ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনকে আবারো অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০১:২৬ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনকে আবারো অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চলতি বছর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে ইউক্রেনকে মোট ৮৮০ কোটি ডলারের সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  এরই মধ্যে আরও ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা দিতে যাচ্ছে । এবারের সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে সাধারণ যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদ, দূরপাল্লার যুদ্ধাস্ত্র, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধক্ষেত্রে চিকিৎসাকাজে ব্যবহারযোগ্য পরিবহন প্রভৃতি। 

গত ১ আগস্ট, সোমবারও ইউক্রেনকে ৫৫ কোটি ডলার মূল্যের দূরপাল্লার রকেট সহায়তা দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন।

তবে এবার যে প্যাকেজটি দেওয়া হচ্ছে, সেটি আর্থিক হিসেবে এ পর্যন্ত ইউক্রেনকে দেওয়া সহায়তা প্যাকেজসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এ প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ, দূরপাল্লার রকেট হিমার্স (এইচআইমএআরএস) ও নাসামস (এনএএসএমস) এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাদের পরিবহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি যান এম ওয়ান ওয়ান থ্রি মেডিকেল ট্রান্সপোর্ট। বর্তমান প্যাকেজে ৫০টি এম ওয়ান ওয়ান থ্রি ট্রান্সপোর্ট অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ৩ জন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এখনও সহায়তা প্যাকেজের ফাইলে স্বাক্ষর করেননি। তিনি স্বাক্ষর করলেই যতদ্রুত সম্ভব এসব অস্ত্র পাঠানো হবে ইউক্রেনে।

নতুন এই সহায়তা প্যাকেজে আরও উল্লেখ করা হয়েছে—  জার্মানির রামস্টেইনে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটির কাছে মার্কিন সেনাদের জন্য যে সামরিক হাসপাতাল রয়েছে, সেখানে এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের পাশপাশি ইউক্রেনের যুদ্ধাহত সেনাদেরও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণায়ালের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ ক্ষমতা প্রেসিডেন্সিয়াল ড্রডাউন অথরিটির (পিডিএ) অধীনে পাঠানো হচ্ছে এই প্যাকেজ। পিডিএর আওতায় যদি কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনো দেশে সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নেন, সেক্ষেত্রে তাকে দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

শনিবার ১৬২তম দিনে গড়িয়েছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। এই চার মাস সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লুহানস্ক, ইউক্রেনের দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম, মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে।

সম্প্রতি হামলার মাত্রা আরও তীব্র করেছে রুশ বাহিনী। গত জুনে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, রুশ হামলায় প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হচ্ছেন।


এসএমডব্লিউ




ইউক্রেন   রাশিয়   যুদ্ধ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রোববার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রোববার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার

রোববার (১৪ আগস্ট) ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। ৪ দিনের এই সফরে তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ঢাকা। তবে ব্যাচেলেটের সফর ঘিরে সরকারের ওপর অযথা চাপ সৃষ্টির উপলক্ষ হিসেবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার কিছু দৃশ্যমান রাজনৈতিক  উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে বাংলাদেশ।

শনিবার (১৩ আগস্ট) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের ঢাকা সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে মানবাধিকার এজেন্ডার রাজনীতিকরণ কখনই জনগণের মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় সাহায্য করে না। বরং আন্তরিক সংলাপ এবং সহযোগিতা হলো এর মূল পথ। সুতরাং সরকারের ওপর অযথা চাপ সৃষ্টির উপলক্ষ হিসেবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার কিছু দৃশ্যমান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ জাতিসংঘের একটি দায়িত্বশীল এবং প্রতিক্রিয়াশীল সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার জন্য হাইকমিশনারের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার জন্য উন্মুখ।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে হাইকমিশনার অবগত রয়েছেন। বাংলাদেশ মানবাধিকারের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের এ সফরে বাংলাদেশের জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও দেশীয় আইনি কাঠামো আপডেট করা, সচেতনতা তৈরি করা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে সংবেদনশীল করার মাধ্যমে জনগণের মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারের জন্য সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হবে।

এতে আরও বলা হয়, ঢাকা দৃঢ়ভাবে আশা করে যে জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার প্রধান স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবেন কীভাবে মানবাধিকার ঠিক রেখে বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রা সামনে এগিয়ে নিচ্ছে। চলমান মহামারি সত্ত্বেও দেশে কেউ অনাহারে মারা যায়নি। ১৬৫ মিলিয়নের দেশ বাংলাদেশ গৃহহীনদের প্রায় এক মিলিয়ন বাড়ি দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। সামাজিক নিরাপত্তা সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ১০ মিলিয়নেরও বেশি পরিবার খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ পাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ মানুষের জন্য খাদ্য, বাসস্থান ও উন্নয়নের অধিকার ইত্যাদি মৌলিক মানবাধিকারের প্রচার করছে। এছাড়াও বাংলাদেশে শপিংমল, স্কুল বা উপাসনালয়ে কেউ নিহত হচ্ছে না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, জাতীয় প্রেক্ষাপট, বিশেষ করে মহামারী ও অন্যান্য ক্রমবর্ধমান সংকটের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জনগণের শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষণাবেক্ষণ, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মতো প্রতিবন্ধকতাগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে সফরটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ হবে।

সফরে তিনি সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, যুব প্রতিনিধি, সিএসও নেতা এবং শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। হাইকমিশনার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। এছাড়া তিনি কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। এতে করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সুযোগ হবে হাইকমিশনারের। আর এটি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ তাদের এজেন্ডায় আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে।   



মিশেল ব্যাচেলেট   ঢাকা   জাতিসংঘ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পার্থ ও অনুব্রত কারো ফোনে সাড়া দেননি মমতা

প্রকাশ: ০৯:৩৭ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail পার্থ ও অনুব্রত কারো ফোনে সাড়া দেননি মমতা

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডল। শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির আভিযোগে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস। গত ২২ জুলাই (শুক্রবার) গভীর রাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশির পরে তাকে গ্রেপ্তার করে ইডি। সেই সময় ইডির কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তিনি যে কাউকে ফোন করতে পারেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী পরে জানা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন ধরেননি। বৃহস্পতিবার বোলপুরের নিচু পট্টির বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। সিবিআই-এর জালে পড়ার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ফোন ধরেননি। 

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যেমন মমতার অবস্থার পরিষ্কার ছিল, অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে এখনও অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডলকে যে আলাদা করছেন না, তা বুঝিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অনুব্রত মন্ডলকে বৃহস্পতিবার গরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনুব্রতর শক্তিশালী ঘাঁটি বীরভূম থেকে তুলে নেওয়ার আগে তৃণমূলের এই নেতাকে বাড়িতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের কর্মকর্তারা। এ পরিস্থিতির মধ্যেই  আবার বাড়তি সঙ্কট যোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আরেক প্রভাবশালী নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তিনি দল ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। 

সবমিলিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে মমতার তৃণমূল। 


পার্থ চট্টোপাধ্যায়   অনুব্রত   মমতা ব্যানার্জী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ট্রাম্পের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ সেট অতি গোপনীয় নথি জব্দ

প্রকাশ: ০৯:১৫ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ট্রাম্পের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ সেট অতি গোপনীয় নথি জব্দ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ সেট অতি গোপনীয় নথি জব্দ করেছে এফবিআই।

নথি জব্দের বিষয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। নথিগুলোতে গোপন কিছুই নেই। তার কাছে চাইলেই দিয়ে দেওয়া হতো।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) ট্রাম্পের পাম বিচের মার-এ-লাগো রিসোর্টে তল্লাশি চালিয়ে নথিগুলো উদ্ধার করা হয়। নথিগুলোর একটি তালিকা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে একজন বিচারক সাত পৃষ্ঠার নথি মুক্ত করেন। এরপর নথিগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ তল্লাশি পরোয়ানার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বিচারককে অনুরোধ জানান। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই গত সোমবার (৮ আগস্ট) মার-এ-লাগোতে তল্লাশি চালায় এফবিআই।

যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক কোনো প্রেসিডেন্টের বাড়িতে এভাবে এফবিআইয়ের তরফে অভিযান পরিচালনাকে অভূতপূর্ব বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমগুলো। এদিকে রিপাবলিকান পার্টির নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তল্লাশি অভিযানকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখছেন। তিনি তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক বিবৃতিতে বলেছেন, উদ্ধারকৃত আইটেমগুলো ‘সব ডিক্লাসিফাইড’ এবং নিরাপদে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।



ট্রাম্প   এফবিআই  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভেন্টিলেশনে সালমান রুশদি

প্রকাশ: ০৮:৪৮ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ভেন্টিলেশনে সালমান রুশদি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে হামলার স্বীকার বুকারজয়ী লেখক সালমান রুশদিকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তিনি কথা বলতে পারছেন না। 

সালমান রুশদির শারীরিক অবস্থার বিষয়ে এক বিবৃতিতে এসব জানিয়েছেন তার এক কর্মকর্তার। 

অ্যান্ড্রু ওয়াইলি নামে রুশদির ওই কর্মকর্তা এক বিবৃতিতে বলেছেন,  দ্য স্যাটানিক ভার্সেস-এর রচয়িতা ঔপন্যাসিক সালমান রুশদি একটি চোখ হারাতে পারেন।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রে ছুরিকাহত হন সালমান রুশদি। শুক্রবার (১২ আগস্ট) নিউইয়র্কের শিটোকোয়া ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানমঞ্চে কথা বলছিলেন তিনি। এ সময় তার ঘাড়ে এক হামলাকারী ছুরিকাঘাত করেন। পরে হেলিকপ্টারে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। এই ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ হাদি মাতার (২৪) নামে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করেছে। 

পুলিশ বলছে, হামলাকারী মঞ্চে উঠে রুশদি ও তার সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীর ওপর হামলা চালান। রুশদির ঘাড়ে ছুরি দিয়ে বেশ কয়েকটি আঘাত করা হয়েছে। পরে হামলাকারীকে ধরে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।



অ্যান্ড্রু ওয়াইলি বলেন, ‘সালমান সম্ভবত একটি চোখ হারাতে পারেন। তাঁর বাহুর স্নায়ু বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তাঁর পাকস্থলী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ বই লেখার জন্য এ ঔপন্যাসিকের নামে ১৯৮৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছিলেন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনি। এ বইয়ের জন্য ৯ বছর তাকে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিল।   

একই বইয়ের কারণে নব্বইয়ের দশকে ইতালির মিলানে রুশদির ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’-এর জাপানি অনুবাদক হিতোসি ইগারাসিকে ছুরি মেরে খুন করা হয় টোকিয়োর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত এ ঔপন্যাসিক ১৯৮১ সালে মিডনাইট'স চিলড্রেন লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যেই এর এক মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইউক্রেন থেকে গম রফতানি শুরু

প্রকাশ: ০৮:৩৬ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইউক্রেন থেকে গম রফতানি শুরু

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেন থেকে প্রথমবারের মতো গম রফতানি শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১২ আগস্ট) দুটি জাহাজ দেশটির কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর ছেড়ে যায়। এর একটিতে গম বোঝাই ছিল। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গত মাসে (২২ জুলাই) রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শস্য রফতানি বিষয়ে একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়।

চুক্তির আওতায় ১ আগস্ট ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর ত্যাগ করে শস্যবাহী প্রথম জাহাজ। সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী পণ্য বোঝাই প্রথম জাহাজ রেজোনি লেবাননের উদ্দেশে ওডেসা বন্দর ছাড়ে। জাতিসংঘ এক বিবৃতিতে জানায়, জাহাজটিতে ২৬ হাজার টন ভুট্টা ছিল। এ পর্যন্ত মোট ১৪টি জাহাজ বন্দর ছেড়ে গেছে। কারণ এর আগে ১২টি জাহাজ অন্যান্য খাদ্যপণ্য নিয়ে ইউক্রেন ত্যাগ করে।

শুক্রবার তুর্কি মন্ত্রণালয় জানায়, বেলিজ-পতাকাবাহী সোরমোভস্কি ৩ হাজার ৫০ টন গম নিয়ে ইউক্রেনের চোরনোমর্স্ক বন্দর ছেড়েছে। এটির গন্তব্য তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় টেকিরদাগ প্রদেশ। এছাড়া মার্শাল দ্বীপ-পতাকাবাহী স্টার লরা ৬০ হাজার টন ভুট্টা নিয়ে ইরানের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে। জাহাজটি ইউঝনি শহরের পিভডেনি বন্দর থেকে ছেড়েছে। 

সূত্র : ডেইলি সাবা/ইউএস নিউজ


যুদ্ধ   ইউক্রেন   গম   রফতানি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন