ইনসাইড টক

‘বাংলাদেশ সংখ্যালঘু শূন্য হতে দুই দশকের বেশি লাগবে না’


Thumbnail ‘বাংলাদেশ সংখ্যালঘু শূন্য হতে দুই দশকের বেশি লাগবে না’

রানা দাশগুপ্ত। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটর। গত ২৭ জুন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেখা যায় দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হার কমে গেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কমে যাওয়ার কারণ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে কথা বলেছেন রানা দাশগুপ্ত। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাহমুদুল হাসান তুহিন

প্রশ্ন: সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হার কমেছে। কেন হিন্দু, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমে যাচ্ছে?

রানা দাশগুপ্ত: পাকিস্তান আমলে ১৯৪৭ সালে সমগ্র জনসংখ্যার ২৯ দশমিক ৭ শতাংশ ছিলো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। এটা সত্তরের নির্বাচনের সময় চলে এলো ২০ শতাংশে। ৯ দশমিক ৭ শতাংশ কমে গেল পাকিস্তান আমলেই। সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমে যাওয়া, বৈষম্য, নির্যাতন-নিপীড়ন চলমান রয়েছে। ২০১১ সালে বলা হলো হিন্দুদের সংখ্যা বলা হলো ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। মোট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংখ্যা বলা হলো ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আমরা যতই চিৎকার করতে থাকলাম সংখ্যালঘুর হার কমছে কেন। ৩ বছর আগে পরিসংখ্যান ব্যুরো একটি রিপোর্ট দিয়ে বললো, বিগত দেড় বছরে অর্থাৎ শেখ হাসিনার আমলে হিন্দু সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়েছে। যদি সেটি সত্য হয়েই থাকে তাহলে এই ২ শতাংশ বেড়ে হওয়ার কথা ছিলো ১০ দশমিক ৬ শতাংশ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হওয়ার কথা ছিলো ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। সেই জায়গায় বলা হচ্ছে যে, হিন্দুর সংখ্যা ৮ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ কমে গেছে। বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টানও কমে গেছে কিছু। তাহলে ধরে নিতে হবে হয় এই সংখ্যাটা মিথ্যা।

প্রশ্ন: সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হার সঠিক বলে আপনি মনে করেন?

রানা দাশগুপ্ত: আমরা জানি জরিপ করার সময় হিন্দু এলাকাগুলোতে গণনা করতে কেউ যায়নি। বাংলাদেশের কোনো জেলায় যায়নি। কিসের উপর হিন্দুদের এই জনসংখ্যা নির্ণয় করলো জানিনা। আর যদি এটি সত্য হয় তাহলে ধরে নিতে হবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ হয়েছে কিন্তু বিগত ৭০ বছরে সংখ্যালঘুদের জনজীবনে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। দুঃখ এবং যন্ত্রণা যা পাকিস্তান আমলে ছিলো, তা এখন আরও বহুগুণে বেড়েছে। যে কারণে তারা দেশত্যাগে বাধ্য হচ্ছে, এটাই তো ধরে নিতে হবে। এই ধারা যদি চলতে থাকে তাহলে বাংলাদেশ সংখ্যালঘু শূন্য হতে দুই দশকের বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হলেও সংখ্যালঘুরা যে অন্ধকারে ছিলো পাকিস্তানে, একই অন্ধকারে আছে বাংলাদেশে।

প্রশ্ন: সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য নিয়ে আপনার মন্তব্য কি?

রানা দাশগুপ্ত: যখন সেক্যুলার দেশে যায়, গণতান্ত্রিক দেশে যায় তখন বলা হয় বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। যখন মুসলিম প্রধান দেশে যায় তখন বাংলাদেশকে পরিচয় দেয়া হয় ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে। এই দ্বিচারিতার ভিত্তি হচ্ছে সংবিধান। এরকম দ্বিচারিতা ১৯৭২ সালের সংবিধানে ছিলো না। জিয়াউর রহমানের পর থেকে সংবিধান যে জায়গায় চলে গেছে এবং পঞ্চদশ সংশোধনের পরে এসে এটা দ্বিচারিতার সংবিধান হয়ে গেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেন, সেগুলো তো দ্বিচারিতারই নামান্তর। যে কারণে তাঁর বিরুদ্ধে আমাদের ধিক্কার মিছিল বের করতে হয়। আমাদেরকে বলতে হয় যে, তিনি যে দল থেকেই সামনে নির্বাচনে দাঁড়ায় না কেন, সংখ্যালঘুরা তাকে ভোট দিবে না তাঁর মিথ্যাচারের জন্য।

সাক্ষাৎকার   রানা দাশগুপ্ত   সংখ্যালঘু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে সংগঠনকে মূল্যায়ন করা সমীচীন নয়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে সংগঠনকে মূল্যায়ন করা সমীচীন নয়’

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেছেন, ছাত্রলীগ অনেক সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী একটি ছাত্র সংগঠন। কিন্তু ইদানিংকালে ছাত্রলীগের যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটছে তাতে কিন্তু সাংগঠনিক অগ্রযাত্রার ব্যাহত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ যারা সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর দুই চার ব্যক্তি দিয়ে বা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো সংগঠনকে মূল্যায়ন করা সমীচীন নয় বলে আমি মনে করি। কারণ ছাত্রলীগের অনেক গৌবরময় ইতিহাস আছে, অর্জন আছে। 

বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রলীগের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সর্বশেষ ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ঘটনাটি আরও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংগঠনটির এ ধরনের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায়  ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য সাইফুর রহমান সোহাগ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ঘটনাটি নিয়ে এখন দেশে ছাত্রলীগকে নিয়ে নেতিবাচকভাবে আলোচনা হচ্ছে। তবে সেখানকার সমস্যা নিয়ে সংগঠনটির বর্তমান নেতৃত্ব অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে বলে আমি মনে করি। সংগঠনপরিপন্থী কাজের সত্যতা পাওয়া কারণে ইতোমধ্যে সেখানে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠন মনে করলে সেখানে আরও ২৬ কেও বহিষ্কার করবে। কারণে কর্মীর চেয়ে সংগঠন বড়। সংগঠনের স্বার্থই সব সময় প্রাধান্য পাবে। সংগঠনকে শৃঙ্খলিত করতে যদি আরও বেশি সংখ্যক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করতে হয়ে তাহলে বর্তমান নেতৃত্ব সেটা অবশ্যই করবে। সংগঠনের প্রয়োজনে কাউকে তিরস্কার করবে নাকি বহিষ্কার করবে সেটা সংগঠনের নেতৃত্ব অবশ্যই বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিবে। 

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্য নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সমাজে অপরাধ প্ররণতা আছে। আর ছাত্ররা হচ্ছে সেই সমাজেরই অংশ। সে কারণে দুই এক জায়গায় হয়তো এটা কেউ করতে পারে। কারণ ছাত্রলীগ এই সমাজের বাইরে নয়। তবে কেউ করে থাকলে যে সংগঠন সেটিকে সমর্থন করে সেটাও কিন্তু নয়। কমিটি বাণিজ্যের মতো কেউ অনৈতিক কারণ করলে সংগঠন সেটির নয় দায়ী নয়। সংগঠন এর দায়ও নেবে না। যারা এ ধরনের কাজ করছে সংগঠন অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কারো ব্যক্তিগত অরপাধ সংগঠন বহন করবে না। এটা অতীতে করেনি। সেটি ভবিষ্যতেও করা হবে না। বর্তমান নেতৃত্বও অভিযোগগুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখবে বলে আমি মনে করি। কারণ বর্তমান নেতৃত্ব অনেক দক্ষ এবং সক্রিয় আছে।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে এখন অনেক ক্রিয়াশীল সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে রাজপথে সক্রিয় হতে হবে। বিএনপি-জামায়াত বা ক্রিয়াশীল চক্রের যেধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকতে হবে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘হাতে গোনা কয়েকজনের দোষ ছাত্রলীগ নেবে না’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘হাতে গোনা কয়েকজনের দোষ ছাত্রলীগ নেবে না’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, ছাত্রলীগের যারা বিভিন্ন ধরনের বিতর্কিত কাজ করছে আমরা এ ধরনের ঘটনাগুলোকে তীব্র নিন্দা জানাই। যারা বিতর্কিত কাজ করছে তাদের কোনো ধরনের সমর্থন করা প্রশ্নই আসে না। বরং যারা এ ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকছে তাদের বিচারের আওতায় আনার দরকার। কারণ হাতে গোনা মাত্র কয়েকজনের দোষ সংগঠন নেবে না। বিচারের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে ছাত্রলীগের আদর্শ এটা নয়।
 
বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রলীগের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সর্বশেষ ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ঘটনাটি আরও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংগঠনটির এ ধরনের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এসব কথা বলেছেন। 

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ছাত্রলীগ যে সব সময় খারাপ কাজ করছে এমনটা কিন্তু নয়। সংগঠনটির অনেক ভালো কাজের উদাহরণও আছে। নানা আন্দোলন এবং সংগ্রামের অর্জন রয়েছে ছাক্রলীগের। কিন্তু ছাত্রলীগের সেই অর্জনগুলোকে সামনে আনা হচ্ছে না। সামনে আনার হচ্ছে তাদের কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। আর এ সমস্ত কাজ করা হচ্ছে একটি বিশেষ উদ্দেশ্য, একজন বিশেষ ব্যক্তিকে টার্গেট করে করা হচ্ছে। ছাত্রলীগ চলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে। এখন বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু তার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা আচ্ছেন। তিনি এই সংগঠনের দেখা ভালো করেন। আর এ কারণে সংগঠনটির কিছু কর্মকাণ্ড দিয়ে একটা খারাপ ব্র্যান্ডিং করতে চায় একটি বিশেষ মহল। তারা এটা করতে চায় কারণ সেখানে তাদের স্বার্থ রয়েছে। কয়েকজন ছেলে দায় দায়িত্ব তো পুরো ছাত্রলীগ নেবে না।  

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের নিজের একটা বৈশিষ্ট্য আছে। তারা তাদের নিজেদের মতো করে চলবে, চলছে। আমরা বাইরে থেকে তাদের কিছু দিক নিদের্শনা বা পরামর্শ দিয়ে থাকি। আমাদের সব কথা তাদের শুনতে সেটিও নয়। কোনো কথা হয়তো শুনবে, কোনোটা শুনবে না। ছাত্রলীগকে একটি ব্ল্যাক ব্র্যান্ডিং করে দিয়ে সংগঠনের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধাকে অসন্মান করা হচ্ছে। যারা ছাত্রলীগকে ব্র্যান্ডিং তাদের উদ্দেশ্যটা কি? তারা খারাপ কাজ নিয়ে ব্র্যান্ডিং করছে কিন্তু ছাত্রলীগ তো ভালো কাজও করছে। তাদের খারাপ কাজ কতো এবং ভালো কাজ কতো সেটাও বিবেচনা করে দেখতে হবে। খারাপ কাজ গুলো সামনে আনলে ভালো কাজগুলোকে সামনে আনা হচ্ছে না কেন? 

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নিয়ে খুব আলোচনা হচ্ছে। আমরা সেখানে সব ধরনের কর্মকাণ্ড স্থগতি করেছি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া সেখানকার ঘটনা নিয়ে তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে। যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে তারা এখনো সাংগঠনিক নজরদারি বাইরে যায়নি। তদন্ত কমিটির তদন্তে যদি আরও কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় আমরা তাদেরকেও বহিষ্কার করবো। 

ছাত্রলীগ   বিতর্কিত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অধিকার রাষ্ট্র কাউকে দেয়নি’

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অধিকার রাষ্ট্র কাউকে দেয়নি’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, ঢাকাকে টার্গেট করে বিএনপি যে সমস্ত কর্মসূচি দিচ্ছে তাতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোনো মাথাব্যথার কারণ নেই। ঢাকার প্রতিটি কমিটি যথেষ্ট শক্তিশালী আছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হচ্ছে এবং প্রতিটি কমিটি সাংগঠনিকভাবে বেশ সক্রিয় এবং শক্তিশালী বলে আমি মনে করি। এছাড়া সহযোগী সংগঠনগুলো আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মসূচি আছে। সবকিছু মিলিয়ে আওয়ামী লীগ সক্রিয় আছে এবং যেকোনো অপশক্তির প্রতিহত করার মতো সক্ষমতা আছে।

ঢাকাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন জোরালো বিএনপিসহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে আলাপচারিতায় এস এম কামাল হোসেন এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য এস এম কামাল হোসেন এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

এস এম কামাল হোসেন বলেন,আমি মনে করি বিএনপি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন। জনগণ বিএনপির আন্দোলনের কোনো সাড়া দিচ্ছে না। তাই বিএনপি জনগণের সহানুভূতি পাওয়ার জন্য লাশের রাজনীতি শুরু করেছে। এর আগে তারা খালেদা জিয়ার অসুস্থ নিয়ে নানা নাটকীয় আন্দোলন করেছিল। তার অসুস্থতা নিয়ে এক ধরনের অপরাজনীতি করার চেষ্টা করেছিল বিএনপি। এখন তারা আবার নতুন করে সেই একই অপরাজনীতি শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা মিছিল করার সময় পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছে। বিভিন্নভাবে পুলিশের ওপর হামলা করছে। তারা এ সমস্ত কাজ করছে কারণ লাশের ওপর দিয়ে তারা ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিটি কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া আছে যে, আমাদের নেতাকর্মীরা যাতে কোনোভাবেই বিএনপির উস্কানিতে পা না দেয় সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া আছে। আবার তাদের সভা সমাবেশ, মিছিল, মিটিংয়ে বাধা দেওয়া যাবে না মানে এই নয় যে, বিএনপি আমাকে উচ্ছেদ করে ঘরে ফেরত পাঠাবে আর আমি ঘরে ফিরে যাব। আমি আমার কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে থাকব। সেখানে যদি কেউ বাধা দেয় তাহলে সেখানকার দায় দায়িত্ব তাকে বহন করতে হবে। বিএনপিসহ যে সমস্ত বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলন করছে তারা রাজপথে মিছিল মিটিং করতে পারবে কিন্তু নৈরাজ্য করতে পারবে না। এটা তাদের অধিকার নেই। নৈরাজ্য সৃষ্টির করার অধিকার রাষ্ট্র কাউকে দেয়নি। কিন্তু বিএনপি এখন নিজেরাই গায়ে পড়ে সহিংসতা করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে রাজপথে আন্দোলন করে। আর এখন কেউ যদি আওয়ামী লীগকে রাজপথ থেকে সরিয়ে দিতে চায় তাহলে সেটা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মেনে নেবে না। তবে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করে রাজপথে আছে। কারো কোনো উস্কানিতে পা দিচ্ছে না। কোনো অপশক্তি যেন নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে আমাদের নেত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা উনার সেই নির্দেশনা মেনে চলছি কিন্তু কারো সাথে সংঘর্ষে জড়াচ্ছি না।

বিএনপি   আন্দোলন   ঢাকা কেন্দ্রিক   নৈরাজ্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বাংলাদেশ সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা পাল্টাচ্ছে’

প্রকাশ: ০৪:০২ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘বাংলাদেশ সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা পাল্টাচ্ছে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জাাতিসংঘে যে ভাষণটি দিয়েছেন সেটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাষণ। বিশেষ করে বর্তমান বিশ্ব সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে তিনি যেভাবে দৃঢ়চিত্তে কথা বলেছেন সেটা অত্যন্ত তাৎপর্য বহন করে। আমি মনে করি তিনি যথেষ্ট খোলাখুলিভাবে বিষয়গুলো জাতিসংঘে তুলেছেন। বিশেষ করে ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে একটি দেশকে স্যাংশন দেওয়ার কারণে পুরো বিশ্ব যে সংকট তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি এ ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বাড়বে। 

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত এবং দুই দেশের সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, সংকট নিয়ে কাউকে না কাউকে কথা বলতে হবে। আর এক্ষেত্রে বাংলাদেশের কথা বলাটাই যুক্তি সঙ্গত। কারণ বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তির ব্যাপারে কখনো দ্বিমত রাখেনি। আমাদের পররাষ্ট্র নীতিই সেটি। ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে যুদ্ধ নয়।’ সে বিবেচনায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ অর্থ বহন করে। আমরা আশা করি যে, বাংলাদেশের মতো একটি দেশ যখন এভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই বিষয়গুলো তুলে আনলো তখন যারা এই সব যুদ্ধের মধ্যে লিপ্ত তারা বুঝতে পারবে যে, তাদের শান্তির জন্য কাজ করতে শুরু করা দরকার। কারণ একটি দেশের ওপর স্যাংশন দিয়ে পুরো বিশ্বের উন্নয়ন নষ্ট হবে সেটা তো  হতে দেয়া যায় না। 

তিনি বলেন, র‌্যাবের ওপর স্যাংশন নিয়ে যতটা না গুরুত্ব পাওয়া কথা আমরা তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আর এটা হয়েছে দেশের বিরোধী দল এটিকে অনেক বড় করে দেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সম্পর্ক বহুমাত্রিক। সে বিবেচনায় র‌্যাবের ওপর স্যাংশন একটি ছোট বিষয়। সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়ও বটে। কারণ যে তথ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্যাংশন দিয়েছে সেই তথ্যের মধ্যেই বড় ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি যে সংখ্যার কথা তারা বলছে সে সংখ্যাটিও বড় নয়। যদিও গুমের বিষয়টি শূন্যে নিয়ে আসার দরকার। তাছাড়া আমেরিকা নিজেই তো সেটা রক্ষা করতে পারছে না। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই প্রতিবছর এক হাজারের লোক পুলিশের দ্বারা নির্যাতন বা হয়রানি শিকার হয়ে থাকে। গুমের সংখ্যাও তাদের অনেক বেশি। সুতরাং তারপরও স্যাংশন দেওয়া সেটা বুঝাই যাচ্ছে যে, কোনো একটা দল বা গোষ্ঠী তাদের যেভাবে বুঝিয়েছে তারা সেটার ওপর ভিত্তি করেই স্যাংশন দিয়েছে। 

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমেরিকার মনে রাখতে হবে যে, বাংলাদেশে তাদের প্রচুর বিনিয়োগ আছে। আমাদের যে মাকের্ট সেটি কিন্তু আমেরিকায়। তাদের দেশে আমাদের মাকের্টের কারণে যেমন আমাদের লাভ হয়, তেমনি তাদের লোকেদেরও লাভ হয়। লাভ ছাড়া তো তারা ব্যবসা করছে না। সে তো ক্ষতি করে বাংলাদেশ থেকে পণ্য কিনছে না। সুতরাং বাংলাদেশের সাথে আমেরিকারও একটা বড় স্বার্থ  জড়িত আছে। বাংলাদেশের সাথে আমেরিকা যে বহুমাত্রিক সম্পর্ক আছে সেটা তারাও জানে। বেশ কিছু আলোচনা হওয়া পর আমেরিকা হয়তো বুঝতে পেরেছে যে, তারা যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে স্যাংশন দিয়েছে সেটার পেছেন অন্য কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। আর একারণে বাংলাদেশ সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা পাল্টাচ্ছে। যার জলন্ত প্রমাণ হলো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জো বাইডেনের সাক্ষাত এবং সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি বাইডেনের সমথর্ন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘দলে অনুপ্রবেশকারীদের আমরা চিহ্নিত করেছি’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘দলে অনুপ্রবেশকারীদের আমরা চিহ্নিত করেছি’

মির্জা আজম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জামালপুর-৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপিসহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের আন্দোলন, আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশকারী এবং সাংগঠনিক শক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় কথা বলেছেন। 

বাংলা ইনসাইডার: ঢাকায় বিরোধী দল আন্দোলন করা শুরু করেছে। বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে এবং আন্দোলন বেশ জোরালো করার চেষ্টা করছে। তাদের টার্গেট হলো ঢাকাকে দখল করা। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে এই আন্দোলন নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কি?

মির্জা আজম: বিএনপির আন্দোলনের যে কর্মসূচি এবং তাদের লক্ষ্য হলো এই সরকারের পতন ঘটানো। আর এ জন্য একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে যা যা করার দরকার তারা তা করছে। আমরা এসব ব্যাপারে অবগত আছি এবং তাদের আন্দোলন মোকাবিলার করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আছে।

বাংলা ইনসাইডার: অভিযোগ রয়েছে ঢাকায় আগের মতো আওয়ামী লীগের শক্তি নেই এবং নেতৃত্বের সংকট রয়েছে। অন্ত:কোন্দল নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। এ সমস্ত অভিযোগের ব্যাপারে আপনার ব্যাখ্যা কি?

মির্জা আজম: ঢাকায় রাজনৈতিক কর্মীর সংকট আছে, অন্ত:কোন্দল আছে এবং দলে অনেক অনুপ্রবেশ ঘটেছে এ সমস্ত অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। এখন একটা বিশেষ প্রেক্ষাপটে একটা ঘটনা ঘটায় সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কিছু নেতাদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে কোন্দলের রূপ নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে গতকাল একটি সম্মেলন ছিল সেটি স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু স্থগিত করার পরও তারা সেখানে সম্মেলন না করে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। সমাবেশ করার শেষের দিকে কর্মীদের মধ্যে একটি অঘটন ঘটেছে। আর এই প্রেক্ষিতে আমাদের মহানগর আওয়ামী লীগের যিনি সাধারণ সম্পাদক তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলা ইনসাইডার: ঢাকা মহানগর কমিটিগুলোতে বিশেষ করে ওয়ার্ড কমিটিগুলো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি?

মির্জা আজম: যারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কমিটিতে অনুপ্রবেশ করেছে আমরা তাদের চিহ্নিত করেছি। এখন আওয়ামী লীগের যে সমস্ত কাউন্সিলগুলো হচ্ছে বা কমিটি গঠনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সে কমিটিগুলোতে আমরা তাদের রাখছি না। এব্যাপারে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি।

বাংলা ইনসাইডার: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিরোধী দলের কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হবে না। বরং তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসতে চাইলে চা পানে আপ্যায়িত করা হবে। তাহলে আমরা বনানী, মিরপুর এই জায়গার কর্মসূচিগুলোতে বাধা দিলেন কেন?

মির্জা আজম: কোথাও বিরোধী দলের কোনো কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়নি। বনানীতে যা ঘটনা ঘটেছে সে জায়গায় বিরোধী দলের কর্মসূচি ছিল তার পাশে আওয়ামী লীগের ছেলেরা এক সাথে হয়ে তারা শুধুমাত্র ‘জয় বাংলা’ বলে শ্লোগান দিয়েছে। এই ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান শুনেই বিরোধী দলের কেউ কেউ দৌড় দেয়। ফলে কেউ কেউ ড্রেনে গিয়ে পড়ে আহত হয়েছে। কেউ একজন আরেকজনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের কেউ বিরোধী দলের ওপর কোনো ধাওয়াও দেয় নাই, কেউ কেউকে আঘাতও করে নাই। এখন ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান শুনেই যদি দৌড় দেয় তাহলে আমাদের কি করার আছে।

বাংলা ইনসাইডার: বিরোধী দল ঢাকা দখল করার যে মিশন নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন তাদের প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগের সে রকম মনোবল বা কর্মী আছে?

মির্জা আজম: আওয়ামী লীগের যে সাংগঠনিক শক্তি আছে তাতে বিরোধী দল বিএনপির দাঁড়ানো মত কোনো শক্তি বা অবস্থা নেই।  আমরা আমাদের সাংগঠনিক শক্তি দিয়ে তাদের প্রতিরোধ করতে পারবো।

বাংলা ইনসাইডার: বিরোধী দল বলছে যে, পুলিশ ছাড়া আপনারা মাঠে এক মিনিটও টিকতে পারবেন না। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি এখন কোন অবস্থানে আছে?

মির্জা আজম: বিএনপি যে চ্যালেঞ্জ করছে পুলিশ ছাড়া আওয়ামী লীগ মাঠে নামলে টিকতে পারবে না যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে আমরা আমাদের সাংগঠনিক শক্তি দিয়ে প্রমাণ করে দিতে পারবো। পুলিশ ছাড়া আমরা প্রমাণ করে দিতে পারবো কে টিকতে পারবে আর কে টিকতে পারবে না।

মির্জা আজম   বিরোধী দল   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন