ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

জো বাইডেনের সঙ্গে একান্ত আলাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ১১:০১ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউ ইয়র্কে আগত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক নৈশভোজের আয়োজন করেন। গতকাল বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আমেরিকার মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।  অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তাঁর পত্নী জিল বাইডেন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জো বাইডেন ও তার পত্নী জিল বাইডেন ছবি তুলেন।

এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়। এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সম্মতিহীন সব যৌন সম্পর্ক ধর্ষণ

প্রকাশ: ০৩:৩৮ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সুইজারল্যান্ডের বিদ্যমান আইনে ধর্ষণের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা বিস্তৃত করার পক্ষে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ রায় দিয়েছে। ‘শুধু হ্যাঁ মানেই হ্যাঁ’ অর্থাৎ সম্মতিবিহীন সব যৌন সম্পর্ককে ধর্ষণ বলে বিবেচনা করার প্রস্তাবটি গতকাল সোমবার পাস হয়েছে। তবে ধর্ষণ আইনে পরিবর্তন আনতে আরও কিছু ধাপ পেরোতে হবে। খবর এএফপির।

দেশটিতে বর্তমানে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো নারীকে নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যৌন সম্পর্ক করলে তা ধর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ওই নারী জোর জবরদস্তিকে একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত ঠেকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেই কেবল সেটিকে ধর্ষণ বলে বিবেচনা করা হয়।

তবে সুইজারল্যান্ডে অনেকেই মনে করেন, বিদ্যমান আইনে ধর্ষণের যে সংজ্ঞা দেওয়া আছে, তা সংশোধন করা প্রয়োজন। শুধু যৌন নিপীড়নের মাত্রা কেমন কিংবা যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তি নিপীড়নকারীকে কতটা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছেন, তা বিবেচনা না করে সম্মতিবিহীন সব ধরনের যৌন সম্পর্ককেই ধর্ষণের আওতাভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তবে সম্মতি আছে কি নেই, তা কীভাবে নির্ধারণ করা হবে—এ ব্যাপারে সুইজারল্যান্ডে ব্যাপক বিতর্ক আছে। কেউ কেউ মনে করেন, ‘না মানেই না’–এ নীতি মেনে চলতে হবে। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি যদি যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে সুস্পষ্ট করে আপত্তি জানায়, তবে বুঝতে হবে তাঁর সম্মতি নেই।

চলতি বছরের শুরুর দিকে সুইজারল্যান্ডের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ কাউন্সিল অব স্টেটসে এ নিয়ে ভোটাভুটি হয়। গতকাল নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল কাউন্সিলে ভোটাভুটি হলো। এদিন আরও সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে ‘শুধু হ্যাঁ মানে হ্যাঁ’। অর্থাৎ যৌন সম্পর্ক স্থাপনে সুস্পষ্ট সম্মতি থাকতে হবে।

গতকাল ‘শুধু হ্যাঁ মানে হ্যাঁ’-এর পক্ষে ৯৯টি ভোট পড়েছে। ৮৮ জন এর বিরোধিতা করেছেন। ভোটদানে বিরত ছিলেন ৮৮ জন।

এদিন পার্লামেন্টে বিতর্ক চলার সময় অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
সুইজারল্যান্ডে সোশ্যালিস্ট দলের সদস্য তামারা ফুনিসিয়েলো পার্লামেন্টে বলেন, ‘আপনি নিশ্চয় আপনার প্রতিবেশীকে না বলে তাঁর ওয়ালেট থেকে টাকা বের করে নেবেন না। নিশ্চয় আপনি বেল না বাজিয়ে কারও ঘরে ঢুকবেন না। সুরক্ষার প্রশ্নে আমার ওয়ালেট এবং আমার ঘর কীভাবে আমার শরীরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়?’
সুইজারল্যান্ডের গ্রিন পার্টির এমপি মাহাইম বলেন, ‘অন্য ব্যক্তির দেহ কখনোই খোলা বার নয়।’

তবে ডানপন্থী পার্লামেন্ট সদস্যদের অনেকে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এটি বিভ্রান্তি তৈরি করবে। আর তা চর্চা করাটাও কঠিন হবে।
গতকাল সুইজারল্যান্ডের পার্লামেন্টে হওয়া ভোটাভুটির ফলাফল নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরও কিছু পথ পাড়ি দিতে হবে। ধর্ষণের সংজ্ঞাকে বিস্তৃত করার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে পার্লামেন্টের দুই কক্ষকে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। এরপর সুইজারল্যান্ডের প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার আওতায় পপুলার ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সুইজারল্যান্ডের মতো স্পেন, সুইডেন, ডেনমার্ক, বেলজিয়ামসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ ধর্ষণের সংজ্ঞাকে বিস্তৃত করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে।

 


ধর্ষণ   সম্মতি   আইন   সুইজারল্যান্ড  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচন করবেন বাইডেন?

প্রকাশ: ০৩:০১ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে জো বাইডেন থাকবেন কি না তা আগামী বছর  শুরুর (২০২৩) দিকে জানা যাবে। বাইডেনের প্রধান সহযোগী (চিফ অব স্টাফ) রন ক্লেইন এই তথ্য জানিয়েছেন।

আগামী ২০২৪ সালে ‍যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নির্বাচন করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ২০২৪ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন।

বাইডেনের প্রধান সহযোগী রন ক্লেইন বলেছেন, বাইডেন তার পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করছেন। নববর্ষের ছুটি উদযাপন শেষে তিনি তার সিদ্ধান্ত জানাবেন।

৮০ বছর বয়সে ইতোমধ্যে বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্টের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে পদ ছাড়ার সময় তার বয়স হবে ৮৬ বছর।  

বাইডেনের সহযোগী রন ক্লেইন বলেছেন, প্রার্থী হবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত বাইডেনের নিজের। তবে দেশের অসংখ্য ডেমোক্রেটস তাকে প্রার্থী হিসেবে চান। 



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বালি-জাভা দ্বীপপুঞ্জ

প্রকাশ: ০১:৫০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দেশটির বালি ও জাভা দ্বীপপুঞ্জে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.২।

ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

সংস্থাটি জানিয়েছে, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পটি পূর্ব জাভা প্রদেশের দক্ষিণ উপকূলে এবং বালির ডেনপাসারের ৩০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ভূখণ্ডের ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল) গভীরতায় আঘাত হানে। তবে এই ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনও আশঙ্কা করা হয়নি।

ভূমিকম্পের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া পোস্টে বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পূর্ব জাভা প্রদেশ এবং বালিতে তীব্রভাবে কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের ফলে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা তা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপদেশ ইন্দোনেশিয়ার জন্যসংখ্যা সাড়ে ২৭ কোটির বেশি। ভূতাত্ত্বিক অবস্থার কারণে নিয়মিতই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে ভূমিকম্প, অগ্নুৎপাত ও সুনামির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটে থাকে।

এর আগে গত ২১ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে প্রাথমিকভাবে ৫৬ জনের প্রাণহানির তথ্য জানানো হয়। পরে এই ভূমিকম্পে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১০ জনে। আহত হয়েছিলেন আরও বহু মানুষ।

এর আগে ২০০৯ সালে পাদাংয়ে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৬ মাত্রার এক ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই সময় প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এক হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং আহত হন আরও অনেকে। এছাড়া ভূমিকম্পে বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে যায়।


ভূমিকম্প   ইন্দোনেশিয়া   বালি   জাভা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

২০২৩ সালের ব্যাবসার মূল চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি-মন্দা

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বিগত কয়েক বছর ধরে বড় ধরনের উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, মহামারি ও যুদ্ধ-সবগুলো অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে অব্যাহত। এখনো বিশ্বের সামনে আশার কোনো খবর নেই। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক স্থবিরতার মতো দুই শত্রু দৃশ্যমান। এখন থেকেই এগুলোর বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে।

সবশেষ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সত্তরের দশকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে আজকের দিনে যারা কোম্পানিগুলোর নির্বাহী পদে আছেন তাদের কী করা উচিত বা কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় কোম্পানিগুলো এরই মধ্যে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। ২০২২ সালে বেশ কিছু কারণে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের মূল্য কমে যায়। মোটর কোম্পানি ফোর্ড জানায়, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের ব্যয় হয় এক বিলিয়ন ডলার, যা পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। ইউরো অঞ্চলের কোম্পানিগুলোতে উৎপাদন মূল্য বার্ষিকভিত্তিতে ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। সেখানে জ্বালানির মূল্য বাড়ায় এমন হয়েছে। তবে আশার কথা হলো উৎপাদন খরচ বাড়লেও ভোক্তাদের চাহিদা এখনো শক্তিশালী পর্যায়ে রয়েছে। কারণ করোনা মহামারির সময় শুরু করা সরকারগুলোর বিভিন্ন ধরনের প্রণদনা এখনো চলমান রয়েছে, যা আমেরিকার ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।

লাভ ধরে রাখতে ২০২৩ সালে ব্যবস্থাপকরা দুইটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হবে। প্রথমটি হচ্ছে উৎপাদন খরচের ব্যপক বৃদ্ধি। যদিও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি বন্ধ হতে পারে। তারপরও এমন একটি অবস্থানে এটি থাকবে যা মজুরি ও অন্যান্য মূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

দ্বিতীয় চাপটি আসতে পারে চাহিদার পতনের মধ্যে দিয়ে। ইউরোপের সরকারগুলো পদক্ষেপ নিলেও ভোক্তারা কম ব্যয় করবে। কারণ তাদের ক্রয় ক্ষমতা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বাড়ানোর ফলে চাপে পড়তে যাচ্ছে অর্থনীতি। পরামর্শ প্রতিষ্ঠান ডেলোটির করা এক জরিপে দেখা গেছে, ৩৯ শতাংশ আর্থিক কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে স্থবিরতার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু ৪৬ শতাংশ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র আসলে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে।

স্থবিরতার বিভিন্ন উপাদান যেহেতু অনিবার্য। তাই কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা মিশ্র কৌশল প্রণয়ন করবে। তাদের অনেকেই উৎপাদন ব্যয় ভোক্তাদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করবে। ২০২২ সালে ম্যাকডোনাল্ডস ১৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ব্রিটেনে চিজবার্গারের দাম বাড়িয়েছে। অন্যান্য কোম্পানিও একই পথে হেঁটেছে। তবে এই বিষয়টি স্বস্তিদায়ক নয়। কারণ এতে ভোক্তরা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা কোম্পানির মার্কেট শেয়ার বা আয় কমিয়ে দিতে পারে।

মূল্য বাড়িয়ে অনেক কোম্পানিই ভালো করতে পারবে না। কারণ ভোক্তারা দূরে সরে যেতে পারে। তাই অনেকে সংকোচন নীতি বাস্তবায়ন করবে। যেমন- চকলেট আকারে ছোট করে মূল্য একই রকম রাখবে। কেউ কেউ দক্ষতা লাভের মাধ্যমে খরচ ধরে রাখতে চাইবে। জ্বালানি ব্যয় বাড়ার ফলে এরই মধ্যে ইউরোপের কোম্পানিগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যেও অনেক ভালো কোম্পানির আবির্ভাব হবে। তাছাড়া অসুবিধায় থাকা বিনিয়োগকারীরা ক্রমবর্ধমান ব্যয় ও বাজার শেয়ারের ধসে নেতৃত্বে থাকা কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুত করবে। কিন্তু সমস্যার মধ্যে যারা ভালো করবে তাদের সুনাম অনেক বেড়ে যাবে।


ব্যবসা   কোম্পানি   মন্দা   মুদ্রাস্ফীতি   বিশ্ব বাণিজ্য  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কঙ্গোয় ২৭২ জন বেসামরিক লোক হত্যা করেছে বিদ্রোহীরা

প্রকাশ: ১০:৫৩ এএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে কিশিশে শহরে গণহত্যা চালানো হয়েছে। অন্তত ২৭২ জনকে হত্যা করেছে বিদ্রোহীরা। সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর আল জাজিরা।

গত ২৯ নভেম্বর ওই গণহত্যার ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী জানায়, এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও তাদের সহযোগীরা এ গণহত্যা চালিয়েছে। তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি এই অভিযোগ অস্বীকার করে।

সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে বলা হয়, কমপক্ষে ৫০ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। তবে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) শিল্পমন্ত্রী জুলিয়েন পালুকু এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, কিশিশে গণহত্যায় ২৭২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে বহু শিশু ও নারী রয়েছে।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করে কঙ্গো সরকার যা শনিবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে পালন শুরু হয়। মধ্য-আফ্রিকার দেশটির পূর্বাঞ্চলে কয়েক মাস ধরে সেনাবাহিনী ও জাতিগত তুতসি গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়া বাহিনী এম২৩-এর মধ্যে লড়াই চলছে। এতে ওই এলাকাটি চরম অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

গোষ্ঠীটি বহু বছর নিষ্ক্রিয় ছিল। তবে গত বছরের নভেম্বরে তারা আবারও সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করে। চলতি বছরের জুনে তারা উগান্ডার সীমান্তবর্তী বুনাগানা শহর দখল করে নেয়। অল্প সময় শান্ত থাকার পর গোষ্ঠীটি অক্টোবরে আবারও আক্রমণ শুরু করে, ব্যাপক অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে থাকে।

সরকার বলছে, তাদের ক্ষুদ্র প্রতিবেশী রুয়ান্ডা এম-২৩ গোষ্ঠিকে সমর্থন করছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারাও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এমনই ইঙ্গিত করেছেন। তবে কিগালি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।


কঙ্গো   বিদ্রোহী   বেসামরিক হত্যা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন