ইনসাইড গ্রাউন্ড

বোলিং নৈপুণ্যে প্রোটিয়াদের উড়িয়ে দিলো ভারত

প্রকাশ: ০৯:১৫ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বোলিং নৈপুণ্যে প্রোটিয়াদের উড়ীয়ে দিলো ভারত

প্রথমে বোলারদের দাপট, এরপর লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার যাদবের দানবিয় ব্যাটিংয়ে সহজ জয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। গতকাল বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থিরুভানাথাপুরামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মার দলের জয় ৮ উইকেটে।

বোলারদের নৈপুণ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৬ রানে আটকে দিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা ২০ বল বাকি থাকতে। 

অনুশীলনে পাওয়া পিঠের চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি জাসপ্রিত বুমরাহ। তার বদলে দলে আসা চাহার ২৪ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ২৬ রান দিয়ে দুইটি উইকেট নেন হার্শাল প্যাটেল। এদিকে, উইকেট না পেলেও দুর্দান্ত বোলিং করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও আকসার প্যাটেল। নিজের প্রথম ও ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে জয়ের ভিত গড়ে দেওয়া আর্শদিপ জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। শেষ পর্যন্ত তার বোলিং ফিগার ৪-০-৩২-৩। শুরুতে মন্থর ব্যাটিং করা রাহুল পরে রানের গতি বাড়িয়ে ৫৬ বলে করেন ৫১ রান। ৪ ছক্কার সঙ্গে মারেন ২ চার। ৩৩ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ চারে ৫০ রান করেন সূর্যকুমার। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৯৩ রানের। 

চাহার ও আর্শদিপের চমৎকার বোলিংয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। স্কোরবোর্ডে ৯ রান যোগ হতেই হারায় তারা ৫ উইকেট।  টি-টোয়েন্টিতে দুই অঙ্কে যাওয়ার আগে ৫ উইকেট হারানোর অভিজ্ঞতা নেই টেস্ট খেলুড়ে আর কোনো দলের। এর আগে সবচেয়ে কম রানে দক্ষিণ আফ্রিকার ৫ উইকেট পড়েছিল ২০০৭ সালে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০ রানে। 

সফরকারীদের শিবিরে প্রথম ছোবল হানেন চাহার। ইনিংসের ষষ্ঠ বলে তার দুর্দান্ত ইনসুইঙ্গারে স্টাম্প এলোমেলো হয়ে যায় টেম্বা বাভুমার। প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড এরপর ভেঙে দেন আর্শদিপ। তার অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল স্টাম্পে টেনে আনেন কুইন্টন ডি কক। সুইং করে বেরিয়ে যাওয়া বলে কট বিহাইন্ড হন রাইলি রুশো। পরের বলে আর্শদিপ চমকে দেন ডেভিড মিলারকে। ভেতরে ঢোকা বল ভেঙে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের স্টাম্প। 

চাহারের বাড়তি লাফিয়ে ওঠা বলে থার্ডম্যানে ধরা পড়েন ট্রিস্টান স্টাবস। আউট হওয়া পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেবল ডি কক খুলতে পারেন রানের খাতা। রুশো, মিলার, স্টাবস পান গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ৫ উইকেট নিতে স্রেফ ১৫ বল লাগে ভারতের, যা তাদের সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার শুরুর ৫ উইকেট নিয়েছিল তারা ৩১ বলে। 

অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে কিছুক্ষণ টানেন এইডেন মারক্রাম। তাকে এলবিডব্লিউর রিভিউ নিয়ে ফেরায় ভারত। ওয়েইন পার্নেলকে বিদায় করেন আকসার প্যাটেল।  দক্ষিণ আফ্রিকা একশ পার করে কেশভ মহারাজের ব্যাটে। ২ ছক্কা ও ৫ চারে ৩৫ বলে ক্যারিয়ার সেরা ৪১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আগের ১৮ টি-টোয়েন্টিতে ৪ ইনিংস ব্যাটিং করে তার মোট রান ১৫, সেরা ছিল ১১। 

ছোট পুঁজি নিয়ে শুরুতে ভারতকে চেপে ধরে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে কাগিসো রাবাদার বলে কট বিহাইন্ড হন রোহিত শর্মা। এরপর যেন রান করার পথই খুঁজে পাচ্ছিল না স্বাগতিকরা। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে কেবল ১৭ রান। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ৬ ওভারে যা তাদের সর্বনিম্ন। 

সপ্তম ওভারের প্রথম বলে আনরিক নরকিয়ার বলে বিরাট কোহলি কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়লে আরও বিপদে পড়ে ভারত। এই পেসারকে টানা দুটি ছক্কায় উড়িয়ে চাপ কিছুটা সরিয়ে দেন সূর্যকুমার। একটা সময় রাহুলের রান ছিল ৩৬ বলে ১৫। দশম ওভারে নরকিয়াকে ছক্কা মেরে রানের গতিতে দম দেন তিনি। পরে বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার তাবরাইজ শামসিকে মারেন আরেকটি।  আরেক প্রান্তে দ্রুত রান তুলতে থাকেন সূর্যকুমার। ৩৩ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি। শামসিকে ছক্কায় উড়িয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে নিজের ফিফটিও পূর্ণ করেন রাহুল, ৫৬ বলে। দুই দলের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আগামী রবিবার। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর: 

দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১০৬/৮ (ডি কক ১, বাভুমা ০, রুশো ০, মারক্রাম ২৫, মিলার ০, স্টাবস ০, পার্নেল ২৪, মহারাজ ৪১, রাবাদা ৭*, নরকিয়া ২*; চাহার ৪-০-২৪-২, আর্শদিপ ৪-০-৩২-৩, অশ্বিন ৪-১-৮-০, হার্শাল ৪-০-২৬-২, আকসার ৪-০-১৬-১) 

ভারত: ১৬.৪ ওভারে ১১০/২ (রাহুল ৫১*, রোহিত ০, কোহলি ৩, সূর্যকুমার ৫০*; রাবাদা ৪-১-১৬-১, পার্নেল ৪-০-১৪-০, নরকিয়া ৩-০-৩২-১, শামসি ২.৪-০-২৭-০, মহারাজ ৩-০-২১-০) 

ফল: ভারত ৮ উইকেটে জয়ী 

ম্যান অব দা ম্যাচ: আর্শদিপ সিং 

সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে ভারত


ক্রিকেট   টি-টোয়েন্টি   টি-টোয়েন্টি সিরিজ   ভারত   দক্ষীন আফ্রিকা   প্রোটিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

স্পেনের সাথে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলো জার্মানি

প্রকাশ: ০৩:১১ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ভিন্ন দুই সমীকরণ সামনে রেখে বিশ্বকাপের হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল স্পেন ও জার্মানি। 'ই' গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পরের রাউন্ড নিশ্চিতের হাতছানি ছিলো স্পেনের সামনে। আর ম্যাচটি বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল জার্মানির জন্য। আল বাইত স্টেডিয়ামে দুই দলের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলের সমতায়।

কিক অফের পর থেকে দুই দলের লড়াই শুরু হয় বলের দখল নিয়ে। আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৭ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন। দানি ওলমোর নেয়া শট হাতে লাগিয়ে দেন নয়্যার। তার হাতে লাগার পর উপরের পোষ্টে লাগ বল। সেখানেই শেষ হয়নি পরে সাইয পোষ্টে লেগে বল বাইরে চলে গেলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় জার্মানি।

১৪ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলো জার্মানিও। তবে অফসাইডে ছিলেন গোরেৎস্কা। ২২ মিনিটে জর্দি আলবার শট বাম পোষ্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ২৫ মিনিটে উনাই সিমনের ভুল পাস থেকে বল পোন জিনাব্রি। তার শটটিও পোষ্টের খানিক বাইরে দিয়ে চলে গেলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় জার্মানি।

আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে চলতে থাকে খেলা। ২৫ মিনিটে সুযোগ পায় জিনাব্রি। দুই মিনিট পর ভালো সম্ভাবনা তৈরি করেছিলো স্পেন। কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ফেরান তোরেস। ৩৬ মিনিটে আরো একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তোরেস। ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও পোষ্টের উপর দিয়ে পাঠান।

৪০ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন রুডিগার। তবে অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় তা বাতিল ঘোষণা করেন ডাচ রেফারি ডেসমন্ড। লিড নিতে ব্যর্থ হয় জার্মানি।  নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হলে সমতায় শেষ হয় দুই দলের প্রথমার্ধ্ব।

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। তবে গোছানো আক্রমণ করতে পারছিলো কোন দলই। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ফেরান তোরেসকে উঠিয়ে আলভারো মোরাতাকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ এনরিকে। ৫৬ মিনিটে কিমিচের নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন উনাই সিমোন।

৬২ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন মোরাতা। বদলি হিসেবে নামার ৮ মিনিটের মধ্যে গোল করে স্প্যানিশদের স্বস্তি এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। বাম পাশ থেকে জর্দি আলবার দারুণ এক পাস থেকে নয়্যারের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি মোরাতার দ্বিতীয় গোল। ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ ছিলো অ্যাসেনসিও'র সামনে। তবে তার নেয়া শট চলে যায় পোষ্টের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনে স্পেন। অ্যাসেনসিও-গাভির বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কোকে এবং নিকো উইলিয়ামস। ৭০ মিনিটে দলে তিনটি পরবর্তন আনেন হান্সি ফ্লিক। এ ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামেন লেরয় সানে।

৭৩ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেন নি জামাল মুসিয়ালা। পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন মুসিয়ালার শট। সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় জার্মানি। ফিরতি বল পেয়ে সেটাও কাজে লাগাতে পারেনি জিনাব্রি। তবে ৮৩ মিনিটে জার্মানিকে স্বস্তি এনে দেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ফুলক্রুগ। মুসিয়ালার কাছ থেক বল পেয়ে বুরেট গতির শটে জালে জড়ান তিনি। সমতায় ফেরে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। কয়েক মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও তা নষ্ট করে জার্মানি। তবে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে লেরয় সানে পরিষ্কার সুযোগ পেলেও গোল লাইন থেক তা ক্লিয়ার করে দেন রদ্রি। এতে ১-১ গোলে ড্রয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

এর ফলে দুই ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার স্পেন। আর সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে জার্মানি।


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মোরাতার গোলে প্রথম সাফল্য স্পেনের

প্রকাশ: ০২:২৭ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। তবে গোছানো আক্রমণ করতে পারছিলো কোন দলই। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ফেরান তোরেসকে উঠিয়ে আলভারো মোরাতাকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ এনরিকে। ৫৬ মিনিটে কিমিচের নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন উনাই সিমোন।

৬২ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন মোরাতা। বদলি হিসেবে নামার ৮ মিনিটের মধ্যে গোল করে স্প্যানিশদের স্বস্তি এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। বাম পাশ থেকে জর্দি আলবার দারুণ এক পাস থেকে নয়্যারের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি মোরাতার দ্বিতীয় গোল। ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ ছিলো অ্যাসেনসিও'র সামনে। তবে তার নেয়া শট চলে যায় পোষ্টের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনে স্পেন। অ্যাসেনসিও-গাভির বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কোকে এবং নিকো উইলিয়ামস।


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সমতায় শেষ স্পেন-জার্মানির প্রথমার্ধ্ব

প্রকাশ: ০১:৪৮ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কিক অফের পর থেকে দুই দলের লড়াই শুরু হয় বলের দখল নিয়ে। আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৭ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন। দানি ওলমোর নেয়া শট হাতে লাগিয়ে দেন নয়্যার। তার হাতে লাগার পর উপরের পোষ্টে লাগ বল। সেখানেই শেষ হয়নি পরে সাইয পোষ্টে লেগে বল বাইরে চলে গেলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় জার্মানি।

১৪ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলো জার্মানিও। তবে অফসাইডে ছিলেন গোরেৎস্কা। ২২ মিনিটে জর্দি আলবার শট বাম পোষ্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ২৫ মিনিটে উনাই সিমনের ভুল পাস থেকে বল পোন জিনাব্রি। তার শটটিও পোষ্টের খানিক বাইরে দিয়ে চলে গেলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় জার্মানি।

আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে চলতে থাকে খেলা। ২৫ মিনিটে সুযোগ পায় জিনাব্রি। দুই মিনিট পর ভালো সম্ভাবনা তৈরি করেছিলো স্পেন। কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ফেরান তোরেস। ৩৬ মিনিটে আরো একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তোরেস। ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও পোষ্টের উপর দিয়ে পাঠান।

৪০ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন রুডিগার। তবে অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় তা বাতিল ঘোষণা করেন ডাচ রেফারি ডেসমন্ড। লিড নিতে ব্যর্থ হয় জার্মানি। 

নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হলে সমতায় শেষ হয় দুই দলের প্রথমার্ধ্ব।


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি স্পেন-জার্মানি

প্রকাশ: ০১:০৪ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বকাপের হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমেছে স্পেন ও জার্মানি। আল বাইত স্টেডিয়ামে 'ই' গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পরের রাউন্ডের পথটা পরিষ্কার করে রাখতে চায় স্পেন। প্রথম ম্যাচে কোস্টা রিকাকে ৭-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের কাজটা সেরে রেখেছে পেদ্রি-গাভিরা। আর জাপানের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্যাকফুটে জার্মানি। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে এ ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প নেই জার্মানির।

দুই দলের একাদশ ও ফর্মেশন:

স্পেন একাদশ:

উনাই সিমন, রদ্রি, জর্দি আলবা, দানি কারভাহাল, এমেরিক লাপোর্ত, সার্জিও বুসকেতস, গাভি, পেদ্রি, মার্কো অ্যাসেনসিও, ফেরান তোরেস, দানি ওলমো

ফর্মেশন: ৪-১-২-৩

কোচ: লুইস এনরিকে।

জার্মান একাদশ:

ম্যানুয়েল নয়্যার, অ্যান্তোনিও রুডিগার, ডেভিড রাউম, থিলো খেরার, নিকলাস সুলে, জশুয়া কিমিচ, লিওন গোরেৎস্কা, সার্জ জিনাব্রি, জামাল মুসিয়ালা, ইকায় গুন্ডোগান, থমাস মুলার।

ফর্মেশন: ৪-২-৩-১

কোচ: হান্সি ফ্লিক


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

প্রথম ম্যাচে ড্র করা ক্রোয়েটরা এবার দিলেন এক হালি

প্রকাশ: ১২:২১ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের কোন বিকল্প নেই ক্রোশিয়ার সামনে। এমন সমীকরণ সামনে রেখে খলিফা ইন্টার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে রাত দশটায় কানাডার বিপক্ষে খেলতে নামে ক্রামারিচ লিভায়াররা। কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই ক্রোশিয়ার জালে বল পাঠান কানাডার আলফনসো ডেভিড। গোলটি করতে সময়নেন মাত্র ১ মিনিট ৭ সেকেন্ড।  গোল খাওয়া্য  যেনো আগ্রাসী ফুটবল খেলতে শুরু করে ক্রোশিয়ার মিডফিল্ডাররা।  এর ফল পেতে দেরি হলো না ক্রোশিয়ার। ক্রোশিয়ার পক্ষে লিভায়ার  ২৬ মিনিটের গোলটি অফসাইডে বাতিল হলেও ৩৫ মিনিটে তিনি আবার ও গোল করার সুযোগ পান। কিন্তু কানাডার গোলরক্ষক বোরযান লিভায়ার করা দুর্দান্ত শটটি রুখে দেন। এর ঠিক এক মিনিট পরেই সতীর্থ পেরেসিচের দারুণ ক্রসে কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম গোলের দেখা পান ক্রামারিচ। এর সঙ্গে দলকে পেরান সমতায়।  এ নিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে ক্রোশিয়ার হয়ে গোল করার রেকর্ড গড়েন ক্রামারিচ। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক এক মিনিটে  লিভায়ার ডান পায়ের দুর্দান্ত  শটে ২-১ এ লিড নেয় দলটি।

বিরতি থেকে ফিরে এসে আর ও শক্তিশালী রুপ নেয় ক্রোশিয়া ম্যাচের একক আধিপত্য বিস্তার শুরু করে লুকা মদ্রিচরা।কানাডাকে তখন ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিলো। একের পর এক আক্রমণে কোনঠাসা করে দেয় কানাডার রক্ষনভাগ।  ক্রোশিয়ার হয়ে টানা তিন বিশ্বকাপে গোল করা ক্রামারিচ আজকের নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ৭০ মিনিটে।  কানাডার আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড়দের অসহায়ত্ত্ব যেনো প্রকট হতে শুরু করে। এ সুযোগ আবার ও কাজে লাগান ক্রোশিয়ার বদলি খেলোয়াড়  মাজির ম্যাচের চতুর্থ আর শেষ গোলটি করেন এ বদলি খেলোয়াড়। দুই পাস একোরিসি সমান হলেও শট অন টার্গেট ম্যাচের বাবধান গড়ে তোলে। ক্রোশিয়া যেখানে শট অন টার্গেট নিয়েছে ১০ টি কানাডা সেখানে নিয়েছে মাত্র ২ টি।  দুই দল সমান সংখ্যক হলুদ কার্ড ২ টি করে খেলেও ক্রোশিয়া ফাউল করেছে ১৩টি। যেখানে কানাডার ফাউল মাত্র ৫টি।

৪-১ ব্যবধানের বিশাল জয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এলো ক্রোশিয়া।  


   


কাতার বিশ্বকাপ   কানাডা   ক্রোশিয়া।  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন