ইনসাইড টক

‘সময় ও সামর্থ্য কোনটাই আমার নেই’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ১১ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে খলনায়ক হিসেবে জনপ্রিয় হন। সাধারণত খল অভিনেতাদের বাঁকা চোখে দেখা হলেও তার ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। বর্তমানে তিনি ঢালিউডের প্রথম সারির খল অভিনেতা। বলা হচ্ছে মিশা সওদাগরের কথা।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বড় পর্দায় দর্শক মাতাচ্ছেন মিশা সওদাগর। এখন পর্যন্ত নয়শোও বেশি সিনেমায় অভিনয় করে রেকর্ড গড়েছেন শক্তিমান এই অভিনেতা। নতুন কাজ ও সমসাময়িক নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের  সাথে কথা বলেছেন তিনি।

বাংলা ইনসাইডার: বড় পর্দার পর ওটিটি মাধ্যমেও কাজ শুরু করেছেন। পার্থক্য কতটুকু ফিল করছেন?

মিশা সওদাগর: বড় পর্দার সাথে কোন কিছুর তুলনা করা যাবে না। রবীন্দ্রনাথের সাথে যেমন কারও তুলনা নয় না ঠিক তেমনি চলচ্চিত্র হল আকাশ। সুতরাং চলচ্চিত্রের সাথে কোন কিছুর তুলনা করা যাবে না। ওটিটি সব ধরণের শিল্পীদের তীর্থস্থান। এখানে যত্ন সহকারে সব সব ধরণের শিল্পীরা কাজ করতে পারে। চলচ্চিত্র নির্মাণে যে ফর্মুলা আছে নায়ক-নায়িকাকে কেন্দ্র করে করতে হয় ওটিটিতে তেমন ঝামেলা নেই। গল্পের উপর নির্ভর করে কনটেন্টটি নির্মাণ করলে মেধাবান শিল্পীরা সফল হবেই।



বাংলা ইনসাইডার: প্রযোজনার কোন পরিকল্পনা আছে কী?

মিশা সওদাগর: আমি অনেক আগে প্রযোজনা করেছি। প্রয়াত নায়ক বন্ধু মান্না ও মৌসুমীকে নিয়ে বানিয়েছিলাম। তবে তেমন ব্যবসা সফল হয়নি। আসলে ছবি প্রযোজনা করতে অর্থের প্রয়োজন সেটি আমাদের মত মানুষের মত দ্বারা সম্ভব নয়। কারণ আমাদের পারিশ্রমিক তো নায়কদের মত না। আর প্রযোজনা করতে সময়ের দরকার। আমি যেহেতু অভিনয় করি সেই সময়টি আমার নেই। ছবি বানানো এক জিনিস আর সফলতা অন্য জিনিস। আমার সামর্থ্য ও সময় কোনটিই নেই।

বাংলা ইনসাইডার: বর্তমান শিল্পী সমিতি নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?

মিশা সওদাগর: এখন যে সভাপতি আছে আমাদের জীবন্ত কিংবদন্তী ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেব। তিনি এখন ভালো মনের মানুষ। তাঁর দ্বারা কোন অন্যায় হবে না এটি আমার বিশ্বাস। পাশাপাশি বর্তমানে সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে নিপুণ। আগে থেকেই দেখতাম, মেয়েটি কাজ করত। তখনও নির্বাচন নিয়ে কোন মাথা ঘামাঘামি নেই। সে ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকটা সমিতিকে, মানুষকে সাহায্য করত। মানুষকে সেবা করার ইচ্ছাটা নিপুণের মধ্যে বিদ্যমান ছিল। সব কিছু মিলিয়ে কোন ত্রুটি এখনও আমার চোখে পড়েনি।

বাংলা ইনসাইডার: শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে আইনি জটিলতা থাকা সত্ত্বেও সদস্যপদ ফিরে পাওয়া শিল্পীদের পরিচয়পত্রে নিপুণের স্বাক্ষর করা দেখা গিয়েছে/ বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

মিশা সওদাগর: আমি শিল্পী সমিতির একজন সাধারণ মেম্বার। আমার কোন পদ নেই। আমি বর্তমান কমিটির এডভাইজারও না। সেহেতু কেন তার সাইন আছে, এ বিষয়ে আমি সঠিকভাবে বলতে পারব না। বিষয়টি নিয়ে শিল্পী সমিতির কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। যদি কেউ অভিযোগ না করে তাহলে সেটা ক্রাইম হবে না।



বাংলা ইনসাইডার:  দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কোনো আকাঙ্ক্ষা আছে?

মিশা সওদাগর: আকাঙ্ক্ষা করে লাভ কি? নতুন সিনেমা, শিল্পীর অভাবে ইন্ডাস্ট্রিই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! নতুন নতুন লোক না আসলে তো ইন্ডাস্ট্রি এগিয়ে যাবে না। হুমায়ুন ফরিদী, মিজু আহমেদ, আহমেদ শরীফ, এটিএম শামসুজ্জামান, সাদেক বাচ্চু সহ আরো অনেকেই ছিলেন। তখন কাজে অনেক প্রতিযোগিতা হতো। এখন আমি একা কি করব? একজন শিল্পী দিয়ে তো ইন্ডাস্ট্রি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। কম করে হলেও প্রধান চরিত্রের জন্য ৩০ জন অপরিহার্য শিল্পী লাগবে। এক সময় আনন্দ পেলেও এখন একা কাজ করে তৃপ্তি পাই না। যেখানে সিনেমা নেই, সেখানেও আমার হাতে অসংখ্য নতুন সিনেমার প্রস্তাব। বুধবার এফডিসি প্রবেশ করেই নতুন তিনটি সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছি। নতুন আরো শিল্পী আসতে হবে। সবাই মিলে কাজ করতে পারলে ভালো লাগবে। সবাই একত্র হয়ে কাজ করলেই ফের ইন্ডাস্ট্রি এগিয়ে যাবে।

বাংলা ইনসাইডার: বর্তমানে কাজের ব্যস্ততা কী নিয়ে?

মিশা সওদাগর: চরকির একটি কাজ শেষ করলাম। বায়োস্কোপের একটি শেষ করলাম শুধু ডাবিং বাকি। চলচ্চিত্র করছি আহারে জীবন, বিট্রে, আগুন, পর্দার আড়ালে। ডিসেম্বরে শুরু করবো রায়হান রাফির প্রেমিক, কিল হিম। জানুয়ারিতে শুরু করবো মালেক আফসারিরি নাইন এম এম ও ফেব্রুয়ারিতে বড় বাজেটের জ্যাকপট।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘সরকার আগেই সমাবেশের অনুমতি দিলে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হতো না’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিএনপি অন্যান্য বিভাগীয় গণসমাবেশের মতোই আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে। এর বাইরে বিএনপির আসলে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। যে সমস্ত আতঙ্কের কথা বলা হচ্ছে বা শোনা যাচ্ছে এগুলো ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আতঙ্কিত হয়ে বলছে। সারাদেশে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশগুলোতে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত জমায়েত দেখে সরকার ভয় পেয়ে এখন এ ধরনের কথাবার্তা বলছে। সমাবেশগুলোতে যে গণ জোয়ার তৈরি হয়েছে তাতে সরকার আতঙ্কিত হবে এটাই স্বাভাবিক। দেশের কোথাও বিএনপির সমাবেশগুলোতে সরকার বাধা দিয়ে গণজমায়েত ঠেকাতে পারেনি। আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকাতেও সরকার সেটি করতে পারবে না ভেবেই এই আতঙ্ক থেকে  সরকার এখন নিজেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। এ নিয়ে জনসাধারণ এক ধরনের আতঙ্কিতবোধ লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন উঠেছে, ১০ ডিসেম্বর আসলে কি হবে। ১০ ডিসেম্বর আসলেই কি হবে এ নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য জহির উদ্দিন স্বপন এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বিএনপির সমাবেশগুলোতে যেভাবে গণজোয়ার শুরু হয়েছে এগুলো আসলে গায়ের জোরে ঠেকানো সম্ভব নয়। সরকার অহেতুক সংঘাত সৃষ্টি করতে চাইছে। বিএনপি ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে ডিএমপির কাছে অনুমতি চাইলো। কিন্তু অনুমতি দেওয়া হলো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। অথচ তারা আগে থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান টানা কমসূর্চি দিয়ে রেখেছে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা যেখানে যাব না। আমরা বিকল্প স্থান বেছে নিয়েছি। আসল কথা হলো সরকারের মধ্যে ম্যাচিউরিটি লোকের অভাব রয়েছে। শেষ পর্যন্ত সরকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দিলো। কিন্তু এর আগে দিলো না কেন? সরকার আগেই সমাবেশ করার অনুমতি দিলে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হতো না। সরকার অহেতু একটি আতঙ্কিত পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সরকারের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকার এখন শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু শুরু থেকে সরকার এই শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিলে সরকারের এমন কি ক্ষতি হতো? সরকারই বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে সংঘাতের মতো একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। অথচ বিএনপি সংঘাত তৈরি হোক এমন কোন কথাই বলেনি বা এমন কোন কর্মসূচিও নেয়নি। সরকারের মধ্যে ম্যাচিউর লোকের অভাব থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে অহেতুক ভীতি তৈরি হয়েছে। বস্তুত ১০ ডিসেম্বর কিছুই হবে না। বিএনপির একটি সাধারণ সমাবেশ করবে,যেখানে সারাদেশে থেকে মানুষ আসবে এবং বিএনপির পক্ষে একটি গণজোয়ার তৈরি হবে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘শিক্ষা প্রশাসন আমলা দ্বারা পরিচালিত হলে শিক্ষার মানের উন্নতি হবে না’

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেছেন, আমাদের দেশের শিক্ষার সর্ব ক্ষেত্রের দুর্বলতা বাস্তব চিত্র হলো এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল। আমাদের দেশের প্রাথমিক শিক্ষার দুর্বলতা উচ্চশিক্ষার চেয়ে আরও মারাত্মক এবং এটি অনেক ক্ষতিকর। কারণ শিশুরাই একদিন উচ্চশিক্ষায় যাবে। প্রাথমিক শিক্ষার যে অবস্থা তারা তো দুর্বল কাঠামোর ভিত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষায় যাবে। যেটি আমাদের জাতির জন্য অনেক ক্ষতি করবে। আমরা বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শনের কথা বলি কিংবা কুদরত-ই-খুদা-শিক্ষা-কমিশনের কথা বলি কিন্তু এতো বছরেরও আমরা এগুলোর বাস্তবায়ন করতে পারিনি। শিক্ষিতের হার বাড়ছে ঠিক কিন্তু সেভাবে শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে পারিনি বা বাড়েনি। 

আজ এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল অনুযায়ী এ বছর পাশের হার কমলেও জিপিএ-৫ এর হার বেড়েছে। আবার ৫০ প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। যা গত বছর ছিল ১৮টি। ফলাফলের এমন চিত্র নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক আবদুল মান্নান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, এতো বছরেরও শিক্ষার গুণগত মান না বাড়ার অনেকগুলো কারণ আছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হলো শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষা প্রশাসন কখনো আমলা দিয়ে হবে না। অর্থাৎ শিক্ষা প্রশাসন আমলা দ্বারা পরিচালিত হলে শিক্ষার মানের উন্নয়ন হবে না। শিক্ষা প্রশাসনে শিক্ষকদের থাকতে হবে। যে আমলা কিছুদিন আগে প্রশাসন দেখতো সে যদি এখন এসে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি দেখেন কিংবা যিনি স্বাস্থ্য দেখতেন তিনি যদি এখন আবার শিক্ষা প্রশাসন দেখেন তাহলে সেখানে এক ধরনের গোলযোগ ঘটে। অর্থাৎ শিক্ষা প্রশাসনের শিক্ষকের কোনো ভূমিকা থাকছে না। যার ভূমিকা থাকছে তিনি একজন আমলা। এটিই বড় জটিলতা।

তিনি বলেন, এবার এসএসসি পরীক্ষার পাসের হার কমেছে সেটিও বিভিন্ন কারণে হয়েছে। এর মধ্যে করোনা একটা বড় প্রভাব রেখেছে। যেসমস্ত স্কুলগুলোতে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি এটা খুবই অনাকাঙ্খিত। কেন সেখানে কেউ পাস করতে পারলো না শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেটি খতিয়ে দেখা উচিত। সেখানকার অবকাঠামো, শিক্ষকদের যোগ্যতা, সেখানকার শিক্ষার  পরিবেশ প্রভৃতি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা উচিত।

এ বছর সিলেটের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে পরবর্তীতে পরীক্ষা স্থগিত না রেখে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বাদ দিয়ে অন্যান্য বিভাগে পরীক্ষা নেয়া হবে শিক্ষামন্ত্রীর এমন মতামতের ব্যাপারে জানতে চাইলে অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, এটা যুক্তিসঙ্গত হবে না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আওয়ামী লীগ কারো মুখোমুখি হতে রাজপথে নামেনি’

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি হতে রাজপথে নামেনি। আওয়ামী লীগ রাজপথের দল তাই রাজপথে আছে। শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীও রাজপথে আছে। আমরা কারো পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে না। আমরা করতেও চাই না। আমাদের সমস্ত কর্মসূচি আগামী ২৪ ডিসেম্বর জাতীয় কাউন্সিলকে ঘিরে। ওই দিনটিকে ঘিরেই আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে রাজপথে নেমেছে। উদ্দেশ্য একটাই শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করা এবং রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার হাত ধরেই আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে আরও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।  

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। অন্যদিকে পুরো ডিসেম্বর মাস জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগও। এতে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হবে কিনা তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে আলাপচারিতায় এস এম কামাল হোসেন এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য এস এম কামাল হোসেন এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

আগামী ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ কি সংঘাতে যাবে এমন প্রশ্নের উত্তরে এস এম কামাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ সংঘাত-সংঘর্ষের রাজনীতি করে না, কখনো করবেও না। বিএনপি যদি সংঘাত-সংঘর্ষ করে তার জবাব অতীতের মতো দেশের সাধারণ মানুষই দেবে। আমরা কাজ করছি দল গোছাতে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে, আমরা নির্বাচনে অংশ নিব। দেশের সকল দল নির্বাচন অংশ নেবে আওয়ামী লীগ সেটা প্রত্যাশা করে। কিন্তু কেউ নির্বাচন বর্জন করে যদি সংঘাতে যায় তার জবাব দেশের মানুষই দিবে, আওয়ামী লীগ নয়।

বিএনপি এদেশের জন্য কি রাজনীতি করছে এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, বিএনপির শুধু ধ্বংসাত্মক রাজনীতিই করেছে। এদেশের মানুষ সাক্ষ্য দেয়।  মির্জা ফখরুল পল্টনে দাঁড়িয়ে সরকার পতনের ধমক দেয়। অথচ তাদের নেতা রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে গেছে। আর লন্ডনে বসে বসে তিনি দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন। কিন্তু আপনারা দেখেছেন যে, আইএমএফ বাংলাদেশে এসে বলে গেছে, বাংলাদেশ গত ১৫ বছরে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। বিএনপি পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন অপপ্রচার করে দেশের উন্নয়নের অগ্রগতির পথ রোধ করতে চায়। যে কারণে তারা একেক পর এক মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে। কিন্তু আইএমএফ এর মতো বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্টও বলে গেছেন বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা। অথচ বিএনপি এই কথা গুলো স্বীকার করতে চায় না। তারা নানা রকম মিথ্যা আর গুজব ছড়িয়ে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। কিন্তু এদেশের মানুষ তা হতে দেবে না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা নামিয়ে যেন বাংলাদেশের পতাকাটা ওঠাতে পারি’

প্রকাশ: ০৪:০২ পিএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাতারে চলছে ‘ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২২’। বিশ্বকাপ নিয়ে চলছে উন্মাদনা। নিজেরা না খেললেও সমর্থনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। নিজের পছন্দের দলের পতাকা আর জার্সির রঙে সেজেছে পুরো দেশ। পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারও। নবীন অভিনেতা রাশেদ সীমান্ত আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। বিশ্বকাপ নিয়ে এই অভিনেতার সাথে কথা হলো বাংলা ইনসাইডারের।

বাংলা ইনসাইডার: এবারের বিশকাপে কোন দল সাপোর্ট করছেন? 

রাশেদ সীমান্ত: আমি আসলে ভালো ফুটবল খেলার সাপোর্ট করি। যে দল ভালো খেলুক। তারপরও যদি বলেন স্পেসিফিক অবশ্যই একটি দল আছে। আমি আগেই বলে নিচ্ছি যে ভালো খেলবে তাকেই সম্মান করতে আমি প্রস্তুত। তবে আমার পছন্দের দল আর্জেন্টিনা।

বাংলা ইনসাইডার: প্রিয় খেলোয়াড় কে? 

রাশেদ সীমান্ত: আমি ম্যারাডোনার খেলা দেখি নাই। এর পরের যে জেনারেশন বা যারা এসেছে তাদের খেলা দেখেছি আমি। যেমন বাতিস্তুতার খেলা দেখতাম আমি। আনহেল ডি মারিয়ার খেলা আমার ভালো লাগে। আর মেসির কথা বললাম না আলাদা করে, এটা সবারই ভালো লাগে। আমি আর্জেন্টিনার সাপোর্টার হিসেবে নয়, সবারই মেসির খেলা ভালো লাগে। এই দলে আরও দুই-তিন জন ছিল যাদের খেলা ভালো লাগতো। এরমধ্যে একজন হচ্ছে তেভেজ। আমার মনে হচ্ছে, আর্জেন্টিনা যতটা ভালো টিম ততটা ভালো রেজাল্ট তাঁরা করতে পারছে না বেশ কয়েকটি বিশ্বকাপে।

বাংলা ইনসাইডার: অন্য দল নিয়ে আপনার মতামত কী? 

রাশেদ সীমান্ত: নিঃসন্দেহ ব্রাজিল খুব ভালো টিম, খুবই ভালো টিম। নান্দনিক ফুটবল খেলে। ব্রাজিল টিমেও আমার পছন্দের দুই-তিন জন ফুটবলার ছিল যাদের খেল আমি দেখেছি। যেমন- রবার্তো কার্লোস। আমার কাছে মনে হচ্ছে যে, পৃথিবীর সেরা ফ্রি-কিক যারা করে তার মধ্যে অন্যতম সেরা। রবার্তো কার্লোস, কাকা, রোনালদিনহো আমার খুব পছন্দের খেলোয়াড় এবং এদের খেলা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।

বাংলা ইনসাইডার: এবারের বিশকাপ নিয়ে আপনার চাওয়া কী? 

রাশেদ সীমান্ত: আমি আসলে একজন দর্শক হিসেবে হতাশ। আজকে আমি আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল বা আমার পছন্দের দল নিয়ে যতখানি উচ্ছ্বাসিত তার চেয়ে কোটি গুণ উচ্ছ্বাসিত থাকতাম যদি আমার দল থাকতো, বাংলাদেশ থাকত। আমি চাই বাংলাদেশ কোনো একটা সময় খেলবে বিশ্বকাপ। আমি তো এরকমও শুনেছি যখন আমি খুব ছোট যে, ফুটবল স্টেডিয়ামে আবাহনী-মোহামেডান মারামারি হইত। এটাই ছিল আমাদের প্রধানতম খেলা। খুব খুশি হবো যদি কোনদিন আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকাটা ওঠাতে পারি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘মিরাক্কেল বিচারকদের প্রশংসা আমাকে অনুপ্রাণিত করে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ভারতের জি বাংলা চ্যানেলে অনুষ্ঠিত জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্স ৬ এ অংশগ্রহণ করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন জামিল হোসেন। পরবর্তীতে ভালোবাসা আজকাল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন। এরপর নিয়মিত অভিনয় করছেন ছোট পর্দায়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই অভিনেতার সাথে কথা হলো বাংলা ইনসাইডারের।

বাংলা ইনসাইডার: মিরাক্কেলে পথচলা শুরু হলো কিভাবে?

জামিল হোসেন: আমি যখন মিরাক্কেলে অংশ নিয়েছি সেটি সিজন ৬ ছিল। এর আগের মিরাক্কেল ৬ অবধি আমি দেখিনি। আছে না একটা বিষয় যে আমি দেখেছি এবং সেটি দেখে মনে হয়েছে যে আমি সেখানে যাব এমনটা নয়। আমি শখের বশে অডিশন দিয়েছে। এবং যখন অডিশন দেই তখন অন্যদের পাসপোর্ট এর কথা বলা হলেও আমাকে বলা হয়নি। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে যে, আমার হয়নি। না হওয়ার কারণে আমি আশা ছেড়ে দিয়েছি। এরপর দুই মাস পরে কলকাতা থেকে আমাকে নক করা হলো আমার পাসপোর্ট আছে কিনা। আমি তো এটা ভুলেই গিয়েছিলাম। যে কারণ তারা যখন আমাকে নক করে আমি জানতে চেয়েছিলাম কে, কোথায় থেকে বলছে। তারপর তো আমি পাসপোর্ট করে কলকাতা চলে গেলাম।

বাংলা ইনসাইডার: মিরাক্কেলের অডিশনে অনুভূতি কেমন ছিল?

জামিল হোসেন: আমি আগে এমনিতে অডিশন ভয় পেলাম এবং টেলিভিশনে ওটাই ছিলো আমার প্রথম অডিশন। যে রকম লাইট এবং সেট! যেখানে অডিশন হয়েছিল সেখানে দেখলাম একে একে ঢুকছে রজত দত্ত, মীর দা ঢুকলো, প্রাণ দা, শ্রীলেখা দি এরা সবাই সামনে ঢুকছে। আমি তো আগে থেকে মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। উনাদের দেখে আমার মনে হয়েছিল আরেকটুকু কাছে যাই। যদিও শুরুর দিকে আমার এপিসোড ছিল না। আমার শুটিং ছিলো ৩ থেকে ৪ টির শুটিং এর পরে। কিন্তু আমাদের সবার উদ্দেশ্য ছিলো একটাই। আর সেটি হলো বিচারকদের দেখা। ওই অনুভূতি এখনো আমার মধ্যে কাজ করে। মিঠুন দার একটি মন্তব্য আমার খুব ভালো লেগেছিলো। সেটি এখনো আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি আমাকে বলেছেন যে, আমি একটা জাত অভিনেতা দেখলাম। উনার এই মন্তব্য অভিনয় আসার জন্য আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। রজত দত্ত সব সময় আমার প্রশংসা করতেন।

বাংলা ইনসাইডার: অভিনয়টা কেমন লাগছে?

জামিল হোসেন: আমার মনে হয় প্রথম দিন একটি গান কেন্দ্রিক অভিনয় ছিল। একজন বয়াতির গান এবং এক সঙ্গে পারফর্ম করা। আরেকটি বিষয় আমার মনে আছে, দেব আমাকে ভালো ভেজালে ফেলে দিয়েছিলো। সে তো আর সিলেটি ভাষা বুঝে না। আমি সিলেটের একটা কালো বয়াতির সঙ্গে ধলা বয়াদির পারফর্ম করছিলাম। হঠাৎ করে দেব আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললো এটার অর্থ কি? তাকে অর্থ বুঝিয়ে দিয়ে আবার পারফর্ম করা কোন রকম বিরতি না দিয়ে। কোন বিরতি না দিয়ে আবার পারফর্ম করতে পারায় তিনি অনেক প্রশংসা করেছিলেন।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন