ইনসাইড টক

‘মুন্সিগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের নেপথ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দায়ী’

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘মুন্সিগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের নেপথ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দায়ী’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস বলেছেন, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মুক্তারপুরে একটি জায়গায় আকস্মিকভাবে পুলিশের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী নিষ্ঠুর বর্বরোচিত আক্রমণ করে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আমি ঘটনা শুনার পরপরই হাসপাতালে যাই এবং আহত পুলিশ সদস্য এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। রাতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ঘটনার বিবরণ জেনেছি।

গতকাল বুধবার মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মুক্তারপুরে বিএনপির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের এই ঘটনার নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস এসব কথা বলেছেন।

মৃণাল কান্তি দাস বলেন, মুন্সিগঞ্জে বিএনপির সঙ্গে পুলিশের যে সংঘর্ষ এর নেপথ্যে রয়েছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এখানে বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। একটি গ্রুপ হচ্ছে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ যিনি বিদেশে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি মারাত্মকভাবে রোগে আক্রান্ত। আরেকজন কামরুজ্জামান রতন। এখন আব্দুল্লাহ সাহেবের অনুপস্থিতিতে রতন গ্রুপটি এগিয়ে যাচ্ছিল। গতকাল মুন্সিগঞ্জের সহিংস ঘটনাটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। এই সহিংস ঘটনার মধ্য দিয়ে আব্দুল্লাহ গ্রুপ জানান দিয়েছে যে, আমরা এখনো ক্রিয়াশীল রয়েছি এবং আমরাই এখনকার মূল শক্তি। তারা পুলিশের ওপর নিষ্ঠুর বর্বরোচিত হামলা করে মিডিয়ার শিরোনাম হতে চেয়েছে। পাশাপাশি তারা এর মধ্যে দিয়ে তাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে এসেছে। তাদের দলের নেতা যিনি সাত সাগর তের নদীর ওপারে থাকেন তারও দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য চেষ্টা করেছে এই সহিংসতার মধ্য দিয়ে।

ভোলা, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর এবং বনানীর ঘটনার সঙ্গে মুন্সিগঞ্জের ঘটনার কোনো মিল আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সমস্ত ঘটনার সঙ্গে মুন্সিগঞ্জের ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ রূপে ভিন্ন। মুন্সিগঞ্জের সহিংস ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে আওয়ামী লীগের একটি কাক পক্ষীও ছিল না। বিএনপি তারা মিছিল-সমাবেশ করার সময় আকস্মিকভাবে পুলিশের ওপর আক্রমণ করেছে।

আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা আরও বলেন, সহিংস ঘটনার বিষয়ে বিএনপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তারা শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নস্যাৎ করার জন্য পুরনো কায়দায় লিপ্ত হয়েছে। আমি মনে করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তার বিধান পালন করবে সেটাই তাদের সংবিধান স্বীকৃত দায়িত্ব। জনগণের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গেলে বিএনপি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে আমি বলব বিএনপি মিথ্যাচার করছে। এলাকার সমস্ত ভিডিও ফুটেজ দেখলে দেখা যায় যে, সেখানে অনেক কম সংখ্যক পুলিশ সদস্য ছিল। বিএনপি  নেতাদের সাথে পুলিশের কথা হয়েছে। তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবে। কিন্তু বিএনপি কর্মীরা আকস্মিকভাবে   পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ নিজেদের আত্মরক্ষা করতে নদীতে নেমেছে কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীরা নদীতে পর্যন্ত  ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেছে। আমি পুলিশের কাছ থেকে এটাও জানতে পেরেছি যে, নদীতে অবস্থান করা পুলিশের ওপরও তারা ককটেল মেরেছে। গতকালের ঘটনাস্থলে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মী ধারের কাছেও ছিল না। ঘটনাস্থলে এককভাবে শুধুমাত্র বিএনপির নেতাকর্মীদের অবস্থান ছিল। বিএনপি ইচ্ছাকৃতভাবে গণমাধ্যমের শিরোনাম হওয়ার জন্যে এবং তারেকের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য গতকাল মুন্সিগঞ্জে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করে না। তারা বিশ্বাস করে সহিংস করে যেনতেনভাবে ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করে বিত্তশালী হবে। যাদের এই মন মানসিকতা তারা কিভাবে আন্দোলন করবে। তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না। তারা বিশ্বাস করে যেনতেনভাবে ক্ষমতায় এসে সম্পদ লুট করবে এবং কর্মীদেরও সেই সুযোগ করে দেবে।

মুন্সিগঞ্জ   বিএনপি   অভ্যন্তরীণ কোন্দল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ছাত্রলীগের হাজারো সফলতার মাঝে দুই-একটি ভুল ভ্রান্তি আছে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেছেন, ছাত্রলীগ ঐতিহ্যবাহী একটি প্রাচীন সংগঠন। অনেক সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী একটি ছাত্র সংগঠন। যখন যারা এ সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের হাজারো সফলতার মাঝে দু’একটি ভুল ভ্রান্তি আছে। মানুষ হিসেবে সেটি থাকতেই পারে। তবে আমার প্রত্যাশা এবার সন্মেলনের মাধ্যমে যে নতুন নেতৃত্ব আসবে তারা আগের কমিটিগুলোর যে দুর্বলতা ছিল সেগুলো কাটিয়ে উঠবে এবং তারা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।

আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। আগামী ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘোষণা করা হবে নতুন কমিটি। নতুন কমিটিতে কি ধরনের নেতৃত্বের প্রত্যাশা করেন তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায়  ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য সাইফুর রহমান সোহাগ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, আপনারা ইতোমধ্যে জানেন যে, ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেই ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তিনি নেতৃত্ব প্রত্যাশাকারী নেতাদের ব্যাপারে বিশদভাবে খোঁজ নিচ্ছেন। সমস্ত কিছু যাচাই বাছাই করে তিনি তার মনে মতো একটি কমিটি দিবেন। যে কমিটি ছাত্রলীগের নীতি-আদর্শ এবং নৈতিকতার সাথে আগামী দিনে তারা রাজপথের সকল আন্দোলন, সংগ্রাম এবং সংগঠনের সকল মানবিক কার্যাক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। 

১০ ডিসেম্বর নিয়ে এখন নানা ধরনের কথা শোনা যাচ্ছে এব্যাপারে তিনি বলেন, এসমস্ত কিছু রাজনীতির জন্য ইতিবাচক। রাজনীতিতে এ ধরনের টানটান উত্তেজনা থাকবে এটি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু বিএনপির আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করার প্রচেষ্টা সেটি মোটেও ভালো নয়। ডিএমপি তাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে। তারা সেখানে সমাবেশ করলেই পারে। অনুমতি না পাওয়ার পরও তারা যখন নয়াপল্টনেই সমাবেশ করার কথা বলছে সেটি মোটেও গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না। 

ছাত্রলীগের সাবেক এই সভাপতি বলেন, বিএনপির তাদের মতো করে কর্মসূচি পালন করবে। আর ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের নিজস্ব সাংগঠনিক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে। অনেকে বলছেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় না  যে এমন কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যোন সমাবেশের অনুমতি পেয়েও সেখানে সমাবেশ না করে অহেতুক একটি উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘যেকোনো সংকটে গ্রামীণ কৃষি রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে’

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীর অর্থনীতি এখন একটি ঝুঁকির মধ্যে আছে। বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতির বাইরে না। সুতরাং বাংলাদেশের অর্থনীতিও বিশ্ব অর্থনীতির মতো ঝুঁকিতে আছে। তবে ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি বেশ ভালো। সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো আমাদের কৃষি খাত। আমরা সব সময় বিভিন্ন সংকটে দেখেছি যে, কৃষি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে অনেক সংকটে কৃষি ত্রাতা হিসেবে কাজ করেছে। যেমন, করোনাকালীন, এর আগে ২০০৮-২০০৯ সালের বিশ্ব মন্দা ছিলো তখন কৃষি আমাদের দেশে খুব ভালো ভূমিকা রেখেছে। মানুষের পেটে খাবার থাকলে যেকোনো সংকট মোকাবিলা করা খুব সহজ হয়। সে বিবেচনায় আমাদের গ্রামীণ কৃষি আমাদের যেকোনো সংকটে রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করেছে। সেজন্য অন্যান্য দেশে খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি হয়তো আছে কিন্তু বাংলাদেশে ২০২৩ সালে বড় রকমের কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে বলে আমার কাছে মনে হয় না। অর্থাৎ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কোনো আশঙ্কাই নেই। আর খাদ্যের দুর্ভিক্ষ সেটি কল্পনা করাও অবান্তর।

সদ্য সমাপ্ত নভেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বা প্রবাসী আয় এবং রপ্তানি আয় উভয় বেড়েছে। দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুটি সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন অর্থনৈতিক সংকটকে কাটাতে পারবে কিনা তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ড. আতিউর রহমান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য ড. আতিউর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

ড. আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ অনেক আগেই দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা থেকে বের হয়ে এসেছে। এখন দেশের কৃষিখাত এতোই স্বয়ং সম্পূর্ণ যে, দেশের মানুষকে খাওয়ানোর মতো দেশের যথেষ্ট খাদ্য শস্য আছে বা উৎপাদন হচ্ছে। তবে শুধু উৎপাদন হলেই হবে না, মানুষ যেন কৃষি দিয়ে আয় রোজগার করে খেতে পারে সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি যে সরকারের নজরে নেই এমনটি কিন্তু না। সরকারের নজরে সেটি আছে। সরকার কৃষির স্বয়ংসম্পূর্ণতার গ্রামের মানুষের জন্য ততটা চিন্তিত না, সরকার চিন্তিত শহরের মানুষের জন্য। আর সেজন্য সরকার ফ্যামেলি কার্ড এর মাধ্যমে সুলভ মূল্যে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে সামষ্টিক অর্থনীতি সেটিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। সেটি করতে হলে আমাদের যে রপ্তানি আয় সেটি বাড়াতে হবে। গত নভেম্বরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছে ৫ বিলিয়ন ডলার। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি দারুণ ইতিবাচক খবর। নভেম্বরে আমাদের রেমিট্যান্সও বেড়েছে। হুন্ডির কারণে আমাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গিয়েছিলো। বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। বৈধ পথে প্রবাসী আয় দেশে আসা উৎসাহিত করতে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে এখন থেকে ঘরে বসেই প্রবাসীরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন। এ প্রক্রিয়া সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তাদের সবার উচিত এব্যাপারে সহযোগিতা করা তাহলে সামনে আামাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘সরকারের কাছে মানবাধিকার ইস্যুর গুরুত্ব নাই’

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, সরকার যে মানবাধিকার ইস্যুতে গুরুত্ব দেয় না তার প্রমাণ হলো গত আড়াই মাসেও নতুন কমিশন নিয়োগ না দেয়া। মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে সরকারের কাছে আমাদের যে প্রত্যাশা  ছিলো যে সরকার মানবাধিকার ইস্যুটিকে গুরুত্ব দিবে। কিন্তু বাস্তবতা এবং আমাদের প্রত্যাশার মধ্যে একটা বড় ফারাক রয়েছে। মানবাধিকার কমিশন দেশের নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করবে এই প্রত্যাশা নিয়ে গঠন করা হয়েছিলো। কিন্তু আড়াই মাসে নতুন কমিশন গঠন না হওয়াতে এটি পরিষ্কার হয়েছে যে, সরকার মানবাধিকার ইস্যুকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক একটি বিষয়।

গত ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এখনো নতুন করে কমিশন নিয়োগ করা হয়নি। আড়াই মাসেও সাংবিধানিক এই পদের নিয়োগ না হওয়ায় বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে একটি নাগরিক বান্ধব করার কথা। সে বিবেচনায় সরকারের উচিত ছিলো মানবাধিকার কমিশনের ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া। কিন্তু সে জায়গায় বাস্তবতা আর প্রত্যাশা দুটোর মধ্যে কোনো মিল নেই। 

তিনি বলেন, যেহেতু বাংলাদেশের মানবাধিকার ইস্যুকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিভিন্ন ধরনের কথা রয়েছে। যদিও পশ্চিমারা এই মানবাধিকার ইস্যুকে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু তারপরও রাষ্ট্রকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ রাষ্ট্র বিষয়টি নিয়ে যত কম গুরুত্ব দিবে যারা দেশের মানবাধিকার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ খুঁজে বেড়ায় বা যারা সুযোগ সন্ধানী রয়েছেন তারা এক ধরনের সুযোগ পেয়ে যাবেন। 

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার একটি নিরপেক্ষ স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু সরকার বলেছে নতুন করে নয় বরং দেশের বিদ্যমান মানবাধিকার আইন এবং কমিশনই সেটি করতে পারবে। অথচ সরকার এখনো কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়নি। সরকার কমিশনকে আরও কার্যকরী করে তুলার কথা বলেছে কিন্তু উদ্যোগ নিচ্ছে না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ওবায়দুল কাদের মনের কষ্ট থেকে ছাত্রলীগকে এ কথা বলেছেন’

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না বলেছেন, গতকাল ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে যে ঘটনা ঘটেছে সেটিকে অন্যভাবে দেখা কোনো সুযোগ নেই। কারণ সেখান দুটি ইউনিটের এক সাথে সম্মেলন হয়েছে। সেখানে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম হয়েছে। এতো জনের উপস্থিতির কারণে সেখানে ছোটখাটো হট্টগোল হয়েছে কিন্তু অনাকাঙ্খিত কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি কিন্তু হয়নি। আর যেটি ঘটেছে সেটি যেকোনো বড় সমাগম বা অনেক মানুষের সমাগম হলে হতেই পারে। এটি খুবই স্বাভাবিক। ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। এই সংগঠনের মধ্যে কোনো অন্ত:কোন্দল আছে বলে আমি মনে করি না। এই সংগঠনের সাংগঠনিক নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশে এবং তার পরামর্শে ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র পরিচালিত হয়ে থাকে। 

ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগের যৌথ বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এক পর্যায়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছৃঙ্খলা দেখা দেয়। তারা বিভিন্ন পোস্টার উঁচিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। থামতে বললেও কথা না শুনে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা কি ছাত্রলীগ? কোনো শৃঙ্খলা নেই। কেন বারবার ছাত্রলীগ এভাবে আলোচনায় আসছে তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ইসহাক আলী খান পান্না এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য ইসহাক আলী খান পান্না এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

ইসহাক আলী খান পান্না বলেন, ছাত্রলীগের উশৃঙ্খল নিয়ে আমাদের দলের জননেতা ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে যে কথা বলেছেন সেটি তিনি তার প্রত্যাশার জায়গায় থেকে বলেছেন। তিনি তার মনের কষ্ট থেকে ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে এ সমস্ত কথা বলেছেন। তার মনের কষ্ট হলো যে, ছাত্রলীগকে আরও শৃঙ্খল হওয়া দরকার, ছাত্রলীগকে আরও সংগঠিত হওয়ার দরকার। এই প্রত্যাশার জায়গা থেকে তিনি ছাত্রলীগকে এসমস্ত কথা বলেছেন। তিনি ছাত্রলীগকে শোধরানোর জন্য বলেছেন। কিন্তু এটিকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই।

ছাত্রলীগের আসন্ন সম্মেলনের ব্যাপারে সংগঠনটির সাবেক এই নেতা বলেন, যে নেতৃত্ব আসবে সেই নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে। সরকারের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে ছাত্রলীগের ঐতিহ্যকে ধারণ করে তারা সামনের এগিয়ে যাবে। যে নেতৃত্ব ২০২৪ সালে নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করতে একটি বলিষ্ট ভূমিকা পালন করবে। 

তিনি আরও বলেন, এখন ডিসেম্বর মাস, আমাদের বিজয় অর্জনের মাস। এই মাসে কারা ষড়যন্ত্র করছে, কারা হুংকার দিচ্ছে সেটি বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কোনো কথা নয়। যারা হুংকার দিচ্ছে তারা সবাই একাত্তর এবং পঁচাত্তরের ঘাতক গোষ্ঠী। তারা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। এই ষড়যন্ত্রকারীই আগামী ১০ ডিসেম্বর ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামার চেষ্টা করছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শক্তি ছাত্রলীগ সহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন রাজপথে সক্রিয় আছে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে ধূলিসাৎ করে দিতে। আর সেই শক্তি সব ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে প্রস্তুত আছে। এ সমস্ত ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলার করার জন্য আমরা যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত আছি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘যে সরকারই আসুক তখন কিন্তু শিল্পীদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেছেন, নির্বাচন কিন্তু আজকে নতুন করতেছি না। আমি গতবার নমিনেশন তুলেছিলাম নির্বাচন করার উদ্দেশ্যে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতবার আমাকে নমিনেশন দেয় নাই। কারণ, মনে করেছে যে সিদ্দিকুর রহমান এখনো পারফেক্টলি নৌকার মাঝি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। গতবার আমি মধুপুর-ধনবাড়ি টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে নমিনেশন পেপার ওঠিয়েছিলাম। সেখানে যেহেতু আমার মা থাকে, ডেফিনেটলি সেখানে আমার মায়ের জন্য যেতে হয়। আমি একটা মাকে দেখতে গিয়ে আমার মধুপুর ধনবাড়ীর সাড়ে চার লক্ষ মাকে আমি দেখে আসি। মানে মায়ের সন্তানদেরকে দেখি, মাকেও দেখি। অতএব ভালোবাসাটা ওখানে আমার প্রচুর পরিমাণে। যেহেতু আমার জন্মটা টাঙ্গাইল মধুপুরে।

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক একজন নাট্য অভিনেতা। বেশিরভাগ সময় কমেডি চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন। ২০১৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র 'এইতো ভালোবাসা' মুক্তি পেয়েছিল। বর্তমানে তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছেও পোষণ করেছেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই অভিনেতার সাথে কথা বলেন বাংলা ইনসাইডারের বিনোদন প্রতিবেদক আসিফ আলম।

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেন, সেই জায়গা থেকে যেমন আমার ওখানে ভালোবাসা আছে, এখানে গুলশান-বনানী। ঢাকা-১৭ আসনের মানুষও আমাকে খুব ভালোবাসে। কারণ, যেহেতু আমার বেড়ে ওঠাটা ঢাকা শহরেই। আল্টিমেটলিই আমার বাসা গুলশানে, অফিসও গুলশানে। সবকিছু গুলশান বেইজড। যেহেতু এখানে ভিআইপি লোকজনরা থাকে এবং তাদের আনাগোনা থাকে। তাই তাদের সার্ভিস দেওয়ার জন্য আমার মনে হয় এরকম লোক দরকার যে, এই দেশে সিআইপি না হলেও ভিআইপি না হলেও সেলেব্রিটি। কিন্তু সেটার প্রমাণ কিন্তু ইতিপূর্বে দেখেছেন আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ফারুক ভাই। ফারুক ভাই এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন। উনি এখন হাসপাতালে ভর্তি, সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ উনাকে ভালো করে এখানে নিয়ে আসুক। সেই জায়গাটা যেহেতু ফারুক ভাই সার্ভিস দিয়েছে, ফারুক ভাইয়ের উত্তসূরী না হলেও আমরা একই পরিবারের সদস্য। আমরা যেহেতু মিডিয়া পরিবারের সদস্য। তাই, সেই জায়গাটা থেকে গুলশান-বনানী তার মানে ঢাকা-১৭ আসনেও এবার নির্বাচনের চিন্তা করেছি।

তিনি আরও বলেন, এটা তো আসলে সম্পূর্ণ জনগণের ওপর নির্ভর করবে। কারণ, যদি বলেন আমি কতটা আশাবাদী? শতভাগ। কারণ, শতভাগ না হলে সিদ্দিকুর রহমান নির্বাচন করবে সেটা কখনো ঘোষণা দিত না। আর আলটিমেটলি আমার চলাফেরা বা সমস্ত কর্মকাণ্ডই কিন্তু এটিকে ভিত্তি করে যে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, একটা মানুষকে হেল্প করা, একটা মানুষের সমস্যা হলে সেটাকে কিভাবে সমাধান করা যায় সেই চিন্তা গুলোই সারাদিন আমার মাথার ভিতরে থাকে। অনেকেই জানে যে, সিদ্দিকুর রহমান তো অভিনয় করতো। সে হঠাৎ করে এখানে কেন? হঠাৎ করে না। এটা আমার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ডের জায়গা থেকে। মাঝখানে যেটা হয়েছে আমি নাট্যকার অভিনেতা নির্মাতা হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একজন অভিনেতা মারা গেলে মানুষ আল্টিমেটলি তাকে অতটা মনে করে না যদি সে সোশ্যাল এক্টিভিটি না করে। তাই সোশাল এক্টিভিটি করার জন্য আমি সদা প্রস্তুত। সেইজন্য আমি মনে করি, আগামী নির্বাচনে হান্ড্রেট পার্সেন্ট নমিনেশন পাওয়ার আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ।

মিডিয়া থেকে যারা এমপি হয়েছেন তাঁরা কিছুই করেননি জানিয়ে সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেন, বাংলাদেশের মিডিয়া থেকে অনেক মানুষ কিন্তু এমপি হয়েছে। কিন্তু আদৌ সেই জায়গাটা তারা ফুলফিল করতে পারে নাই। আমাদের যে অভাবগুলো, আমাদের যে চাহিদা গুলো সেগুলা। সেটার জন্য তোম আমি ব্যাপকভাবে চিন্তা করি সবসময়ই। আমার ফেসবুক পেইজ আপনার দেখেন যে, আমি বিভিন্ন রকমের স্ট্যাটাস দিই। আসলে আমরা অনেক কিছু চাই। আমরা এখন পর্যন্ত শিল্পীরা বাংলাদেশে পেশাগত মর্যাদাটাই পাইনি। মিডিয়ার সাথে যে সমস্ত লোকগুলো জড়িত তাঁরা আলটিমেটলি দিনশেষে কি পায়? তারা কিছু পায় না। দিনশেষে মিডিয়ার লোকগুলো শেষ বয়সে অসুস্থ অবস্থায় কোথায় সে ঔষধের থলে ধরে দাঁড়ায় থাকবে সেটাও করে, আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে গিয়ে একটা চেক নিয়ে আসে। এটি হলো তা জীবনের অর্জন। সিদ্দিকুর রহমান যদি মিডিয়ার থেকে এমপি হয় তাহলে দেখে দিবে সেগুলো সম্ভব না। কারণ, আমাদের মিডিয়ার ম্যাক্সিমাম লোকের আমরা যেটা করি, একটা বোকামি করি যে একটা প্রফেশনের ওপর ডিপেন্ড করি। বাংলাদেশে ছোট্ট একটা মিডিয়ার জায়গা। এই ছোট্ট জায়গায় কিন্তু তার নিজের লাইফটাকে ফুলফিল করতে পারে কিন্তু পরবর্তী জেনারেশন তার বাচ্চাটার জন্য তেমন কোনো কিছু করতে পারেনা।

এমপি হলে তিনি কি কবেন জানিয়ে বলেন, আমি যদি ওখানে যাই শিল্পীদের পক্ষে যে ধরনের দাবিগুলো আছে আমাদের পেশাগত মর্যাদা এটা নিয়ে আমি কখনোই দেখিনি এতগুলা শিল্পী জাতীয় সংসদে গিয়েছে কোথায় সেই পেশাগত মর্যাদা নিয়ে কথা বলবে, আমাদের ওই জায়গা গুলা ঠিক করবে সেগুলোর না করে। আমাদের এখন পর্যন্ত দেখবেন যে সরকারই আসুক তখন কিন্তু শিল্পীদের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যায়। আওয়ামী লীগের শিল্পী, বিএনপির শিল্পী, জামায়াত ইসলামের শিল্পী, বিভিন্ন জায়গার শিল্পী। শিল্পীদের কিন্তু ভাগ হওয়ার কথা না। আমি সবসময় একটা কথা যে, ব্যক্তি সিদ্দিক একটা দলের হতে পারে কিন্তু নাট্যকার-অভিনেতা-নির্মাতা সিদ্দিকুর রহমান সারা বাংলাদেশের।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন