ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুখোমুখি ইরান ও ওয়েলস, কতটা তৈরি দু-দল?

প্রকাশ: ০৯:০১ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার বিশ্বকাপের শুরুটা মোটেও শুভ হয়নি ইরানের জন্য। ম্যাচের শুরুতেই তাদের গোলরক্ষক আলিরেজার গুরুতর চোট লাগে। ম্যাচের ফলও তাদের পক্ষে বিরাট হতাশার। থ্রি-লায়ন্সদের কাছে ২-৬ গোলে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় ইরানকে। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে পরের ম্যাচে জয় চাই।

আজ গ্রুপ ‘বি’ তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নামতে চলেছে ইরান। প্রতিপক্ষ ওয়েলস। গ্যারেথ বেলের দলেরও শুরুটা খুব ভালো হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে তারা। গ্য়ারেথ বেলের পেনাল্টি গোলে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েলস।

২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপ ছাড়া আর কখনও পরপর দু-ম্যাচে হারেনি ইরান। ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ইরানের মূল ভরসা পোর্তো স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটিতে যে দুটি গোল হয়েছিল ইরানের, সেই দুটি গোলই করেছিলেন তারেমি। ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেও ইরান শিবিরকে চাঙ্গা করে তোলার দায়িত্ব নিতে হয়েছে তাঁকেই। এছাড়াও চোখ থাকবে মজিদ হোসেইনি, হোসেইন কানানি, সইদ এজাতোলাহিদের দিকে। প্রতিপক্ষ ওয়েলসের কাছে সবকিছুই নতুন। ৬৪ বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে পা পড়েছে ওয়েলসের। ১৯৫৮ সালে শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছিল ওয়েলস।

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। ওয়েলসের তারকা ফুটবলার এবং অধিনায়ক গ্যারেথ বেল বলেছেন, “টিভিতে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে খুব খারাপ লাগত। হতাশায় ডুবে যেতাম। কারণ, সেখানে ওয়েলস ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। কাতার বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে ফুটবলকে কেরিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। আমরা হৃদয় দিয়ে খেলব।”

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে বেলই এক গোল দিয়ে মান রাখেন দল এবং কোচ রব পেজের। জিততে না পারলেও গ্যারেথ বেলই দলের মুখ রক্ষা করেছে ওয়েলসের, এমনটাই বলছেন কোচ রব পেজ। তিনি বলেন, “বেল যে কখনও আমাদের হতাশ করবে না, তা আমি জানতাম। বড় মঞ্চে বেলের মতো ফুটবলারের প্রতি একশো শতাংশ ভরসা ছিল আমার।” নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরে ভালো পারফরম্যান্স লক্ষ্য দু-দলের।


ফিফা   কাতার বিশ্বকাপ   ওয়েলস   ইরান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

দ্বিতীয় গোল পর্তুগালের

প্রকাশ: ০১:৪৩ এএম, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ম্যাচের ১৭ মিনিটে গনসালো রামোসের গোলে এগিয় গেলো পর্তুগাল। জোয়াও ফিলিক্সের কাছ থেকে বলৈ পেয়ে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ান তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে য়ায় পর্তুগাল। কিছুই করার ছিলো না সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সোমারের। 

কাতার বিশ্বকাপ, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, নকআউট

৩৩ তম মিনিটে দ্বিতীয়ে গোল করে পর্তুগালের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পুর্তুগিজ ডিফেন্ডার পেপে। ৩৮ মিনিটে ফ্রুয়েলার ও গ্রানিত শাকার শট কাজে লাগেনি সুইজারল্যান্ডের। ফলে সমতায় ফেরা হয়নি সুইসদের।


কাতার বিশ্বকাপ   পর্তুগাল   সুইজারল্যান্ড   নকআউট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

এগিয়ে গেলো পর্তুগাল

প্রকাশ: ০১:২৮ এএম, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ম্যাচের ১৭ মিনিটে গনসালো রামোসের গোলে এগিয় গেলো পর্তুগাল। জোয়াও ফিলিক্সের কাছ থেকে বলৈ পেয়ে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ান তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে য়ায় পর্তুগাল। কিছুই করার ছিলো না সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সোমারের।


কাতার বিশ্বকাপ   পর্তুগাল   সুইজারল্যান্ড   নকআউট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

রোনালদোকে ছাড়াই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে পর্তুগাল

প্রকাশ: ০১:০৮ এএম, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে মাঠে নেমেছে ইউরোপের দুই দল পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। দুই দলই আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। দুই দলেই রয়েছে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার, যারা সারা বছর মাঠ মাতান ইউরোপ-স্পেনের নামি-দামী লিগগুলোয়। তাই জমজমাট একটি ম্যাচ দিয়ে রাউন্ড অব সিক্সটিনের পর্দা নামার অপেক্ষায় সারা বিশ্বের অগণিত ফুটবল ভক্তরা।

দুই দলই নিজেদের সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছে। লক্ষ্য মাঠে নিজেদের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করে শেষ আটে জায়গা করে নেয়া। বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে হলে এ ম্যাচে জ্বলে উঠতে হবে পর্তুগীজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। আর তাদেরকে রুখে দিতে সুইসদের বড় ভরসা থাকবে গ্রানিত শাকা ও জর্দান শাকিরির উপর।

দুই দলের একাদশ ও ফর্মেশন:

পর্তুগাল একাদশ: 

দিয়েগো কস্তা, পেপে, রুবেন দিয়াজ, রুবেন নেভেস, রাপাল গুয়েরেইরো, দালোত, বার্নার্ডো সিলভা, উইলিয়াম, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, হোয়াও ফেলিক্স এবং গোঞ্জালো রামোস।

ফর্মেশন: ৪-১-২-১-২

সুইজারল্যান্ড একাদশ:

ইয়ান সমার, ফার্নান্দেজ, আকানজি, শার, রদ্রিগেজ, জাকা, ফ্রেইলর, রেইডার, শো, ভারগাস, এমবোলু।

ফর্মেশন: ৪-২-৩-১


কাতার বিশ্বকাপ   পর্তুগাল   সুইজারল্যান্ড   নকআউট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পর্তুগাল-সুইজারল্যান্ড: ম্যাচ প্রেডিকশন

প্রকাশ: ১২:২৯ এএম, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচে মাঠে নামবে পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখা শেষ দলের নাম জানা যাবে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে। গ্রুপ পর্বে প্রায় একই রকম অভিজ্ঞতার মুখে পড়তে হয়েছিলো দুই দলকেই।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে ঘানাকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে পর্তুগাল। পরের ম্যাচে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে 'এইচ' গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে রাউন্ড অব সিক্সটিন নিশ্চিত করে রোনালদোরা। তবে শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় দলটি।

অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডের শুরুটা হয়েছিলো মন্থর। ক্যামেরুনের বিপক্ষে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়। পরের ম্যাচে একই ব্যবধানে হার ব্রাজিলের কাছে। তবে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সার্বিয়ার বিপক্ষে ৩-২ গোলে জিতে পরের রাউন্ডে খেলা নিশ্চিত করে সুইসরা।

এই ম্যাচে তাই নিশ্চিত অর্থে কাউকে ফেভারিট বলা যাচ্ছে না। কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সামর্থ্য রয়েছে দুই দলেরই। তবে অভিজ্ঞতা আর শক্তির বিচারে এগিয়ে থাকবে পর্তুগালই। আর দলটির সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় নিজেদের সেরাটাই দিতে চাইবেন পর্তুগীজ ফুটবলাররা। আর তেমনটা হলে ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতবে পর্তুগাল- এমনটাই মত অনেক বিশ্লেষকদের। অন্যদিকে গ্রানিত শাকা-জর্ডান শাকিরিরাও ছেড়ে কথা বলবে না। ইউরোপের দুই দলের লড়াই হওয়ায় তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে ম্যাচটিতে। ২-১ গোলে ফার্নান্দো সান্তোসের দলকে হারাতে পারে সুইজারল্যান্ড। দুই দলের শেষ দেখায় জয় পেয়েছিলো সুইসরাই।


কাতার বিশ্বকাপ   পর্তুগাল   সুইজারল্যান্ড   নকআউট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মরক্কোর রুপকথায় বিদায় নিলো স্প্যানিশরা

প্রকাশ: ১১:৫২ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ যেন চমকের সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে। এই বিশ্বকাপেই কাগজে-কলমে কিংবা শক্তিমত্তার হিসাব করার বিষয়টি যেন হয়ে উঠেছে অঘটনের আরেক নাম। আল রাইয়ানের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম সাক্ষী হলো তেমনই আরেকটি ফুটবল ক্ল্যাসিকের। রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে এই মাঠে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলো মরক্কো।

ম্যাচের শুরু থেকেই ২০১০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের চেপে ধরে মরক্কো। ভয়ডরহীন ফুটবল খেলে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেনের রক্ষণে। ম্যাচের ১২ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলো আফ্রিকার দলটি। ফ্রি-কিক থেকে নেয়া আশরাফ হাকিমির শট বারের খানিকটা উপর দিয়ে চলে গেলে এগিয়ে যেতে পারেনি মরক্কো।

আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা চললএও কাঙ্খিত গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিলো না কোন দলই। তবে মরক্কোর প্রেসিং ফুটবলের কাছে পাত্তাই পাচ্ছিলো না টিকিটাকা খেলা স্পেন। ৩৩ মিনিটে দলকে হতাশ করেন মাজরাউই। তার বাম পায়ে নেয়া শটটি প্রতিহত করতে কষ্ট করতে হয়নি উনাই সিমোনকে।

বিরতির আগ মুহুর্তে এগিয়ে যাওয়ার সহজ সুযোগ নষ্ট করেন মরক্কোর আগুয়ের্ড। বোউফালের দারুণ এক ক্রস থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর মরিয়া হয়ে গোলের আশায় ছুটতে থাকে দুই দল। ৫৫ মিনিটে মরক্কোর রক্ষণে ভীতি ছড়ান দানি ওলমো। ডি-বক্সের বাম প্রান্ত থেকে গোলমুখে বুলেট গতির এক শট নেন এই স্ট্রাইকার। তবে মরক্কো গোলরক্ষক বোনো ছিলেন প্রস্তুত। লাফিয়ে করে পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন তিনি।

৬৩ মিনিটে দলে জোড়া পরিবর্তন আনেন লুইস এনরিকে। মার্কো এসেনসিও-গাভির বদলি হিসেবে মাঠে নামান আলভারো মোরাতা এবং কার্লোস সোলারকে মাঠে নামান তিনি। তিন মিনিট পর একাদশে বদলি ফুটবলার নামায় মরক্কোও। সোফিয়ান বোউফালকে উঠিয়ে ইজাজৌলিকে মাঠে নামেন। ৬৮ মিনিটে কর্নার পায় স্পেন। সেখান থেকেও মরক্কোর রক্ষণ ভাঙতে পারেনি লা রোজারা।

৭৫ মিনিটে ফেরান তোরেসের বদলি হিসেবে মাঠে আসেন নিকো উইলিয়ামস। দুই মিনিট পর আশরাফ হাকিমিকে ফাইল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লাপোর্ত। ৭৮ মিনিটে ওলমোর শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। চার মিনিট পর জিরো লাইন থেকে মোরাতা বল বের করলেও তা কাজে লাগানোর জন্য জায়গামতো ছিলেন না তার কোন সতীর্থ।

গোলের আশায় ৮২ মিনিটে দলে আরো তিনজন বদলি ফুটবলার নামায় মরক্কো। ৮৮ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে নিকো উইলিয়ামসের নেয়া শট আটকে দেন সোফিয়ান আমরাবাত। নির্ধারিত সময়ে গোল করতে ব্যর্থ হয় দুই দলই। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মোরাতার হেড পোষ্টের উপর দিয়ে চলে যায়। ম্যাচের অন্তিম মুহুর্তে মরক্কোর ত্রাতা হয়ে আরো একবার আভিভূত হন মরক্কোর গোলরক্ষক বোনো। নির্ধারিত সময় শেষে গোল শূন্য অবস্থায় শেষ হয় দুই দলের খেলা। ফলে চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মত খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেও আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলে দুই দল। কোন দলই জালের দেখা পায়নি। ৯৮ মিনিটে জর্দি আলবাকে উফিয়ে আলেহান্দ্রো বাল্দেকে মাঠে পাঠান এনরিকে। দানি ওলমোর জায়গায় আসেন আনসু ফাতি। তবে তাতেও বদলায়নি ম্যাচের চিত্র। দুই মিনিট পর বাল্দে সুন্দর একটি সুযোগ তৈরির করলেও মরক্কোর রক্ষণ ভাঙতে পারেন নি। সেখান থেকে কর্নার পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় স্পেন।

১০৩ মিনিটে রদ্রিগোর সুযোগও আলোর মুখ দেখেনি। দুই মিনিট পর সেদিরার শট আটকে গিয়ে মরক্কোর নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন উনাই সিমন। অ্যাডেড টাইমের শেষ মুহুর্তে লরেন্তের প্রচেষ্টা নসাৎ হলে সমতায় শেষ হয় অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটে সুযোগ নষ্ট করেন সাবিরি। ১১৪ মিনিটে সেদিরা পেনাল্টি বক্সে ঢুকলেও তাকে শট নিতে দেননি স্প্যানিশ ডিফেন্ডাররা। ম্যাচের শেষ সময়ে দারুণ এক ক্লিয়ার করে মরক্কোকে বিপদমুক্ত করেন জাকারিয়া। অন্তিম মুহুর্তে দারুণ এক ক্লিয়ার করে মরক্কোকে বিপদমুক্ত করেন সারাবিয়া। গোল শূন্য অবস্থায় শেষ হয় অতিরিক্ত সময়ের খেলা। ফল নির্ধারণে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

স্পট কিক থেকে প্রথম শটে লক্ষ্যভেদ করেন মরক্কোর সাবিরি। তবে স্পেনের পাবলো সারাবিয়ার শট পোষ্টে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয় শট থেকে বল জালে জড়ান হাকিম জিয়েখ। দ্বিতীয় শটেও গোল করতে ব্যর্থ হয় স্পেন। তবে উনাই সিমোনর মরক্কোর নেয়া তৃতীয় শট ঠেকিয়ে দিয়ে ম্যাচে আশা বাঁচিয়ে রাখেন। তবে সার্জিও বুসকেতসও ব্যর্থ হন বোনোকে পরাস্ত করতে। চতুর্থ শটে আশরাফ হাকিমি ঠান্ডা মাথার শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিদায় করে দেন বিশ্বকাপ থেকে। 

স্পেনে জন্ম নেয়া হাকিমির গোলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো স্প্যানিশদের। আর নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো মরক্কো। আফ্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে টিকে রইলো বিশ্বকাপে। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্মের পর তিনটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে মরক্কর জয়ের নায়ক ইয়াসিন বোনো।


কাতার বিশ্বকাপ   মরক্কো   স্পেন   নকআউট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন