ইনসাইড গ্রাউন্ড

দ্বিতীয় গোল রিচার্লিসনের

প্রকাশ: ০২:৩৯ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রথম গোলের ৫ মিনিট পর ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ ছিলো ব্রাজিলের। ভিনিসিউস জুনিয়র ব্যর্থ হন সে সুযোগ কাজে লাগাতে। ৬৭ মিনিটে ভিনিসিউসের আক্রমণ থেকেও গোল আসে নি। তবে ৭৩ মিনিটে দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান রিচার্লিসন। ৭৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক বাই সাইকেল কিকে বল জালে জড়ান তিনি। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।


কাতার বিশ্বকাপ   ব্রাজিল   সার্বিয়া   লুসাইল স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মেসির পায়ে বল দিবেন না পোল্যান্ড ডিফেন্ডার মাতেউস

প্রকাশ: ০১:৩১ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলেয় যাওয়ার লড়াইয়ে আগামীকাল আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে পোল্যান্ড। কাগজে কলমে শক্তির মানদন্ডে  মেসিরা এগিয়ে থাকলেও  নিজেদের গ্রুপ  পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে পোল্যান্ড। মেক্সিকোর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র আর সোদি আরবের সঙ্গে - ব্যবধানে জয় লাভ করে লেভানডস্কিরা। ফলে চার পয়েন্ট নিয় সবার উপরে তারা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ড্র করলেই নিশ্চিত হবে শেষ ষোল। অন্যদিকে মেক্সিকোকে - গোলে হারিয়ে  শেষ ষোলয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখে আলবিসেলেস্তেরা।

আগামীকাল দুই দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেন্দ্রীয় চরিত্র হবেন মেসি। আগের দুই ম্যাচে দুই গোল করা লিওনেল মেসিকে আটকাতে  চান  পোলিশ ডিফেন্ডার মাতেউস ভাইটেস্কা।

ডিফেন্ডার ভাইটেস্কা বলেন আর্জেন্টিনা পুরো আক্রমণভাগই দুর্দান্ত। তাদের বিপক্ষে আমাদের লড়াই করতে হবে। আমাদের তৈরি হয়ে মাঠে নামতে হবে। পোলিশ ডিফেন্ডার দুইবার করে বলেন আর্জেন্টাইন ম্যাচ জয়ের নায়ক মেসির পায়ে এক সেকেন্ডের জন্যেও তিনি বল দেখতে চান না।ভাইটেস্কা বলেন, ‘মেসি অবশ্যই বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তার কাছাকাছি থাকতে হবে, কোনো রকমের স্পেস দেওয়া যাবে না। সে এমন একজন খেলোয়াড় যার কাছে বল থাকলে যেকোনো সময় বিপদ তৈরী করতে পারে। তাই এই দিকগুলোতে মনোযোগ দিতে হবে। যেকোনো সেকেন্ডে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারেন তিনি।

 


কাতার বিশ্বকাপ   পোলিশ তারকা   পোল্যান্ড   আর্জেন্টিনা   পোল্যান্ড   লিওনেল মেসি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিশ্বকাপের ‘শেষ ১৬’তে কারা পৌঁছালো, কারা পৌঁছাবে

প্রকাশ: ০১:২৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল ইতোমধ্যে দুইটি করে ম্যাচ খেলেছে। এরমধ্যে ফ্রান্স, ব্রাজিল এবং পর্তুগাল শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের পর নির্ধারিত হবে বাকি ১৩টি দল। দেখে নেই কোন ১৩ দল পৌঁছাতে পারে শেষ ১৬ তে এবং কেমন অবস্থায় আছে হিসেব-নিকেশ কিংবা সমীকরণ।

গ্রুপ এ: ইকুয়েডর - সেনেগাল, নেদারল্যান্ডস - কাতার

নেদারল্যান্ডস এবং ইকুয়েডরের যোগ্যতা অর্জনের জন্য একটি ড্রই যথেষ্ট। রাউন্ড ১৬ তে  থাকতে চাইলে সেনেগালকে অবশ্যই জিততে হবে কারণ তাদের কাছে উপলব্ধ অন্য বিকল্পটি একটু কঠিন। হয়  ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলের সাথে ড্র করতে হবে নতুবা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কাতারকে ২-০ বা তার বেশি গোলে জয় পেতে হবে। এদিকে কাতার আগেই বিদায় নিয়েছে।

গ্রুপ বি: ওয়েলস - ইংল্যান্ড, ইরান - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ইংল্যান্ড ও ইরান তিন পয়েন্ট পেলে রাউন্ড অফ ১৬-এ উঠবে। ম্যাচটি ড্র হলে তা  ইংলিশদের জন্য ভাল। কিন্তু ইরান  ড্র করলে অন্য ম্যাচে ওয়েলসকে সাউথগেটের কাছে জিততে  হবে। নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা পাকাপোক্ত করতে জয় দরকার যুক্তরাষ্ট্রের। ওয়েলশদের কাছে দুটি বিকল্প রয়েছে- ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪-০ বা তার বেশি জয় অথবা তাদের প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ১-০ জয় এবং ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ড্র।

গ্রুপ সি: সৌদি আরব - মেক্সিকো, পোল্যান্ড - আর্জেন্টিনা

পোল্যান্ড, আর্জেন্টিনা এবং সৌদি জিতলেই নিশ্চিত রাউন্ড ১৬। অবশ্য শেষ ১৬ রাউন্ডে নিশ্চিতে পোল্যান্ডের জন্য একটি ড্রই যথেষ্ট। তবে পোল্যান্ড হেরে গেলে সৌদি আরব ও মেক্সিকোর ম্যাচের ড্র কামনা করতে হবে। সৌদি আরব ও মেক্সিকোর মধ্যে ড্র হলে পরের রাউন্ড নিশ্চিতে আর্জেন্টিনার জন্যও ড্র যথেষ্ট। মেক্সিকোর শেষ ১৬ নিশ্চিতে নিজেদের জয় এবং আর্জেন্টিনার হার প্রয়োজন অথবা যতটা সম্ভব গোল করে এগিয়ে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা কিংবা পোল্যান্ডের হার কিংবা ড্র প্রয়োজন। অন্যদিকে সৌদিরা ড্র করলে পরের রাউন্ড নিশ্চিত আর্জেন্টিনার হার কামনা করতে হবে।

গ্রুপ ডি: অস্ট্রেলিয়া - ডেনমার্ক, তিউনিসিয়া - ফ্রান্স

ফ্রান্স ড্র করলে বা হারলেও তাদের গ্রুপের শীর্ষে থাকা নিশ্চিত। অস্ট্রেলিয়াও একটি জয় পেলে বা তিউনিসিয়া ফরাসিদের হারাতে ব্যর্থ হলে রাউন্ড -১৬ থাকবে। একটি জয় ডেনমার্ককে পরবর্তী লড়াইয়ের ময়দানে পৌঁছে দেবে। শুধুমাত্র একটি দৃশ্যই তাদের রাউন্ড অফ ১৬ থেকে বাদ দিতে পারে, ডেনসদের চেয়ে এক গোলে তিউনিসিয়ার জয়।

গ্রুপ ই: কোস্টারিকা - জার্মানি, স্পেন - জাপান

স্পেন ড্র করে রাউন্ড অফ ১৬-এ তাদের জায়গা নিশ্চিত করতে পারে। শুধুমাত্র একটি বিপর্যয় তাদের বিপদে ফেলতে পারে: জাপানের বিরুদ্ধে ১-০ হারলে অথবা  জার্মানি কোস্টারিকাকে ৭-০ বা তার বেশি গোলে পরাজিত করলে। জাপান এবং কোস্টারিকা একটি জয়ের সাথে যোগ্যতা অর্জন করবে। জাপানিরা হারলে কোস্টারিকানদের জন্য একটি ড্রই যথেষ্ট হবে। জার্মানি না জিতলে জাপানিরা একটি পয়েন্ট নিশ্চিত করবে। জার্মানি দুই গোলের ব্যবধানে জিতলে নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে, যদি জাপানি এবং লুইস এনরিকের দল ড্র করে। তাদের জয় এবং/অথবা স্পেন এবং জাপানের মধ্যে ড্রয়ের উপর নির্ভর করে এক গোলের জয়ও যথেষ্ট হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি জার্মানি ১-০ তে জয়ী হয় এবং স্পেন এবং জাপান গোলশূন্য ড্রতে শেষ হয়, ফ্লিক এর দল ১৬ রাউন্ডে চলে যাবে।

গ্রুপ এফ: কানাডা - মরক্কো, ক্রোয়েশিয়া - বেলজিয়াম

ইতোমধ্যে কানাডার বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। ক্রোয়েশিয়া, মরক্কো ও বেলজিয়ামকে  জয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ক্রোয়েশিয়ান এবং মরক্কোর জন্য একটি ড্রও গুরুত্ব পেতে পারে। কানাডা মরক্কোকে হারালে বেলজিয়ানদের ড্র এর মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

গ্রুপ জি: সার্বিয়া - সুইজারল্যান্ড, ক্যামেরুন - ব্রাজিল

ব্রাজিল ইতিমধ্যেই ১৬ রাউন্ডে রয়েছে এবং ক্যামেরুনের সাথে ড্র করলেও গ্রুপের শীর্ষে থাকবে। হারলেও, সুইজারল্যান্ড না জিতলে তারা আগে শেষ করবে। আর সুইস জিতলেও ব্রাজিলের পক্ষে (+৩) গোল ব্যবধান রয়েছে। এদিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে  সুইজারল্যান্ড, ক্যামেরুন ও সার্বিয়ার মধ্যে । সার্বিয়ানদের পরাজিত করে সুইসরা তাদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অথবা যদি তারা ড্র করে এবং ক্যামেরুন ব্রাজিলকে না হারায় তবে ১৬ রাউন্ডে থাকবে। ক্যামেরুনকে অবশ্যই ব্রাজিলিয়ানদের হারাতে হবে এবং সুইস ও সার্বদের মধ্যে ড্রয়ের আশা করতে হবে। সার্বিয়ার বিকল্প হলো সুইজারল্যান্ডকে পরাজিত করা এবং আশা করা যায় যে ক্যামেরুন ব্রাজিলকে হারাতে পারবে না, যদি তারা করে তবে তাদের   ভাল গোল পার্থক্য নেই।

গ্রুপ এইচ: দক্ষিণ কোরিয়া - পর্তুগাল, ঘানা - উরুগুয়ে

ফ্রান্স ও ব্রাজিলের পর পর্তুগাল তৃতীয় দল যারা ১৬ রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ড্র করলে তারা প্রথম স্থান নিশ্চিত করবে এবং ঘানা উরুগুয়েকে হারাতে না পারলেও তাদের প্রয়োজন হবে না। ঘানাকে হারালে এবং পর্তুগালের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ানরা জিততে ব্যর্থ হলে উরুগুয়ের এখনও দ্বিতীয় স্থানে থাকার সুযোগ রয়েছে। ঘানা রাউন্ড অফ ১৬-এ উঠবে যদি তারা উরুগুয়েকে হারায় বা ড্র করে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যদি জিততে না পারে। তারা জিতলেও গোল পার্থক্যে তাদের হারানো যাবে না। দক্ষিণ কোরিয়াকে অবশ্যই জিততে হবে এবং ঘানা-উরুগুয়ের ফলাফল অবশ্যই তাদের দিকে যেতে হবে: ঘানার জয় এবং অন্য কোন সমন্বয় (ড্র বা উরুগুয়ের জয়)তাদের গোল পার্থক্যের সাথে থাকতে হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বেনজেমাকে নিয়ে নতুন ধোঁয়াশা

প্রকাশ: ১২:৫০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপে খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পেরা সবার আগে জায়গা দখল করেছেন রাউন্ড অফ সিক্সিটিন। অথচ বিশ্বকাপ শুরুর পূর্বে ইনজুরির নিয়ে ভালো সমস্যায় পড়েছিলো কোচ দিদিয়ে দেশম। ইউনজুরির জন্য পল পগবা, এনকুকু,কিমপেম্বেরা বাদ পড়েছিলেন বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে। তাদের বদলি  খেলোয়াড় নিলেও শেষ মুহুর্তে ইনজুরিতে পড়া করিম বেনজামার কোন বদলি নেয়নি ফ্রান্স। হয়ত কোচ ভেবেছিলেন বিশ্বকাপ চলাকালীন চোটের আঘাত কাটিয়ে উঠবেন বেনজেমা।

ঊরুর চোটে চলতি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন করিম বেনজেমা। ইউরোপের সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন, চোট কাটিয়ে সেই বেনজেমাই ফিরতে পারেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ দলে! তাহলে কি খুব দ্রুত চোট থেকে সেরে উঠছেন বেনজামা।

স্প্যানিশ রেডিও ওন্দা মাদ্রিদ জানিয়েছে এক ডিসেম্বর থেকে মাঠে অনুশীলনে ফিরতে পারেন ব্যালন ডিঅর বিজয়ী তারকা। তাতেই তাঁর বিশ্বকাপ দলে ফেরার সম্ভাবনা জেগেছে।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে মৌসুমের বেশির ভাগ ম্যাচ খেলতে পারেননি ব্যালন ডিঅরজয়ী এই তারকা। ভাবা হচ্ছিল, চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপ দিয়েই মাঠে ফিরবেন এই তারকা। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে দলে না থাকা বেনজামা মুখিয়ে ছিলেন কাতার বিশ্বকাপে খেলার। তবে বেনজামার অভাব দলে কোন প্রভাব পরছে না। ফর্মের তুঙ্গে রয়েছে এমবাপ্পে ,গ্রিজম্যানরা। গ্রুপের দুই ম্যাচ জিতে শীর্ষে অবস্থান করছে ফ্রান্স  

তবে ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টস বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা নেই বেনজেমার। ফরাসি তারকা মাদ্রিদে এখনো পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেই আছেন। বিশ্বকাপ শেষ হতে বাকি মাত্র তিন সপ্তাহ, এরই মধ্যে সেরে ওঠা বেনজেমার পক্ষে সম্ভব নয়।

 


কাতার বিশ্বকাপ   ফ্রান্স   করিম বেনজেমা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পদত্যাগ জুভেন্টাস সভাপতির

প্রকাশ: ১১:৫০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

অবশেষে পদত্যাগ করলেন জুভেন্টাস সভাপতি আন্দ্রেয়া আগনেল্লি। নানা নাটকিয়তার শেষে তাঁর সঙ্গে পদ ছেড়েছেন বোর্ডের সব পরিচালকও। সহ সভাপতি পাভেল নেদভেদও পদত্যাগ করেছেন। গতকাল পদত্যাগের খবরটি নিশ্চিত করা হয় জুভেন্টাসের পক্ষ থেকে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আগনেল্লি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই পদত্যাগ করেছেন। ক্লাব বরাবরই অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। সোমবার নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন জুভেন্টাসের বোর্ড পরিচালকেরা। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয় ঝুলে থাকা আইনি প্রক্রিয়া শেষ করতে নতুন বোর্ড প্রয়োজন। তাই এই গণপদত্যাগ। তবে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মরিসি আরিভাবেনে থাকবেন এবং জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে মরসিও স্ক্যানাভেনোকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

খেলোয়াড় কেনা-বেচা ধার দেওয়া-নেওয়া নিয়ে অনিয়ম এবং ভুয়া হিসাবপত্রের অভিযোগে তুরিনের আইনজীবীরা তদন্ত শুরু করেছেন জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে। এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় ক্লাব যেন স্বাধীন আইনি পরামর্শ পায়, তা নিশ্চিত করতেই বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে সরে দাঁড়ালেন আগনেল্লি।

জুভেন্টাসের শেয়ার মালিকদের আগামী ১৮ জানুয়ারি ডাকা হয়েছে নতুন বোর্ড গঠন করতে। তবে রয়টার্স সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছে আগনেল্লি নতুন করে আর জুভেন্টাসের সভাপতি হতে চান না। তাঁর পাঠানো চিঠি দেখেছে রয়টার্স। জুভেন্টাস স্টাফদের পাঠানো চিঠিতে আগনেল্লি লিখেছেন, ‘প্রতিষ্ঠান ক্রান্তিকালীন সময় পার করছে। নতুন বোর্ডকে দায়িত্ব দিতে এখন সবাই মিলে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াই ভালো।

এই গণপদত্যাগের মধ্য দিয়ে ইতালিয়ান ক্লাবটিতে আগনেল্লি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। আগনেল্লি সভাপতি থাকতে টানা ৯বার সিরি জয়ের পাশাপাশি ২০১৫ ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলেছে জুভেন্টাস

 

 


ক্লাব ফুটবল   জুভেন্টাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

টিকে থাকার লড়াইয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি তিউনিসিয়া

প্রকাশ: ১১:১৩ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাশিয়া বিশ্বকাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স সবার আগে নকআউট নিশ্চিত করেছে কাতার বিশ্বকাপেও। সমীকরণের ধাধায় টিকে আছে তিউনিসিয়ার প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ। রাউন্ড অফ সিক্সিটিনে যাওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে তিউনিসিয়াফ্রান্স। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মত ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আফ্রিকার দেশটি। কাগজে কলমে মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। বিশ্বের যে কোন দেশ সমীহ করে ডিপেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। তাদের বিরুদ্ধে মাঠের লড়াই বেশ কঠিন হবে তিউনিসিয়ানদের।

ডেনমার্কের বিপক্ষে - গোলের জয়ে প্রথম দল হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে - গোলে হারায় তারা। পরের ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে জেতে - গোলে। অন্যদিকে নিজেরদের প্রথম ম্যাচে ডেনমার্কের সঙ্গে ড্র করলেও দ্বিতীয় ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে যায় তিউনিসিয়া। টুর্নামেন্টে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে ফ্রান্সের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই আফ্রিকার দেশটির।   

দুই দলের কিছু পরিসংখ্যানঃ 

১। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ১৬তম বার বিশ্বকাপে খেলছে। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর ম্যাচ ধরে অপরাজিত তারা। 

২। ১৯৭৮ সালের আসরে আফ্রিকা অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ জেতার রেকর্ড গড়ে তিউনিসিয়া। সেবার তারা মেক্সিকোকে হারায় - গোলে। 

৩। তিউনিসিয়ার স্কোয়াডের ২৬ জন খেলোয়াড়ের ১০ জনের জন্ম ফ্রান্সে। তিন জন খেলেন ফরাসি ক্লাবে। 

৪। দুই দল এখন পর্যন্ত চারটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। ফ্রান্সের জয় দুই ম্যাচে, ড্র হয়েছে বাকি দুই

আল রাইয়ানের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় শেষ ম্যাচে বুধবার লড়বে ফ্রান্স তিউনিসিয়া।ডিগ্রুপের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়। 

 

 

 


কাতার বিশ্বকাপ   তিউনিসিয়া   ফ্রান্স  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন