ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৭ মাসের গর্ভবতীকে পেট চিরে খুন, নেপথ্যে কুসংস্কার!

প্রকাশ: ০১:১০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ৭ মাসের গর্ভবতীকে পেট চিরে খুন, নেপথ্যে কুসংস্কার!

ঘটনাটি ব্রাজিলের সাও পাওলোর। সেখানে ২৪ বছরের এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম ওহানা ক্যারোলিন। তিনি সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন।

জানা গেছে, ভয়ঙ্করভাবে খুন করা হয়েছে তাকে। দেখে শিউরে উঠেছে পুলিশও। পেট চিরে ফেলা হয়েছে তার। পুলিশ মনে করছে, কোনও কুসংস্কার বা ভয়ঙ্কর প্রথার কারণেই এমন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন সন্তানের জননী ওহানা। চতুর্থ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছিলেন তিনি। ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

২১ সেপ্টেম্বর ব্রাজিলের সাও পাওলোর পোর্টাল ডস লাগোসে ওহানার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তার পেট এমনভাবে চিরে ফেলা হয়েছিল যে, ভিতরের সব অন্ত্র দেখা যাচ্ছিল।

কিন্তু ওহানার গর্ভস্থ সন্তান কোথায় গেল? তা নিয়ে মুখ খোলেনি পুলিশ।

ওহানার মৃতদেহের গায়ে জড়ানো ছিল একটা টিশার্ট। নিম্নাঙ্গ অনাবৃত ছিল। মরদেহের পাশে ছড়ানো ছিল স্থানীয় কিছু মুদ্রা, রক্তে ভেজা ওহানার হাফ প্যান্ট ও জুতা।

যে জায়গায় ওহানার মৃতদেহ পাওয়া গেছে, তা সন্দেহ বাড়িয়েছে পুলিশের। ওই এলাকায় বেশ কিছু গির্জা রয়েছে। সেই গির্জায় ভিন্ন মতবাদের চর্চা হয়। পুলিশ মনে করছে, ‘ম্যাকাব্র প্রথা’র বলি হয়েছেন ওহানা।

ওহানার মরদেহ মিলেছে জঙ্গলে। যে জায়গায় লাশ মিলেছে, সেই খোলা জায়গায় প্রার্থনা করেন বিভিন্ন মতাবলম্বী মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, ওই জায়গা কুসংস্কারের আখড়া। অনেক বেআইনি কাজও নাকি হয় সেখানে।

ওহানার সাবেক স্বামী এসে তার মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনিই তার তিন সন্তানের বাবা। কয়েক মাস আগে তার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে ওহানার। তার পর থেকে তিন সন্তানকে নিয়ে আলাদা থাকতেন ওহানা।

বিচ্ছেদের পর নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন ওহানা। তার বর্তমান প্রেমিককেও জেরা করেছে পুলিশ। কিন্তু প্রাথমিকভাবে তাকে সন্দেহভাজনের তালিকায় রাখা হয়নি।

ওহানার এক বন্ধু বলেন, “ও খুব মিষ্টি মেয়ে ছিল। কিন্তু সম্প্রতি একটি খারাপ দলের পাল্লায় পড়েছিল। তাই আমি ওঁর সঙ্গে দূরত্ব রেখে চলছিলাম।” এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।

আরেক বন্ধু জানিযেছেন, মৃত্যুর দিন ওহানাকে একটি কালো গাড়িতে দেখেছিলেন তিনি।

আরও কয়েক জন প্রত্যক্ষদর্শীও একই কথা জানিয়েছেন। সকলেই প্রায় একযোগে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাত তিনটার দিকে ওই কালো গাড়িতে ওহানাকে দেখেছিলেন তারা। দেখেছিলেন ওই জঙ্গলেরই আশেপাশে।

ঠিক কী অস্ত্র দিয়ে ওহানার পেট চিরে ফেলা হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে তা জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই ‘ম্যাকাব্র প্রথা’ আসলে কী? মূলত কুসংস্কারের ফাঁদে পড়ে অনেক সময় কাউকে খুন। অনেক সময়ই ভয়ঙ্করভাবে খুন করা হয়। তারপর সেই মরদেহের পরিণতিও হয় ভয়ঙ্কর। এখনও কয়েকটি জনজাতি রয়েছে, যারা মৃতদেহ খেয়ে ফেলে। কেউ আবার মৃতদেহ কেটে পাখিকে খেতে দেয়। কেউ আবার মরদেহ নিয়ে ‘কালো জাদু’ চর্চা করে। আর এই সব প্রথার নেপথ্যে থাকে মৃত্যুভয়। এরা চায়, মৃত্যু যেন কোনওভাবেই তাদের ছুঁতে না পারে।

ব্রাজিল পুলিশ মনে করছে, ওহানার মৃত্যুর নেপথ্যেও রয়েছে এ রকমই কিছু অদ্ভুত প্রথা বা চর্চা। তবে বিষয়টি নিয়ে তারা বিস্তারিত কিছু বলতে চায়নি।


বিশ্ব   হত্যা   ব্রাজিল   কুসংস্কার   গর্ভবতী   লাশ উদ্ধার   হত্যা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিক্ষোভে প্রাণহানি নিয়ে মুখ খুললো ইরান

প্রকাশ: ০৯:২৫ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ইরানের চলমান বিক্ষোভ নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছে ইরান। দেশটিতে চলা বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ২০০ এর অধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বলে এক অফিসিয়াল বার্তায় জানিয়েছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভের পর এই প্রথম মুখ খুলল ইরান। 

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা কাউন্সিল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর আল জাজিরা। 

এতে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছে। যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে গিয়ে নিহতের শিকার হন। 

নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় সাধারণ মানুষও মারা গেছে। কারণ তারা দেশের নিরাপত্তা নষ্ট করার সঙ্গে যুক্ত ছিল। তবে কীভাবে তাদের হত্যা করা হয়েছে সে সম্পকে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। 

নিরাপত্তা বাহিনীর এ ঘোষণার পর ইরানের ইসলামি রেভুলেশনারি গার্ড ক্রপস (আইআরজিসি) এর একজন উচ্চ পর্যায়ের জেনারেল আমিন আলি হাজিজাদে বলেন, বিক্ষোভে প্রায় ৩০০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

তবে ইরান যে মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করেছে তা আন্তর্জাতিক সংস্থার দেওয়ার তথ্যের চেয়ে অনেক কম। 

গত সেপ্টেম্বরে পুলিশ হেফাজতে মাহশা আমিনির মৃত্যুর অভিযোগে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। ২২ বছর বয়সী মাহশা আমিনি যথাযথভাবে ধর্মীয় পোশাক না পড়ায় তাকে দেশটি নৈতিক পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

ইরান এই বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রম, ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য এবং সৌদি আরবের ষড়যন্ত্রকে দায়ী করেছেন। 

ইরান   মাহশা আমিনি   হিজাব  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পুতিনের –বাইডেনের বৈঠক বাতিল

প্রকাশ: ০২:৫০ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর সামরিক অভিযান বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন; কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আপাতত সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন কিরবি শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘এই মুহূর্তে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সংলাপে বসার কোনো অভিপ্রায় বা পরিকল্পনা আমাদের প্রেসিডেন্টের নেই এবং তার প্রধান কারণ পুতিন।’

‘পুতিন (বাইডেনের সঙ্গে) কোনো প্রকার সংলাপে যেতেই আগ্রহী নন; বরং প্রকৃতপক্ষে তিনি এর উল্টোটাই চান। আমাদের প্রেসিডেন্টও এ ব্যাপারটি লক্ষ্য করেছেন।’

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন জো বাইডেন। সেখানে তিনি বলেন, ভ্লাদিমির পুতিন যদি সত্যিই ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী হন, সেক্ষেত্রে তিনি পুতিনের সঙ্গে সংলাপে বসতে প্রস্তুত আছেন।

মার্কিন ও ইউরোপীয় রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি এতটা অকপট ও খোলা মনের পরিচয় দিয়েছেন বাইডেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন অবশ্য বাইডেনের এই প্রস্তাবে তেমন ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। শুক্রবার মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি ও মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘বাইডেন এখনও ঝাপোরিজ্জিয়া, খেরসন, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে রাশিয়ার অংশ বলে স্বীকৃতি দেননি, এবং তিনি মূলত চান— পুতিন যেন ইউক্রেন ত্যাগ করেন। নিশ্চিতভাবেই এই শর্ত মস্কোর পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।’

হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে জন কিরবিকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন— যদি বাইডেনের সঙ্গে পুতিনের সংলাপ না হয়, সেক্ষেত্রে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সংলাপের কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কিনা।

উত্তরে কিরবি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকের জন্যে আমাদের তরফ থেকে কোনো চাপ দেওয়া হবে না, রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপে বসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন কেবল তিনিই।’

‘তবে পুতিন যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নেন এবং ইউক্রেন থেকে সরে যান, সেক্ষেত্রে যুদ্ধ এখনই বন্ধ হতে পারে। ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর উপস্থিতি থাকা উচিত নয়।’


ইউক্রেন যুদ্ধ   পুতিন-বাইডেন বৈঠক   রাশিয়া   ওয়াশিংটন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউরোপ শক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ফিনল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১:৩৮ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য ইউরোপ ‌‘যথেষ্ট শক্তিশালী নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন। এ ক্ষেত্রে ইউরোপকে মার্কিন সমর্থনের উপর নির্ভর করতে হয়েছে।

সানা বলেন, ‘কঠিন হলেও সত্যটাই স্বীকার করতেই হবে যে ইউরোপ এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আমরা সমস্যায় পড়ব।‘

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি থিংক ট্যাংকে বক্তৃতা প্রদানের সময় ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউরোপের প্রতিরক্ষা জোরদার করতে হবে। এ বিষয়ে আরও বেশি পদক্ষেপ নিতে হবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‌‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। হামলার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি অর্থ, প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে ইউক্রেনকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসের যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্সের একটি গবেষণা ব্রিফিংয়ের তথ্যানুয়ায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ১৮.৬ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

কিয়েল ইনস্টিটিউটের তথ্যানুয়ায়ী ইউক্রেনকে সহায়তার দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এরপর যুক্তরাজ্যের অবস্থান।

শুক্রবার সিডনিতে বক্তৃতাকালে সানা মারিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে প্রচুর অস্ত্র, আর্থিক সহায়তা, মানবিক সহায়তা দিয়েছে। এমন সমস্যা মোকাবেলায় ইউরোপ এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ইউরোপকে অবশ্যই প্রতিরক্ষা, প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্ষেত্রে এই সক্ষমতা তৈরি করতে হবে যাতে বিভিন্ন ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব হয়।


ইউক্রেন যুদ্ধ   ইউরোপ   ফিনল্যান্ড  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বাস চালাতে চালাতেই চালকের হার্ট অ্যাটাক

প্রকাশ: ১১:২৩ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাস চালাতে চালাতেই অসউস্থ হয়য়ে স্টিয়ারিংয়ের উপর ঢলে পড়েন চালক। নিয়ন্ত্রণহীন বাস এরপর সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একের পর এক গাড়িতে ধাক্কা মারে। এতে মৃত্যু হয় এক পথচারীর। আহত হন একাধিক ব্যক্তি। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরে ওই বাস থেকে উদ্ধার করা হয় চালকের মরদেহ।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে। বাসটির চালকের নাম হরদেব পাল (৬০)। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকেই হয়েছে

জবলপুর শহরের একটি ট্র্যাফিক সিগন্যালের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছে একাধিক মোটরসাইকেল এবং অটোরিকশা। আচমকা পিছন থেকে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেগুলোকে ধাক্কা মারে। 

পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাসটি চালাচ্ছিলেন হরদেব নামের এক চালক। তিনি গত দশ বছর ধরেই শহরে ‘মেট্রো বাস’ চালান। আচমকাই বাস চালাতে চালাতে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ঢলে পড়েন স্টিয়ারিংয়ের উপর।

আরও জানা গেছে, ওই বাসের যাত্রী এবং দুই শিশু-সহ মোট ছ’জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি এক বৃদ্ধকেও ধাক্কা মারে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। তবে বাসের গতি কম থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি পুলিশের।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ব্রাজিলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ অর্ধশতাধিক

প্রকাশ: ১০:৫৫ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সান্তা ক্যাতারিনা প্রদেশ ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কবলে পড়েছে। এতে এখন পর্যন্ত দুইজনের প্রাণহানি এবং অর্ধশতাধিক নিখোঁজ হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি বিভাগ।

জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে সান্তা ক্যাতারিনায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি এবং স্থাপনা। ধ্বংস হয়ে গেছে বহু সড়ক। বাস্তুচ্যুত অন্তত ৭’শ বাসিন্দা। দুর্দশাগ্রস্ত এসব বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে আশ্রয়কন্দ্রে। 

দুর্যোগ কবলিত এলাকায় যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স টিম। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চালানো হচ্ছে উদ্ধারকাজ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অভিযান। 

প্রতি বছরই এই সময়টাতে বন্যা কবলিত হয় ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সান্তা ক্যাতারিনা প্রদেশের এই অঞ্চলটি। স্থানীয়দের দাবি, পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতেও ঝুঁকি এড়াতে কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপের অভাব রয়েছে।

 


ব্রাজিল   বন্যা   ভুমিধস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন