ইনসাইড পলিটিক্স

‘শেখ হাসিনা তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা ঘুমান’

প্রকাশ: ০৩:০৫ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমি নেত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি ঘুমান কয় ঘণ্টা? তিনি বললেন, তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা।’ ওবায়দুল কাদের বললেন, ‘বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর মতো এরকম পরিশ্রমই মানুষ আর একজনও নেই।’

আজ যশোরের এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন যে, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে সবচেয়ে পরিশ্রমী, সবচেয়ে সৎ একজন রাজনীতিবিদ এসেছেন। তার নাম হলো শেখ হাসিনা। তিনি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুতের সংকট সম্পর্কে বলেন যে, এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন। আমি বলতে চাই না। কিন্তু আমরা মানুষের কষ্ট বুঝি প্রধানমন্ত্রী মানুষের কষ্ট বুঝেন। তিনি এই সময় সংকট সমাধানের জন্য কাজ করছেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না: কাদের

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না, মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শাসক নন, তিনি জনগণের সেবক। মির্জা ফখরুল সাহেবদের অপপ্রচারের বিপরীতে আমরা গঠনমূলক সত্য প্রকাশ করব এবং কাজ দিয়ে প্রমাণ করব।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নোয়াখালী শহর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আন্দোলন করেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে।

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করুক কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আগুন নিয়ে খেললে, সহিংসতা করতে এলে আমরা সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুত। জনগণের জানমাল রক্ষায় তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন, সহিদ উল্লাহ খান সোহেল এবং সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে আতঙ্ক: নেপথ্যে মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ফয়সাল আহমেদ (ছদ্মনাম)। ঠাকুরগাঁত্ত জেলা শহরের মন্দিরপাড়ার বাসিন্দার। পেশায় একজন দলিল লেখক। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন তিনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অত্যন্ত স্নেহভাজন। দিনাজপুর সরকারি কলেজে অর্থনীতিতে অনার্স পড়াকালীন সরাসরি শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। সেখান থেকেই মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তার বেশ ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। সাম্প্রতি সময়ে ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। কাজের ফাঁকে দেখা করেছেন মির্জা ফখরুলের সঙ্গে। সাক্ষাতে শিক্ষক তার অর্থনীতির ছাত্রকে বলেছেন সর্তক থাকতে। কারণ আগামী ১০ ডিসেম্বর সরকার বিএনপির মহাসমাবেশে বাধা দিবে এবং বাধা দিতে গিয়ে হয়তো পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষ ঘটবে এবং এতে করে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। শিক্ষক তার ছাত্রকে এ আতঙ্কের কথা ঢাকায় বললেও তার পৌঁছে গেছে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরে। ফলে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আসলেই কি ১০ ডিসেম্বর এমন কিছু ঘটবে? 

বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে যে, ১০ ডিসেম্বর তারা ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে, সারাদেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ এনে ঢাকায় জমায়েত করা হবে এবং এর মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটানো হবে। এদিকে আওয়ামী লীগও এখন বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সন্মেলন নিয়ে ঢাকার রাজপথে সক্রিয় আছে। তবে তাদের এই সক্রিয়তা বিএনপিকে মোকাবিলা করতে নয় বরং নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই করা হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছে।

আওয়ামী লীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, আওয়ামী লীগ বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে কোনো রকম বাধা দিবে না। বিএনপির সেদিন শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি পালন করবে বলে প্রত্যাশা তাদের। ওই নেতা বাংলা ইনসাইডারকে বলেন যে, আওয়ামী লীগ যদি বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দিতে চাইতো তাহলে সেদিন আমরা পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করতাম। কিন্তু আমরা সেটি করিনি। বরং বিএনপি যেন শান্তিপূর্ণভাবে এবং বাধাহীন ভাবে সমাবেশ করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শক্রমে  ছাত্রলীগের সন্মেলন দুইদিন এগিয়ে আনা হয়েছে। অন্যান্য বিভাগীয় শহরের মতো মালিক সমিতি যেন পরিবহন ধর্মঘট না ডাকেন সেজন্যও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মালিক সমিতির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নয় বরং বিএনপিই ১০ ডিসেম্বর গায়ে পড়ে সংঘাতে জড়াতে চায়। আর ১০ ডিসেম্বরের আগেই মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে বিএনপি আসলে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ বিএনপির পাতানো এ ধরনের ফাঁদে পা দেবে না বলে দাবি করেন তিনি। এখন দেখার বিষয় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি ঢাকায় মহাসমাবেশে কি করে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

রংপুরে মোস্তাফিজারকেই সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোস্তাফিজার রহমানকে সমর্থন দিয়েছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও পার্টির (জাপা) প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ।

গতকাল (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে মোস্তাফিজারের নাম ঘোষণা করেন রওশন এরশাদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেতার মুখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর রংপুর সফরে গিয়ে জেলা ও মহানগর জাপার যৌথ কর্মিসভায় মোস্তাফিজার রহমানকে প্রার্থী ঘোষণা করেন পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। পরে গত ১৪ নভেম্বর জাপা কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর কাছ থেকে তার পক্ষে এসএম ইয়াসির মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

সোমবার রাতে ঢাকায় এসে রওশন এরশাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মোস্তাফিজার রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসীহ্, জাতীয় পার্টি ও বিরোধী দলীয় নেতার মুখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ, রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ ও রওশন এরশাদের পুত্রবধূ মাহিমা সাদ।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

১০ ডিসেম্বর ঘিরে বিএনপির এক ভিন্ন গভীর ষড়যন্ত্র

প্রকাশ: ০৮:৫৯ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দলটি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাছে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে। তবে নয়াপল্টনে নয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএমপি। কারণ নয়াপল্টনে দলটির কার্যালয়ের সামনে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দিলে এবং সেখানে কয়েক লাখ লোক জমায়েত হলে, তা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যাবে। এতে করে পুরো ঢাকা শহর এক ভয়াবহ যানজটের কবলের মুখে পড়বে। এতে করে সাধারণ মানুষের জনভোগান্তি বাড়বে। তাই জনস্বার্থে ডিএমপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে শুধুমাত্র আসন্ন ১০ ডিসেম্বর নয়, এরপরের ১০ ডিসেম্বর অর্থাৎ ১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপি একটি ভিন্নধর্মী গভীর ষড়যন্ত্র নিয়ে এগাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১০ ডিসেম্বর হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। গত বছর ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বরে র‌্যাবের সাতজন উর্ধতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছিল বাংলাদেশের। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব তথ্যের ভিত্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সেটি বিতর্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু তারপরও ঘরে বাইরে নানা সমালোচনা হয়েছে বাংলাদেশকে নিয়ে এবং র‌্যাবের ভূমিকা নিয়ে। যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য এক অস্বস্তিকর ছিল। এখন বিএনপি রাজপথে আন্দোলন করার পাশাপাশি কূটনীতিক পাড়ায়ও সবর রয়েছে। বিদেশী কূটনীতিকরাও এখন বিএনপির নেতাদের ভাষায় কথাবার্তা বলছে। ফলে সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিএনপিও সরকারের ওপর অব্যাহতভাবে এই চাপ বাড়াতে চায়। তারা চায় বাংলাদেশের ওপর নতুন করে আরও কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হোক। তাই ১০ ডিসেম্বরকে বেছে নিয়ে তারা। সেদিন মহাসমাবেশ করে ঢাকায় এক সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় দলটি। ফলে বাংলাদেশের ওপর নেমে আসবে আরেক নতুন নিষেধাজ্ঞা। এই কৌশল আগামী বছর ১০ ডিসেম্বরেও করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে, ১০ ডিসেম্বরকে ঘিরে বিএনপির যেমন মাঠের রাজনীতিতে একটি কাঁপুনি দিতে চায় তেমনি আগামী ১০ ডিসেম্বর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও একটি বিশেষ চক্র সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশকে টাগের্ট করে। সরকারের একাধিক গোয়েন্দার সংস্থার প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বিদেশে বিএনপি-জামায়াতের লবিস্ট ফার্মগুলো এবং বিদেশে বসে যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে, যারা বাংলাদেশের ওপর গত ১০ ডিসেম্বরের মতো সামনে আরেকটি নিষেধাজ্ঞার আরোপ আনতে চায়। আর এভাবে যদি আগামী নির্বাচনের আগে দুই ডিসেম্বরে দুই নিষেধাজ্ঞা আনতে পারে তাহলে এর সুফল পাবে বিএনপি। 

উল্লেখ্য যে, গত এক বছর ধরে র‌্যাবের ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা আমরা এখন প্রত্যাহার করাতে পারিনি। এখন আবার যদি নতুন করে বাংলাদেশের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তাহলে নির্বাচনের আগে সরকার চাপের মুখে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা বলছে। এদিকে আমাদের মানবাধিকার কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২২ সেপ্টেম্বরে। সরকার এখন পর্যন্ত নতুন করে কমিশন নিয়োগ করে নাই। অন্যদিকে গত আগস্ট বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের সুপারিশ মতে বাংলাদেশের গুমের ব্যাপারে স্বাতন্ত্র নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করার ব্যাপারে সরকারের কোনো উদ্যোগের বিষয়ে জানা যায়নি। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের ওপর আবার নতুন করে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে নির্বাচনের আগে সরকার চরম বেকাদায় পড়বে বলে সংশ্লিষ্ট মনে করছে।

বিএনপি   ১০ ডিসেম্বর   নিষেধাজ্ঞা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

জামালপুরে আ. লীগের সম্মেলনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

প্রকাশ: ০৮:৩১ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এই আহ্বান করেন দলের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের নেতারা।

সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খেলা হবে ভোটের মাঠে। লাঠি আর আগুন নিয়ে আসলে প্রতিরোধ করা হবে। খেলা হবে অস্ত্র পাচারের বিরুদ্ধে, খেলা হবে ভোট চুরির বিরুদ্ধে, খেলা হবে দুনীতির বিরুদ্ধে। আরেক বার দরকার শেখ হাসিনা সরকার। এসময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

এর আগে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। সম্মেলনে নিজ বক্তব্যে বিএনপির উদ্দেশ্যে নানক বলেন, ওরা আবারও ২১একুশে আগস্ট ঘটাতে চায়। ওরা আবার একটি হাওয়া ভবন তৈরি করতে চায়। ওরা আবার দেশকে পিছনে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এবং জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এখন জনগণ সিদ্ধান্ত নিবে- তারা কি পিছনের দিকে যাবে, নাকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের জ্যৈষ্ঠ এই নেতা বলেন, সারাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত দিনের এতো এতো উন্নয়ন হয়েছে সেগুলো জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে হবে। এ সকল উন্নয়নের কথা জনগণের কানে পৌঁছে দিতে হবে। নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগের পক্ষে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, সামনে বিজয়ের মাসে। বিজয়ের মাসে বিএনপি-জামায়াতকে প্রতিরোধ করতে হবে। আর কোন ধরনের ষড়যন্ত্র করলে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। এজন্য সকলকে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন, সকল ভেদাভেদ ভুলে আগামী সংসদ নির্বাচনে জামালপুর জেলার পাঁচটি আসনকে আবারো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে হবে। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যে সিদ্ধান্ত নেবে সে সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়ে এক যোগে কাজ করতে হবে। আজকে যারা নেতৃত্বে আসবে তাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সদস্য মারুফা আক্তার পপি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিলসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।

পরে অনুষ্ঠানে আগামী তিন বছরের জন্য জেলা আওয়ামী লীগ এড. মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহকে সভাপতি, বিজন কুমার চন্দকে সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদককে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে ফারুক আহম্মেদের নাম ঘোষণা করেন।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন