সোশ্যাল থট

‘একটু বোঝার চেষ্টা করছি, আর কত দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে’

প্রকাশ: ০৯:১১ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২২


Thumbnail ‘একটু বোঝার চেষ্টা করছি, আর কত দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে’

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি বাড়ি, দোকান ও মন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে রোববার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এবং নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

মাশরাফি বিন মর্তুজা এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

একটু বোঝার চেষ্টা করছি, আর কত দিক থেকে আক্রমণ হতে পারে। প্রথম আক্রমণের কথা হয়তো সবাই ভুলে গেছে, তাই মনে করিয়ে দিচ্ছি। প্রথম ঝামেলা করলো তারা মাওলানা মামুনুলকে (মামুনুল হক) নিয়ে। তাকে যখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা দিলো, তখন ওয়াজ করার জন্য তাকে নড়াইলে আনা হলো। কথা হলো, যখন ওয়াজ মাহফিল হয়, সেটার পারমিশন দিয়ে থাকেন ডিসি, নিরাপত্তার ব্যাপার দেখেন এসপি। এখানে এমপিদের কোনো কাজই নাই।

কিন্তু ডিসি বা এসপি থেকে আমাকে বিন্দুমাত্র না জানিয়ে ওয়াজ মাহফিল দেওয়া হলো নোয়াগ্রামে, যেখানে আমার শ্বশুরবাড়ি। তাকে আগেই বলা হলো যে ওয়াজ মাহফিলের অনুমতি নেওয়া আছে, আপনি চলে আসেন। অথচ কালনাঘাট পর্যন্ত আনার পর তবেই কেবল ডিসিকে জানালো, এসপিকে জানালো। ঘাট থেকে যখন তাকে বলা হলো যে, ‘আপনার চিঠি কোথায়?’ সে দিতে পারলো না। মাহফিল কর্তৃপক্ষ তখন আমাকে ফোন করে বললো, ‘আপনি সমস্যা ঠিক করেন।’ কথা হলো, তখন এই সমস্যার সমাধান করা কীভাবে সম্ভব? এটা তো পুরোটাই একটা প্রক্রিয়া, যা আরও সাতদিন আগে থেকে করতে হয়!



তখন ওই লোকগুলো বলা শুরু করে দিলো, আমি নাকি ওয়াজ মাহফিল হতে দিচ্ছি না। পুরো খেলাটা খেলেছে এমনভাবে, তাকে আমার শ্বশুরবাড়ি এলাকায় এনে সরকারের কাছে প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, আমি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মানছি না। আর যদি না আসতে পারে, তাহলে প্রচার করা হবে যে, মাশরাফি ওয়াজ করতে দেয় না। দুদিক থেকেই তাদের জয়। আর দুই পক্ষের কাছেই আমাকে খারাপ বানাবে।

তবে যাই হোক, আল্লাহ মালিক, সত্য আর চাপা থাকেনি। সবাই কম-বেশি জেনেছে সত্যিটা, আর যারা জানে না, তারা ভুল বুঝেই আছে।

এবার উল্টো খেলা খেললো তারা। সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের ওপর আক্রমণ করে তাদের বিপদে ফেলা, পাশাপাশি আমাকেও বিপদে ঠেলে দেওয়া। এমনকি, কিছুদিন আগে কালিয়ার মির্জাপুরে সম্মানিত একজন শিক্ষককে অপমানের ঘটনায়ও আমাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, অথচ ওটা আমার আসনের ভেতর নয়।

যাক, আপনারা সব তো করলেন। এবার আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ, পেছন থেকে আঘাত করতে করতে আপনারা ক্লান্ত হয়ে যাবেন। তো আসুন, সামনে থেকে আঘাত করুন। আমার সঙ্গে সরাসরি লড়াই করুন। আমি সাধুবাদ জানাবো।

কিন্তু আমাকে ভোগানোর জন্য দয়া করে সাধারণ ও অসহায় মানুষের আর ক্ষতি করবেন না। মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন, লড়াই আমার সঙ্গে করুন। আমি জানি, নড়াইলে রাজনীতি যাদের কাছে পেশা, তাদের কাছে আমি এখন নেশা...।


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

'দেয়ালে পিঠ ঠেকলে মানুষ এভাবেই সামনে এগিয়ে যায়'

প্রকাশ: ১২:০৮ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail 'দেয়ালে পিঠ ঠেকলে মানুষ এভাবেই সামনে এগিয়ে যায়'

ইরানে হিজাব বিরোধী আন্দোলনে শোরগোল দুনিয়া জুড়ে। আর এই বিষয়টি নিয়ে শনিবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

তসলিমা নাসরিন এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

হিজাব বিরোধী আন্দোলনের ৫০ জনকে  এই দু'দিনেই  মেরে ফেলেছে ইরানের সিকিউরিটি ফোর্স। বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে ইরানের মেয়েরা, নিজেদের হিজাব পোড়াচ্ছে, নিজেদের চুল কাটছে, নিজেদের মত নিজেদের মতো করে প্রকাশ করছে, এতে কার কী জ্বলে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেল? জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেয়েরা  আজ রাস্তায় ।

দেয়ালে পিঠ ঠেকলে, পেছনে যাওয়ার আর পথ না থাকলে,  মানুষ এভাবেই  সামনে এগিয়ে যায়। হারাবার কিছু আর অবশিষ্ট না থাকলে মানুষ এভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়ে  কিছু অন্তত পাওয়ার জন্য। তারা ধন সম্পদ চাইছে না। শুধু মান ইজ্জত চাইছে।  নিজেদের প্রাপ্য অধিকারটুকু শুধু চাইছে। মানুষের মতো বাঁচার অধিকার। মাথা উচুঁ করে চলার অধিকার। নিতান্তই  যৌনবস্তু হিসেবে চিহ্নিত না হওয়ার অধিকার, নিজের  শরীর নিয়ে অস্বস্তিতে না পড়ার অধিকার, নিজের চুল, নিজের মুখ, নিজের হাত পা  লুকিয়ে না রাখার অধিকার। 

ইরানী মেয়েদের নিরলস সংগ্রাম  দেখে উপমহাদেশের হিজাবি নিকাবী বোরখাওয়ালী মেয়েদের লজ্জায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া উচিত। ঠিক ওদের মতো করে পুড়িয়ে দেওয়া উচিত তাদের হিজাব, নিকাব, বোরখা। আজ যদি ছুঁড়ে না ফেলে, একদিন আসবেই, যেদিন তারা ইরানের মেয়েদের মতোই  ছুঁড়ে  ফেলে দেবে তাদের হিজাব।  স্বতঃস্ফূর্তভাবেই হিজাব পোড়াবে। কেউ কেউ অবশ্য পোড়ানোর সময়ও পাবেনা। তার আগেই ধর্মপুলিশের হাতে  জীবন হারাবে। মাসা আমিনীর জন্য যেমন মিছিল হচ্ছে, তাদের জন্যও হবে। এই উপমহাদেশেই হবে।

তসলিমা নাসরিন  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

জাতিসংঘের গুমের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন জয়ের

প্রকাশ: ০৯:৫৮ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জাতিসংঘের গুমের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন জয়ের

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুম বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশে ‘গুমের শিকার’ যে ৭৬ জনের তালিকা করেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক ফেইসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, তালিকায় থাকা ৭৬ জনের মধ্যে অনেকে বাংলাদেশে বসবাস করছে যার প্রমাণ মিলেছে। সেখানে দু’জন ভারতীয় নাগরিকের নাম আছে। আবার অনেক তালিকাভুক্ত পলাতক আসামির নাম রয়েছে এখানে। যার কারণে যেই এনজিওগুলোর ওপর নির্ভর করে জাতিসংঘের প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে, সেই এনজিওসহ প্রশ্ন উঠছে খোদ জাতিসংঘের তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে। 

তালিকায় ২ জন ভারতের মনিপুর রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী, নিষিদ্ধ সংগঠন ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট-ইউএনএলফ এর শীর্ষ নেতা। একজন সংগঠনটির চেয়ারম্যান, অপরজন মেজর পদমর্যাদার। তারা হলেন- সানায়াইমা রাজকুমার ওরফে মেঘান ও কেইথেল্লাকপাম নবচন্দ্র ওরফে শিলহেইবা। 

প্রশ্ন হলো- জাতিসংঘের একটি গ্রুপ কীভাবে এত বড় ভুল করতে পারে? উত্তরটি সহজ- তারা শুধুমাত্র স্থানীয় বাংলাদেশ-ভিত্তিক এনজিওদের দ্বারা সরবরাহকৃত গুমের ঘটনাবলীকে তথ্য যাচাই না করেই প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘ   গুম   সজীব ওয়াজেদ জয়  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘পাকিস্তান আমল ভালো ছিল’ -এ কেমন মানসিক প্রতিবন্ধীতা?


Thumbnail ‘পাকিস্তান আমল ভালো ছিল’ -এ কেমন মানসিক প্রতিবন্ধীতা?

বাংলাদেশ সকল সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে, এ কথা কেউ বলবে না। পাশ্চাত্যের উন্নত দেশগুলোও ‘সকল’ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। বাংলাদেশতো এখনো ‘উন্নত’ দেশের যায়গায়ই পৌঁছেনি। আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি। নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যআয়ের দেশ হয়েছি। বিদেশিদের ঋণের ও দানের টাকার পরিবর্তে পদ্মা সেতুর মত বড় প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়নে করতে পারার যোগ্যতা ও সক্ষমতা অর্জন করেছি। কিন্তু এখনো অনেক দুরের পথ বাকি, সব ঠিকঠাক থাকলে ২০৪১ সালে হয়তো উন্নত দেশ হবো, কিন্তু তারপরেও সকল সমস্যার সমাধান হবে না, কারণ তা হয় না। তবে, ২০ বছর আগের থেকে যেমন তুলনামূলকভাবে আমরা ভালো আছি, তেমনি ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হতে পারলে বর্তমানের থেকে আরও ভালো থাকবে দেশের মানুষ।

২০ বছর আগের বাংলাদেশে অনেক মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, আর এখন আমরা এই বিশ্ব মন্দার মধ্যেও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও পুষ্টিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। অনেক ক্ষেত্রেই এখনো ঘাটতি আছে।

কিছুদিন আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন বাংলাদেশে সবাই বেহেশতে আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করেছি। কারণ কথাটি সর্বৈব মিথ্যা। বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বের কোনো দেশই বেহেশতে নেই। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও একদিন পরেই সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে, মানুষের কষ্ট হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ আছে আবার উন্নয়নও হয়েছে এবং হচ্ছে।

দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থনীতিবিদগণের একজন এবং বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স, যিনি দুই দশক ধরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন এবং বর্তমানে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার অর্জনের প্রশংসা করছেন! তিনি বলেন, “২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রগতিতে বিশ্বে প্রথম হয়েছে।”

সংসদে আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী বলেছিলেন, মোট জিডিপি’র আকারে আমরা সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে গেছি। কথা সত্য, কিন্তু মাথাপিছু আয়ে আমরা সিঙ্গাপুর থেকে অনেক পিছিয়ে এখনো। সিঙ্গাপুর উন্নত দেশ, আমরা সবেমাত্র উন্নয়নশীল হওয়ার পথে। যদিও অনেকেই না বুঝেই এ বিষয় নিয়ে ট্রল করে। করোনা মহামারি ও যুদ্ধের বাস্তবতায়, আজকে বিশ্ব মন্দার মধ্যে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোও জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করছে, গত ১৩/১৪ বছরে অর্থনীতি শক্ত ভিত্তির উপরে না দাঁড়ালে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব হয়ে যেত।

যাই হোক, শত প্রতিকূলতার মধ্যে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু কিছু মানুষের মানসিকতার উন্নয়ন হচ্ছে না! যদিও পাকিস্তানের থেকে সকল অর্থনৈতিক সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে তারপরও কিছু লোক মনে করে পাকিস্তানই নাকি ভালো ছিল। পাকিস্তানের শিক্ষিত শ্রেণী যদিও কিছুদিন আগেও আকুতি করেছে পাকিস্তানকে অন্তত বাংলাদেশের মত বানিয়ে দিতে। আর, আমাদের মানসিক প্রতিবন্ধী বাংলাদেশের কিছু লোক উল্টো কথা বলছে। দুঃখজনক!


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছি

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছি

দেশের ছট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। গত বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) তার ফেইসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে বলেছেন যে, 'তিনি মানুষের মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছেন'। 

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছি বেশ কিছুদিন যাবত! অকারনে শুধু অন্যের দোষ খোজা , অন্যের সমস্যা বের করা! বিশ্বাস করেন, ইলজিক্যাল্লি অন্যদের দুর্বলতা লক্ষ্য করে খোঁচা মূলক কথা লিখে ফেললেই আপনি বড় হয়ে গেলেন তা কিন্তু একদমই না ! 
আপনার মতো দুই-চারজন মুর্খ হয়তো সেইটায় লাইক দিবে!
কিন্তু যারা বোধ সম্পন্ন তারা আপনাকে বোধহীনই ভাববে!
দেখুন, লজিকেল ক্রিটিসিজম সবাই পছন্দ করে ! 
যে যেই জায়গায়ই পৌছে গেছে , সে তার যোগ্যতায়ই পৌছেছে!
কিন্তু অহেতুক আপনি বোরড, আপনার জীবনে কোন লক্ষ নাই , কোন এ্যচিভমেন্ট নাই , কিন্তু অন্য কেউ কিছু করলে আপনার ভাল লাগে না ! আপনি খুঁজতে থাকেন তাকে কিভাবে টেনে নিচে নামানো যায়! 
আপনার যদি অন্যদের কিছু ভাল না লাগে তাহলে আপনি ভাল একটা ডাক্তার দেখান ! আপনার চিকিত্সা প্রয়োজন! 
তাছাড়া ভাল কিছু এনজিও আছে যারা বিনা মুল্যে কাউন্সেলিং করে , তাদের সাথে যোগাযোগ করেন !
ভবিষ্যতে আপনারই ভাল হবে ! 
ফেসবুকে লিখতে লিখতে কবে যেন দেখবেন বাস্তবেও মুখ থেকে বাজে কথা বের হয়ে গেছে ! তখনতো খাবেন ধোলাই!

শবনম ফারিয়া   অভিনেত্রী  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

কৌশিক গাঙ্গুলির 'লক্ষ্মী ছেলে' দেখে মনে হচ্ছিল ছেলেটি আমি

প্রকাশ: ০৮:৩৬ এএম, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কৌশিক গাঙ্গুলির 'লক্ষ্মী ছেলে' দেখে মনে হচ্ছিল ছেলেটি আমি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচালক, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার কৌশিক গাঙ্গুলির সদ্য মুক্তি পাওয়া 'লক্ষ্মী ছেলে' ছবিটি দেখে পর্যালোচনা করে নিজের মনোভাব শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।

তসলিমা নাসরিন এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

কৌশিক গাঙ্গুলির লক্ষ্মী ছেলে দেখে এলাম। দেখতে দেখতে  মনে  হচ্ছিল লক্ষ্মী ছেলেটি আমি, আমার সঙ্গে ছেলেটির অদ্ভুত মিল । আমি যেমন সারাজীবন যে কথাটি বলা উচিত সে কথাটি বলেছি, যে কাজটি করা উচিত সে কাজটি করেছি, লক্ষ্মী ছেলেটিও তাই করেছে। যেমন আমি  সাত পাঁচ ভাবিনি, কী হবে না হবে ভাবিনি,   লক্ষ্মী ছেলেটিও তাই। আমি মিশে যাচ্ছিলাম চরিত্রটির সঙ্গে। কী অসাধারণ টপিক! সবার অভিনয়ই কী অসাধারণ!  কৌশিকের নতুন  ছবি এলেই প্রশ্ন জাগে, এবারের  ছবিও কি  তাঁর আগের ছবির মতোই ভালো? আমি বুঝি না একজন পরিচালক পর পর এত ভালো ছবি করেন কী করে? জগতবিখ্যাত বার্গম্যান,   কুব্রিক, কুরোসাওয়া, স্করসেস, ফেলিনি, তারকোভস্কি,  হিচককেরও সব ছবি ভালো হয়নি। কৌশিকের  মনে হচ্ছে সব ছবিই  ভালো।

লক্ষ্মী ছেলে দেখতে দেখতে ভাবছিলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ইহুদিরা তাঁদের  কুসংস্কার, ধর্মীয় উন্মাদনা আর ধর্ম ব্যবসা  নিয়ে অনেক কালজয়ী ছবিই তো করলেন, মুসলমানরা কবে তাঁদের  ওসব নিয়ে ছবি করবেন?

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

কৌশিক গাঙ্গুলি   'লক্ষ্মী ছেলে'   মনে হচ্ছিল   ছেলেটি   আমি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন