ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফুটবল থেকে সরে যাচ্ছে সাইফ স্পোর্টিং

প্রকাশ: ০৫:৪৪ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ফুটবল থেকে সরে যাচ্ছে সাইফ স্পোর্টিং

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড। ইতোমধ্যে নিজেদের এই সিদ্ধান্ত দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাফুফেকে জানিয়েও দিয়েছে তারা। 

এবারের প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের সেরা সাফল্য পেয়েছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। সর্বোচ্চ তৃতীয় স্থান অর্জন করে লিগ শেষ করার পরদিনেই সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের এই অবস্থান অবাক করেছে ফুটবলের পাশাপাশি পুরো ক্রীড়াঙ্গনকেই।

সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবটি মূলত পরিচালিত হয় সাইফ পাওয়ারটেকের গ্রুপের অর্থায়নে। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিন বলেন, ‘সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে আমি সেভাবে সম্পৃক্ত না। বোর্ড অফ ডিরেক্টরদের সভায় ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত না থাকার সিদ্ধান্তটা হয়েছে।’

কারণ হিসেবে সাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘যে পরিমাণ ব্যয় হয় বিপরীতে রিটার্ন সেভাবে আসছে না। এমনকি জাতীয় ফুটবলে সেভাবে প্রভাব পড়ছে না। এর পাশাপাশি গ্রুপের ব্যবসা বাণিজ্যিক কাজে ব্যস্ততাও অনেক। দল পরিচালনায় যে সময় প্রয়োজন,সেটা দেয়াও কঠিন হয়ে যাচ্ছে গ্রুপের পক্ষ থেকে।’

ক্লাবটি ক্লাব মাস দু’য়েক আগে যুব দলের ট্রেনিং করিয়েছিল। সেই সকল কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যাবে, ‘গ্রুপের সিদ্ধান্ত ফুটবল সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম থেকে সাময়িক বিরতিতে থাকা। ভবিষ্যতে সুবিধাজনক পরিস্থিতিতে হয়তো আবার ফুটবলে আসা হতে পারে।’ 

ঘরোয়া ফুটবলে প্রথম কর্পোরেট দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এখানে অধিনায়কত্ব করেছেন কয়েক বছর। পাশাপাশি জাতীয় দলে তাদের একাধিক ফুটবলার রয়েছে।

সাইফ স্পোর্টিং গত কয়েক বছরে ক্রীড়াঙ্গনে বেশ সুনাম অর্জন করেছিল। ফুটবলের পাশাপাশি দাবা দলও রয়েছে। সাইফ পাওয়ারটেক ক্রীড়াঙ্গনে অনেক পৃষ্ঠপোষকতাও করে থাকে। সেগুলো অব্যাহত থাকার কথা জানান তিনি, ‘দাবা দল থাকবে। এছাড়া অন্যান্য সবই চলবে। শুধু ফুটবলের কার্যক্রমটা স্থগিত।’


ফুটবল   প্রিমিয়ার লিগ   সাইফ স্পোর্টিং  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইউনাইটেডের জালে হালান্ড-ফোডেনের গোলবন্যা

প্রকাশ: ০১:৩০ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ইউনাইটেডের জালে হালান্ড-ফোডেনের গোলবন্যা

টানা চার ম্যাচে জয় পাওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে কোনো সুযোগই দিল না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। অষ্টম মিনিটে প্রথম পেরেকটা ঠোকেন ফিল ফোডেন। ৩৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে সফরকারীদের আত্মবিশ্বাস গুঁড়িয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। দুই গোলে পিছিয়ে গিয়ে ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি টেন হাগের শিষ্যরা। অন্যদিকে সফরকারীদের জালে একের পর এক বল জড়ানোর উল্লাসে মেতেছে পেপ গার্দ্দিওলার শিষ্যরা।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে রোববার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৬-৩ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। উত্তেজনার ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হ্যাট্ট্রিক করেছেন সিটির দুই ফরোয়ার্ড আর্লিং হালান্ড আর ফিল ফোডেন। 

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই ইউনাইটেডকে চেপে ধরেন সিটি ফরোয়ার্ডরা। বার্নার্ডো সিলভার পাস থেকে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন ফিল ফোডেন। এগিয়ে গিয়েও আক্রমণের ধার কমেনি সিটিজেনদের। ৩৪ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন হালান্ড। সে গোলের রেশ না কাটতেই তিন মিনিট পর আবারও ইউনাইটেডের জালে বল জড়ান নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।

৩ গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধে আক্রমণেই উঠতে পারছিল না ইউনাইটেড। হালান্ড-ফোডেনদের আক্রমণ সামলাতে রক্ষণেই সময় বেশি দিতে হচ্ছিল টেন হাগের শিষ্যদের। তাতেও রক্ষা হয়নি। ৪৪ মিনিটে হালান্ডের পাসে লিডটা ৪-০ তে নিয়ে যান ফোডেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় অবিশ্বাস্য এই স্কোরলাইনেই!  

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে ইউনাইটেড। ৫৬ মিনিটে এরিকসনের অ্যাসিস্টে সিটির জালে বল জড়ান অ্যান্টনি। তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি অবশ্য। ৬৪ মিনিটে আবারও গোল করে নিজের হ্যাট্ট্রিক পূরণ করেন হালান্ড। স্কোর হয়ে যায় ৫-১। এই ম্যাচে রেড ডেভিলদের ফেরা কঠিন হয়ে যায় হালান্ডের হ্যাটট্রিকে। 

নিজের হ্যাট্ট্রিকের পর সতীর্থের হ্যাট্ট্রিকেও অবদান রেখেছেন নরওয়েজীয়ান তারকা। ৭২ মিনিটে ফোডেনের তৃতীয় গোলে অ্যাসিস্টাও তারই। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ফোডেন সিটিকে নিয়ে যান ধরাছোঁয়ার আরও বাইরে। স্কোর হয়ে যায় ৬-১।

৮৪ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ে ইউনাইটেডের হয়ে মার্শাল দুটি গোল শোধ করলেও তাতে শুধু ব্যবধানই কমেছে। ৬-৩ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি।


খেলাধূলা   ফুটবল   প্রিমিয়ার লিগ   ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড   ম্যান সিটি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের কাছে ৯ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১২:০১ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail পাকিস্তানের কাছে ৯ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

দাপুটে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের সামনে মুখ থুবড়ে পড়লো। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পুরো ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে মাত্র ৭০ রান তুলেছিল নিগার সুলতানার দল।

পাকিস্তান এই রান পার করতে নিয়েছে মাত্র ১২.২ ওভার। বাংলাদেশের মেয়েরা হেরেছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই ওপেনার মুনিবা আলি আর সিদরা আমিনই ৪৯ রান তুলে দেন পাকিস্তানকে। ১৪ রান করা মুনিবাকে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ বানিয়ে এই জুটিটি ভাঙেন সালমা খাতুন।

তবে এরপরের পথটুকু পাড়ি দিতে একদমই কষ্ট হয়নি সিদরা আমিন আর অধিনায়ক বিসমাহ মারুফের। সিদরা ৩৫ বলে ৩৬ আর বিসমাহ ২০ বলে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন।

সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজও টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগ্রেসদের। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ।

ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ডায়ানা বায়াগের বল ইনসাইডেজ হয়ে বোল্ড হন শামীমা সুলতানা (১)।

পরের ওভারে সাদিয়া ইকবালকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড ফারজানা হক (১)। এরপর রুমানা আহমেদও এলবিডব্লিউর শিকার মাত্র ১ রানে। দলের বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ৩ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ৩৪ বলে ২৪ রানের একটি জুটি গড়েন নিগার সুলতানা জ্যোতি আর লতা মন্ডল। লতা ১২ রান করে নিদা দারের বলে এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে এই জুটি। ২৭ রানে ৪ উইকেট হারায় চ্যাম্পিয়নরা।

এরপর সালমা খাতুনকে নিয়ে অধিনায়ক জ্যোতির ২৩ বলে ১৫ রানের আরেকটি ছোট জুটি। জ্যোতিকেও এলবিডব্লিউ করেন নিদা দার। ৩০ বলে অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান।

১৪তম ওভারে মাত্র ৪২ রান তুলে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশ এরপর আর লড়াকু পুঁজির পেছনে ছুটতে পারেনি। সালমা খাতুন ২৯ বলে অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে।


এশিয়া কাপ   নারী এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ   পাকিস্তান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

'গুডবুকে' নাম উঠল বসুন্ধরা কিংসের

প্রকাশ: ১১:০৯ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail 'গুডবুকে' নাম উঠল বসুন্ধরা কিংসের

ফিফার গুডবুকে নাম উঠছে বসুন্ধরা কিংসের। শৃঙ্খলা মেনে চললেই সেই ক্লাবের ঠাই হয় ফিফার এই গুডবুকে। বসুন্ধরা কিংসও পেয়ে গেল সেই আসন।

 সাবিনা খাতুনরা সাফ চ্যাম্পিয়নের পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। বাংলাদেশের শিরোপায় সভাপতি হাসি-খুশি থাকবেন এটাই স্বাভাবিক। অথচ সেদিন তার কষ্টের কথাও বলে ফেলেছিলেন। আর তা পেশাদার লিগ খেলা ক্লাবগুলোকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই নারী লিগ আরও জমজমাট বা আকর্ষণীয় করে তুলতে। কোনোভাবেই পারছি না। ক্লাবগুলোকে রাজি করাতে সাধারণ সম্পাদক শুধু হাত-পা ধরতে বাকি রেখেছেন। তবু ক্লাবগুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে। অথচ ফিফা কিংবা এএফসি নিয়ম করে দিয়েছে পেশাদার লিগের ক্লাবগুলোর নারী ও বয়সভিত্তিক দল থাকা বাধ্যতামূলক। সব জেনেও নারী লিগে দল গড়ছে না তারা। এখানে বাফুফের কি করার আছে। নোটিস পাঠাবো তাও পারছি না।’

বাফুফে সভাপতি কতটা যে অসহায় সেদিন তাঁর বক্তব্যে ফুটে উঠেছিল। যাক অন্য ক্লাবগুলো না খেলুক পেশাদার লিগে অভিষেকের পর থেকেই পেশাদারিত্বের সব নিয়মকানুন মেনে চলেছে বসুন্ধরা কিংস। দেশের ফুটবল সংস্থার অভিভাবক সালাউদ্দিন তা স্বীকারও করেছেন। পেশাদার লিগের একমাত্র দল হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা কিংস নারী লিগে অংশ নিচ্ছে। বয়সভিত্তিক লিগেও অংশ নিচ্ছে। ফিফার সব গাইডলাইন মেনে চলেছে। এমনতো সবারই হওয়া উচিত।

ফিফা বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা। তারা এতটা ক্ষমতাবান যে শৃঙ্খলা ভাঙলেই শাস্তি। এএফসিও তাদের পথ অনুসরণ করে। ফিফার নজরদারি সব জায়গায়। বিশ্ব ফুটবলে দুর্বল দেশ হলেও বাংলাদেশের কার্যক্রমে তাদের দৃষ্টি রয়েছে। আর প্রফেশনাল লিগে নিয়ম তো তারাই তৈরি করে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্লাবগুলোর কার্যকলাপেও চোখ ফেলে রেখেছে। যারা শৃঙ্খলা মেনে চলে সেসব ক্লাবের জন্য পুরস্কার না থাকলেও ফিফার গুডবুকে নাম লেখা হয়ে যায়। এক সময়ে মোহামেডান ও আবহনীর ওপর সুনজর ছিল ফিফার।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক কায়সার হামিদ বলেন, ‘দৃশ্য বদলে গেছে। এক সময়ে ফুটবলারদের প্রথম পছন্দ ছিল মোহামেডান বা আবাহনী। এখন বসুন্ধরা কিংস। হবেই না কেন কিংসতো সেভাবেই ক্লাব পরিচালিত করছে। তারাই একমাত্র দল যারা পেশাদারিত্বে প্রতিটি পদক্ষেপ মেনে এগিয়ে চলেছে। সেক্ষেত্রে তাদের নাম ফিফার গুডবুকে থাকবে সেটাইতো স্বাভাবিক।

বসুন্ধরা কিংস   ফিফা   গুডবুক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

৭০ রানেই থামলো বাংলাদেশ ইনিংস

প্রকাশ: ০৯:৫৬ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ৪ উকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

দাপুটে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু করা বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত পুরো ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে মাত্র ৭০ রান তুলেছে নিগার সুলতানার দল। অর্থাৎ জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ৭১।

সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজও টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগ্রেসদের। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ।

ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেও ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ডায়ানা বায়াগের বল ইনসাইডেজ হয়ে বোল্ড হন শামীমা সুলতানা (১)।

পরের ওভারে সাদিয়া ইকবালকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড ফারজানা হক (১)। এরপর রুমানা আহমেদও এলবিডব্লিউর শিকার মাত্র ১ রানে। দলের বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ৩ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ৩৪ বলে ২৪ রানের একটি জুটি গড়েন নিগার সুলতানা জ্যোতি আর লতা মন্ডল। লতা ১২ রান করে নিদা দারের বলে এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে এই জুটি। ২৭ রানে ৪ উইকেট হারায় চ্যাম্পিয়নরা।

এরপর সালমা খাতুনকে নিয়ে অধিনায়ক জ্যোতির ২৩ বলে ১৫ রানের আরেকটি ছোট জুটি। জ্যোতিকেও এলবিডব্লিউ করেন নিদা দার। ৩০ বলে অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান।

১৪তম ওভারে মাত্র ৪২ রান তুলে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশ এরপর আর লড়াকু পুঁজির পেছনে ছুটতে পারেনি। সালমা খাতুন ২৯ বলে অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে।


ক্রিকেট   এশিয়া কাপ   নারী এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ   পাকিস্তান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯:৪৩ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

দাপুটে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু করা বাংলাদেশের আজ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজও টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগ্রেসদের।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ। অর্থাৎ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করবে।

এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির উদ্বোধনী ম্যাচেই থাইল্যান্ডকে ৮২ রানে অলআউট করে ৯ উইকেট আর ৫০ বল হাতে রেখে জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

বাংলাদেশ একাদশ
শামীমা সুলতানা, ফারজানা হক, নিগার সুলতানা (অধিনায়ক), রুমানা আহমেদ, সুভানা মোস্তারি, রিতু মনি, সালমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, সোহেলি আক্তার, সানজিদা মেঘলা, লতা মন্ডল।


এশিয়া কাপ   নারী এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ   পাকিস্তান   টস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন