ইনসাইড গ্রাউন্ড

ভুল সময়ে হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ

প্রকাশ: ০৬:২৬ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ভুল সময়ে হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ

ফুটবলের ঠাসা সূচি নিয়ে এমনিতেই অন্ত নেই আলোচনা-সমালোচনার। এরই মধ্যে কাতার বিশ্বকাপ সেখানে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা। ইউরোপিয়ান ক্লাব মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে হতে যাওয়া ফিফা আসর ফুটবলারদের ওপর মানসিক ও শারীরিকভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন চেলসি কোচ টমাস টুখেল।

ঠিক একই কারণে ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কড়া সমালোচনা করেছেন ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। ভুল সময়ে এবারের বিশ্বকাপ হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি।

সাধারণত জুন-জুলাইয়ে আয়োজন করা হয় ফিফা বিশ্বকাপ। তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে কাতার বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে। ওই সময়ে মরুর দেশটিতে প্রচণ্ড গরমের কথা মাথায় রেখে চলতি বছরেরে নভেম্বর-ডিসেম্বরে বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা।

টুখেল মনে করেন, বিশ্বকাপ ঘিরে তৈরি আবেগ ও চাহিদা দিনশেষে ফুটবলারদের নিঃশেষ করে ফেলতে পারে। আর ক্লপ তো আসছে বিশ্বকাপের কথা শুনলেই ‘ক্ষেপে যান’। খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য সব পক্ষের একসঙ্গে কাজ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

কাতার বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ২১ নভেম্বর, যা চলবে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর জন্য ১২ নভেম্বর থেকে বিরতি থাকবে প্রিমিয়ার লিগে। বিশ্বকাপ শেষে লিগ আবার মাঠে গড়াবে ২৬ ডিসেম্বর, যা বক্সিং ডে নামে পরিচিত। ইউরোপের অন্য লিগগুলোও এই সময়ে বন্ধ থাকবে।

২০২২-২৩ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগের দিন শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, ক্লাব মৌসুমের মাঝামাঝি বিশ্বকাপের কোনো যৌক্তিকতাই খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি।

“এটা যুক্তিসঙ্গত নয়। খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপ নিয়ে খুব মনোযোগী, যা একটি ভালো দিক, কারণ তারা এজন্য শরীরের প্রতি খেয়াল রাখে এবং নিজেদের যত্ন নেয়। একই সঙ্গে এটি খারাপ দিকও, কারণ তারা শুধু ক্লাব নিয়ে নয়, বিশ্বকাপ নিয়েও মনোযোগী। অক্টোবরে বিশ্বকাপ যখন কাছাকাছি আসবে, তখন আমরা দেখতে পারব এটি খেলোয়াড়দের এবং তাদের পারফরম্যান্সকে কীভাবে ও কতটা প্রভাবিত করছে।”

“বিশ্বকাপ খেলোয়াড়দের ওপর মানসিক ও শারীরিকভাবে বড় প্রভাব ফেলবে, তারা নিঃশেষ হয়ে ফিরে আসবে। বড় সাফল্য কিংবা বড় হতাশাও তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারে, আর ঠিক তার কয়েকদিন পরই আমাদের বক্সিং ডে। এই সব বিষয় নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।”

লিভারপুল কোচ ক্লপ এই পরিস্থিতিকে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার মতে, সবাই বিষয়টি নিয়ে কথা বলে কিন্তু সমাধানের চেষ্টা কেউ করে না।

"কেউ যদি বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠে এবং জেতে বা হারে অথবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলে, তার মানে আগে থেকেই সে ব্যস্ত সময়ের মধ্যে থাকবে, তার এক সপ্তাহ পরই আবার বাকিটা (ক্লাব ফুটবল) শুরু হবে। বিরতিটা যদি সব খেলোয়াড় পেত, তাহলে এটা কোনো সমস্যাই নয়, বরং ভালো।”

“যখন বিষয়টি (শীতকালে বিশ্বকাপ) নিয়ে কথা বলতে শুরু করি, আমি সত্যিই রেগে যাই...বিষয়টা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো হয়ে গেছে। আমরা সবাই জানি এই সমস্যার সমাধাণ করতে হবে, কিন্তু কেউ বলছে না আমাদের কী করতে হবে। সব পক্ষকে নিয়ে একটা মিটিং হতে হবে, যেখানে সবাই পরস্পরের সঙ্গে কথা বলবে এবং আলোচনার একমাত্র বিষয় হওয়া উচিত এই খেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ খেলোয়াড়।”

কোনোরকম দ্বিধা ছাড়াই বিরক্তিভরা কণ্ঠে ক্লপ বলে দিলেন, “এবারের বিশ্বকাপ ভুল কারণে ভুল সময়ে হচ্ছে।”


ফিফা   ফুটবল   বিশ্বকাপ   প্রিমিয়ার লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইউনাইটেডের জালে হালান্ড-ফোডেনের গোলবন্যা

প্রকাশ: ০১:৩০ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ইউনাইটেডের জালে হালান্ড-ফোডেনের গোলবন্যা

টানা চার ম্যাচে জয় পাওয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে কোনো সুযোগই দিল না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। অষ্টম মিনিটে প্রথম পেরেকটা ঠোকেন ফিল ফোডেন। ৩৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে সফরকারীদের আত্মবিশ্বাস গুঁড়িয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। দুই গোলে পিছিয়ে গিয়ে ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি টেন হাগের শিষ্যরা। অন্যদিকে সফরকারীদের জালে একের পর এক বল জড়ানোর উল্লাসে মেতেছে পেপ গার্দ্দিওলার শিষ্যরা।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে রোববার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৬-৩ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। উত্তেজনার ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হ্যাট্ট্রিক করেছেন সিটির দুই ফরোয়ার্ড আর্লিং হালান্ড আর ফিল ফোডেন। 

ঘরের মাঠে শুরু থেকেই ইউনাইটেডকে চেপে ধরেন সিটি ফরোয়ার্ডরা। বার্নার্ডো সিলভার পাস থেকে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন ফিল ফোডেন। এগিয়ে গিয়েও আক্রমণের ধার কমেনি সিটিজেনদের। ৩৪ মিনিটে লিড দ্বিগুণ করেন হালান্ড। সে গোলের রেশ না কাটতেই তিন মিনিট পর আবারও ইউনাইটেডের জালে বল জড়ান নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড।

৩ গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধে আক্রমণেই উঠতে পারছিল না ইউনাইটেড। হালান্ড-ফোডেনদের আক্রমণ সামলাতে রক্ষণেই সময় বেশি দিতে হচ্ছিল টেন হাগের শিষ্যদের। তাতেও রক্ষা হয়নি। ৪৪ মিনিটে হালান্ডের পাসে লিডটা ৪-০ তে নিয়ে যান ফোডেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় অবিশ্বাস্য এই স্কোরলাইনেই!  

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে ইউনাইটেড। ৫৬ মিনিটে এরিকসনের অ্যাসিস্টে সিটির জালে বল জড়ান অ্যান্টনি। তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি অবশ্য। ৬৪ মিনিটে আবারও গোল করে নিজের হ্যাট্ট্রিক পূরণ করেন হালান্ড। স্কোর হয়ে যায় ৫-১। এই ম্যাচে রেড ডেভিলদের ফেরা কঠিন হয়ে যায় হালান্ডের হ্যাটট্রিকে। 

নিজের হ্যাট্ট্রিকের পর সতীর্থের হ্যাট্ট্রিকেও অবদান রেখেছেন নরওয়েজীয়ান তারকা। ৭২ মিনিটে ফোডেনের তৃতীয় গোলে অ্যাসিস্টাও তারই। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ফোডেন সিটিকে নিয়ে যান ধরাছোঁয়ার আরও বাইরে। স্কোর হয়ে যায় ৬-১।

৮৪ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ে ইউনাইটেডের হয়ে মার্শাল দুটি গোল শোধ করলেও তাতে শুধু ব্যবধানই কমেছে। ৬-৩ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি।


খেলাধূলা   ফুটবল   প্রিমিয়ার লিগ   ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড   ম্যান সিটি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের কাছে ৯ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১২:০১ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail পাকিস্তানের কাছে ৯ উইকেটে হারল বাংলাদেশ

দাপুটে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু করা বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের সামনে মুখ থুবড়ে পড়লো। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পুরো ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে মাত্র ৭০ রান তুলেছিল নিগার সুলতানার দল।

পাকিস্তান এই রান পার করতে নিয়েছে মাত্র ১২.২ ওভার। বাংলাদেশের মেয়েরা হেরেছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই ওপেনার মুনিবা আলি আর সিদরা আমিনই ৪৯ রান তুলে দেন পাকিস্তানকে। ১৪ রান করা মুনিবাকে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ বানিয়ে এই জুটিটি ভাঙেন সালমা খাতুন।

তবে এরপরের পথটুকু পাড়ি দিতে একদমই কষ্ট হয়নি সিদরা আমিন আর অধিনায়ক বিসমাহ মারুফের। সিদরা ৩৫ বলে ৩৬ আর বিসমাহ ২০ বলে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন।

সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজও টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগ্রেসদের। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ।

ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ডায়ানা বায়াগের বল ইনসাইডেজ হয়ে বোল্ড হন শামীমা সুলতানা (১)।

পরের ওভারে সাদিয়া ইকবালকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড ফারজানা হক (১)। এরপর রুমানা আহমেদও এলবিডব্লিউর শিকার মাত্র ১ রানে। দলের বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ৩ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ৩৪ বলে ২৪ রানের একটি জুটি গড়েন নিগার সুলতানা জ্যোতি আর লতা মন্ডল। লতা ১২ রান করে নিদা দারের বলে এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে এই জুটি। ২৭ রানে ৪ উইকেট হারায় চ্যাম্পিয়নরা।

এরপর সালমা খাতুনকে নিয়ে অধিনায়ক জ্যোতির ২৩ বলে ১৫ রানের আরেকটি ছোট জুটি। জ্যোতিকেও এলবিডব্লিউ করেন নিদা দার। ৩০ বলে অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান।

১৪তম ওভারে মাত্র ৪২ রান তুলে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশ এরপর আর লড়াকু পুঁজির পেছনে ছুটতে পারেনি। সালমা খাতুন ২৯ বলে অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে।


এশিয়া কাপ   নারী এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ   পাকিস্তান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

'গুডবুকে' নাম উঠল বসুন্ধরা কিংসের

প্রকাশ: ১১:০৯ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail 'গুডবুকে' নাম উঠল বসুন্ধরা কিংসের

ফিফার গুডবুকে নাম উঠছে বসুন্ধরা কিংসের। শৃঙ্খলা মেনে চললেই সেই ক্লাবের ঠাই হয় ফিফার এই গুডবুকে। বসুন্ধরা কিংসও পেয়ে গেল সেই আসন।

 সাবিনা খাতুনরা সাফ চ্যাম্পিয়নের পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। বাংলাদেশের শিরোপায় সভাপতি হাসি-খুশি থাকবেন এটাই স্বাভাবিক। অথচ সেদিন তার কষ্টের কথাও বলে ফেলেছিলেন। আর তা পেশাদার লিগ খেলা ক্লাবগুলোকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই নারী লিগ আরও জমজমাট বা আকর্ষণীয় করে তুলতে। কোনোভাবেই পারছি না। ক্লাবগুলোকে রাজি করাতে সাধারণ সম্পাদক শুধু হাত-পা ধরতে বাকি রেখেছেন। তবু ক্লাবগুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে। অথচ ফিফা কিংবা এএফসি নিয়ম করে দিয়েছে পেশাদার লিগের ক্লাবগুলোর নারী ও বয়সভিত্তিক দল থাকা বাধ্যতামূলক। সব জেনেও নারী লিগে দল গড়ছে না তারা। এখানে বাফুফের কি করার আছে। নোটিস পাঠাবো তাও পারছি না।’

বাফুফে সভাপতি কতটা যে অসহায় সেদিন তাঁর বক্তব্যে ফুটে উঠেছিল। যাক অন্য ক্লাবগুলো না খেলুক পেশাদার লিগে অভিষেকের পর থেকেই পেশাদারিত্বের সব নিয়মকানুন মেনে চলেছে বসুন্ধরা কিংস। দেশের ফুটবল সংস্থার অভিভাবক সালাউদ্দিন তা স্বীকারও করেছেন। পেশাদার লিগের একমাত্র দল হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা কিংস নারী লিগে অংশ নিচ্ছে। বয়সভিত্তিক লিগেও অংশ নিচ্ছে। ফিফার সব গাইডলাইন মেনে চলেছে। এমনতো সবারই হওয়া উচিত।

ফিফা বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা। তারা এতটা ক্ষমতাবান যে শৃঙ্খলা ভাঙলেই শাস্তি। এএফসিও তাদের পথ অনুসরণ করে। ফিফার নজরদারি সব জায়গায়। বিশ্ব ফুটবলে দুর্বল দেশ হলেও বাংলাদেশের কার্যক্রমে তাদের দৃষ্টি রয়েছে। আর প্রফেশনাল লিগে নিয়ম তো তারাই তৈরি করে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্লাবগুলোর কার্যকলাপেও চোখ ফেলে রেখেছে। যারা শৃঙ্খলা মেনে চলে সেসব ক্লাবের জন্য পুরস্কার না থাকলেও ফিফার গুডবুকে নাম লেখা হয়ে যায়। এক সময়ে মোহামেডান ও আবহনীর ওপর সুনজর ছিল ফিফার।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক কায়সার হামিদ বলেন, ‘দৃশ্য বদলে গেছে। এক সময়ে ফুটবলারদের প্রথম পছন্দ ছিল মোহামেডান বা আবাহনী। এখন বসুন্ধরা কিংস। হবেই না কেন কিংসতো সেভাবেই ক্লাব পরিচালিত করছে। তারাই একমাত্র দল যারা পেশাদারিত্বে প্রতিটি পদক্ষেপ মেনে এগিয়ে চলেছে। সেক্ষেত্রে তাদের নাম ফিফার গুডবুকে থাকবে সেটাইতো স্বাভাবিক।

বসুন্ধরা কিংস   ফিফা   গুডবুক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

৭০ রানেই থামলো বাংলাদেশ ইনিংস

প্রকাশ: ০৯:৫৬ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ৪ উকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

দাপুটে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু করা বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত পুরো ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটে মাত্র ৭০ রান তুলেছে নিগার সুলতানার দল। অর্থাৎ জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ৭১।

সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজও টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগ্রেসদের। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ।

ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেও ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ডায়ানা বায়াগের বল ইনসাইডেজ হয়ে বোল্ড হন শামীমা সুলতানা (১)।

পরের ওভারে সাদিয়া ইকবালকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড ফারজানা হক (১)। এরপর রুমানা আহমেদও এলবিডব্লিউর শিকার মাত্র ১ রানে। দলের বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ৩ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ৩৪ বলে ২৪ রানের একটি জুটি গড়েন নিগার সুলতানা জ্যোতি আর লতা মন্ডল। লতা ১২ রান করে নিদা দারের বলে এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে এই জুটি। ২৭ রানে ৪ উইকেট হারায় চ্যাম্পিয়নরা।

এরপর সালমা খাতুনকে নিয়ে অধিনায়ক জ্যোতির ২৩ বলে ১৫ রানের আরেকটি ছোট জুটি। জ্যোতিকেও এলবিডব্লিউ করেন নিদা দার। ৩০ বলে অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান।

১৪তম ওভারে মাত্র ৪২ রান তুলে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশ এরপর আর লড়াকু পুঁজির পেছনে ছুটতে পারেনি। সালমা খাতুন ২৯ বলে অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে।


ক্রিকেট   এশিয়া কাপ   নারী এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ   পাকিস্তান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯:৪৩ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

দাপুটে জয় দিয়ে নারী এশিয়া কাপ শুরু করা বাংলাদেশের আজ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজও টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগ্রেসদের।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ। অর্থাৎ ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করবে।

এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির উদ্বোধনী ম্যাচেই থাইল্যান্ডকে ৮২ রানে অলআউট করে ৯ উইকেট আর ৫০ বল হাতে রেখে জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

বাংলাদেশ একাদশ
শামীমা সুলতানা, ফারজানা হক, নিগার সুলতানা (অধিনায়ক), রুমানা আহমেদ, সুভানা মোস্তারি, রিতু মনি, সালমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, সোহেলি আক্তার, সানজিদা মেঘলা, লতা মন্ডল।


এশিয়া কাপ   নারী এশিয়া কাপ   বাংলাদেশ   পাকিস্তান   টস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন