ইনসাইড গ্রাউন্ড

রিচার্লিসনের জোড়া গোলে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের

প্রকাশ: ০২:৫৭ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার মুখোমুখি হয় ব্রাজিল। দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে সে ম্যাচের প্রথমার্ধ্বে খোলস বন্দি থাকলেও , দ্বিতীয়ার্ধ্বে স্বরূপে দেখা দেয় সেলেসাওরা। সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে রাখে ব্রাজিল। মাত্র ৬ মিনিটেই নেইমারকে ফাউল করে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন পাভলোভিচ। ১০ মিনিটে দারুণ একটি গোছানো আক্রমণ চালায় ব্রাজিল। রাইট উইং দিয়ে রাফিনিয়া আক্রমণে উঠার পর প্রান্ত বধলে লেফট উইংয়ে থাকা ভিনিসিউসের কাছে বল দেন কাসেমিরো। ভিনিসিউসের কাছ থেকে ডি-বক্সে বল পান নেইমার। তবে জটলার ভেতর থেকে নেইমার শট নেয়ার আগে তা ক্লিয়ার করে দেন সার্বিয়ার ডিফেন্ডাররা।

১৩ মিনিটে আবারও সার্বিয়ার গোলমুখে শট নেন নেইমার। ২১ মিনিটে সার্বিয়ার ডিফেন্সে আবার আক্রমণ শাণায় নেইমার ও কাসেমিরো। ম্যাচের ২৫ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে সার্বিয়া। ডানপ্রান্ত থেকে সার্বিয়ানদের সে আক্রমণ রুখে দেন অ্যালিসন।

২৮ মিনিটে থিয়াগো সিলভার দারুণ এক পাস থেক গোল করার সুযোগ আসে ব্রাজিলের। ভিনিনিউস জুনিয়র চেষ্টা করলেও ডান পাশে ঝাঁপিয়ে পড়ে তা ক্লিয়ার করেন সার্বিয়ার গোলরক্ষক মিলিনকোভিচ। দুই মিনিট পর কর্ণার থেকে আরো সুযোগ হাতছাড়া করে ব্রাজিল। ৩৫ মিনিটে রাফিনিয়া নেয়া দুর্বল শট গ্লাভসে জমা করেন মিলিনকোভিচ।

৪১ মিনিটে কাসেমিরোর ত্রু ধরে এগিয়ে যান ভিনিসিউস। তাকে মার্কিংয়ে রাখা নিকোলা মিলিনকোভিচ ক্লিয়ার করতে গেলে তার মুখে লেগে বল চলে যায় ভিনির কাছে। তবে দারুণ ক্ষিপ্রতায় ভিনি শট নেয়ার আগে তা সাইড লাইনের বাইরে পাঠান এই সার্বিয়ান ডিফেন্ডার। নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হলে সমতায় থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল ও সার্বিয়া।

বিরতির পর শুরুতেই আক্রমণে উঠে ব্রাজিল। তবে এবারো গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় সার্বিয়া। রাফিনিয়ার নিশ্চিত গোল পা দতিয়ে ঠেকিয়ে দেন মিলিনকোভিচ। টানা আক্রমণে প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে সেলেসাওরা। ৫০ থেকে ৫৫ মিনিটের মধ্যে ৬টি আক্রমণ করে ব্রাজিল। তবে একটি থেকেও গোল আদায় করে নিতে পারেন নি নেইমাররা।

৫৭ মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনেন সার্বিয়ান কোচ ড্রাগন স্টোকোভিচ। ৬০ মিনিটে ডি বক্সের অনেক বাইরে থেকে নেয়া অ্যালেক্স সান্দ্রোর শট পোষ্টে লেগে ফিরে আসে । আরো একবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

তবে ৬২ মিনিটে কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। নেইমারের পাস থেকে গোলমুখে শট নেন ভিনিসিউস। সার্বিয়ার গোলরক্ষক তা ঠেকিয়ে দিলেও, ফিরতি বল পেয়ে তা জালে জড়ান রিচার্লিসন। যা বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল। আর জাতীয় দলের হয়ে ১৮তম। 

৫ মিনিট পর ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ ছিলো ব্রাজিলের। ভিনিসিউস জুনিয়র ব্যর্থ হন সে সুযোগ কাজে লাগাতে। ৬৭ মিনিটে ভিনিসিউসের আক্রমণ থেকেও গোল আসে নি। তবে ৭৩ মিনিটে দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান রিচার্লিসন। ৭৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক বাই সাইকেল কিকে বল জালে জড়ান তিনি। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

ব্যবধান বাড়ানোর আশায় ৭৫ মিনিটে দলে জোড়া পরিবর্তন আনেন তিতে। লুকাস পাকেতার পরিবর্তে ফ্রেড এবং ভিনিসিউসের পরিবর্তে মাঠে নামেন রদ্রিগো। ৭৯ মিনিটে নেইমারকেও উঠিয়ে নেন তিতে। তার জায়গায় মাটে ঢোকেন অ্যান্থনি। ৮২ মিনিটে রদ্রিগোর শট পোষ্টে লেগে ফিরে আসলে ব্যবধান আরো বাড়ানোর সুযোগ হারায় ব্রাজিল। ৮৭ মিনিটে রদ্রিগো ও ৮৯ মিনিটে অ্যান্থনি বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন।

প্রথমাধ্বর্বে খুব একটা সুবিধা করে উঠতে না পারা দলটির দাপুটে ফুটবলের কাছে দ্বিতীয়ার্ধ্বে ধরাশয়ী হয়ে যায় সার্বিয়া। বিরতির পর সেলেসাওদের সামনে দাড়াতেই পারে নি মধ্য ইউরোপের দলটি। নির্ধারিত সময় শেষে ২-০ গোলের জয় নিয়ে উল্লাসে মেতে উঠে জেসুস-রিচার্লিসনরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপের মতো এবারো সার্বিয়াকে হারায় ২-০ গোলে। এতে জয় দিয়েই নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিরা।


কাতার বিশ্বকাপ   ব্রাজিল   সার্বিয়া   লুসাইল স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

স্পেনের সাথে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলো জার্মানি

প্রকাশ: ০৩:১১ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ভিন্ন দুই সমীকরণ সামনে রেখে বিশ্বকাপের হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল স্পেন ও জার্মানি। 'ই' গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পরের রাউন্ড নিশ্চিতের হাতছানি ছিলো স্পেনের সামনে। আর ম্যাচটি বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল জার্মানির জন্য। আল বাইত স্টেডিয়ামে দুই দলের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ গোলের সমতায়।

কিক অফের পর থেকে দুই দলের লড়াই শুরু হয় বলের দখল নিয়ে। আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৭ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন। দানি ওলমোর নেয়া শট হাতে লাগিয়ে দেন নয়্যার। তার হাতে লাগার পর উপরের পোষ্টে লাগ বল। সেখানেই শেষ হয়নি পরে সাইয পোষ্টে লেগে বল বাইরে চলে গেলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় জার্মানি।

১৪ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলো জার্মানিও। তবে অফসাইডে ছিলেন গোরেৎস্কা। ২২ মিনিটে জর্দি আলবার শট বাম পোষ্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ২৫ মিনিটে উনাই সিমনের ভুল পাস থেকে বল পোন জিনাব্রি। তার শটটিও পোষ্টের খানিক বাইরে দিয়ে চলে গেলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় জার্মানি।

আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে চলতে থাকে খেলা। ২৫ মিনিটে সুযোগ পায় জিনাব্রি। দুই মিনিট পর ভালো সম্ভাবনা তৈরি করেছিলো স্পেন। কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ফেরান তোরেস। ৩৬ মিনিটে আরো একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তোরেস। ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও পোষ্টের উপর দিয়ে পাঠান।

৪০ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন রুডিগার। তবে অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় তা বাতিল ঘোষণা করেন ডাচ রেফারি ডেসমন্ড। লিড নিতে ব্যর্থ হয় জার্মানি।  নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হলে সমতায় শেষ হয় দুই দলের প্রথমার্ধ্ব।

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। তবে গোছানো আক্রমণ করতে পারছিলো কোন দলই। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ফেরান তোরেসকে উঠিয়ে আলভারো মোরাতাকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ এনরিকে। ৫৬ মিনিটে কিমিচের নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন উনাই সিমোন।

৬২ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন মোরাতা। বদলি হিসেবে নামার ৮ মিনিটের মধ্যে গোল করে স্প্যানিশদের স্বস্তি এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। বাম পাশ থেকে জর্দি আলবার দারুণ এক পাস থেকে নয়্যারের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি মোরাতার দ্বিতীয় গোল। ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ ছিলো অ্যাসেনসিও'র সামনে। তবে তার নেয়া শট চলে যায় পোষ্টের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনে স্পেন। অ্যাসেনসিও-গাভির বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কোকে এবং নিকো উইলিয়ামস। ৭০ মিনিটে দলে তিনটি পরবর্তন আনেন হান্সি ফ্লিক। এ ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামেন লেরয় সানে।

৭৩ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেন নি জামাল মুসিয়ালা। পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন মুসিয়ালার শট। সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় জার্মানি। ফিরতি বল পেয়ে সেটাও কাজে লাগাতে পারেনি জিনাব্রি। তবে ৮৩ মিনিটে জার্মানিকে স্বস্তি এনে দেন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ফুলক্রুগ। মুসিয়ালার কাছ থেক বল পেয়ে বুরেট গতির শটে জালে জড়ান তিনি। সমতায় ফেরে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। কয়েক মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও তা নষ্ট করে জার্মানি। তবে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে লেরয় সানে পরিষ্কার সুযোগ পেলেও গোল লাইন থেক তা ক্লিয়ার করে দেন রদ্রি। এতে ১-১ গোলে ড্রয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

এর ফলে দুই ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার স্পেন। আর সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে জার্মানি।


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মোরাতার গোলে প্রথম সাফল্য স্পেনের

প্রকাশ: ০২:২৭ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। তবে গোছানো আক্রমণ করতে পারছিলো কোন দলই। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ফেরান তোরেসকে উঠিয়ে আলভারো মোরাতাকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ এনরিকে। ৫৬ মিনিটে কিমিচের নেয়া শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন উনাই সিমোন।

৬২ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন মোরাতা। বদলি হিসেবে নামার ৮ মিনিটের মধ্যে গোল করে স্প্যানিশদের স্বস্তি এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। বাম পাশ থেকে জর্দি আলবার দারুণ এক পাস থেকে নয়্যারের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি মোরাতার দ্বিতীয় গোল। ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ ছিলো অ্যাসেনসিও'র সামনে। তবে তার নেয়া শট চলে যায় পোষ্টের অনেক উপর দিয়ে চলে যায়। পরের মিনিটে একাদশে জোড়া পরিবর্তন আনে স্পেন। অ্যাসেনসিও-গাভির বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কোকে এবং নিকো উইলিয়ামস।


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সমতায় শেষ স্পেন-জার্মানির প্রথমার্ধ্ব

প্রকাশ: ০১:৪৮ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কিক অফের পর থেকে দুই দলের লড়াই শুরু হয় বলের দখল নিয়ে। আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। ম্যাচের ৭ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন। দানি ওলমোর নেয়া শট হাতে লাগিয়ে দেন নয়্যার। তার হাতে লাগার পর উপরের পোষ্টে লাগ বল। সেখানেই শেষ হয়নি পরে সাইয পোষ্টে লেগে বল বাইরে চলে গেলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় জার্মানি।

১৪ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলো জার্মানিও। তবে অফসাইডে ছিলেন গোরেৎস্কা। ২২ মিনিটে জর্দি আলবার শট বাম পোষ্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ২৫ মিনিটে উনাই সিমনের ভুল পাস থেকে বল পোন জিনাব্রি। তার শটটিও পোষ্টের খানিক বাইরে দিয়ে চলে গেলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় জার্মানি।

আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে চলতে থাকে খেলা। ২৫ মিনিটে সুযোগ পায় জিনাব্রি। দুই মিনিট পর ভালো সম্ভাবনা তৈরি করেছিলো স্পেন। কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ফেরান তোরেস। ৩৬ মিনিটে আরো একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন তোরেস। ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও পোষ্টের উপর দিয়ে পাঠান।

৪০ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন রুডিগার। তবে অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় তা বাতিল ঘোষণা করেন ডাচ রেফারি ডেসমন্ড। লিড নিতে ব্যর্থ হয় জার্মানি। 

নির্ধারিত সময়ে কোন গোল না হলে সমতায় শেষ হয় দুই দলের প্রথমার্ধ্ব।


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি স্পেন-জার্মানি

প্রকাশ: ০১:০৪ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বকাপের হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমেছে স্পেন ও জার্মানি। আল বাইত স্টেডিয়ামে 'ই' গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পরের রাউন্ডের পথটা পরিষ্কার করে রাখতে চায় স্পেন। প্রথম ম্যাচে কোস্টা রিকাকে ৭-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের কাজটা সেরে রেখেছে পেদ্রি-গাভিরা। আর জাপানের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্যাকফুটে জার্মানি। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে এ ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প নেই জার্মানির।

দুই দলের একাদশ ও ফর্মেশন:

স্পেন একাদশ:

উনাই সিমন, রদ্রি, জর্দি আলবা, দানি কারভাহাল, এমেরিক লাপোর্ত, সার্জিও বুসকেতস, গাভি, পেদ্রি, মার্কো অ্যাসেনসিও, ফেরান তোরেস, দানি ওলমো

ফর্মেশন: ৪-১-২-৩

কোচ: লুইস এনরিকে।

জার্মান একাদশ:

ম্যানুয়েল নয়্যার, অ্যান্তোনিও রুডিগার, ডেভিড রাউম, থিলো খেরার, নিকলাস সুলে, জশুয়া কিমিচ, লিওন গোরেৎস্কা, সার্জ জিনাব্রি, জামাল মুসিয়ালা, ইকায় গুন্ডোগান, থমাস মুলার।

ফর্মেশন: ৪-২-৩-১

কোচ: হান্সি ফ্লিক


কাতার বিশ্বকাপ   স্পেন   জার্মানি   আল বাইত স্টেডিয়াম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

প্রথম ম্যাচে ড্র করা ক্রোয়েটরা এবার দিলেন এক হালি

প্রকাশ: ১২:২১ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের কোন বিকল্প নেই ক্রোশিয়ার সামনে। এমন সমীকরণ সামনে রেখে খলিফা ইন্টার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে রাত দশটায় কানাডার বিপক্ষে খেলতে নামে ক্রামারিচ লিভায়াররা। কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই ক্রোশিয়ার জালে বল পাঠান কানাডার আলফনসো ডেভিড। গোলটি করতে সময়নেন মাত্র ১ মিনিট ৭ সেকেন্ড।  গোল খাওয়া্য  যেনো আগ্রাসী ফুটবল খেলতে শুরু করে ক্রোশিয়ার মিডফিল্ডাররা।  এর ফল পেতে দেরি হলো না ক্রোশিয়ার। ক্রোশিয়ার পক্ষে লিভায়ার  ২৬ মিনিটের গোলটি অফসাইডে বাতিল হলেও ৩৫ মিনিটে তিনি আবার ও গোল করার সুযোগ পান। কিন্তু কানাডার গোলরক্ষক বোরযান লিভায়ার করা দুর্দান্ত শটটি রুখে দেন। এর ঠিক এক মিনিট পরেই সতীর্থ পেরেসিচের দারুণ ক্রসে কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম গোলের দেখা পান ক্রামারিচ। এর সঙ্গে দলকে পেরান সমতায়।  এ নিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে ক্রোশিয়ার হয়ে গোল করার রেকর্ড গড়েন ক্রামারিচ। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক এক মিনিটে  লিভায়ার ডান পায়ের দুর্দান্ত  শটে ২-১ এ লিড নেয় দলটি।

বিরতি থেকে ফিরে এসে আর ও শক্তিশালী রুপ নেয় ক্রোশিয়া ম্যাচের একক আধিপত্য বিস্তার শুরু করে লুকা মদ্রিচরা।কানাডাকে তখন ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিলো। একের পর এক আক্রমণে কোনঠাসা করে দেয় কানাডার রক্ষনভাগ।  ক্রোশিয়ার হয়ে টানা তিন বিশ্বকাপে গোল করা ক্রামারিচ আজকের নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ৭০ মিনিটে।  কানাডার আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড়দের অসহায়ত্ত্ব যেনো প্রকট হতে শুরু করে। এ সুযোগ আবার ও কাজে লাগান ক্রোশিয়ার বদলি খেলোয়াড়  মাজির ম্যাচের চতুর্থ আর শেষ গোলটি করেন এ বদলি খেলোয়াড়। দুই পাস একোরিসি সমান হলেও শট অন টার্গেট ম্যাচের বাবধান গড়ে তোলে। ক্রোশিয়া যেখানে শট অন টার্গেট নিয়েছে ১০ টি কানাডা সেখানে নিয়েছে মাত্র ২ টি।  দুই দল সমান সংখ্যক হলুদ কার্ড ২ টি করে খেলেও ক্রোশিয়া ফাউল করেছে ১৩টি। যেখানে কানাডার ফাউল মাত্র ৫টি।

৪-১ ব্যবধানের বিশাল জয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এলো ক্রোশিয়া।  


   


কাতার বিশ্বকাপ   কানাডা   ক্রোশিয়া।  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন