ইনসাইড পলিটিক্স

যশোর জনসভায় ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ০৩:২২ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

যশোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে যশোর শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দিচ্ছেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন লাখো মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে উৎসবের শহরে পরিণত হয়েছে যশোর।

বিস্তারিত আসছে...


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

এক টেবিলে নাস্তা সারলেন দেবর-ভাবি

প্রকাশ: ০৬:১১ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্টপোষক রওশন এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। এসময় নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব ভুলে গিয়ে তারা এক টেবিলে বসে নাস্তা করেছেন। 

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে তাদের দুজনের সাক্ষাৎ হয়। 

জানা গেছে, এই দুই নেতার সাক্ষাতের সময় জাপার কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, রওশন এরশাদের ছেলে সাদ এরশাদ ও তার স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, গত রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রায় ৫ মাস পর থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে আছেন রওশন এরশাদ। এখন রাজধানীর একটি হোটেলে অবস্থান করছেন তিনি। 

জিএম কাদের   জাতীয় পার্টি   রওশন এরশাদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

১০ ডিসেম্বর নিয়ে আওয়ামী লীগের কৌশল কি?

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ-উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। এই উত্তাপ-উত্তেজনার মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কি কৌশল গ্রহণ করবে সেটাই এখন রাজনীতিতে বড় প্রশ্ন। লক্ষণীয় বিষয় হলো, আওয়ামী লীগ সভাপতির চিন্তাভাবনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাদের চিন্তাভাবনার বিস্তর ফারাক পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, সমাবেশে বাধা দেওয়া হবে না এবং ঢাকায় বিএনপির সমাবেশের আগে যেন পরিবহন ধর্মঘট না হয় সেটিও তিনি নিশ্চিত করতে বলেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তাদের মহাসমাবেশ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই ছাত্রলীগের সম্মেলন দুইদিন এগিয়ে নিয়ে এসেছে যেন ছাত্রলীগের সম্মেলনের মঞ্চ ভাঙ্গাসহ মাঠ প্রস্তুত করার কাজের জন্য যথেষ্ট সময় পায় বিএনপি। কিন্তু বিএনপি এখন পর্যন্ত নয়াপল্টনে তাদের সভা করার জন্য অটল অবস্থানে রয়েছে। তারা বলেছে যে, পুলিশ অনুমতি না দিলেও তারা নয়াপল্টনেই তাদের মহাসমাবেশ করবে। এ নিয়ে রাজনীতিতে উত্তেজনা রয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এই পরিস্থিতিতে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন কৌশল নিয়েছে।

প্রথমত, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে চাইছেন যে, সমাবেশে যেন কোনো রকম বাধা না দেওয়া হয়, রাজনৈতিক সমাবেশ থেকে যেন কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা না ঘটে যেখানে তৃতীয় শক্তি বা বিরাজনীতিকরণের শক্তি কোনো সুযোগ পায়। এজন্য তিনি রাজনীতির কর্মসূচি-পাল্টা কর্মসূচিকে সামনে আনতে চাইছেন। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী যশোরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর তিনি চট্টগ্রামের সমাবেশে ভাষণ দিবেন। ৭ ডিসেম্বর তার কক্সবাজারের সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলা এবং বিভাগীয় শহরে প্রধানমন্ত্রীর যাবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া নয় বরং রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা এবং বিএনপি-জামায়াত জোটের সময় যে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং সন্ত্রাস হয়েছে সেটি জনগণকে মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গত ১৪ বছরে যে বাংলাদেশের উন্নয়ন সেই উন্নয়নের একটা চিত্র জনগণকে আবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। এটি হলো আওয়ামী লীগের প্রধান কৌশল।

কিন্তু ১০ ডিসেম্বরকে নিয়ে আওয়ামী লীগের ভিন্ন চিন্তাও রয়েছে। আওয়ামী লীগের মধ্যে যে দ্বিতীয় চিন্তাটি ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে রয়েছে শেষ পর্যন্ত যদি বিএনপি গায়ে পড়ে সংঘাত-সহিংসতা করতে চায়, নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় সেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর অবস্থানে যাবে এবং কোনো অবস্থাতেই নয়াপল্টনে সভা করতে দেয়া হবে না, এরকম একটি সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে। সরকার কোনোভাবেই নতি স্বীকার করবে না। সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বলেছেন যে, বিএনপির অবস্থানটা খুব পরিষ্কার। তারা নয়াপল্টনে সমাবেশ করছে দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের জন্য। এটির পেছনে তাদের অন্য কোনো লক্ষ্য রয়েছে। আর এ কারণেই তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মত জনসভার মাঠ ছেড়ে পল্টনের রাস্তায় আসতে চাইছে।

তৃতীয়ত, আওয়ামী লীগের মধ্যে একটি কৌশল রয়েছে যে জনগণকে আগে থেকেই সচেতন করা এবং পাড়ায়-মহল্লায় পাল্টা কর্মসূচির মাধ্যমে একটি অবস্থান তৈরি করে রাখা যাতে করে বিএনপি মহাসমাবেশের নামে এক ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে। বরং এই মহাসমাবেশের পাশাপাশি পাড়ায়-মহল্লায় এবং বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের শক্তি প্রদর্শনের জন্য সচেষ্ট রয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। তবে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় কৌশল হলো কোনো অবস্থাতে যেন ১০ ডিসেম্বর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায় এবং সহিংস না হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ সহিংসতা এড়িয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেই ১০ ডিসেম্বরকে সীমিত রাখতে চায়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সোহরাওয়ার্দীতে নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশে করেব বিএনপি

প্রকাশ: ০৫:৩৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশ করার জন্য বিএনপিকে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। কিন্তু নিজেদের অবস্থানেই অনড় রয়েছে বিএনপি। দলটি এখনও নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে চায়।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করব, এটাই আমাদের দলের সিদ্ধান্ত। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব।

তিনি আরও বলেন, আমরা তো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের জন্য অনুমতি চাইনি। তারা চিঠি দিয়েছে বলে আমরা শুনেছি। কিন্তু কোনো চিঠি এখনও হাতে আসেনি। 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আব্দুল মোমেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শর্ত সাপেক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর (শনিবার) বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণ-সমাবেশের অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। 

১০ ডিসেম্বর   নয়াপল্টন   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

২৬ টি শর্তে সমাবেশের অনুমতি পেল বিএনপি

প্রকাশ: ০৫:১৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর ২৬ টি শর্তে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণ-সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আব্দুল মোমেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সমাবেশের অনুমতির কথা বিএনপিকে জানানো হয়েছে।

ওইদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

শর্তগুলো হল:-

১। এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।
২। স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লেখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
৩। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
৪।  নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।
৫।  স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের অভ্যন্তরে ও বাইরে উন্নত রেজ্যুলেশনযুক্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
৬।  নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশগেটে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে এবং সমাবেশস্থলে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে (ভদ্রোচিতভাবে) চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
৭। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিক্যাল স্কেনার/সার্চ মিররের মাধ্যমে সমাবেশস্থলে আসা সব যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।
৮। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৯। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে মাইক/সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা যাবে না।
১০। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।
১১। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমাবেত হওয়া যাবে না।
১২। আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
১৩। ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দেওয়া বা প্রচার করা যাবে না।
১৪। অনুমোদিত সময়ের মধ্যে সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
১৫। সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।
১৬। সমাবেশস্থলের আশপাশসহ রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়াসহ যান ও জন চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
১৭। পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি-সোটা, রড ব্যবহার করা যাবে না।
১৮।  আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।
১৯।  রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
২০। উস্কানিমূলক কোনো বক্তব্য দেওয়া বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।
২১। মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে আসা যাবে না।
২২। পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং করতে হবে, মূল সড়কে কোনো গাড়ি পার্কিং করা যাবে না।
২৩। সমাবেশস্থলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।
২৪। স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক সমাবেশ পরিচালনা করতে হবে।
২৫। উল্লেখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
২৬। জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

বিএনপি   ১০ ডিসেম্বর   মহাসমাবেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না: কাদের

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না, মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শাসক নন, তিনি জনগণের সেবক। মির্জা ফখরুল সাহেবদের অপপ্রচারের বিপরীতে আমরা গঠনমূলক সত্য প্রকাশ করব এবং কাজ দিয়ে প্রমাণ করব।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নোয়াখালী শহর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আন্দোলন করেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে।

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করুক কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আগুন নিয়ে খেললে, সহিংসতা করতে এলে আমরা সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুত। জনগণের জানমাল রক্ষায় তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন, সহিদ উল্লাহ খান সোহেল এবং সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন