ইনসাইড পলিটিক্স

মির্জা ফখরুলের নতুন আবিস্কার!

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail মির্জা ফখরুলের নতুন আবিস্কার!

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনীতির পাশাপাশি গবেষণার কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছেন বিএনপির মহাসটিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর এ ক্ষেত্রে তিনি বেশ দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলছেন। এ কাজে তার সহকর্মীরা তাকে বেশ উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন। তার এই কাজের জন্য দলও তাকে বড় পুরস্কারে ভূষিত করেছেন। টানা ১১ বছর ধরে দলটির মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন তিনি। আলাউদ্দিনের চেরাগের মতো মির্জা ফখরুলও যেন মাঝে মাঝে কোনো জাদুকরী চেরাগ পেয়ে থাকেন। যে জাদুকরী চেরাগের বলে তিনি মাঝে মাঝেই নতুন কিছু আবিস্কার করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন। গতকাল বৃহস্পতিবারও তিনি এক চমকপদ তত্ত্ব আবিস্কার করেছেন। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একটি নতুন বিষয় আবিস্কার করে গবেষণায় তার সাফল্য দেখালেন। সংবাদ সন্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘সাফ গেমস নারী ফুটবল খেলা চালু করেছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব।’ অথচ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুই হয় ১৯৯৩ সালে। আর জিয়াউর রহমান মৃত্যুবরণ করেন ৩০ মে, ১৯৮১ সালে। ১৯৯৩ সালে জিয়াউর রহমান কি তাহলে পুনর্জন্ম গ্রহণ করেছিলেন? সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ চালু করার উদ্দেশ্যে।

এটাই মির্জা ফখরুলের প্রথম আবিস্কার নয়। এর আগেও তিনি একাধিক নতুন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। তিনি দাবি করে বলেছিলেন, ‘খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা।’ ১৯৭১ সালে তিনি তার দুই শিশুর হাত ধরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।’ অথচ তিনি মুক্তিযুদ্ধের কোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত তো হননিই বরং শত্রুপক্ষের অতিথি ছিলেন। এতদিন বলা হতো খালেদা জিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। আর স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পর বিএনপির বোধোদয় হলো খালেদা জিয়া নিজেই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন! অন্যদিকে মির্জা ফখরুল তারেক জিয়াকে বলেছেন শিশু মুক্তিযোদ্ধা। তখন তারেক জিয়ার বয়স সাড়ে তিন বছর। সাড়ে তিন বছের বয়স তারেক জিয়াকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বলাটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়। এছাড়াও ২০১৮ সালের ১০ মার্চ তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে “গণতন্ত্রের মা” হিসেবে নতুন উপাধি দিয়ে বিতর্কিত হয়েছিলেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করতেই মাঝে মাঝেই আজগুবি তথ্য হাজির করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কখনও স্বাধীনতার ঘোষক, কখনও মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ, আবার কখনও যুদ্ধাপরাধীদেরকে দেশপ্রেমিক হিসেবে আখ্যা দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ম্লান করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবেই তিনি জিয়াউর রহমানকে সাফ গেমস নারী ফুটবল খেলা চালু করার ক্রেডিট দিলেন। আর এর মধ্য দিয়ে বিএনপির এই নেতা আরও একবার প্রমাণ করলেন যে, বিএনপি দেশের ইতিহাস বিকৃত করে থাকে। যে অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দলটির বিরুদ্ধে করে আসা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল   আবিস্কার   জাদুকরী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘ছন্নছাড়া’ ছাত্রলীগ: কে হবেন ত্রাতা?

প্রকাশ: ১০:০৭ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ‘ছন্নছাড়া’ ছাত্রলীগ: কে হবেন ত্রাতা?

বাংলাদেশের ঐত্যিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দেশের রাজনীতিতে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদদের রাজনীতির হাতেখড়ি এই ছাত্র সংগঠন। কিন্তু ঐত্যিবাহী এই ছাত্র সংগঠন জৌলুস হারাতে বসেছে। দেশব্যাপী ছাত্রলীগের কর্মকান্ড যেন সেই বিষয়েরই স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ছাত্রলীগের বর্তমান এবং বিগত কয়েকটি কমিটি নিয়েই রয়েছে বেশ বিতর্ক। চেইন অব কমান্ড না থাকা, অনুপ্রবেশকারীদের আধিপত্য, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত, এমন খবর এখন প্রতিদিনই পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ঘটনা কিংবা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি করে সেই নোটিশ 'সরিয়ে ফেলা'র মত কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে রীতিমত ঝড় ওঠেছে। এতকিছুর পরও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যেন নির্বিকার! ছাত্রলীগের বর্তমান অবস্থা বেশ ‘ছন্নছাড়া’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রলীগের বর্তমান এবং সাবেক নেতৃবৃন্দ।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমান সময়ের মত এতটা ‘ছন্নছাড়া’ ছাত্রলীগ কখনোই হয়নি বলে মনে করছেন সাবেক নেতৃবৃন্দ। বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পরিবর্তন চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। সেই প্রেক্ষিতে শীঘ্রই ছাত্রলীগের কাউন্সিলের দাবি তুলেছেন নেতাকর্মীরা। কিন্তু কাউন্সিলের দাবির প্রেক্ষিতে এখন প্রশ্ন উঠেছে, কে হতে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের পরবর্তী নেতা? ছাত্রলীগ কি এই সঙ্কট থেকে সহসাই উত্তরণ পাবে? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মনে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আওয়ামী লীগই সবসময় দুর্গতদের পাশে থাকে, বিএনপি থাকে না: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭:৪৫ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আওয়ামী লীগই সবসময় দুর্গতদের পাশে থাকে, বিএনপি থাকে না: তথ্যমন্ত্রী

পঞ্চগড়ের নৌকাডুবিতে স্বজনহারা মানুষদের সহায়তাদানকালে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গণমানুষের দল আওয়ামী লীগই সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে থাকে, বিএনপি থাকে না, বরং তারা মানুষের মৃত্যু, দুর্যোগ, দুর্বিপাক নিয়ে উপহাস করে।'

রোববার (২ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সেখানে ২৫ সেপ্টেম্বর করতোয়া নদীতে নৌকাডুবিতে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের মাঝে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা বিতরণে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির 'শোকাহত পঞ্চগড়' শিরোনামের এ ত্রাণ-সহায়তা বিতরণে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন রেলপথমন্ত্রী ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এড. মো: নূরুল ইসলাম সুজন।

স্বজনহারা ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্দেশ্যে ড. হাছান বলেন, 'আজকে দল হিসেবে আমরা আপনাদের কাছে এসেছি। কিন্তু দেশে একটি বিরোধী দল আছে, রাজপথের বিরোধী দল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের বাড়ি উত্তরবঙ্গে, পাশের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে, আসতে যেতে লাগে এক বা দেড় ঘন্টা।  ফখরুল সাহেব কিন্তু এখনো আসেননি। আমরা যাওয়ার পর উনি আসবেন আমি জানি। কারণ আওয়ামী লীগ চলে এসেছে, বিএনপিকে তো আসতে হবে। উনি না এসে ঢাকায় বসে নানা ধরণের কথা বলেছেন, এরা এগুলোই করেন, দুর্গতের পাশে থাকেন না।'

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, 'আমি চট্টগ্রামের মানুষ, নদী এবং সমুদ্রপাড়ের মানুষ। ১৯৯১ সালের  প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড়ের দু’একদিন পরে পার্লামেন্টে আমাদের দলের পক্ষ থেকে সংসদে তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন যে, কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া সে দিন পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে নির্লজ্জের মতো বলেছিলেন- যত মানুষ মরার কথা ছিল অতো মানুষ মরে নাই। তখন জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন যে, কতো মানুষ মরলে ততো মানুষ হতো আপনি বলেন। এর কোনো জবাব ছিল না, অর্থাৎ তারা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায় না। তারা মানুষের মৃত্যু, দুর্যোগ, দুর্বিপাক নিয়ে উপহাস করে।'

'এখানেই খালেদা জিয়ার সাথে শেখ হাসিনার পার্থক্য, বিএনপির সাথে আওয়ামী লীগের পার্থক্য' উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, 'আওয়ামী লীগ শুধু কথা বলে না, মানুষের পাশে থাকে, মানুষের পাশে দাঁড়ায়। সেই কারণেই আমরা এসেছি, আমাদের দলের নেতারা ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এখানে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়া দূরে থাক, তাদের দেখাও যায়নি।'

'কিন্তু ভোট আসলে তারা আসবে, বলবে পরীক্ষার খাতায় কি কি ভুল হয়েছে' বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, 'ওদের পরীক্ষার খাতা তো সাদা। পরীক্ষাই দেয় নাই। আমরা তো লিখছি। আমরা ১৪ বছর ধরে লিখছি, আরো এক বছর লিখবো। লিখলে তো টুকটাক ভুল হবে। ওরা আসবে পরীক্ষার খাতায় কি ভুল হয়েছে সেটি দেখিয়ে দেয়ার জন্য। তুখন তাদেরকে বলবেন, এতদিন আপনাদেরকে দেখি নাই কেন, আপনারা শীতের পাখি এসেছেন সাইবেরিয়া, হিমালয় থেকে, ওখানেই চলে যান।'

তথ্যমন্ত্রী জানান, 'প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বিদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরে থেকেও আপনাদের নেতা সুজন ভাইকে, ত্রাণমন্ত্রীকে, ধর্মমন্ত্রীকে ফোন করেছেন, দলকে নির্দেশনা দিয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে সবাই ছুঁটে এসেছেন। প্রত্যেক নিহতের ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে জেলা প্রশাসন থেকে ২০ হাজার, ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ২৫ হাজার ল, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছে। সুজন ভাই উকিল মানুষ এরপরও তিনি প্রত্যেককে ৫ হাজার ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে প্রকৃতপক্ষে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।'

মন্ত্রী হাছান মাহমুদ তার বক্তৃতার শুরুতেই নৌকাডুবিতে মৃত্যুবরণকারীদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের   শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তির জন্য স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা জানান এবং বলেন, 'এই ঘটনার পরপর আমাদের দলের অত্র এলাকার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সরকারের পুলিশ বাহিনী, উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, ফায়ার বিগ্রেড, ডুবুরিরা ঝাঁপিয়ে পড়েছে, এখনো যে তিনজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি তাদেরকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। যারা এই উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেছেন, বিশেষ করে ডুবুরিরা, সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় আপনাদের পাশে আছেন এবং থাকবেন। আমাদের দল সবসময় আপনাদের পাশে আছে এবং থাকবে।'

স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান সুজা, সাধারণ সম্পাদক ফারুক আলম, মাড়েয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আনছার রেজাউল করিম শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সুশীল বর্মণ এবং শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট সুকুমার চৌধুরী প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য এ দিন দুপুর পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরিরা ৬৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে, তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

এবার কে আর ইসলামকে অব্যাহতি দিলেন জিএম কাদের

প্রকাশ: ০৪:৩৩ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail এবার কে আর ইসলামকে অব্যাহতি দিলেন জিএম কাদের

ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. কে আর ইসলামকে পার্টি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। অব্যাহতি পাওয়া কে আর ইসলাম জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টাও।

রোববার (২ অক্টোবর) জাপার দপ্তর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় গঠনতন্ত্রের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. কে আর ইসলামকে জাতীয় পার্টির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদপদবি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ আদেশ এরই মধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।

গত ৩০ আগস্ট জাপার পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ আগামী ২৬ নভেম্বর দলের জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করলে অস্বস্তি সৃষ্টি হয় দলটিতে। নিজেকে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক করে আট সদস্যের একটি কমিটিও ঘোষণা দেন তিনি। রওশন এরশাদের আচমকা এ ঘোষণায় জাপার শীর্ষ নেতৃত্ব অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে।

রওশন এরশাদের ঘোষণার পর দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দলের তিন নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছেন জিএম কাদের। শৃঙ্খলা নিশ্চিতে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ সব পদ থেকে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর তিনদিন পর ১৭ সেপ্টেম্বর অব্যাহতি দেওয়া হয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধাকে।

এছাড়া গত ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান একেএম আব্দুর রউফ মানিককে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর জিএম কাদেরের উপদেষ্টা ও বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহসিন উল ইসলাম ওরফে হাবুলকে দল থেকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

তালতলীতে কৃষকলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন

প্রকাশ: ০১:৪৪ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail তালতলীতে কৃষকলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন

বরগুনার তালতলীতে বাংলাদেশ কৃষকলীগ তালতলী উপজেলা শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি হাজী আলম কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাড. গাজী জসিম উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুল হক স্বপন সভাপতি বরগুনা জেলা কৃষকলীগ।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেজবি উল কবির জোমাদ্দার সভাপতি তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা চেয়ারম্যান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ নিউ খেইন সহ সম্পাদক (ধর্ম বিষয়ক) কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

এছাড়াও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মনসুর আলী জোমাদার সাধারণ সম্পাদক কৃষক লীগ তালতলী উপজেলা শাখা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আজ থেকে ফের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি

প্রকাশ: ০১:৩৪ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে ফের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি

সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপ ফের সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। দুপুর ২টা গুলশান চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। 

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিএনপি পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত থাকবেন। আর কল্যাণ পার্টির পক্ষ থেকে দলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল অংশ নেবেন।

এর আগে চলতি বছরের ২৪ মে সরকার-বিরোধী বৃহত্তর যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। প্রথম দফার ওই সংলাপে ২৩টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল জেএসডি, গণফোরামের একাংশ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), লেবার পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় দল, মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক দল (ডিএল), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ইসলামিক পার্টি, পিপলস লীগ, ন্যাপ-ভাসানী ও বাংলাদেশ ন্যাপ।

বিএনপি   সমমনা দল   আন্দোলন   সংলাপ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন