ইনসাইড ট্রেড

প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৫ টাকা

প্রকাশ: ০২:২৯ পিএম, ২১ জুলাই, ২০২২


Thumbnail প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৮৫ টাকা

বোতলজাত সয়াবিনের দাম লিটার প্রতি ১৪ টাকা কমিয়ে ১৮৫ টাকায় বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

বৃহস্পতিবার(২১ জুলাই) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে রিফাইনার্স প্রতিষ্ঠানগুলো।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমার প্রেক্ষিতে দেশীয় বাজারে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিন্ন মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী বাংলাদেশ কেনিটোল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচ অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্তমতো ভোজ্য তেলের মূল্য নিম্নোক্তভাবে সমন্বয় করা হলো।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৬৬ টাকা, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৫ টাকা এবং ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সয়াবিন তেলের পাশাপাশি পামতেলের দামও ৬ টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমানে পামতেলের নির্ধারিত দাম ১৫৪ টাকা। সেটির নতুন দাম ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  

এর আগে গত রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে তেলের মিল ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক থেকে সরকার নতুন দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। যা আজ থেকে কার্যকর হবে।  

এ সময় বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, বিশ্ববাজারে ভোজ্য তেলের দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও আজ দাম কমানোর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দরপতন যদি অব্যাহত থাকলে আগামীতেও এর সুফল ভোক্তারা পাবেন।

এর আগে গত ২৬ জুন বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৬ টাকা কমিয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তার আগে ৯ জুন বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়। মূল্যবৃদ্ধির পর সে সময় এক লিটার খোলা সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৮৫ টাকা। বোতলজাত এক লিটার সয়াবিনের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য নির্ধারণ করা হয় ২০৫ টাকা।

প্রতি লিটার   বোতলজাত   সয়াবিন   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

সাপ্লাই কম, দাম চড়া

প্রকাশ: ১২:১৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সাপ্লাই কম, দাম চড়া

কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাজারের সবজির দামে। শীত কড়া নাড়লেও বাজারে শীতকালীন সবজির সাপ্লাই এখনও তুলনামূলক কম। তাই বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে মুরগিরও দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।  

বাজারে সবজির কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। বাজারে শিমের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৮০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকা, প্রতিটি লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বরবটির কেজি ৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচাকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।  

শান্তিনগর বাজারের শেখ আবদুল্লাহ বলেন, সাপ্লাই কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এছাড়াও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কৃষকদের উৎপাদন ব্যায় বেড়েছে। তাই বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে সবজি। শীতকাল আসছে তখন বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে।  

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।  

বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। আগে প্যাকেট চিনি কেজি ছিল ৯৫ টাকায়। এছাড়াও লাল চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।  

এসব বাজারে দেশি মশুর ডালের কেজি ১৪০ টাকা। ভারতীয় মশুরের কেজি ১০০ টাকা। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।  

এসব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা।  

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকায়।

মুরগি বিক্রেতা রুবেল বলেন, মুরগির উৎপাদন থাকলেও খাবারের অজুহাতে দাম বাড়তি। পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা দাম কমালেই কমবে মুরগির দাম।

সাপ্লাই কম   দাম চড়া   সবজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

বরগুনায় একটি ইলিশ ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন হয়েছিল। 

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের এই ইলিশ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিষখালী নদীতে জাল ফেলে সদরের পরীরখাল গ্রামের জেলে অলি আহম্মেদ। দুপুরের দিকে জাল তুললে তিনি দেখতে পান বিশাল সাইজের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে। এরপর ইলিশটি বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারের ইদ্রিস মিয়ার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটি নিলামের মাধ্যমে ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনার মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, সচরাচর এত বড় ইলিশ জালে ধরা পড়ে না। এখন মাঝে-মধ্যেই বড় বড় ইলিশ পাওয়ার খবর পাচ্ছি। জেলেরা নিষেধাজ্ঞার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে, তাই সুবিধাও ভোগ করছে। নিষেধাজ্ঞা মানায় সাগর ও নদীর ইলিশগুলো বড় হতে পারছে।

ইলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

কমছে না সবজির দাম, মাছ-মাংস, ডিমেও অস্বস্তি

প্রকাশ: ১২:৫৮ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সবজির বাজারে কমছে না দাম, মাছ,মাংস,ডিমেও অস্বস্তি

নিত্যপন্যের দাম কমার ইঙ্গিত থাকলেও কমছে না সবজি সহ অন্যান্য পন্যের দাম। বাজার ঘুরে দেখা যায় ৬০ টাকার নিচে কোন সবজি নেই। বাজারে পর্যাপ্ত সবজির সরবরাহ থাকলেও দাম কমছেনা সবজির। অপরদিকে মাছ, মাংস সহ দাম বেড়েছে অন্যান্য নিত্যপন্যেরো।

রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। বাজারে সিমের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা  ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৬০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুন্দলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। এছাড়া আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এছাড়া রসুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা আর আদা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ সবজির দামই বেড়েছে। কাঁচা মরিচের ঝাঁজ কমলেও কমেনি গাজর ও টমেটোর দাম।  সবজির বাজারে ক্রেতাদের মুখে অসন্তোষ স্পষ্ট। বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম বাড়ার স্পষ্ট কারণ জানা নেই। অধিকাংশ সবজির দামই গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। 

সবজি বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, বেগুন গত সপ্তাহে কিনেছি ৬৫ টাকায়। আজ তা কিনতে হয়েছে ৭৫ টাকায়। বিক্রি তো ৮০ টাকার নিচে করা যাচ্ছে না। গোল বেগুন ৯০, লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বেচতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেও ঢেড়স ছিল ৫০ টাকা, আজ তা ৭০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কাকরোলে কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। গত সপ্তাহেও যা ছিল ৫০ টাকা, আজ ৭০, শশা ৭০ টাকা কেজি। 

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা কেজি এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বেড়েছে ডিমের দামও।ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা। ডিমের বাড়তি দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল আলেম নামের এক দোকানি জানান, ডিমের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম বাড়ায় বিক্রিও কিছুটা কমেছে।

শাক-সবজির মত মাছের দামও বাড়তি বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ২৫০ টাকা, পাঙাস ১৬০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা, শিং মাছ আকার ভেদে ৫০০-৭৫০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ ৬০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের খুচরা বাজারে আটাশ চালের কেজি ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭০-৭৫ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৫৫ টাকা, স্বর্ণ ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা কেজি। মোটা ডাল কেজি ১১০ টাকা, চিকন ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 

এদিকে বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। লালা চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।  

এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডালের কেজি ১০০ টাকায়। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।  

সবজি   দাম   ঊর্ধ্বমুখী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা প্রতিযোগিতা কমিশনের

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা প্রতিযোগিতা কমিশনের

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে ৪৪ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করেছে প্রতিযোগিতা কমিশন। পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বাজার ‘অস্থিতিশীল’ করার অভিযোগ তোলা হয় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে।

চাল, তেল, সাবান, আটা, ডিম ও মুরগি উৎপাদন ও সরবরাহ খাতের এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে দাম বাড়ানোসহ আরও কিছু অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে কমিশনেই পৃথকভাবে এসব মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম মামলা করার কথা জানিয়ে বলেন, এখন নিয়ম অনুযায়ী শুনানি শেষে এসব মামলা নিষ্পত্তি করা হবে।

কমিশন বিভিন্ন অবস্থা ও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে এসব মামলা করেছে, যোগ করেন তিনি।

প্রতিযোগিতা আইন অনুযায়ী, উৎপাদন, সরবরাহ, খুচরা ও ভোক্তা যে কোনো পর্যায় থেকে কমিশনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। আবার কমিশন নিজেও মামলা দায়ের করতে পারে।

এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কমিশন নিজেই মামলা করেছে। তবে কমিশনের কর্মকর্তারা কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করতে চাননি। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বেশ কিছু কোম্পানির মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি মামলার শুনানি হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কোভিড মহামারীর পর বিশ্ব বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, ইউক্রেইন যুদ্ধ, ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং পণ্য পরিবহনে জাহাজের ভাড়া বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাস ধরে দেশের নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত নিত্যপণ্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম।

এরমধ্যে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি, প্রসাধনী সামগ্রী, ডিম, মুরগিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম ৪০ শতাংশ থেকে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বাজারে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সরবকারের বিভিন্ন সংস্থা অভিযানে নামে।

এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে অভিযানকালে বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের ডেকে বৈঠক করে সংস্থাটি।

নিত্যপণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বাড়াতে ভোক্তা অধিকারের চিহ্নিত অনিয়ম এবং বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আসা দাম নিয়ে কারসাজির তথ্য যাচাই বাছাই করে এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার তথ্য পেয়ে প্রতিযোগিতা কমিশন মামলায় যায়।

কমিশনের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা জানান, বেশি মামলা করা হয়েছে চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে। এ খাতের ১১টি বড় প্রতিষ্ঠান ও ৮টি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এছাড়া আটা ময়দা উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ৮টি, ডিম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ৬টি, ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত ৬টি, সাবান ও ডিটারজেন্ট উৎপাদন ও বিপণনে যুক্ত ৬টি কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতা কমিশন   মামলা   কোম্পানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার

প্রকাশ: ০৯:০৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail চিনি ও পাম তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার

চিনি ও পাম তেলের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকা, খোলা চিনি ৮৪ টাকা এবং পাম তেলের লিটার ১৩৩ টাকায় বিক্রি হবে।  

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ দাম ঘোষণা করে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পাম তেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মিলগেট, পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ের জন্য আলাদা দাম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল মিলগেট থেকে ১২৮ টাকায় কিনে পরিবেশকরা ১৩০ টাকায় বিক্রি করবেন। আর খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হবে ১৩৩ টাকায়।

প্রতি কেজি খোলা চিনি মিলগেটে ৭৯ টাকায় কিনে পরিবেশক পর্যায়ে ৮১ টাকা এবং খুচরা বিক্রি হবে ৮৪ টাকা।

আর প্যাকেটজাত চিনি মিলগেটে ৮২ টাকায় কিনে পরিবেশকরা বিক্রি করবে ৮৪ টাকা। ভোক্তাদের কাছে চিনি বিক্রি হবে ৮৯ টাকায়।

এতদিন খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল ১৪৫ টাকা ও খোলা চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। সে হিসাবে পাম তেলের দাম কমেছে ১২ টাকা আর চিনিতে দাম কমলো ৬ টাকা।

চিনি   পাম তেল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন