক সময় বড় রান করা থেকে স্ট্রাইক রেট পরিস্থিতি অনুযায়ী রানটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ থাকে। আসলে আমাদের সবার লক্ষ্য ওটাতেই ছিল। প্রতিদিন একরকম হবে বিষয়টা এমন না। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের আগে এমন অনুশীলনের সুযোগ সুবিধা পেয়েছি যা দলের সবার জন্য বুস্ট আপ করবে এবং কনফিডেন্ট দেবে।’

বিশ্বকাপের আগে ইতিমধ্যেই প্রতিটি দল তাদের চূড়ান্ত একাদশ ঘোষণা করে দিয়েছে। বাংলাদেশ দলও ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। ঘোষণাকৃত সেই দলে সৌম্য সরকারকে রাখা হয়েছে সাইড বেঞ্চে। আরব আমিরাতের সাথে টি-টুয়েন্টি সিরিজে ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যার্থ হয়েছে সাব্বির রহমান। তাই বিশ্বকাপ দলে সাব্বিরের বদলি হিসেবে কপাল খুলতে পারে সৌম্য সরকারের। সেই সাথে ইয়াসির আলীর পরিবর্তে দলে ফিরতে পারে শান্ত। সেই সাথে দলে আসতে পারে আরো কিছু পরিবর্তন।


ক্রিকেট   সোহান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

১৪ বছর পর দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ

প্রকাশ: ০২:৫৬ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ১৪ বছর পর দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ

পাকিস্তানের সাথে সর্বশেষ ২০০৭-০৮ মৌসুমে দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজ খেলেছিল ভারত। এর পর প্রায় কেটে গেছে এক যুগেরও বেশী সময়। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে পাকিস্তানের সাথে সবধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলা থেকে বিরত আছে ভারত। তাই বৈশ্বিক ও মহাদেশীয় আসর ছাড়া এই দুই দল একে অপরের মুখীমুখী হয় না।

তবে সেই ১৪ বছরের আক্ষেপ অবশেষে মিটানোর সম্ভাবনা একটু হলেও উকি দিয়েছে। আর এই সম্ভাবনাটি তৈরী হয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) কল্যাণে।

ভারতীয় এক গণমাধ্যম থেকে জানা যায় ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজ ইংল্যান্ডে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে ইসিবি। জানা গেছে, পাকিস্তানে চলমান ইংল্যান্ড সফরে দলের সঙ্গে আছেন ইসিবি’র ডেপুটি চেয়ারম্যান মার্টিন ডার্লো। এই সিরিজ চলাকালিন তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এই আলোচনার পরই ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ইসিবি’র পক্ষ থেকে। কিন্তু তাদের সেই প্রস্তাবে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) সরাসরি না জানলেও তাদের এই সিরিজে রাজী হয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। বিসিসিআই রাজী হলে অবশ্য ক্রিকেটপ্রেমীদের আক্ষেপ মিটতে চলেছে শীঘ্রই।

২০০৮ সাল পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৫টি টেস্ট সিরিজ খেলা হয়েছে। তার মধ্যে ভারত জিতেছে ৪টি সিরিজ। আর পাকিস্তান জিতেছে ৫টি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আবারো হাসপাতালে ভর্তি নাসিম শাহ

প্রকাশ: ০১:৪৭ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail আবারো হাসপাতালে ভর্তি নাসিম শাহ

এশিয়া কাপে চোখ ধাধানো পার্ফরম করে নাসিম শাহ জয় করেছে সবার মন। বিশেষ করে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে শেষ ওভারে পর পর দুইটি ছক্কা হাকিয়ে স্মরণীয় এক জয় উপহার দিয়েছিল দলকে। কিন্তু এশিয়া কাপে পায়ে ব্যাথা পায় এই বোলার। চোট বেশী না থাকায় এক ম্যাচ বিশ্রাম নিয়ে খেলেছিলেন ফাইনালে। যদিও ফাইনালে কাঙ্ক্ষিত জয়ের দেখা পায়নি পাকিস্তান। তাই দেশে ফিরে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ইংল্যান্ডের সাথে টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলার আয়োজন করে পাকিস্তান। কিন্তু এই প্রস্তুতি চলাকালীন সময়ে আবারো নাসিম শাহ কে ভর্তি হতে হলো হাসপাতালে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায় মূলত ভাইরাল ইনফেকশনের কারনেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আজ পঞ্চম ম্যাচে রাতে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। তবে এই ম্যাচে নাসিম শাহকে পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন দলের এক মুখপাত্র।

সেই মুখপাত্র জানিয়েছেন, তার স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ হওয়ার কারনেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। তবে সেই অবস্থা থেকে উন্নতি হয়েছে তার, সিরিজের পরের দুই ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন কি না, সেটা নির্ভর করবে মেডিক্যাল রিপোর্টের ওপর।

এর আগের তিন ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন তিনি। আজকের ম্যাচে অসুস্থতার কারনে হাসপাতালে থাকায় বিধ্বংসী এই বোলারকে ছাড়াই খেলতে নামবে পাকিস্তান।  


নাসিম শাহ   পাকিস্তান ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাদ পড়লেন সাব্বির, ওপেনিংয়ে ফিরবে লিটন

প্রকাশ: ১২:৩৯ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বাদ পড়লেন সাব্বির, ওপেনিংয়ে ফিরবে লিটন

শেষ তিন বছর যাবত রান খরায় ভুগতে থাকা সাব্বির রহমানকে এশিয়া কাপে ফেরানো হয় জাতীয় দলে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার কারনেই মূলত দলে জায়গা পায় এই হার্ড হিটার। শুধু তাই নয়, খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন ওপেনিংয়ে। কিন্তু ব্যাট হাতে প্রতিবারই চূড়ান্ত ব্যর্থ হচ্ছেন এই ক্রিকেটার। একের পর এক দলকে বাজে পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ায় এবার তার উপর আস্থা হারিয়েছেন বাংলাদেশ দলের নতুন কোচ শ্রীধরন শ্রীরাম। তাই হয়তো বিশ্বকাপের আগে আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজেই বেঞ্চে বসে থাকতে হতে পারে এই ক্রিকেটারকে।

টানা তিন ম্যাচে ওপেনিং করতে নেমে সাব্বির করেছেন , ১২ রান। তাই সাব্বিরে মোহভঙ্গ বিসিবির নির্বাচকদেরও। ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারের জন্য একাদশে আর জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না কোচ শ্রীধরন শ্রীরাম। নিউজিল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজে সাব্বিরের জায়গা ঠিক করা হয়েছে রিজার্ভ বেঞ্চে।

২০১৯ সালে জাতীয় দল পর্ব শেষ করে ফেলেছিলেন সাব্বির। গত তিন বছর টেস্ট, ওয়ানডে, টি২০ কোনো সংস্করণেই ছিলেন না তিনি। একের পর এক শৃঙ্খলা ভেঙে নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিলেন। ঘরোয়া লিগে নজর কাড়ার মতো পারফরম্যান্সও ছিল না।

তবুও জাতীয় নির্বাচক প্যানেল মুগ্ধ ছিলেন সাব্বিরে। বাংলাদেশদলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ৫০ ওভারের ম্যাচে একটি হাফ সেঞ্চুরি (৬২ রান) করেই সুযোগ পান এশিয়া কাপ দলে। এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিয়মিত দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় নাঈম শেখের ব্যর্থতার সুযোগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মেকশিফট ওপেনার হিসেবে সাব্বিরকে খেলানো হয় মিরাজের সঙ্গে। মিরাজ তিন ম্যাচের দুই ইনিংসে রান করলেও সাব্বির প্রমাণ করে দেন জাতীয় দলের মানে আর নেই তিনি।

মিরাজ-সাব্বিরকে টানা তিন ম্যাচে সুযোগ দিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন কোচ শ্রীরাম। আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী দ্বিতীয় ম্যাচে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে গতকালই। নিউজিল্যান্ডে সাব্বিরের জায়গায় খেলবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু ওপেনিংয়ে ফিরিয়ে আনা হতে পারে লিটন দাসকে। সেই সাথে ওপেনিংয়ে মিরাজ তাকবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত নিতে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের জন্য অপেক্ষা করতে হবে কোচকে।

 


সাব্বির   লিটন   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন