ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইউনাইটেডের জালে হালান্ড-ফোডেনের গোলবন্যা

প্রকাশ: ০১:৩০ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ইউনাইটেডের জালে হালান্ড-ফোডেনের গোলবন্যা

টানা চার ম্যাচে জয় পাওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে কোনো সুযোগই দিল না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। অষ্টম মিনিটে প্রথম পেরেকটা ঠোকেন ফিল ফোডেন। ৩৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে সফরকারীদের আত্মবিশ্বাস গুঁড়িয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। দুই গোলে পিছিয়ে গিয়ে ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি টেন হাগের শিষ্যরা। অন্যদিকে সফরকারীদের জালে একের পর এক বল জড়ানোর উল্লাসে মেতেছে পেপ গার্দ্দিওলার শিষ্যরা।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে রোববার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৬-৩ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। উত্তেজনার ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হ্যাট্ট্রিক করেছেন সিটির দুই ফরোয়ার্ড আর্লিং হালান্ড আর ফিল ফোডেন। 

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই ইউনাইটেডকে চেপে ধরেন সিটি ফরোয়ার্ডরা। বার্নার্ডো সিলভার পাস থেকে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন ফিল ফোডেন। এগিয়ে গিয়েও আক্রমণের ধার কমেনি সিটিজেনদের। ৩৪ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন হালান্ড। সে গোলের রেশ না কাটতেই তিন মিনিট পর আবারও ইউনাইটেডের জালে বল জড়ান নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।

৩ গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধে আক্রমণেই উঠতে পারছিল না ইউনাইটেড। হালান্ড-ফোডেনদের আক্রমণ সামলাতে রক্ষণেই সময় বেশি দিতে হচ্ছিল টেন হাগের শিষ্যদের। তাতেও রক্ষা হয়নি। ৪৪ মিনিটে হালান্ডের পাসে লিডটা ৪-০ তে নিয়ে যান ফোডেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় অবিশ্বাস্য এই স্কোরলাইনেই!  

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে ইউনাইটেড। ৫৬ মিনিটে এরিকসনের অ্যাসিস্টে সিটির জালে বল জড়ান অ্যান্টনি। তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি অবশ্য। ৬৪ মিনিটে আবারও গোল করে নিজের হ্যাট্ট্রিক পূরণ করেন হালান্ড। স্কোর হয়ে যায় ৫-১। এই ম্যাচে রেড ডেভিলদের ফেরা কঠিন হয়ে যায় হালান্ডের হ্যাটট্রিকে। 

নিজের হ্যাট্ট্রিকের পর সতীর্থের হ্যাট্ট্রিকেও অবদান রেখেছেন নরওয়েজীয়ান তারকা। ৭২ মিনিটে ফোডেনের তৃতীয় গোলে অ্যাসিস্টাও তারই। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ফোডেন সিটিকে নিয়ে যান ধরাছোঁয়ার আরও বাইরে। স্কোর হয়ে যায় ৬-১।

৮৪ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ে ইউনাইটেডের হয়ে মার্শাল দুটি গোল শোধ করলেও তাতে শুধু ব্যবধানই কমেছে। ৬-৩ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি।


খেলাধূলা   ফুটবল   প্রিমিয়ার লিগ   ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড   ম্যান সিটি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ম্যাচ প্রেডিকশন: ব্রাজিল-দক্ষিণ কোরিয়া

প্রকাশ: ১২:০৪ এএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

হেক্সা জয়ের মিশন নিয়ে কাতার বিশ্বকাপে খেলতে এসেছে ব্রাজিল। একমাত্র দল হিসেবে পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে সেলেসাওরা। তবে দলটির সবশেষ শিরোপা এসেছে ২০০২ সালে। এরপর কেঁটে গেছে ২০ বছর। সোনালী সেই ট্রফি আর ছুঁয়ে দেখতে পারেনি ব্রাজিল। এমনকি মধ্যবর্তী ৪টি বিশ্বকাপের কোনটিরই ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারেনি লাতিন আমেরিকার দলটি। নিজের মাটিতে ২০১০৪ বিশ্বকাপ খেললেও জার্মানির কাছে হেরে বাদ পড়তে হয়ে সেমিফাইনাল থেকেই।

কাতার বিশ্বকাপে সেই আক্ষেপ ঘোচাতে চায় নেইমার-থিয়াগো সিলভারা। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জিততে চান ষষ্ঠ শিরোপা। দলে ইনজুরি হানা দিলেও, চোট কাটিয়ে দলটির প্রাণভোমরা নেইমার ও দানিলো দলে ফেরায় বাড়তি আত্নবিশ্বাস পাচ্ছে দলটি। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে শিরোপার পথে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য তিতের শিষ্যদের।

১৯৮৬ সাল থেকে টানা দশমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে দক্ষিণ কোরিয়া। ব্রাজিল, জার্মানি, আর্জেন্টিনা ও স্পেনের পর একমাত্র দল হিসেবে এ রেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছে এশিয়ার দলটি। বিশ্বকাপে দলটির সেরা সাফল্য ২০০২ সালে নিজেদের দেশে হওয়া বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলা। এরপর ২০১০ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে দলটি। তবে সেটাই শেষ এরপর থেকে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের খুঁজে পেতেই হিমশিম খাচ্ছে দলটি। এবার নতুন করে নিজেদের গল্প লিখতে চান লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দেয়া দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলাররা।

এ ম্যাচে ফেভারিট ব্রাজিলই। সাম্বার ছন্দে দক্ষিণ কোরিয়াকে নাকানি চুবানি খাওয়াবেন তারা- এমনটাই মনে করছেন সাবেক ও বর্তমান ফুটবলার থেকে সমর্থকরা সকলেই। তাই জয়ের পাল্লাটও ভারী ব্রাজিলের দিকে। গ্রুপ পর্বে আশানুরূপ গোল না পেলেও, ম্যাচটিতে ৩-১ গোলে জয় লাভ করবে ব্রাজিল- মনে করেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

আর নকআউট ম্যাচ বলেই প্রতিপক্ষকে সমীহ করতে হবে সব দলকেই। তাই তো কোন কোন ফুটবল বোদ্ধা মনে করছেন- ম্যাচটিতে জয়ের সামর্থ্য রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ারও। ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিতে পারে সন হিউং মিনরা। আর তেমনটা হলে, সেটিই হবে ব্রাজিলের বিপক্ষে এশিয়ার কোন দলের প্রথম জয়। 


কাতার বিশ্বকাপ   ব্রাজিল   দক্ষিণ কোরিয়া   স্টেডিয়াম ৯৭৪  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ জাপানের, কোয়ার্টার ফাইনালে মদরিচরা

প্রকাশ: ১১:৫৮ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

এশিয়ান ফুটবলের নতুন ভোর নাকি, ক্রোয়েটদের প্রত্যাবর্তন। জাপান-ক্রোয়েমিয়ার ম্যাচের আগে ফিরে ফিরছিলো এই প্রশ্ন। গ্রুপপর্বে দুরন্ত জাপানকে নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিলেন সমর্থকরা। আর সেটা খুবই যৌক্তিক। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে তারা হারিয়ে দুই সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি ও স্পেনকে। তবে নতুন গল্প লেখা হলো না সুর্যোদয়ের দেশটির। টাইব্রেকারে ৩-১ এ জয় নিয়ে শেষ আটে পা দিলো বলকান দেশটি। আর কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেলো জাপানের।

ম্যাচের ৩ মিনিটেই ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সে ভীতি ছড়ায় জাপান। তবে শোগো তানিগুইচির নেয়া হেডটি গোলরক্ষকে পরাস্ত করলেও পোষ্টের পাশ দিয়ে চলে যায়। শুরুতেই এগিয়ে যা্য়ার সুযোগ হারায় এশিয়ার দলটি। ম্যাচের ৮ মিনিটে ক্রোয়েশিয়াবে এগিয়ে দেয়ার সুযোগ নষ্ট করেন ইভান পেরিসিচ। বাম প্রান্তে এক ডুয়েল থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। জাপানের গোলরক্ষককে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেন নি পেরিসিচ। ১৩ মিনিটে জুনায়ার ক্রস থেকে ভাল সুযোগ থাকলেও জায়গা মতো ছিলেন মাইয়েদা।

২৪ মিনিটে গোলের সুযোগ হারায় ক্রোয়েশিয়া। পেরিসিচের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন জোসকো। তবে তার বাম পায়ের শটটি বারের উপর দিয়ে চলে যায়। টানা আক্রমণে মদরিচদের রক্ষণে ভাল চাপ তৈরি করে জাপান। তবে বারবার আক্রমণে গেলেো গোল আদায়ে ব্যর্থ হয় দলটি। ৪১ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভেদ করে সুন্দর একটি পাস পান কামাদা। তবে যে শটিট তিনি নিয়েছিলেন, তা বারের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়।

৪৩ মিনিটে ম্যাচে কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় জাপান। শর্ট কর্নার থেকে ইয়োশিদার ক্রস পেনাল্টি বক্সের ভেতরে এক ক্রোয়েট ফুটবলারের গায়ে লেগে চলে যায় মাইয়েদার পায়ে। প্রথম সুযোগে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। তার গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় এশিয়ার দলটি।

বিরতির পর আক্রমণের চেষ্টা চালাতে থাকে দুই দলই। ৪৬ মিনিটেই ব্যবধান বাড়াতে পারতো জাপান। তবে গোল করতে ব্যর্থ হন কামাদা। তিন মিনিট পর আক্রমণে উঠে ক্রোয়েশিয়া। তবে সেখান থেক দলকে সমতায় ফেরাতে পারেন নি কোভাচিচ। পরের মিনিটে মরিতার শট প্রতিহত করেন ক্রোয়েশিয়া গোলরক্ষক। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি বর্তমান রানার্সআপদের। দ্রুতই সমতায় ফেরেছ লুকা মদরিচের দল। ৫৩ মিনিটে লভরেনের ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান ইভান পেরেসিচ। স্বস্তি ফেরে ক্রোয়েটদের ডাগআউটে।

৫৮ মিনিটে এন্দোর নেয়া শট প্রায় জালে ঢুকেই গিয়েছিলো, তবে আবারো ক্রোয়েশিয়ার ত্রাতা হয়ে উঠেন লিভাকোভিচ। লাফিয়ে উঠে সে শট বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি। দুই মিনিট পর রিতসু দোয়ানের আরেকটি শট আটকে দেন তিনি। ৬২ মিনিটে দলে প্রথম পরিবর্তন আনে ক্রোয়েশিয়া। পেতকোভিচকে উঠিয়ে বুদিমিরকে মাঠে নামান জ্লাতকো দালিচ।

৬৩ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে গোলমুখে জোরালো এক শট নেন লুকা মদরিচ। দারুণ এক ভলিতে বল যাচ্ছিলো জালের দিকে। তবে এবার জাপান গোলরক্ষক সুইচি গন্দা ফিরিয়ে দেন সে শট। কর্নার পায় ক্রোয়োশিয়া। পরের মিনিটে দলে জোড়া পরিবর্তন করে জাপান। নাগাতোমো-মাইয়েদার বদলি হিসেবে মাঠে নামে মিতোমা ও আসানো।

৬৭ মিনিটে ক্রোয়োশিয়াকে এগিয়ে দেয়ার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন বদলি হিসেবে নামা বুদিমির। ফাঁতা জায়গায় বল পেয়েও এলোমেলো শটে হতাশ করেন দলকে। ৭৪ মিনিটে ব্যর্থ হন পাসালিচও। ৭৭ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া পেরিসিচের শট ঠেকিয়ে দেন গন্দা। মদরিচের নেয়া সে কর্নার থেকে বিপদ হতে পারতো। তবে বারিসিচের নেয়া শট ক্লিয়ার করেন দোয়ান।

৮৬ মিনিটে পাছালিচ সুযোগ নষ্ট করলে আর এগিয়ে যাওয়া হয়নি ক্রোয়েশিয়ার। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে সমতা থাকলে চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোন ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। 

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। ৯২ মিনিটে দারুণ গতিতে তানিগুইচি প্রতিপক্ষের রক্ষণে ঢুকলেও গোল করতে পারেন নি। ৯৯ মিনিটে লুকা মদরিচ-কোভাচিচের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন লোভরো মাজের এবং ভ্লাসিচ। তবে তাতেও বদলায়নি ম্যাচের চিত্র। দুই মিনিট পর পেরিসিচ ও ভ্লাসিচের আক্রমণও নষ্ট হয়ে যায়। ১০৫ মিনিটে মিতোমা ও এন্দোর প্রচেষ্টাও আলোর মুখ দেখেনি।

১১৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন বারিসিচ। অতিরিক্ত সময়ের অন্তিম মুহুর্তেও গোল করতে ব্যর্থ হন মাজের। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও খেলা ১-১ গোলে সমতায় থাকে।  ফলে ফল নিষ্পত্তির জন্য টাইব্রেকারে গড়ায় জাপান-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ।

স্পট কিক থেকে নেয়া মানামিনোর প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক লিভাকোভিচ। তবে লক্ষ্যভেদ করে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। দ্বিতীয় শট ডান পাশে ঝাঁপিয়ে আটকে দিয়ে ক্রোয়েটদের নায়ক হয়ে ওঠেন লিভাকোভিচ। পরের শট থেকে ব্যবধান ২-০ করেন ক্রোয়েশিয়ার ব্রজোভিচ। তৃতীয় শট থেকে গোল করেন আসানো।

ক্রোয়েশিয়ার নেয়া তৃতীয় শট বারে লেগে ফিরে আসলে আশা বেঁচে থাকে জাপানের। তবে ব্যর্থতা ভাঙতে পারেনি জাপান। চতুর্থ স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয় ইয়োশিদা। ম্যাচে ৩টি পেনাল্টি সেভ করে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালের পথে নিয়ে যান লিভাকোভিচ। তবে জাপানের মতো ভুল করেনি ক্রোয়েশিয়া। চতুর্থ পেনাল্টি জালে জড়িয়ে উল্লাসে মেতে উঠে গত আসরের রানার্সআপরা।


কাতার বিশ্বকাপ   জাপান   ক্রোয়েশিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো খেলা

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপে প্রথমাবারের মত অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো খেলা। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র থাকলে ফল নিষ্পত্তি হয়নি। মাইয়েদার গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া জাপান। পেরিসিচের গোলে দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের বাকি সময়ে দুই দল গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা করলেও তা কাজে আসেনি। ৯০ মিনিট শেষে ১-১ গোলে সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।


কাতার বিশ্বকাপ   জাপান   ক্রোয়েশিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সমতায় ফিরলো ক্রোয়েশিয়া

প্রকাশ: ১০:২৭ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রথমার্ধে মাইয়েদার গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছিল জাপান। তবে বিরতির পর ফিরে দ্রুতই সমতায় ফিরেছে গত আসরের রানার্সআপরা। ৫৩ মিনিটে লভরেনের ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান ইভান পেরেসিচ। স্বস্তি ফেরে ক্রোয়েটদের ডাগআউটে।


কাতার বিশ্বকাপ   জাপান   ক্রোয়েশিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে গেলো জাপান

প্রকাশ: ১০:০১ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

যে দলটি গ্রুপ পর্বে জার্মানি এবং স্পেনের মতো দলকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে এসেছে, সেই দলটি ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ফেবারিট থাকবে এটাই স্বাভাবিক। অবিশ্বাস্য হলেও সেই দলটির নাম জাপান।

এশিয়ার অন্যতম সেরা এই দলটি এবার যেন পুরোপরি ভিন্নরূপে ধরা দিয়েছে কাতার বিশ্বকাপে। সবচেয়ে বড় কথা, কোয়ার্টারে ফাইনালে ওঠার জন্য একধাপ এগিয়ে রয়েছে জাপান।

গতবারের ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সমানতালে খেলে প্রথমার্ধেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে জাপান। ৪৩ মিনিটের সময় দাইজেন মায়েদা গোলটি করেন।

বিস্তারিত আসছে...


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন